ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তুলতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে: ভিপি আইনুল হক


পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তুলতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে: ভিপি আইনুল হক

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে সড়কের দু’পাশে দীর্ঘ সময় ধরে গড়ে ওঠা আগাছা, লতাপাতা ও জঙ্গল পরিষ্কারের জন্য একটি বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করা হয়েছে।

সড়কের পরিবেশ সুন্দর রাখার পাশাপাশি পথচারী ও যানবাহনের চলাচলে স্বস্তি নিশ্চিত করা এবং পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে রায়গঞ্জ পৌরসভার লক্ষ্মীকোলা ব্রিজ এলাকা থেকে ভাতারিয়া সড়কের দু’পাশে এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ-সলঙ্গা) আসনের সংসদ সদস্য এবং জেলা বিএনপির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ভিপি আইনুল হক।

আরও পড়ুন: রাবিতে ডেঙ্গু সচেতনতায় হাল্ট প্রাইজের নতুন কর্মসূচি

উদ্বোধনের পর বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী সড়কে নেমে আগাছা ও ঝোপঝাড় পরিষ্কার করতে অংশগ্রহণ করেন।

এই কর্মসূচিতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন: রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. সামছুল ইসলাম, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব দুলাল হোসেন খান, রায়গঞ্জ উপজেলা যুবদলের সহ-সভাপতি লেলিন খান, সাধারণ সম্পাদক মো. প্যারিস খান, উপজেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমানসহ বিএনপি, যুবদল ও কৃষক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

কর্মসূচির উদ্বোধনকালে সংসদ সদস্য ভিপি আইনুল হক মন্তব্য করেন, "একটি সড়ক কেবল যানবাহন চলাচলের মাধ্যম নয়, এর চারপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। সড়কের পাশে ঝোপঝাড় বেড়ে উঠলে যেমন সৌন্দর্য নষ্ট হয়, তেমনি পথচারী ও চালকদের দৃষ্টিসীমা ব্যাহত হয়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ে। জনস্বার্থেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।"

তিনি আরও বলেন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তুলতে শুধু সরকারি উদ্যোগের ওপর নির্ভর না করে স্থানীয় জনগণ ও সামাজিক-রাজনৈতিক সংগঠনগুলোকেও নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে।

আরও পড়ুন: বাকেরগঞ্জে সাজসজ্জায় দেবালয়ের পরেই কৈলাশ পূজামণ্ডপ

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, লক্ষ্মীকোলা ব্রিজ থেকে ভাতারিয়া সড়কের দু’পাশে দীর্ঘদিন ধরে আগাছা ও ঝোপঝাড় জমায় হাঁটাচলা ও যানবাহন চলাচলে ব্যাঘাত ঘটছিল। এই উদ্যোগের ফলে সড়কের পাশের অংশ দৃশ্যমান ও পরিষ্কার হওয়ায় তাঁরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

তবে একদিনের কর্মসূচিতেই সীমাবদ্ধ না রেখে এটি নিয়মিত বজায় রাখার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান এলাকাবাসী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেপালের বন্যায় এক মাসেও নিখোঁজ হাজারো, শোক কাটেনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৮ পি.এম


নেপালের বন্যায় এক মাসেও নিখোঁজ হাজারো, শোক কাটেনি

নারায়ণ প্রসান সৌদি আরবে পাঁচ বছর কাজ করার পর জমানো অর্থ নিয়ে নেপালে ফিরে এসেছিলেন। সেই অর্থ দিয়ে তিনি নিজের বাড়ি নির্মাণ করেছিলেন। কিন্তু ২০১৫ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পে তার বাড়িটি ধ্বংস হয়ে যায়। পরবর্তীতে বিদেশে গিয়ে আবারও কাজ করে তিনি বাড়িটি পুনর্নির্মাণ করেন।

পরিবারের সঙ্গে নতুন করে স্বাভাবিক জীবন শুরু করেছিলেন প্রসান। কিন্তু গত মাসের ভয়াবহ বন্যা তার সবকিছু কেড়ে নিয়েছে। বন্যায় তার বাড়ি ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে বর্তমানে তিনি এক আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।

ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় তার বাড়িটি অবস্থিত হওয়ায় সেখানে পুনরায় বসবাস করা সম্ভব হবে কিনা, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। পরিবারকে কোথায় পুনর্বাসন করা হবে, সে বিষয়েও এখনও কোনো স্পষ্ট সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে সংসার চালাতে আবারও বিদেশে গিয়ে কাজ করার চিন্তা করছেন তিনি। প্রসান বলেন, "এই বন্যা সবকিছু কেড়ে নিয়েছে। আমি জানি না এখন কী করব।"

নেপালের বিভিন্ন অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যার এক মাস পরেও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। প্রসানের মতো হাজার হাজার মানুষ এখনো বাস্তুচ্যুত অবস্থায় রয়েছেন। একই সঙ্গে নিখোঁজ আরো হাজার হাজার মানুষের সন্ধান চলছে। নিখোঁজদের মধ্যে অনেকেই ছয়টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলে আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই ভয়াবহ দুর্যোগের পর নেপাল সরকারকে দীর্ঘ ও ব্যয়বহুল পুনরুদ্ধার কার্যক্রমের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে প্রিয়জন হারানোর পাশাপাশি বাড়িঘর ও জীবিকা হারানোর কষ্টও মোকাবিলা করতে হচ্ছে।

নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া তাঁর প্রথম ভাষণে দেশটির সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, হিমালয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে এবং নেপালের এই দুর্যোগ পুরো বিশ্বের জন্য একটি সতর্কবার্তা।

শাহ বলেন, "এই দুর্যোগ শুধু একটি স্থানীয় বিপর্যয় নয়, বরং বিশ্বের জন্য একটি সতর্কবার্তা। আমরা কি সত্যিই সেই সতর্কবার্তা শুনেছি?"

তিনি নেপালের পুনরুদ্ধারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগ মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন। শাহ বলেন, "জলবায়ু পরিবর্তন কোনো সীমানা চেনে না। হিমবাহ ও বন্যা স্ট্যাম্প বা পাসপোর্ট নিয়ে ভ্রমণ করে না।"

ডিএনএ পরীক্ষায় বিলম্বিত হচ্ছে মরদেহ হস্তান্তর। নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, বন্যা ও ভূমিধসের পর এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৪৫৩টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ৫ হাজার ৬৪৪ জন। উদ্ধার করা মরদেহগুলোর মধ্যে মাত্র ১১২টি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব না হওয়ায় আরো ১ হাজার ৩৩২টি মরদেহ সাময়িকভাবে সমাহিত করা হয়েছে।

প্রতিবেশী চীনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে ২৬১ জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন। মরদেহ শনাক্ত করতে কাঠমান্ডুর নেপাল পুলিশ হাসপাতালে একটি অস্থায়ী তাঁবু স্থাপন করা হয়েছে। সেখানে স্বজনদের কাছ থেকে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। পরে এসব নমুনা উদ্ধার করা মরদেহ ও দেহাবশেষ থেকে সংগৃহীত ডিএনএর সঙ্গে মিলিয়ে পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করছে কর্তৃপক্ষ।

ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করার পরই মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে। ফলে অনেক পরিবারকে প্রিয়জনের মরদেহ পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। গোপনীয়তার কারণে পরীক্ষাগারের কর্মকর্তারা বিস্তারিত তথ্য দিতে চাননি। তবে তারা জানিয়েছেন, মরদেহ শনাক্তের কাজে ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, সিঙ্গাপুর ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিশেষজ্ঞরা কাজ করছেন। জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কর্মী রবি কুমার থাপা মাগার বন্যায় তার স্ত্রী, ভাই, ভাবি ও মাকে হারিয়েছেন।

তিনি জানান, একটি ছবি দেখে তিনি তাঁর স্ত্রীর মরদেহ শনাক্ত করেছিলেন। কিন্তু পরিবারের কেউ মরদেহ দেখার আগেই সেটি দাফন করে ফেলা হয়। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত মরদেহ স্বজনদের দেওয়া হবে না। এই পরীক্ষা শেষ হতে অন্তত এক মাস সময় লাগতে পারে। পরে পরিবারটি একটি প্রতিমূর্তি দিয়ে প্রতীকীভাবে শেষকৃত্য সম্পন্ন করে। বন্যায় সন্তান হারানো অনেক পরিবার এখনো স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেনি।

৩২ বছর বয়সী পাসং মায়া তামাং বন্যায় তার ছোট ছেলেকে হারিয়েছেন। তিনি বলেন, এখনো স্বপ্নে ছেলেকে দেখতে পান। স্বপ্নে ছেলে যেন তাঁকে সাহায্যের জন্য ডাকছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত নুয়াকোটের একটি আশ্রয়কেন্দ্রে তামাং বলেন, "আমার ছেলের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। কিন্তু আমি তাকে শেষবার দেখতে পারিনি। এ জন্য আমার খুব কষ্ট হয়। স্বপ্নে শুনি, সে বলছে—কেন আমি তাকে একা রেখে চলে গেলাম?"

বন্যার সময় তার ছেলে এক প্রতিবেশীর সঙ্গে স্কুলে গিয়েছিল। পরে খবর পাওয়ার আগেই স্কুলটি পানিতে ভেসে যায়। তিন দিন পর দক্ষিণাঞ্চলের একটি জেলা থেকে তার ছেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কিন্তু তিনি সেখানে গিয়ে ছেলের মরদেহ দেখতে পারেননি।

গত ২৬ আগস্ট সকালে ভয়াবহ বন্যা আঘাত হানে নেপালে। তখন অনেক শিক্ষার্থী স্কুলে পৌঁছাচ্ছিল বা স্কুলের পথে ছিল। এতে অনেক শিশুও বন্যার পানিতে ভেসে যায়। নুয়াকোটের বাসিন্দা আস্তা মান ডাঙ্গোল বলেন, পরে কয়েকজন শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাদের কারও কারও গায়ে তখনও স্কুলের লোগোযুক্ত টাই ছিল।

তিনি বলেন, "বড় শিক্ষার্থীরা দৌড়ে উঁচু জায়গায় উঠে যেতে পেরেছিল। কিন্তু ছোট শিশুরা দ্রুত দৌড়াতে পারেনি। তারা পানিতে ভেসে যায়।" এদিকে, বন্যায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া বিভিন্ন এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ আবার চালু করতে কাজ করছেন কর্মীরা।

নেপাল সরকারের হিসাবে, বন্যার পর পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধারে প্রায় ৪৭৭ কোটি ডলার খরচ হতে পারে। এতে প্রায় ৩৩ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে প্রায় ৭ হাজার ৫০০ বাড়িঘর।

বর্তমানে উদ্ধার ও পুনরুদ্ধার কাজের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা ও সেতু মেরামত করে যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করা। বিশেষ করে প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় সেখানে ত্রাণ পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

সড়ক প্রকৌশলী ইশমিতা শাহ জানান, বন্যার দ্বিতীয় দিন থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় রাস্তা চালু করতে নেপালের সেনাবাহিনীর সঙ্গে কাজ করছেন তারা। তিনি বলেন, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে নতুন সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে ত্রাণ ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া সহজ হবে। তবে আগামী কয়েক দিনে আরও খারাপ আবহাওয়ার পূর্বাভাস থাকায় পুনরুদ্ধারের কাজ কঠিন হতে পারে বলে জানান তিনি।

ইশমিতা শাহ বলেন, "আবহাওয়ার কারণে আগামী কয়েক দিন কঠিন হতে পারে। তবে আমরা এর জন্য প্রস্তুত আছি।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার ভারতীয় অভিনেত্রী বর্ষিণী ভেঙ্কট, ব্যাংকে মিললো লেনদেনের প্রমাণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৯ পি.এম


চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার ভারতীয় অভিনেত্রী বর্ষিণী ভেঙ্কট, ব্যাংকে মিললো লেনদেনের প্রমাণ

ভারতীয় অভিনেত্রী বর্ষিণী ভেঙ্কটকে চাঁদাবাজি ও এক ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। অভিযোগ রয়েছে, একটি শর্টফিল্মে বিনিয়োগ না করার কারণে ওই ব্যবসায়ীকে মারধর করে তার কাছ থেকে নগদ এবং ব্যাংক লেনদেনের মাধ্যমে মোট ৫ লাখ ৫০ হাজার রুপি আদায় করা হয়েছে। পুলিশ বর্ষিণীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অর্থের লেনদেনের প্রমাণও পেয়েছে।

হিন্দুস্তান টাইমসে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৮ বছর বয়সী বর্ষিণী ভেঙ্কট এবং তার কয়েকজন বন্ধু তরুণ নামের এক ব্যবসায়ীকে তাদের প্রস্তাবিত শর্টফিল্মে অর্থ বিনিয়োগের জন্য প্রস্তাব দেন। কিন্তু ওই ব্যবসায়ী এতে রাজি হননি।

অভিযোগ রয়েছে, ২২ আগস্ট ভোরে তরুণ যখন বাইরে থেকে তার কক্ষে ফিরে আসেন, তখন সেখানে বর্ষিণী, তার বন্ধু সঞ্জয় এবং আরও দুজন আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন। তারা তরুণকে মারধর করেন এবং জোর করে তার কাছ থেকে ৫০ হাজার রুপি নগদ নিয়ে নেন।

এরপর সঞ্জয়ের কাছ থেকে ফোন পেয়ে তরুণ বর্ষিণীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৩ লাখ রুপি এবং সঞ্জয়ের অ্যাকাউন্টে আরও ২ লাখ রুপি পাঠান। এইভাবে মোট ৫ লাখ ৫০ হাজার রুপি দেওয়ার পরও তাকে হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে তার কাছে আরও ২৭ লাখ রুপি দাবি করা হয়।

ঘটনার পর তরুণ থানায় অভিযোগ দায়ের করলে গুইন্ডি থানা পুলিশ মামলা নিয়ে তদন্ত শুরু করে। তদন্তের অংশ হিসেবে ব্যাংক লেনদেন যাচাই করে পুলিশ। এতে তরুণের অ্যাকাউন্ট থেকে বর্ষিণীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৩ লাখ রুপি স্থানান্তরের তথ্য পাওয়া যায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পরবর্তীতে ২২ সেপ্টেম্বর মাইলাপুরের বাসিন্দা বর্ষিণী ভেঙ্কটকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি আইফোনও জব্দ করা হয়েছে।

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে অভিনেত্রীকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠান। এ ঘটনায় জড়িত অন্য সহযোগীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেভিড ইমন ও মোবারকের অপরাধে সম্পর্ক নেই: আবুল কাশেম চৌধুরী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৯ পি.এম


ডেভিড ইমন ও মোবারকের অপরাধে সম্পর্ক নেই: আবুল কাশেম চৌধুরী

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘সন্ত্রাসের গডফাদার’ আখ্যা দিয়ে ডেভিড ইমন ও মোবারকসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়ে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ জানিয়েছেন কাঞ্চননগর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেম চৌধুরী।

তিনি উল্লেখ করেছেন, ডেভিড ইমন ও মোবারকের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। এলাকার একজন ছেলে হিসেবে তাঁকে সালাম ও সম্মান জানালে তাদের অপরাধের সঙ্গে তাঁকে জড়িত করা যায় না। সম্প্রতি কাঞ্চননগরে আয়োজিত মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী সভায় তাঁকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মানহানিকর বক্তব্য দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকালে ফটিকছড়ির কাঞ্চননগর ইউনিয়নের উলিকবাড়ীতে নিজ বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আবুল কাশেম চৌধুরী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ১৯৯৭ সালে জনগণের ভোটে প্রথমবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি এলাকার মানুষের সেবা করেছেন। দায়িত্ব পালনকালে সালিশ-বিচারে কখনো রাজনৈতিক চাপ কিংবা প্রভাবের কাছে নতি স্বীকার করেননি। পরে ২০০৩ সালের নির্বাচনে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে ফটিকছড়িতে দ্বিতীয়বার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। জনগণ তাঁকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছিল বলেই তাঁর প্রতি মানুষের আস্থা ও ভালোবাসার প্রমাণ পাওয়া যায় বলে দাবি করেন তিনি।

আবুল কাশেম চৌধুরী আরও বলেন, আমি ২০০৩ সালের জুলাই মাসে দেশ ছেড়েছিলাম। দীর্ঘ ২১ বছর দেশে ছিলাম না। এই সময়ের মধ্যে কাঞ্চননগরে যদি সন্ত্রাসের রাজত্ব, আমার কোনো বাহিনী কিংবা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চলত, তাহলে তার প্রমাণ কোথায়? আমি কোনো সংঘাত চাই না। সবার সঙ্গে মিলেমিশে কাজ করতে চাই।

নিজের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা প্রসঙ্গে সাবেক এই চেয়ারম্যান বলেন, অতীতে তাঁকে একাধিক মামলায় আসামি করা হয়েছিল। তাঁর দাবি, সেসব মামলার অধিকাংশ থেকে তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন। বর্তমানে একটি মামলায় তিনি অভিযুক্ত রয়েছেন, তবে এখনো সাজাপ্রাপ্ত হননি। বিচারাধীন মামলায় আদালতের মাধ্যমেই তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলে আবুল কাশেম চৌধুরী বলেন, অতীতে রাজনৈতিক কারণে তাঁকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয়েছে। বর্তমানে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করায় তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন। তাঁর ভাষায়, আমি নির্বাচনে আসব বলার পরই অনেকে আমাকে খারাপ বলতে শুরু করেছেন। আমি বিশ্বাস করি, জনগণই নির্বাচনে প্রমাণ করবেন তারা আমাকে চান কি না। একজনকে বদনাম করে কিংবা হেয় করে কেউ বড় হতে পারে না।

তিনি বলেন, আমি কট্টর রাজনীতিবিদ নই। ২০০৩ সালে বিএনপি থেকে মনোনীত হয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলাম। বিএনপির সিনিয়র নেতারাও আমাকে চেনেন। আমি কোনো সংঘাত বা প্রতিহিংসার রাজনীতি চাই না। এলাকার মানুষের সঙ্গে মিলেমিশে কাজ করতে চাই।

সংবাদ সম্মেলনে আবুল কাশেম চৌধুরী তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সভা, সমাবেশসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে আসন্ন নির্বাচনে সবার অংশগ্রহণের সুযোগ ও গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

সংবাদ সম্মেলনে এলাকার শত শত মানুষ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপি দুঃসময়ে সবসময় জনগণের পাশে থেকেছে : নজরুল ইসলাম খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫০ পি.এম


বিএনপি দুঃসময়ে সবসময় জনগণের পাশে থেকেছে : নজরুল ইসলাম খান

ঢাকা, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান মন্তব্য করেছেন যে, সংকট-দুঃসময়ে দেশের জনগণের পাশে সবসময় বিএনপি দাঁড়িয়ে থাকে এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এসেছে।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রকে জবাই করেছে, বিএনপি গণতন্ত্রকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছে।’

আজ শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, ১৯৭৫ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশে সকল রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। ‘বাকশাল’ নামক একটি দল গঠন করে বাকি সব রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। সেই বাকশালী শাসন থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

তিনি আরও বলেন, ১৯৮২ সালে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে এরশাদ সামরিক স্বৈরশাসন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই শাসনকে স্থায়ী করতে কয়েকটি রাজনৈতিক দল তাকে সহযোগিতা করেছিল।

আওয়ামী লীগ ও জামায়াতে ইসলামীসহ কিছু দল ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলেও বিএনপি জনগণের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেনি। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য আপসহীন লড়াই চালিয়ে গেছে। এর ফলস্বরূপ ১৯৯১ সালের নির্বাচনে জনগণ বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে এবং বিএনপি বহুদলীয় ও সংসদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু করেছে।

নজরুল ইসলাম খান মন্তব্য করেন, এক-এগারোর সরকার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে বিকৃত ও ধ্বংস করার চেষ্টা করেছে এবং ষড়যন্ত্র করে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনা হয়েছে। ১৬ বছর ধরে আওয়ামী লীগ স্বৈরাচারী শাসন চালিয়েছে এবং ফ্যাসিবাদে পরিণত হয়েছে। এই শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে এবং তাঁর অনুপস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে অব্যাহত লড়াই চলেছে।

তিনি দাবি করেন, বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের যত নেতাকর্মী এই লড়াইয়ে শহীদ, গুম, নির্যাতিত ও জুলুমের শিকার হয়েছেন, বাংলাদেশের অন্য সব রাজনৈতিক দল মিলেও তত মানুষ গুম-খুনের শিকার কিংবা অত্যাচার-নিপীড়নের শিকার হয়নি।

তিনি আরও বলেন, গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণ আবার বিএনপির প্রতি আস্থা রেখে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় দলটিকে নির্বাচিত করেছে। বর্তমানে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে। ‘এটা ক্ষমতা নয়, এটা দায়িত্ব।’

নজরুল ইসলাম খান বলেন, বিএনপি কখনোই ক্ষমতাকে ক্ষমতা মনে করে না, বরং ক্ষমতাকে দায়িত্ব মনে করে। সেই দায়িত্ব পালনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকার এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, শুধু গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার নয়, বাংলাদেশের অর্থনীতি যখনই বিপন্ন ও বিপর্যস্ত হয়েছে, সেই অর্থনীতিকে পুনরায় জনগণের কল্যাণে উন্নত করার দায়িত্বও বিএনপিকে পালন করতে হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশে জাতীয় সংসদ ও মন্ত্রিসভা ছিল না এবং সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সমাজে বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছিল।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দায়িত্ব নিয়ে দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করেছিলেন এবং বাংলাদেশ ‘ইমার্জিং টাইগার’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছিল।

তিনি বলেন, এবার তারেক রহমান দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশের অর্থনীতির অবস্থা ছিল সংকটাপন্ন। ঋণের বোঝা, অর্থ অপচয়, দুর্নীতি ও বিদেশে অর্থ পাচারের কারণে দেশ নিঃস্ব হয়ে পড়েছিল। এ অবস্থায় দায়িত্ব নিয়ে দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, দেশের কল্যাণে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। উন্নয়নকাজ ব্যাহত হলে সাধারণ মানুষ, শ্রমজীবী ও কর্মজীবী মানুষের কষ্ট হবে। বিরোধী দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের কোনো কথা বা কাজে যেন পতিত স্বৈরাচার বা ফ্যাসিবাদের সুবিধা না হয়।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, সরকার ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দিয়েছে এবং এ কার্ডের আওতায় পরিবারের প্রধান নারী সদস্যকে মাসে আড়াই হাজার টাকা দেওয়া হচ্ছে। কৃষকদের ন্যায্য মূল্যে সার, বীজ ও কীটনাশক দেওয়ার জন্য ‘কৃষক কার্ড’ তৈরি করা হয়েছে। এসব উদ্যোগের বিরোধিতা না করে এর চেয়ে ভালো পরিকল্পনা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, বিএনপির দুঃসময়ে দায়িত্ব নেওয়ার এবং দায়িত্ব নিয়ে সফল হওয়ার দৃষ্টান্ত রয়েছে। তারা দুঃসময়ে দায়িত্ব নিয়ে সফল হয়েছে, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছে এবং জনগণের কল্যাণে নিজেদের উৎসর্গ করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%