ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

পিটিশনকারী মারা গেলেও গ্রিন কার্ডের আবেদন চালানোর শর্ত


পিটিশনকারী মারা গেলেও গ্রিন কার্ডের আবেদন চালানোর শর্ত

যুক্তরাষ্ট্রে যদি কোনো পরিবারের সদস্যের জন্য গ্রিন কার্ডের আবেদন করা হয় এবং পিটিশনকারী মারা যায়, তাহলে সাধারণত অনুমোদনের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি হয় এবং সেই পিটিশনটি বাতিলও হতে পারে। তবে মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা সংস্থা ইউএসসিআইএসের নিয়ম অনুযায়ী, তিনটি বিশেষ পরিস্থিতিতে গ্রিন কার্ডের আবেদন অব্যাহত রাখার সুযোগ রয়েছে।

পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ডের আবেদনের জন্য সাধারণত মার্কিন নাগরিক ফর্ম আই-১৩০ জমা দেন। এই আবেদনকে ফ্যামিলি পিটিশন বলা হয়। এর মাধ্যমে পিটিশনকারী এবং বিদেশি স্বজনের মধ্যে যোগ্য পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা যাচাই করা হয়। তবে আই-১৩০ পিটিশন জমা দেওয়ার মাধ্যমে গ্রিন কার্ডের নিশ্চয়তা পাওয়া যায় না। ভিসার প্রাপ্যতা, আর্থিক স্পনসরশিপ, অভিবাসনসংক্রান্ত যোগ্যতা এবং অন্যান্য শর্ত পূরণ করতে হয়। পিটিশনকারীর মৃত্যু ঘটলে নতুন আইনি জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

গ্রিন কার্ডের আবেদন চালিয়ে নেওয়ার জন্য যে তিনটি বিশেষ সুযোগ রয়েছে, তার প্রথমটি হলো মার্কিন নাগরিকের বিধবা বা বিপত্নীকদের জন্য। যদি কোনো মার্কিন নাগরিক তার বিদেশি স্বামী বা স্ত্রীর জন্য আই-১৩০ পিটিশন জমা দিয়ে মারা যান, তাহলে কিছু নির্দিষ্ট শর্ত পূরণের মাধ্যমে সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আই-৩৬০ বিধবা বা বিপত্নীক পিটিশনে রূপান্তরিত হয়। পিটিশনটি মৃত্যুর সময় মুলতবি ছিল বা আগেই অনুমোদিত হয়েছিল, উভয় ক্ষেত্রেই এই নিয়ম কার্যকর হতে পারে। ফলে পিটিশনকারী স্বামী বা স্ত্রীর মৃত্যু ঘটলেও নতুন করে পুরো পরিবারভিত্তিক আবেদন শুরু করার প্রয়োজন হয় না।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয় পেলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দুই রাজনীতিক

তবে আই-৩৬০-এর সুবিধা পাওয়ার জন্য বৈবাহিক সম্পর্কের বৈধতা এবং অন্যান্য যোগ্যতার শর্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণভাবে মৃত ব্যক্তিকে মৃত্যুর সময় মার্কিন নাগরিক হতে হবে, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে আইনগত বিচ্ছেদ থাকা যাবে না এবং জীবিত সঙ্গীর পুনর্বিবাহের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হবে। মৃত মার্কিন নাগরিক স্বামী বা স্ত্রী যদি আগে আই-১৩০ পিটিশন জমা না দিয়ে থাকেন, তাহলে যোগ্য বিধবা বা বিপত্নীক সাধারণত মৃত্যুর দুই বছরের মধ্যে নিজে আই-৩৬০ জমা দিতে পারেন। তবে এই সুবিধা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সব গ্রিন কার্ডধারী পিটিশনকারীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

দ্বিতীয় সুযোগটি যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও জাতীয়তা আইনের ২০৪(এল) ধারার আওতায়। এই বিধান অনুযায়ী, নির্দিষ্ট পরিবারভিত্তিক পিটিশনের সুবিধাভোগী পিটিশনকারীর মৃত্যুর সময় যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করে থাকলে এবং মৃত্যুর পরও যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে চাইলে আবেদন এগিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করতে পারেন। আই-১৩০ পিটিশন মৃত্যুর সময় মুলতবি থাকলেও এ আবেদন চালিয়ে নেওয়া সম্ভব। একইভাবে আগেই অনুমোদিত পিটিশন থাকলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিস্থিতি অনুযায়ী ধারাটি ব্যবহার করা যেতে পারে।

এ ক্ষেত্রে আবেদনকারীর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের যথার্থ তথ্য প্রদান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধুমাত্র মৃত্যুর সময় যুক্তরাষ্ট্রে সাময়িকভাবে উপস্থিত থাকলেই হবে না, সেখানে নিয়মিত বসবাস করতে হবে। ইউএসসিআইএস আবেদনকারীর প্রকৃত বসবাসের পরিস্থিতি বিবেচনা করতে পারে। পাশাপাশি মূল আবেদনকারীর মৃত্যু, পারিবারিক সম্পর্ক এবং আবেদনসংক্রান্ত নথি জমা দিতে হয়। কিছু ক্ষেত্রে প্রধান সুবিধাভোগীর পরিবর্তে তাঁর যোগ্য পরিবারের অন্য সদস্যও ২০৪(এল) ধারার সুরক্ষার আওতায় আসতে পারেন।

২০৪(এল) ধারার আওতায় আবেদন চালিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করলেই অনুমোদন নিশ্চিত হয় না। ইউএসসিআইএসকে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীর যোগ্যতা যাচাই করতে হয়। আইনের বিধান অনুযায়ী, অনুমোদন জনস্বার্থের পরিপন্থী হওয়ার বিশেষ কারণ থাকলে সংস্থা আবেদন প্রত্যাখ্যান করতে পারে। আবার পিটিশন অনুমোদনের পরও গ্রিন কার্ড পাওয়ার জন্য অন্যান্য প্রযোজ্য শর্ত পূরণ করতে হবে। ফলে এই ধারাটি মৃত পিটিশনকারীর কারণে তৈরি হওয়া নির্দিষ্ট বাধা দূর করার সুযোগ দেয়, কিন্তু অন্যান্য অভিবাসনসংক্রান্ত যোগ্যতার বিকল্প নয়।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে রাজনৈতিক পালাবদল নিয়ে ইরানের বার্তা

তৃতীয় সুযোগটি হলো মানবিক কারণে পিটিশন পুনর্বহাল বা হিউম্যানিটারিয়ান রিইনস্টেটমেন্ট। যদি কোনো পরিবারের সদস্য বিদেশি স্বজনের জন্য আই-১৩০ পিটিশন জমা দিয়ে সেটি অনুমোদিত হয় এবং পিটিশনকারি মারা যান, তখন এ সুবিধার জন্য আবেদন করা সম্ভব। সাধারণ নিয়মে পিটিশনকারীর মৃত্যুর কারণে অনুমোদিত পিটিশন বাতিল হয়ে যায়, তবে মানবিক বিবেচনায় ইউএসসিআইএস সেটির অনুমোদন পুনর্বহাল করতে পারে।

তবে হিউম্যানিটারিয়ান রিইনস্টেটমেন্ট সবার জন্য স্বয়ংক্রিয় অধিকার নয়। ইউএসসিআইএস প্রতিটি আবেদন পৃথকভাবে বিবেচনা করে। আবেদনকারীর পারিবারিক পরিস্থিতি, যুক্তরাষ্ট্রে থাকা স্বজনদের সঙ্গে সম্পর্ক, আবেদনের বিলম্বের প্রভাব এবং অন্যান্য মানবিক বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হতে পারে। বিশেষ করে মৃত্যুর আগে পিটিশনটি অনুমোদিত হওয়া গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। পিটিশন মুলতবি থাকা অবস্থায় পিটিশনকারীর মৃত্যু ঘটলে সাধারণভাবে শুধুমাত্র মানবিক পুনর্বহালের এই পথ ব্যবহার করা যায় না।

মানবিক পুনর্বহালের ক্ষেত্রে সুবিধাভোগী ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে বসবাস করলেও আবেদন করার সুযোগ থাকতে পারে। এখানেই এটি ২০৪(এল) ধারার সুরক্ষা থেকে আলাদা। উদাহরণস্বরূপ, যদি একজন মার্কিন নাগরিক বাংলাদেশে থাকা ভাই বা বোনের জন্য আই-১৩০ পিটিশন জমা দেন এবং পিটিশনটি অনুমোদিত হয়, কিন্তু ভিসার অপেক্ষায় থাকার সময় ওই মার্কিন নাগরিক মারা যান, তাহলে এমন পরিস্থিতিতে যোগ্য সুবিধাভোগী মানবিক কারণে পিটিশন পুনর্বহালের আবেদন করতে পারেন। তবে আবেদন অনুমোদিত হবে কি না, তা ইউএসসিআইএস সিদ্ধান্ত নেবে।

এই দুটি প্রক্রিয়ায় আর্থিক স্পনসরশিপের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ডের অনেক আবেদনে আই-৮৬৪ অ্যাফিডেভিট অব সাপোর্ট প্রয়োজন হয়। মূল পিটিশনকারী মারা গেলে তাঁর পরিবর্তে নির্দিষ্ট যোগ্যতাসম্পন্ন বিকল্প আর্থিক স্পনসর প্রয়োজন হতে পারে। সাধারণভাবে বিকল্প স্পনসরকে মার্কিন নাগরিক, মার্কিন ন্যাশনাল অথবা গ্রিন কার্ডধারী হতে হবে এবং আইন অনুযায়ী নির্ধারিত পারিবারিক সম্পর্ক ও আর্থিক যোগ্যতা পূরণ করতে হবে।

আরও পড়ুন: ট্রাম্প: ‘আমি ইসরাইলে চলে যাবো, সেখানে প্রধানমন্ত্রী হবো’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান: এবার কোনো সীমারেখা মানবে না, কঠোর জবাবের হুমকি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২৪ পি.এম


ইরান: এবার কোনো সীমারেখা মানবে না, কঠোর জবাবের হুমকি

ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে যে কোনো হুমকি আসলে, আগের চেয়ে আরও কঠোর ও তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানানো হবে বলে সতর্কতা দিয়েছেন দেশটির পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিটির চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আজিজি। তিনি জানান, এ ক্ষেত্রে ইরান কোনো সীমারেখা মানবে না।

রোববার (১ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ইব্রাহিম আজিজি উল্লেখ করেন, সর্বোচ্চ নেতার নির্দেশ চূড়ান্ত এবং বাধ্যতামূলক। তিনি বলেন, "যেকোনো হুমকির জবাব আগের চেয়ে আরও কঠোরভাবে এবং তাৎক্ষণিক দেওয়া হবে।" এ ক্ষেত্রে ভৌগোলিক অবস্থান কিংবা লক্ষ্যবস্তুর দিকে কোনো সীমাবদ্ধতা থাকবে না।

আজিজি আরও জানান, ইরানের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো হুমকি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। তিনি বলেন, দেশের বিচক্ষণ ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ সর্বোচ্চ নেতার নির্দেশ চূড়ান্ত এবং এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হবে না।

তিনি আরও বলেন, "যেকোনো হুমকির বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ও আরও কঠোর জবাব দেওয়া হবে।" এ ক্ষেত্রে কোনো সীমাবদ্ধতা থাকবে না এবং সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকাও উন্মুক্ত থাকবে।

এর আগে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হিব্রু ভাষায় দেওয়া এক পোস্টে আজিজি সতর্কতা দিয়েছিলেন যে, ইরানের নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হলে, এক ঘণ্টারও কম সময়ে অধিকৃত ভূখণ্ডকে বসবাসের অনুপযোগী করে দেওয়া হবে। সূত্র: মেহের

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুইজারল্যান্ডের রাইন নদী থেকে খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার, বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২৫ পি.এম


সুইজারল্যান্ডের রাইন নদী থেকে খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার, বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

সুইজারল্যান্ডের আর্গাউ ক্যান্টনের স্টাইন এলাকার রাইন নদীর তীর থেকে পুলিশ একটি খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় ৪৩ বছর বয়সী একজন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি নিহতের সঙ্গে একই কক্ষে বসবাস করতেন।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নিহত ব্যক্তি বুরুন্ডির নাগরিক। গত ২৪ অক্টোবর তার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে পরিচিতজনেরা পুলিশকে অবহিত করেন। পরবর্তী দিন ২৫ অক্টোবর, রাইন নদীর তীর থেকে একটি খণ্ডিত লাশের অংশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলটি তাদের বসবাসের আশ্রয়কেন্দ্রের নিকটবর্তী।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেহের বিভিন্ন অংশ কেটে আলাদা করা হয়েছিল। পরে সেগুলো আবর্জনার ব্যাগে ভরে রাইন নদী এবং নদীতীরবর্তী এলাকায় ফেলে দেওয়া হয়। ফরেনসিক মেডিসিন ইনস্টিটিউট পরে লাশের পরিচয় নিশ্চিত করে।

আর্গাউ ক্যান্টন পুলিশ এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করে। আশ্রয়কেন্দ্রের কয়েকজন বাসিন্দার আচরণ তদন্তকারীদের সন্দেহের জন্ম দেয়। বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় আশ্রয়কেন্দ্র এবং লাশ উদ্ধারের আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়।

তদন্তে পাওয়া আলামতের ভিত্তিতে ৪৩ বছর বয়সী বাংলাদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে সন্দেহের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। তিনি নিহত ব্যক্তির সঙ্গে একই কক্ষে বসবাস করতেন। পুলিশ ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় তাকে গ্রেপ্তার করে।

রাইনফেলডেন-লাউফেনবুর্গ জেলা অ্যাটর্নি কার্যালয় এই ঘটনায় হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে ফৌজদারি তদন্ত শুরু করেছে। একই সঙ্গে সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক রাখার আবেদন জানানো হয়েছে।

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা, সময়ক্রম এবং উদ্দেশ্য এখনো স্পষ্ট নয়। এ ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক বা ধর্মীয় কোনো উদ্দেশ্য জড়িত থাকার প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। জাতীয়রাজনীতি

তদন্ত চলাকালে সন্দেহভাজন ব্যক্তির মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্যগত সমস্যার কিছু লক্ষণ দেখা গেছে। তবে এসব সমস্যার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

সূত্র: ব্লু নিউজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারে পুলিশের দপ্তর পরিদর্শন করলেন ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২৫ পি.এম


কক্সবাজারে পুলিশের দপ্তর পরিদর্শন করলেন ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী

কক্সবাজারে পুলিশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর ও কার্যালয়ের কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, পিপিএম।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) এই পরিদর্শনে তিনি কক্সবাজার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয় (সদর সার্কেল), কক্সবাজার সদর মডেল থানা, জেলা ট্রাফিক অফিস, সদর কোর্ট এবং পুলিশ লাইন্সের বিভিন্ন দপ্তর ঘুরে দেখেন।

ডিআইজি সদর সার্কেলের কার্যালয়, থানা ও ট্রাফিক অফিসের সার্বিক কার্যক্রম, দাপ্তরিক নথিপত্র, বিভিন্ন রেজিস্টার ও ব্যবস্থাপনা খতিয়ে দেখেন। পরিদর্শনের সময় তিনি জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ দমন, মামলা তদন্ত, পুলিশি সেবা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং আদালতকেন্দ্রিক পুলিশি কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

এছাড়া, তিনি পুলিশ লাইন্সের রিজার্ভ অফিস, অস্ত্রাগার, ক্লথিং স্টোর, ডি-স্টোর ও রেশন স্টোর পরিদর্শন করেন। এসব দপ্তরে প্রশাসনিক কার্যক্রম, অস্ত্র ও গোলাবারুদ সংরক্ষণ, সরকারি মালামাল সরবরাহ ও ব্যবস্থাপনা এবং রেশনসামগ্রীর মজুত ও বিতরণ কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন তিনি।

ডিআইজি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে পেশাদারত্ব, শৃঙ্খলা, জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে সরকারি সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং সাধারণ মানুষকে মানসম্মত পুলিশি সেবা প্রদানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ.এন.এম. সাজেদুর রহমান, পিপিএম-সেবাসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশিয়ার শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ড্রোন হামলার দাবি, ইউক্রেনের তেল শোধনাগারে আঘাতের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২৬ পি.এম


রাশিয়ার শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ড্রোন হামলার দাবি, ইউক্রেনের তেল শোধনাগারে আঘাতের অভিযোগ

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : রাশিয়ার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মস্কোর পূর্বাঞ্চলে একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে।

রোববার রাশিয়ার পক্ষ থেকে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

এর আগে ইউক্রেন দাবি করেছিল যে, তারা রাশিয়ার একটি বড় তেল শোধনাগারে হামলা চালিয়েছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

রাশিয়ার নিঝনি নভগোরোদ অঞ্চলের গভর্নর গ্লেব নিকিতিন এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ওই অঞ্চলে রাতভর ও রোববার সকালে ব্যাপক ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এ সময় শতাধিক ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে কস্তোভো জেলার একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান ব্যাপক ক্ষতির শিকার হয়েছে।

তবে গভর্নর ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বা এটি কী ধরনের শিল্পকারখানা, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%