মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:২৮ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের রাজধানী কলম্বাসে একটি মসজিদের সংলগ্ন আবাসিক এলাকায় গুলির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় অন্তত একজন নিহত হয়েছেন। তবে পুলিশ জানিয়েছে, গোলাগুলির ঘটনায় মসজিদ বা সেখানে উপস্থিত মুসল্লিদের কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। খবরটি এনডিটিভি থেকে পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সময় সোমবার (১৯ অক্টোবর) গুলির ঘটনার পর কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। যুক্তরাষ্ট্রের অ্যালকোহল, তামাক, আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরকবিষয়ক ব্যুরো (এটিএফ)ও সেখানে উপস্থিত ছিল।
পুলিশ পরে জানায়, গোলাগুলি মসজিদের ভিতরে নয়, বরং এর পাশের একটি অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সের পার্কিং এলাকা থেকে সংঘটিত হয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তা সার্জেন্ট জেমস ফুকুয়া বলেন, "দুর্ভাগ্যজনকভাবে, মসজিদে তখন একটি অনুষ্ঠান চলছিল, যার বাইরের ঘটনার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক ছিল না।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন, "বিষয়টি স্পষ্ট করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে, এই গোলাগুলি মসজিদে হামলার কোনো ঘটনা ছিল না।"
এ ঘটনায় বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য যোগাযোগ করা হলেও, এটিএফ তাৎক্ষণিকভাবে কোন মন্তব্য করেনি। গোলাগুলির কারণ বা এ ঘটনায় কেউ আটক হয়েছেন কি না, সে সম্পর্কে কোনো বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুদানের বিভিন্ন অঞ্চলে ড্রোন হামলার ফলে সাম্প্রতিক কয়েকদিনে ১৬০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
এ তথ্য চিকিৎসাকর্মী ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সূত্রে জানা যায়।
নিহতদের মধ্যে শিশু এবং বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিরাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। দেশটির সেনাবাহিনী এবং আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) মধ্যে চলমান সংঘর্ষে ড্রোনের ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় বেসামরিক মানুষের প্রাণহানির ঘটনা বেড়ে যাচ্ছে।
সোমবার রাজধানী খার্তুমে ড্রোন হামলায় তিনটি শিশু নিহত হওয়ার খবর দিয়েছে ‘ইমার্জেন্সি লইয়ার্স’। এই সংগঠনটি সুদানের গৃহযুদ্ধে বেসামরিক মানুষের ওপর সহিংসতার ঘটনা পর্যবেক্ষণ করে।
তাদের তথ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার থেকে দেশের পশ্চিমাঞ্চলে ড্রোন হামলায় ১৬০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
এই হামলার জন্য সেনাবাহিনী এবং আরএসএফ—দুই পক্ষকেই দায়ী করা হয়েছে। ২০২৩ সাল থেকে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘাত চলছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ড্রোন হামলার সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় বেসামরিক মানুষের হতাহতের ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সাম্প্রতিক হামলাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রাণঘাতী ঘটনাটি ঘটে রোববার সন্ধ্যায়। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় পশ্চিম কোরদোফান রাজ্যের আল-দিবাব শহরের একটি বাজারের কাছে এই হামলা হয়। এলাকাটি আরএসএফের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও চিকিৎসাকর্মীদের মতে, বাজারের দিন শেষে গ্রামের মানুষ বাড়ি ফেরার জন্য যানবাহনের অপেক্ষায় একটি পরিবহনকেন্দ্রে জড়ো হয়েছিলেন। সেখানে ড্রোন হামলায় ৮০ জন নিহত হন।
বার্তা সংস্থা এএফপির সূত্রে জানা যায়, আহত ৪৭ জনকে কাছের আল-মুজলাদ শহরে নেওয়া হয়। পরে তাদের মধ্যে ৩০ জন মারা যান।
আরএসএফের স্বঘোষিত প্রশাসন ‘তাসিস’ এবং ইমার্জেন্সি লইয়ার্স এই হামলার জন্য সেনাবাহিনীকে দায়ী করেছে।
বাঁধেও ড্রোন হামলার চেষ্টা
সুদানের পূর্বাঞ্চলে গাদারেফ রাজ্যের আতবারা ও সেটিট বাঁধ লক্ষ্য করে আরএসএফের কয়েকটি ড্রোন পাঠানো হয়েছিল বলে রোববার এক সামরিক সূত্র জানিয়েছে। রাজধানী খার্তুম থেকে প্রায় ৪২০ কিলোমিটার পূর্বে বাঁধ দুটি অবস্থিত।
সামরিক সূত্রটির দাবি, আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ড্রোনগুলো প্রতিহত করেছে। এ বিষয়ে আরএসএফ তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।
সোমবার ভোরে দক্ষিণ দারফুর রাজ্যের রাজধানী ও আরএসএফের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত নিয়ালাতেও ড্রোন হামলা হয়। চিকিৎসা ও আরএসএফ সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এ হামলায় ১৭ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে আরএসএফের সাতজন কর্মকর্তা রয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো ২৩ জন।
এর আগে শুক্রবার সুদানের ব্লু নাইল প্রদেশে বাস্তুচ্যুত মানুষের একটি সমাবেশে আরএসএফের ড্রোন হামলায় ৪১ জন নিহত হন। এলাকাটি ইথিওপিয়ার সীমান্তের কাছে অবস্থিত।
ইমার্জেন্সি লইয়ার্স এ তথ্য জানিয়েছে। সংগঠনটি হামলার নিন্দা জানিয়ে একে মানবিক বিপর্যয় বলে অভিহিত করেছে।
সোমবার এসব প্রাণঘাতী হামলার নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ। সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্তেফান দুজারিক সাংবাদিকদের বলেন, ‘দেশজুড়ে প্রাণঘাতী ড্রোন হামলা অব্যাহত থাকায় আমরা উদ্বিগ্ন। এসব হামলায় শিশুসহ বেসামরিক মানুষ নিহত হচ্ছেন এবং গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবাও ব্যাহত হচ্ছে।’
যুদ্ধে নিহত অন্তত ৫৯ হাজার
সুদানে বর্তমান যুদ্ধ শুরু হয় ২০২৩ সালের এপ্রিলে। দেশটির সেনাপ্রধান আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহান এবং আরএসএফপ্রধান মোহাম্মদ হামদান দাগালোর মধ্যে বিরোধের জেরে সংঘাত শুরু হয়। হেমেদতি নামে পরিচিত দাগালো তার আধাসামরিক বাহিনীকে সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা নিয়ে বুরহানের সঙ্গে বিরোধে জড়ান।
গত জুনে যুদ্ধাপরাধের দায়ে অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় হেমেদতিকে।
যুদ্ধ চতুর্থ বছরে গড়ালেও সংঘাত থামেনি। সংঘাত পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এসিএলইডির হিসাব অনুযায়ী, এ পর্যন্ত অন্তত ৫৯ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। তবে মানবিক সহায়তা নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোর ধারণা, প্রকৃত প্রাণহানির সংখ্যা আরো বেশি।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, সংঘাতের কারণে প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন। মানবিক সহায়তা সংস্থাগুলো এই পরিস্থিতিকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানবিক সংকট বলে বর্ণনা করছে।
চলতি বছর সুদানে ৩ কোটি ৩৭ লাখ মানুষের জরুরি খাদ্যসহায়তা প্রয়োজন। তাদের মধ্যে ১ কোটি ৭৩ লাখ শিশু। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, দেশটিতে প্রায় ৮ লাখ ২৫ হাজার শিশু তীব্র অপুষ্টির ঝুঁকিতে রয়েছে।
এদিকে গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে সুদানে মানবিক যুদ্ধবিরতির জন্য চাপ সৃষ্টি এবং দেশটির ওপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার পরিধি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে। তবে নিষেধাজ্ঞা সম্প্রসারণের বিরোধিতা করেছে চীন ও রাশিয়া।
এএম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (আইএমও) মহাসচিব আর্সেনিও ডমিঙ্গুয়েজ ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন জাহাজ মালিকদের’ তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধ চলাকালীন সাধারণ নাবিকদের জীবনকে চরম ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দেওয়ার জন্য এই মালিকরা দায়ী। তিনি সতর্ক করেছেন যে, পণ্য পরিবহনের জন্য জাল নিবন্ধন ও ভুয়া পতাকা ব্যবহার করে ঝুঁকিপূর্ণ পথ দিয়ে জাহাজ চালানোর ফলে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হয়ে উঠছে।
ফক্স নিউজ ডিজিটালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে, ডমিঙ্গুয়েজ অভিযোগ করেছেন যে, যুদ্ধের পরিস্থিতি সত্ত্বেও কিছু জাহাজ মালিক কেবল ব্যবসা ও মুনাফা সচল রাখতে দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ করছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, তারা বাণিজ্যিক জাহাজের সাধারণ নাবিকদের জীবন বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছেন। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, ‘বাণিজ্যিক জাহাজের নাবিকদের যুদ্ধের মুখোমুখি হওয়ার কোনো প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় না।’
আইএমও প্রধান আরও জানান, বর্তমান সংকটকে আরো জটিল করে তুলছে কিছু মালিকের অপতৎপরতা। অনেক জাহাজ মালিক আইনি কড়াকড়ি ও নজরদারি এড়াতে জাল নিবন্ধন ও ভুয়া পতাকা ব্যবহার করে পণ্য পরিবহন করছেন, যা আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক নিরাপত্তার জন্য একটি বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে প্রায় ৬০০০ নাবিক আটকা পড়ে আছেন। ডমিঙ্গুয়েজ বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বহু জাহাজ আক্রান্ত হয়েছে এবং এসব হামলায় নাবিকদের প্রাণহানি ঘটছে। এই অবস্থায়, যেকোনো মূল্যে জাহাজ মালিকদের হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে চলার জন্য তিনি আকুল আহ্বান জানান।
তিনি আরও জানান, যুদ্ধে জড়িত সব পক্ষই আকাশ ও সমুদ্রপথে হামলা চালাচ্ছে। ফলে ঠিক কোন পক্ষ নির্দিষ্ট একটি জাহাজে আক্রমণ চালিয়েছে, তা শনাক্ত করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ছে। তাই জাহাজ ও নাবিকদের পাঠানোর আগে যুদ্ধরত পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা ও নিরাপত্তার নিশ্চিত বার্তা পাওয়ার ওপর জোর দেন আইএমও প্রধান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের চারটি বিশেষায়িত মধ্যম বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে জাতিগত বৈষম্যের অভিযোগে করা মামলা শুনতে রাজি হয়েছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। অভিভাবকদের একটি দলের অভিযোগ, কৃষ্ণাঙ্গ ও লাতিনো শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দিতে গিয়ে এশীয় বংশোদ্ভূত শিক্ষার্থীদের প্রতি বৈষম্য করা হয়েছে।
সোমবার, ওয়াশিংটন ডিসির উপকণ্ঠে মেরিল্যান্ডের মন্টগোমারি কাউন্টির চারটি বিশেষায়িত বিদ্যালয়ে ভর্তির নীতিমালা নিয়ে করা আবেদন শুনতে সম্মতি দেন সুপ্রিম কোর্ট। এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের বিশেষ পাঠ্যক্রমের মাধ্যমে পড়ানো হয় এবং পড়াশোনার মানও বেশ কঠোর।
মামলাটি এগিয়ে নেওয়ার মতো বৈষম্যের যথেষ্ট প্রমাণ অভিভাবকদের কাছে রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখবেন সর্বোচ্চ আদালতের বিচারকেরা। এর আগে নিম্ন আদালত মামলাটি খারিজ করে দিয়েছিলেন। তাদের যুক্তি ছিল, আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের তুলনায় এসব বিদ্যালয়ে এশীয়-আমেরিকান শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কম নয়।
অভিভাবকদের পক্ষে করা মামলাটি পরিচালনা করছে ‘অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন ফেয়ারনেস’। সুপ্রিম কোর্ট যদি তাদের পক্ষে রায় দেয়, তাহলে মামলাটি আবার চালু হতে পারে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। জুনের মধ্যে বিচারকেরা রায় দিতে পারেন।
‘মহামারিকালীন পরিকল্পনা’
কোভিড-১৯ মহামারির সময় ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে মন্টগোমারি কাউন্টির স্কুল কর্তৃপক্ষ নতুন ভর্তি পদ্ধতি চালু করে। এর নাম দেওয়া হয় ‘প্যানডেমিক প্ল্যান’ বা মহামারিকালীন পরিকল্পনা।
এ পদ্ধতিতে প্রথমে সব শিক্ষার্থীর শিক্ষাগত সম্ভাবনা যাচাই করা হয়। এরপর যোগ্য শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে লটারির মাধ্যমে কাউকে বিশেষায়িত বিদ্যালয়ে, আবার কাউকে স্থানীয় বিদ্যালয়ে উন্নত পাঠদানের সুযোগ দেওয়া হয়।
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, এ যাচাইপ্রক্রিয়ার কারণে এশীয়-আমেরিকান শিক্ষার্থীদের লটারিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ কমে যায়।
মামলাকারীদের দাবি, এশীয় বংশোদ্ভূত অনেক শিক্ষার্থী এমন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ে, যেখানে শিক্ষার ফল ভালো এবং দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীর সংখ্যা তুলনামূলক কম।
ভর্তিপ্রক্রিয়ার একটি অংশে শিক্ষার্থীর পরীক্ষার ফলের সঙ্গে একই রকম পারিবারিক আয়ের শিক্ষার্থীদের ফল তুলনা করা হয়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীর পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করা হয়।
সুপ্রিম কোর্টে করা আবেদনে অভিভাবকদের আইনজীবীরা বলেন, আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের ভিত্তি ধরে হিসাব করলে কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট জাতিগোষ্ঠীর জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ করে তা পূরণ করতে পারে। প্রক্রিয়ায় সরাসরি জাতিগত পরিচয়ের উল্লেখ না থাকলে বৈষম্যমূলক উদ্দেশ্য ছিল কি না, সে প্রশ্নও এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয় বলে তাঁদের দাবি।
আগেই খারিজ হয়েছিল মামলা
২০২২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের জেলা আদালতের বিচারক পলা জিনিস মামলাটি খারিজ করে দেন। তিনি উল্লেখ করেন, বিশেষায়িত বিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি হওয়া এশীয়-আমেরিকান শিক্ষার্থীর হার আবেদনকারীদের মধ্যে এশীয়-আমেরিকান শিক্ষার্থীদের হারের চেয়ে বেশি ছিল।
ভর্তির ক্ষেত্রে লটারির নীতিমালা চালুর পেছনে বৈষম্যমূলক উদ্দেশ্য ছিল—এমন প্রমাণও পাননি বিচারক জিনিস।
স্কুল কর্তৃপক্ষ শুরু থেকেই বলে আসছে, নতুন ভর্তি নীতিমালা জাতিগত পরিচয়-নিরপেক্ষ। চালুর সময়ের কারণে এ নীতিমালার নাম দেওয়া হয়েছিল ‘প্যানডেমিক প্ল্যান’।
মামলাটি সুপ্রিম কোর্টে না নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে আদালতে দেওয়া এক লিখিত বক্তব্যে স্কুল কর্তৃপক্ষের আইনজীবীরা বলেন, ‘প্যানডেমিক প্ল্যান হলো জাতিগত পরিচয় বিবেচনায় না নেওয়া একটি লটারি পদ্ধতি। এ পরিকল্পনা, এর ইতিহাস কিংবা উদ্দেশ্যের কোনো কিছুই সংবিধানের পরিপন্থি নয়।’
এখন সুপ্রিম কোর্টের বিচারকেরা বিবেচনা করবেন, জাতিগত পরিচয়-নিরপেক্ষ কোনো নীতির কারণে বৈষম্যের শিকার হওয়ার দাবি করা গোষ্ঠীকে বৈষম্যমূলক উদ্দেশ্য প্রমাণ করতে হলে অন্যদের তুলনায় তাদের বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার প্রমাণ দেখাতে হবে কি না।
এএম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২০ অক্টোবর, ২০২৬ : ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ঢাকা-চেন্নাই-ঢাকা রুটে ফ্লাইটের সংখ্যা বৃদ্ধি করছে। সপ্তাহে তিন দিনের পরিবর্তে, এখন থেকে এই রুটে পাঁচ দিন ফ্লাইট পরিচালনা করবে বেসরকারি বিমান সংস্থাটি।
নতুন এই সূচি কার্যকর হবে আগামী ১৩ নভেম্বর থেকে, এ তথ্য বাসস-কে জানিয়েছেন সংস্থাটির মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) মো. কামরুল ইসলাম।
তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে প্রতি সপ্তাহের মঙ্গলবার, বৃহস্পতিবার ও রোববার ঢাকা-চেন্নাই রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে ইউএস-বাংলা। যাত্রীদের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে নতুন সূচিতে শুক্রবার ও শনিবার আরও দুটি ফ্লাইট যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে, সপ্তাহে মোট পাঁচ দিন এই রুটে ফ্লাইট চলাচল করবে।
এই ফ্লাইট বৃদ্ধির ফলে চিকিৎসা ও ব্যবসায়িক কাজে চেন্নাইগামী যাত্রীদের পাশাপাশি দক্ষিণ ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও উপকূলীয় সৌন্দর্য উপভোগ করতে আগ্রহী পর্যটকদের যাতায়াত আরও সহজ হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ।
নতুন সূচি অনুযায়ী, ঢাকা থেকে ফ্লাইট বিএস ২০৫ সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে চেন্নাই পৌঁছাবে দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে। অন্যদিকে, চেন্নাই থেকে ফিরতি ফ্লাইট বিএস ২০৬ দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে ছেড়ে ঢাকায় পৌঁছাবে বিকেল ৫টা ৫ মিনিটে। এসব সময় স্থানীয় সময় অনুযায়ী নির্ধারিত।
বর্তমানে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ১০টি দেশের ১৪টিরও বেশি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। পাশাপাশি, দেশের অভ্যন্তরীণ পাঁচটি রুটেও নিয়মিত সেবা প্রদান করছে সংস্থাটি। এয়ারলাইন্সটির বহরে রয়েছে এয়ারবাস এ৩৩০, বোয়িং ৭৩৭ ও এটিআর ৭২-সহ মোট ২৫টি বিমান।
২০১৯ সালের ৩১ মার্চ ঢাকা-চেন্নাই রুটে ফ্লাইট চালু করে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। চালুর পর থেকেই এই রুটে বোয়িং ৭৩৭-৮০০ উড়োজাহাজ ব্যবহার করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ