শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৪৪ পি.এম
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন আশা প্রকাশ করেছেন যে, ভবিষ্যতে আর কোনো বিশ্বজিৎ যেন নৃশংস হামলার শিকার না হন।
তিনি শুক্রবার দুপুরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্মাষ্টমী উৎসব ১৪৩৩ উপলক্ষে আয়োজিত ধর্মীয় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
রাশেদ খাঁন মন্তব্য করেন, 'শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব হাজার বছরেরও বেশি সময় আগে হলেও তাঁর জীবন, দর্শন ও শিক্ষা আজও সমাজে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। তিনি আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন যে, মানুষের প্রকৃত পরিচয় বংশপরিচয়ে নয়; বরং কর্মের মধ্য দিয়েই তার মর্যাদা ও অবস্থান নির্ধারিত হয়।' তিনি আরও বলেন, 'আমাদের উচিত শ্রীকৃষ্ণের আদর্শ ধারণ করে বৈষম্যহীন, শান্তিপূর্ণ ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসা।'
তিনি যোগ করেন, 'সব ধর্মের মূল শিক্ষা শান্তি, শৃঙ্খলা, মানবতা ও সম্প্রীতি। আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে, কোনো নাগরিক ধর্মীয় পরিচয় কিংবা রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে বৈষম্য বা নির্যাতনের শিকার না হন।'
রাশেদ খাঁন বলেন, 'অতীতে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে সনাতন ধর্মাবলম্বী বিশ্বজিৎকে হত্যা করা হয়েছিল। আমরা চাই না, ভবিষ্যতে আর কোনো বিশ্বজিৎ এ ধরনের নৃশংস হামলার শিকার হোক।'
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রইছ উদ্দীন সভাপতির বক্তব্যে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, বিভিন্ন ধর্মের মানুষের আচার-অনুষ্ঠান ভিন্ন হলেও শান্তি, মানবতা, ন্যায় ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য অভিন্ন। তিনি উল্লেখ করেন, শ্রীকৃষ্ণের জীবন ও দর্শন থেকে সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার শিক্ষা পাওয়া যায়।
এর আগে, দিনব্যাপী আয়োজনের অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ে পূজা, জন্মাষ্টমী শোভাযাত্রা ও ধর্মীয় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন থেকে শুরু হয়ে ভিক্টোরিয়া পার্ক প্রদক্ষিণ করে ক্যাম্পাসে ফিরে আসে।
অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল, বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সনাতনী শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রসাদ বিতরণের মাধ্যমে জন্মাষ্টমী উৎসবের কর্মসূচি সমাপ্ত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক অনলাইন প্রতারক চক্রের সঙ্গে জড়িত ৬ জন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই অভিযানে ১৯৩৮টি আইফোন এবং অন্তত ৩০টি ল্যাপটপসহ বিপুল পরিমাণ ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।
এছাড়া, চীনের পুলিশের র্যাঙ্ক ব্যাজ, চীনের জাতীয় পতাকা এবং পুলিশ লোগোযুক্ত একটি টাইও উদ্ধার করা হয়েছে। কক্সবাজার জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অহিদুর রহমান এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, গতকাল বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে কক্সবাজারের কলাতলি এলাকার হোটেল সি-প্যালেস থেকে তাদের আটক করা হয়েছে।
কক্সবাজারের সাগর পাড়সহ রামু ও উখিয়া উপজেলার সাগর তীরের বিভিন্ন রিসোর্টে অবস্থান করে এই সংঘবদ্ধ আন্তর্জাতিক চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে অনলাইনভিত্তিক আর্থিক প্রতারণার কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল
পুলিশ চক্রটির আস্তানা হিসেবে ব্যবহৃত একটি হোটেলের ছয়টি সাউন্ডপ্রুফ কক্ষের সন্ধানও পেয়েছে। অনলাইন প্রতারণার অভিযোগে হাতেনাতে আটক হওয়া ৬ চীনা ও তাইওয়ানিজ নাগরিকের বিরুদ্ধে পুলিশ রামু থানায় সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এর ২১, ২২, ২৪ ও ২৭ ধারায় মামলা দায়ের করেছে।
একই ঘটনায় আরো চারজন পলাতক রয়েছে এবং ২৫০ থেকে ৩০০ জন চীনা ও তাইওয়ানিজ নাগরিককে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। পুলিশের একটি সূত্র জানায়, প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ জন চীনা ও তাইওয়ানি নাগরিক কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভের দুটি হোটেল ভাড়া নিয়ে অবস্থান করে অনলাইনভিত্তিক প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছিলেন।
হোটেল সী-প্যালেস কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ২৬ আগস্ট চীনা নাগরিকদের একটি দল হোটেলটিতে উঠে। বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশের অভিযানের সময় তাদের কয়েকজনকে আটক করা হয়। পুলিশের অভিযানকালে রিসোর্টের একটি হলরুম থেকে ১ হাজার ৯৩৮টি পুরনো মডেলের আইফোন, ৫০টি মনিটর, ৪৪টি সিপিও, ৩০টি কিবোর্ড, দুটি ল্যাপটপ, দুটি প্রিন্টার, ৪০টি মাউস, একটি আইপিএস, ২৪টি কানেকশন বোর্ডসহ বিপুল পরিমাণ ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের হকিতে বর্তমানে ব্যস্ত সময় চলছে। বাংলাদেশ নারী ও পুরুষ অ-২০ দল চীনের মকিতে অনুষ্ঠিত এএইচএফ অ-২০ টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করতে গেছে। অন্যদিকে, চীনের একটি ভিন্ন শহরে সিনিয়র হকি দল এশিয়ান গেমসের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।
অ-২০ টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে বাংলাদেশ স্বাগতিক চীনের বিরুদ্ধে ৩-২ গোলে পরাজিত হয়েছে। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে বাংলাদেশ ২-১ গোলে এগিয়ে ছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়তে সক্ষম হয়নি বাংলাদেশ।
ম্যাচের শুরুতেই ছয় মিনিটের মাথায় পেনাল্টি কর্নার থেকে চীন লিড নেয়। তবে বাংলাদেশ পরক্ষণেই সমতায় ফেরে। দ্বীন ইসলাম ফিল্ড গোল করে বাংলাদেশকে সমতায় ফিরিয়ে আনে। প্রথম কোয়ার্টারটি ১-১ সমতায় শেষ হয়। ২৬ মিনিটে মেহেদী হাসানের ফিল্ড গোলের মাধ্যমে বাংলাদেশ ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে মধ্য বিরতিতে ড্রেসিংরুমে ফিরে যায়।
তবে, তৃতীয় কোয়ার্টারের শেষ মুহূর্তে চীন আবারও সমতায় ফেরে। এই গোলটিও বাংলাদেশ পেনাল্টি কর্নার থেকে হজম করে। শেষ কোয়ার্টারে বাংলাদেশ গোলের জন্য চেষ্টা চালায়, কিন্তু ৫৩ মিনিটে আরেকটি গোল হজম করে তারা পুনরায় পিছিয়ে পড়ে। শেষ সাত মিনিটে আর কোনো গোল না দেওয়ায় বাংলাদেশকে হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়।
আগামীকাল বাংলাদেশ অ-২০ নারী দলের ম্যাচ চাইনিজ তাইপের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত হবে। পুরুষ দল পরশু দিন মালয়েশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করবে। চীন ছাড়াও পুরুষ দলের প্রতিপক্ষ হিসেবে কাজাখস্তান ও পাকিস্তান রয়েছে। এই টুর্নামেন্টে ষষ্ঠ স্থান অর্জন করলে বাংলাদেশ পুনরায় যুব হকি বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশের প্রতিটি মানুষ নাগরিকত্বের ভিত্তিতে সমান অধিকার ও নিরাপত্তা ভোগ করবে, ধর্ম বা অন্য কোনো বিভাজনের ভিত্তিতে নয়। তিনি উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশে বসবাসকারী জনগোষ্ঠী বা সম্প্রদায়ের মানুষকে আর ‘সংখ্যালঘু’ হিসেবে পরিচিত হওয়ার প্রয়োজন নেই।
মন্ত্রী বলেন, আমাদের সবার প্রধান ও প্রথম পরিচিতি হওয়া উচিত ‘আমরা সবাই বাংলাদেশি’ বলে।
আজ শুক্রবার রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির মেলাঙ্গনে ‘কেন্দ্রীয় জন্মাষ্টমী উৎসব ১৪৩৩’ উপলক্ষ্যে ঐতিহাসিক কেন্দ্রীয় জন্মাষ্টমী মিছিলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ এ আয়োজনের ব্যবস্থা করে।
অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমাদের নেতা স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। যদি তাই হয়, তবে আমরা প্রত্যেকে ‘সবার আগে বাংলাদেশি’। আমাদের ধর্মীয়, সামাজিক কিংবা নৃগোষ্ঠীগত পরিচয় এর পরে আসবে। রাষ্ট্র পরিচালনায় সরকারের মূল নীতিই হলো সবার জন্য বাংলাদেশ।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অতীতে অনেকে মনে করত, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা একটি নির্দিষ্ট দলের ‘ভোট ব্যাংক’। এটি দিয়ে তারা রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চেয়েছিল। কিন্তু দেশের সচেতন জনগণ সেই ভুল ধারণা ও কৃত্রিম মিথ ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর গত ছয় মাসে দেশের সকল ধর্মের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং আচার সুনিশ্চিত করা হয়েছে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জনগণই বিচারক। তারা ইতোমধ্যে রায় দিয়েছেন এবং আগামীতেও গণতন্ত্রকে সুদৃঢ় রাখতে এবং সব ধরনের অসুর শক্তি ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকবেন।
সংবিধান ও ধর্মীয় অধিকারের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্র প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বাধ্য। সংবিধানের চেতনা অনুযায়ী ধর্মের ভিত্তিতে কোনো প্রকার বৈষম্য করা যাবে না।
তিনি বলেন, সকল ধর্মীয় উপাসনালয় এবং সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্তদের পূর্ণ নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। সরকার এসব কথা কেবল সংবিধানে সীমাবদ্ধ রাখতে চায় না, বাস্তবেও সাম্য ও সম্প্রীতি নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।
ভাষার ব্যবহারে পরিবর্তন আনার আহ্বান জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা সচরাচর ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি’ শব্দটি ব্যবহার করি। কিন্তু আমি মনে করি ‘সাম্প্রদায়িক’ শব্দটির আর প্রয়োজন নেই। এখন থেকে বলতে হবে আমরা ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি, সহাবস্থান এবং শান্তি বজায় রাখব। এই ইতিবাচক চর্চাই সমাজকে আরও সুন্দর করবে।
মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি গোপাল চন্দ্র দেবনাথের সভাপতিত্বে সমাবেশ ও মিছিলে উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম।
সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বিষয়ক বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার এবং ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা দেন হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান তপন চন্দ্র মজুমদার, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর ও সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শুভাশীষ কুমার বিশ্বাস (সাধন)।
অনুষ্ঠানের শুরুতে মঙ্গল প্রদীপ জ্বালিয়ে মিছিলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম।
জন্মাষ্টমীর মিছিলটি পলাশী মোড় (ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির মেলাঙ্গন) থেকে শুরু হয়ে বাহাদুর পার্কে গিয়ে শেষ হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পশ্চিম তীরে অবস্থিত একটি ব্যক্তিমালিকানাধীন ফিলিস্তিনি আঙুরবাগান থেকে চুরি করে আঙুর নিয়ে যেতে দেখা গেছে একটি পরিবারকে, যারা অবৈধ ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী। এই চুরির ঘটনাটি ভিডিওতে ধারণ করেছেন সেখানে উপস্থিত অধিকারকর্মীরা।
হেবরনের উত্তরে হালহুল এলাকায়, ইসরায়েলি কর্মীদের একটি দল, যাদের নাম ‘রিজার্ভিস্টস অ্যাগেইনস্ট টেরর’, ওই আঙুরবাগানের মালিক ফিলিস্তিনি কৃষকদের সহায়তা করতে সেখানে গিয়েছিল। তাদের ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, শিশুদের নিয়ে একটি অবৈধ বসতি স্থাপনকারী পরিবার বাগান থেকে আঙুর নিচ্ছে।
বলছে, আইডিএফ ওই এলাকা ‘বন্ধ সামরিক অঞ্চল’ ঘোষণা করে এবং সেখানে অবস্থানরত ফিলিস্তিনি কৃষক ও ইসরায়েলি অধিকারকর্মীদের সরিয়ে দেয়। তাদের সেখানে যাওয়ার জন্য পূর্বে সমন্বয় বা অনুমতির প্রয়োজন ছিল বলে জানানো হয়।
তবে, বসতি স্থাপনকারীদের সরিয়ে দেওয়া হয়নি।
অধিকারকর্মীরা যখন তাদের কাছে এগিয়ে যান, তখন বসতি স্থাপনকারীরা নিজেদের থেকেই সেখান থেকে চলে যায় বলে জানান হোমিনার-রোজেনব্লুম। তিনি আরও উল্লেখ করেন, অধিকারকর্মীরা ফিরে যাওয়ার পর দেখতে পান, তাদের যানবাহনের কয়েকটি টায়ার ফুটো করে দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ