০১:০৩ পি.এম
কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তে পৃথক তিনটি অভিযানে মোট ৫ লাখ ৭২ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় চোরাকারবারিরা যাতে পালাতে না পারে, সে জন্য বিজিবি সদস্যরা ফাঁকা গুলি ছোড়েন। এতে অন্যরা মিয়ানমারের দিকে পালিয়ে গেলেও বিজিবি এক যুবককে আটক করতে সক্ষম হয়েছে।
শুক্রবার (৫ জুন) সকালে উখিয়াস্থ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম এক বার্তার মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ১২টা ২০ মিনিটের দিকে ইছাকের ঘের এলাকায় সন্দেহভাজন তিন চোরাকারবারিকে থার্মাল ডিভাইসের মাধ্যমে শনাক্ত করে বিজিবি। উপস্থিতি টের পেয়ে তারা মিয়ানমারের দিকে পালানোর চেষ্টা করলে বিজিবি নন-লেথাল অস্ত্র থেকে ২ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এ সময় তারা তিনটি পলিথিনের পোটলা ফেলে পালিয়ে যায়। তল্লাশি করে সেখান থেকে ৬ কোটি ৩ হাজার ৬০০ টাকা মূল্যের ২ লাখ ১২ হাজার ইয়াবা জব্দ করা হয়।
আরও পড়ুন: ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে গুইজারখাল এলাকায় মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় দুই সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে চ্যালেঞ্জ করে বিজিবি। তারা পালানোর চেষ্টা করলে বিজিবি সদস্যরা একটি রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়েন। তখন তারা দুটি ব্যাগ ফেলে পালিয়ে যায়, এবং ব্যাগ থেকে আনুমানিক ৯ কোটি টাকা মূল্যের ৩ লাখ ইয়াবা জব্দ করা হয়।
বৃহস্পতিবার রাতে বালুখালী বিওপির বিশেষ টহল দল মাস্টারের ঘের এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. আমিন (২০) নামে এক যুবককে আটক করে। তল্লাশির সময় তার কাছে থাকা কাপড়ের পোটলা থেকে ৬০ হাজার ইয়াবা জব্দ করা হয়। আটক আমিন উখিয়ার বালুখালী এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক আমিন স্বীকার করেছেন যে, তিনি মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ইয়াবাগুলো সংগ্রহ করে অধিক দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে বহন করছিলেন।
বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, 'পালিয়ে যাওয়া মাদক চোরাকারবারিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কতা ও কঠোরতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে।'
আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন