শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:৪৫ এম
অনলাইন বিজ্ঞাপনের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ওপর গোপনে নজরদারি এবং তাদের ডিভাইসে ম্যালওয়্যার বা স্পাইওয়্যার ইনস্টল করার চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে শীর্ষস্থানীয় দুটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান। কানাডার সাইবার ওয়্যারডগ গ্রুপ ‘সিটিজেন ল্যাব’ এবং নিউইয়র্কভিত্তিক অ্যাডভারটাইজিং সিকিউরিটি ফার্ম ‘কনফিয়্যান্ট’-এর পৃথক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইসরায়েলি ডিজিটাল অ্যাডভার্টাইজিং এজেন্সি ‘ডিসকভার-টেক’ (Discover-Tech) অনলাইন বিজ্ঞাপনের একটি বিশাল নেটওয়ার্ক তৈরি করে এই তথ্য চুরির কার্যক্রম পরিচালনা করত। ফোন বা ইয়ারবাডের মতো সাধারণ পণ্যের বিজ্ঞাপনের আড়ালে এই ভুয়া নেটওয়ার্কটি প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার ওয়েবসাইট এবং ৭৫ হাজার অ্যাপে তাদের কার্যক্রম ছড়িয়ে দিয়েছিল। ব্যবহারকারীরা যখন ওই সমস্ত সাইট বা অ্যাপ ভিজিট করতেন, তখন ডিসকভার-টেক তাদের শনাক্ত ও ট্র্যাক করতে সক্ষম হতো। এমনকি অনেক সময় স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের ফোন নম্বর পর্যন্ত হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হতো।
গবেষকদের মতে, ডিসকভার-টেকের এই গুপ্তচরবৃত্তি সেবাটি ইজরায়েলের কুখ্যাত স্পাইওয়্যার কোম্পানি ‘ক্যানডিরু’ (Candiru)-সহ অন্যান্য নজরদারি সংস্থাকে গুগল, কোমাস্ট এবং রাশিয়ার ইয়ানডেক্স-এর মতো বৃহৎ বিজ্ঞাপনী প্ল্যাটফর্মে প্রবেশাধিকার করে দিত। ক্যানডিরুর স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে লক্ষ্যবস্তুর ডিভাইসে আড়ি পাতা হতো। উল্লেখ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০২১ সালে সরকারের সমালোচকদের ওপর নজরদারি চালানোর অভিযোগে ক্যানডিরুকে কালো তালিকাভুক্ত করেছিল।
সিটিজেন ল্যাবের জ্যেষ্ঠ গবেষক ওলফি ক্রিস্টল এ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন, “বর্তমান অনলাইন বিজ্ঞাপনের সামগ্রিক কাঠামোই রাষ্ট্র, বেসরকারি খাত এবং সাধারণ নাগরিক—সবার জন্য একটি চরম পদ্ধতিগত নিরাপত্তা ঝুঁকি।”
তবে অভিযুক্ত ডিসকভার-টেক বা এর প্রধান নির্বাহী দেকেল বনির সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সূত্র: রয়টার্স।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার দুর্গাপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তেলুঞ্জিয়া এলাকায় দুবৃত্তদের গুলিতে এক সাংবাদিক নিহত হয়েছেন, যাঁর নাম লুৎফরুজ্জামান ফকির (আলীফ)। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাতের আনুমানিক ৮.০০ ঘটিকার সময় এই ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ তাঁকে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাস্থলে গুলি পড়ে থাকতে দেখা গেছে বলেও জানা গেছে।
নিহত লুৎফরুজ্জামান আলীফ ফকির নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের শুনুই গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তাঁর বাবার নাম মহব্বত আলী ফকির। তিনি দুর্গাপুর পৌরসভার তেলুঞ্জিয়া এলাকায় পরিবার ও সন্তানদের নিয়ে বসবাস করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আলীফ ফকির ‘রূপসী বাংলা’ টেলিভিশনের নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতেন। পাশাপাশি তিনি ‘‘ডিটেকটিভ আর্টিকেল’’ নামে একটি ফেসবুক পেজ পরিচালনা করতেন বলেও জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাত ৮টার দিকে লুৎফুজ্জামান ফকির তেলুঞ্জিয়া এলাকার রবিন সাংমার দোকানে তাঁর রেখে যাওয়া মুঠোফোন নিতে যান। এ সময় দুই যুবক এসে তাঁকে লক্ষ্য করে পরপর কয়েকটি গুলি ছোড়ে। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা দ্রুত পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার চেষ্টা করলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে তাঁর মৃত্যু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী চা দোকানের মালিক রবিন রাংসা বলেন, ঘটনার আগে দুই ব্যক্তি তাঁর দোকানে এসে সিগারেট কিনেছিলেন। তাঁদের বয়স আনুমানিক ৩০ থেকে ৩৫ বছর। এর আগে আলিফ ফকির তার দোকানে একটি মোবাইল ফোন রেখে গিয়েছিলেন। পরে ওই মোবাইল ফোন নিতে ওই দোকানে যান আলিফ ফকির। এরপর ওই দুই ব্যক্তি সিগারেট নিয়ে আলীফ ফকিরের পিছু নেন। এর পরপরই তিনি তিনটি গুলির শব্দ শুনতে পান। পরে ভয়ে দোকান থেকে বাড়ির ভেতরে চলে যান।
নিহতের স্ত্রী আনন্দিতা সরকার জানান, ঘটনার সময় তিনি বাসায় ছিলেন। এ সময় তাঁর স্বামীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, এমন খবর শুনে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। সেখানে গিয়ে স্বামীকে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন। পরবর্তীতে স্থানীয়দের সহায়তায় দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।
দুর্গাপুর থানার ওসি খন্দকার শাকের আহমদ খান জানান, নিহত সাংবাদিকের মাথা, গলা, বুকসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে পাঁচটি গুলির আঘাত পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। খবর পেয়ে নেত্রকোনার পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। এ ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার করতে পুলিশের বিশেষ অভিযান চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. জাহাঙ্গীর আলমকে রংপুরের নতুন বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাতে এই নিয়োগ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
এছাড়া, রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মো. শহিদুল ইসলামকে গ্রেড-১ পদে পদোন্নতি প্রদান করে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের ৬১টি জেলা পরিষদে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের উদ্যোগের অংশ হিসেবে ফরিদপুর জেলা পরিষদ প্রথমবারের মতো সফলভাবে ৬০ কিলোওয়াট উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প চালু করেছে। নিজেদের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ শুরু করেছে এই প্রতিষ্ঠান। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে জেলা পরিষদের নিজস্ব তহবিলের সঙ্গে সরকারের দেওয়া অনুদান যুক্ত করে।
বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টার দিকে ফরিদপুর জেলা পরিষদের প্রকৌশল শাখা ভবন এবং সদর ভিআইপি ডাকবাংলোর ছাদে স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম।
জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা পরিষদের প্রকৌশল শাখা ভবনের ছাদে ৪০ কিলোওয়াট এবং সদর ভিআইপি ডাকবাংলোর ছাদে ২০ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌর প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে। এই দুই ভবনে স্থাপিত ব্যবস্থার মোট উৎপাদনক্ষমতা ৬০ কিলোওয়াট।
জেলা পরিষদের দৈনন্দিন বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ৪০ কিলোওয়াট। তাই সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ দিয়ে নিজেদের চাহিদা পূরণের পর অবশিষ্ট প্রায় ২০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে।
প্রকল্পটি চালুর আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে বৃহস্পতিবার জেলা পরিষদ ও ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ওজোপাডিকো-১) বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। প্রকল্পটির সৌর প্যানেল স্থাপনের দায়িত্ব পালন করবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘মার্শ পাওয়ার টেকনোলজি লিমিটেড’, যারা আগামী ২০ বছর এর মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম বলেন, “বর্তমানে সারা বিশ্বেই জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট দেখা দিয়েছে। নিজস্ব ও নবায়নযোগ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে কীভাবে আমরা বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে পারি, সেই প্রয়াস থেকেই জেলা পরিষদের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”
প্রকল্পটি বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. আফজাল হোসেন খান পলাশ বলেন, “দেশের ৬১টি জেলা পরিষদে সোলার সিস্টেম স্থাপনের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ২০ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। সেই সরকারি অনুদানের সঙ্গে জেলা পরিষদের নিজস্ব তহবিল যুক্ত করে আমরা সফলভাবে এই প্ল্যান্টটি বাস্তবায়ন করেছি। ফরিদপুরই প্রথম জেলা পরিষদ, যারা সোলার সিস্টেম চালু করে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ দিতে শুরু করেছে। আমাদের দৈনন্দিন প্রয়োজন প্রায় ৪০ কিলোওয়াট, বাকি ২০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ আমরা জাতীয় গ্রিডে যোগ করব।”
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি নিজস্ব বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ এবং জাতীয় গ্রিডে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষেত্রে ফরিদপুর জেলা পরিষদের এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বাকাহীদ হোসেন, ফরিদপুর পৌরসভার প্রশাসক মো. ইলিয়াছুর রহমান, জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা সুলতানা এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আজহারুল ইসলামসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রংপুর মহানগরের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ, যানজট নিরসন এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা সমাধানে পুলিশের কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান বেলাল।
বৃহস্পতিবার বিকেলে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে পুলিশ কমিশনার মু. মাহবুবুর রশীদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান বেলাল জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেন। মহানগরের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে অপরাধ দমন, মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় একজন সংসদ সদস্য হিসেবে ‘ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স’ অনুযায়ী প্রাপ্য প্রটোকল ও সম্মান নিশ্চিত করার বিষয়টিও তুলে ধরেন মাহবুবুর রহমান বেলাল। তিনি প্রশাসনিক যেসব ঘাটতি রয়েছে, সেগুলো পূরণে সংশ্লিষ্টদের মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।
মাদক নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে সংসদ সদস্য বলেন, শুধু মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে হবে না; মাদকের উৎস চিহ্নিত করে এর পেছনে থাকা কারবারিদের আইনের আওতায় আনতে হবে। মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
মহানগরের যানজট সমস্যা নিরসনে কামারপাড়া বাসস্ট্যান্ড অন্যত্র স্থানান্তরের বিষয়টি তুলে ধরেন সংসদ সদস্য। তিনি অবৈধ বালু পয়েন্টের বিরুদ্ধে পুলিশের দৃশ্যমান অভিযান পরিচালনা এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে পুলিশকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
মতবিনিময় সভায় রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার নরেশ চাকমা, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) তোফায়েল আহমেদ, উপপুলিশ কমিশনার (অপরাধ উত্তর বিভাগ) মাহফুজুর রহমান এবং উপপুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা বিভাগ) সনাতন চক্রবর্তীসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া সংসদ সদস্যের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মহানগর জামায়াতের প্রচার ও মিডিয়াবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট কাওছার আলী, পরশুরাম থানা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট মাহবুব আলম এবং মহানগর ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি সাজ্জাদ হোসাইনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সংসদ সদস্যের উত্থাপিত বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মু. মাহবুবুর রশীদ। তিনি সংসদ সদস্যের প্রটোকল নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাদক নিয়ন্ত্রণ, যানজট নিরসন এবং মহানগরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ