ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
গুলিবিদ্ধ ‘কাইল্লা পলাশ’

‘অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক’, স্থানান্তর বেসরকারি হাসপাতালে


‘অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক’, স্থানান্তর বেসরকারি হাসপাতালে

রাজধানীর রামপুরায় গুলিবিদ্ধ ইয়াসিন খান পলাশ ওরফে ‘কাইল্লা পলাশ’ (৫০) কে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। রবিবার (১৪ জুন) রাত সোয়া ১২টার দিকে লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে অন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক। এর আগে গত শুক্রবার দুপুরে পশ্চিম রামপুরার মক্কি মসজিদ সংলগ্ন রয়েল মিষ্টির দোকানের সামনে তাকে গুলি করা হয়েছিল। প্রাথমিক তথ্যে জানা যায়, আগেই দুই যুবক সেখানে অবস্থান করছিল। নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় তারা পলাশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর স্থানীয়রা হামলাকারীদের ধাওয়া দিলে তারা মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় পলাশকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার শারীরিক অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জেনেভা ক্যাম্পে গডফাদারদের ছত্রছায়ায় আরো বেড়েছে মাদক ব্যবসা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৫৪ এম


জেনেভা ক্যাম্পে গডফাদারদের ছত্রছায়ায় আরো বেড়েছে মাদক ব্যবসা

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পে ৫ আগস্টের পরবর্তী দফা অভিযানগুলি চললেও এখনো মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণে আসেনি। পুলিশ তালিকাভুক্ত গডফাদারদের কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

নামগুলো হলো- মনু ওরফে গাল কাটা মনু, ইমতিয়াজ, শাহ আলম ও বিল্লু। অভিযোগ রয়েছে যে, তারা একত্রে জেনেভা ক্যাম্পে খুচরা মাদক কারবারিদের নেতৃত্ব দিচ্ছে। এছাড়া, সালাম, নেটা সেলিম, ইরফান, লালনসহ বিভিন্ন তালিকাভুক্ত গডফাদার ক্যাম্পে মাদক ব্যবসার নেতৃত্ব দেয়। প্রত্যেকের প্রায় ৪০ থেকে ৫০ জনের বেশি সহযোগী রয়েছে, যারা ক্যাম্প ও আশপাশের এলাকায় ঘুরে ঘুরে প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি করে। মাদক কিনতে তাদের কাছ থেকে কখনও কখনও লাইনে দাঁড়িয়ে মানুষকে দেখা যায়, অনেকটা রিলিফ পণ্যের মতো।

এদিকে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক অভিযানে এই মরণনেশার লেনদেন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেজবাহ উদ্দীন কালের কণ্ঠকে জানান, কিছু গডফাদার গ্রেপ্তার হয়েছে, কিন্তু যারা এখনও গ্রেপ্তার হয়নি, তাদের ধরার প্রয়াস অব্যাহত রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতির মধ্যে তারা থানায় তালিকাভুক্ত মাদক কারবারির তালিকায় রয়েছে এবং তাদের ধরা পড়ার অভিযান চলছে।

পুলিশ জানায়, সর্বশেষ সোমবার রাতে ক্যাম্পে অভিযান চলাকালীন তারা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় যে, মাদক গডফাদারদের বিরুদ্ধে আধিপত্য বজায় রাখতে সহযোগীদের মাধ্যমে তারা বিপুল অস্ত্রের মজুদ করেছে, যার ফলে মাঝে মধ্যে সংঘর্ষ ঘটছে। এর ফলে এলাকার নিরীহ মানুষের প্রাণহানি ঘটে।

ধারণা করা হচ্ছে, মোহাম্মদপুরে জেনেভা ক্যাম্প দীর্ঘ দিন ধরে আতঙ্কের জনপদ হয়ে উঠেছে। এখানে কেবল মাদক কারবারই নয়, প্রায়ই ছিনতাইয়ের ঘটনাও ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত অবস্থায় রয়েছেন। মাঝে মাঝে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান হলেও কিছুদিন পরে পূর্বের পরিস্থিতি ফিরে আসে।

অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, মোহাম্মদপুর তার এলাকার আতঙ্কের আড়ালে পাকিস্তানি নাগরিকদের আবাসস্থল। সেখানে মাদক খুব সহজে পাওয়া যায় আর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও ক্রেতা। মাদক নিয়ন্ত্রণে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। যদি না হয়, তবে সমাজে বিশৃঙ্খলা দেখা দেবে।

বিশ্বাসযোগ্য সূত্রে জানা যায়, মোহাম্মদপুর বিহারী ক্যাম্পসহ আশপাশের এলাকায় অপরাধমূলক পরিস্থিতি হওয়ার কারণে পুলিশ ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার (সিসিটিভি) আওতায় আনার পরিকল্পনা করছে। গত সোমবার মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে র‌্যাব, পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। মাদক অপরাধীদের গ্রেপ্তার করতে চার ঘণ্টাব্যাপী এই বিশেষ অভিযানে ১৬ জনকে আটক করা হয়, তবে এর মধ্যে শীর্ষ পর্যায়ের গডফাদাররা নেই। আবার, মোহাম্মদপুর থানার পুলিশ সূত্র এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে যে, মাদক বিরোধী অভিযানে অফিসারসহ তিন বাহিনীর বিশাল বহর অংশ নিয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানাচ্ছে, গত ৩০ এপ্রিল থেকে রাজধানীসহ সারা দেশে মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। নতুন সরকারের ক্ষমতায় আসার পরে মাদকদের বিরুদ্ধে কঠোর যুদ্ধ শুরু হয়েছে।

নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আইনগত দুর্বলতার কারণে অনেক অপরাধীকে আটক করার পর দীর্ঘ সময় জেলে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। ক্যাম্পের বাসিন্দাদের পাশাপাশি পুলিশ থেকে কিছু তথ্য পাওয়া গেছে, যে নেতৃবৃন্দ শাহ আলম নামের এক নিরাপরাধ তরুণকে মাদক অপরাধীদের হাতে খুন করেছে। তাকে নির্মমভাবে চাপাতি দিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। গত এক বছরের মধ্যে এই মাদক ব্যবসায়ীরা আরও পাঁচজনকে খুন করেছে এবং অর্ধশতাধিক লোক চাপাতির কোপে ও গুলিতে আহত হয়েছেন, এর মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ক্যাম্পের অন্তত ৮০ শতাংশ লোক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এখন মাদকে জড়িয়ে পড়েছে। তবে ক্যাম্পের বাসিন্দারা বলেন, ক্যাম্পে দারিদ্র্য ও বেকারত্বের পাশাপাশি মাদক ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিচ্ছে। সম্প্রতি, পুলিশ গোয়েন্দা অনুসন্ধান চালিয়ে জানিয়েছে যে, ক্যাম্পের ৮০ শতাংশ বাসিন্দা মাদক ব্যবসায় জড়িত। জামিনে থাকা এবং অন্তত ২০ জন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ করছে, যারা ক্যাম্পে নেই। তারা শিশু, কিশোর ও নারীদের ব্যবহৃত করছে।

পুলিশ জানায়, গত এক বছরে মোহাম্মদপুর থানায় ৬০ শতাংশ মামলা মাদককে কেন্দ্র করে হয়েছে। শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীদের অনেকেই ৫ আগস্টের পর যৌথ বাহিনীর অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছিল। তবে বেশিরভাগ জামিনে বের হয়ে পুনরায় মাদক ব্যবসা শুরু করেছে। বুনিয়া সোহেল ৩৬ মামলার আসামি, অন্যদের বিরুদ্ধে ১০ থেকে ১২টি করে মাদক সংক্রান্ত মামলা রয়েছে।

এক বছরে নিহতদের মধ্যে, গত বছরের ৬ আগস্ট ক্যাম্পে গুলিতে শাহেন শাহ নামের এক যুবক মারা যান। একই দিনে শুভ নামের আরেক যুবক গলায় গুলিবিদ্ধ হন। এর আগে শাহ আলম নামে এক তরুণকে হত্যা করা হয়েছিল। পরে ১৭ আগস্ট থেকে সংঘর্ষ শুরু হয়, যা ২৩ আগস্ট পর্যন্ত চলেছিল। আবার ৩০ আগস্ট থেকে ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সংঘর্ষ হয়। ৪ সেপ্টেম্বর সোহেলের গুলিতে অটোরিকশাচালক সাদ্দাম হোসেন সনু মারা যায়। ঘটনার পর ২২ সেপ্টেম্বর এবং পরদিন সকাল পর্যন্ত দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া চলতে থাকে। এর মধ্যে নাগিন বেগম ও চারকো ইরফান গুলি বর্ষণের শিকার হন। ২৪ সেপ্টেম্বর গুলিবিদ্ধ সাগর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। সবথেকে আগে ৩১ মে ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলিতে রাসেল নামে এক শিশু মারা যায়।

জানা গেছে, ক্যাম্পের বাসিন্দারা বলছেন, বুনিয়া সোহেল মোটরসাইকেলে করে এসে ককটেল ফাটিয়ে চলে যায় এবং সেই থেকে ক্যাম্পের বিভিন্ন জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটছে।

ক্যাম্পের বাসিন্দাদের মতে, বর্তমানে এই ক্যাম্পের মাদক নিয়ন্ত্রণকারীদের মধ্যে বুনিয়া সোহেলের লোকজন ক্যাম্পের ৭ নম্বর সেক্টরে মাদক কারবার করছে। এছাড়া চুয়া সেলিমের এলাকা এবি-ব্লক পাক্কা ক্যাম্পে মাদক কারবার চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাপানের বিপক্ষে ২–১ গোলে এগিয়ে নেদারল্যান্ডস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:০৩ এম


জাপানের বিপক্ষে ২–১ গোলে এগিয়ে নেদারল্যান্ডস

দ্বিতীয়ার্ধে অসম্ভব উত্তেজনায় ভরা হয়ে উঠেছে জাপান ও নেদারল্যান্ডসের ম্যাচ। ৫১ থেকে ৬৪ মিনিটের মধ্যে মাত্র ১৩ মিনিটের মধ্যেই তিনটি গোল ঘটে, যা পুরো ম্যাচের অবস্থান পাল্টে দেয়।

৫১ মিনিটে ডান দিক থেকে আসা একটি ক্রসে ভির্জিল ভ্যান ডাইকের হেডে এগিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। তার শক্তিশালী হেড পোস্টে লেগে জালে জড়িয়ে যায়।

কিন্তু এই লিড বেশি সময় ধরে রাখতে পারেনি নেদারল্যান্ডস। ৫৭ মিনিটে বাঁ পাশ থেকে অভিজ্ঞ কেইতো নাকামুরা দারুণ আক্রমণে গোল করে সমতা ফেরান। তখন জাপান পুরোপুরি ম্যাচে ফিরে আসে।

আবারও ৬৪ মিনিটে নেদারল্যান্ডস এগিয়ে যায়। বক্সের বাইরে থেকে ক্রিসেনসিও সুমারভিল একটি অসাধারণ শটের মাধ্যমে দলকে ২–১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।

এর আগে ম্যাচটি ফায়ারড চালানোর জন্য আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের মধ্যে ছিল, যেখানে দুই দলই কিছু ভালো সুযোগ তৈরি করেছিল কিন্তু তারা গোলের দেখা পায়নি।

ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলে রাখছিল নেদারল্যান্ডস। ডান দিক থেকে ভ্যান হেক আক্রমণে উঠে জাপানের রক্ষণভাগের উপর চাপ সৃষ্টি করেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে জাপানি ডিফেন্ডাররা সেই চাপ সফলভাবে সামাল দিয়েছেন।

অন্যদিকে, জাপানও কিছু পাল্টা আক্রমণ করেছে। বিশেষ করে ম্যাচের শেষ দিকে উয়েদা একটি গোল করার সুযোগ চেয়েছিলেন। তিনি ডিবক্সের ভেতর থেকে শট নিলেও বল ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে যায়।

প্রথমার্ধের ৪৩ মিনিটে জাপান সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছে যায় গোলের। নাকামুরা বক্সের ভেতর থেকে একটি শট নিলেও বল গোলবারের পাশ দিয়ে চলে যায়। এর আগে, নেদারল্যান্ডসের হয়ে মালেনের হেডে জাপানের গোলরক্ষক সুজুকি একটি সুন্দর সেভ করেছিলেন। কর্নার থেকে আসা বলেও ডাচরা জাপানি রক্ষণ ভাঙতে ব্যর্থ হয়।

অতিরিক্ত সময়েও দুই দলই চেষ্টা চালালেও কোনো দলই গোলের খাতা খুলতে পারেনি। ফলে প্রথমার্ধ শেষে ম্যাচটি গোলশূন্য সমতায় দাঁড়িয়ে ছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাজিলকে টপকে বিশ্বকাপে গোলের শীর্ষে জার্মানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:০৪ এম


ব্রাজিলকে টপকে বিশ্বকাপে গোলের শীর্ষে জার্মানি

বিশ্বকাপের ইতিহাসে নতুন একটি অধ্যায় গড়ল জার্মানি।

একটি মাত্র ম্যাচে ৭–১ গোলের বিশাল জয়ের মাধ্যমে নতুন রেকর্ড তৈরি করে এবার তারা সবচেয়ে বেশি গোল করার শীর্ষস্থানে পৌঁছেছে।

কুরাসাওয়ের বিপক্ষে দাপুটে জয় তুলে নিয়ে জার্মানির হয়ে গোল করেছেন ছয়জন খেলোয়াড়।

ম্যাচটি শুরু থেকেই একতরফা হয়ে উঠেছিল এবং শেষ পর্যন্ত বড় ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইউলিয়ান নাগেলসমানের দল।

এই জয়ের ফলে বিশ্বকাপ ইতিহাসে মোট গোলের হিসাবে ব্রাজিলকে পেছনে ফেলেছে জার্মানি।

বর্তমানে জার্মানির গোল সংখ্যা ২৩৯, যেখানে ব্রাজিলের গোল সংখ্যা ২৩৮—ফলস্বরূপ চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা শীর্ষে উঠে এসেছে।

ম্যাচে পূর্বে পিছিয়ে পড়লেও দ্রুতই ঘুরে দাঁড়ায় জার্মানি।

নিকো শ্লটারবেক ও কাই হাভার্টজ প্রথমার্ধে ব্যবধান তৈরি করেন।

দ্বিতীয়ার্ধে তারা আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে।

জামাল মুসিয়ালা, নাথানিয়েল ব্রাউন ও ডেনিস উন্দাভ গোল করে ব্যবধান আরও বাড়ান।

শেষ দিকে হাভার্টজ নিজের দ্বিতীয় গোল করে স্কোরলাইন ৭–১ নিশ্চিত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৮৯ মিনিটের গোলে নেদারল্যান্ডসের স্বপ্ন ভাঙল জাপান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:০৫ এম


৮৯ মিনিটের গোলে নেদারল্যান্ডসের স্বপ্ন ভাঙল জাপান

২০২৬ বিশ্বকাপে একটি জমজমাট লড়াইয়ে জাপান শেষ মুহূর্তে ঘুরে দাঁড়িয়ে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র করেছে।

দুটি দলের পক্ষে ম্যাচের এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে, জাপান ৮৯ মিনিটে কোকি ওগাওয়ার গোলের মাধ্যমে ডাচদের জয় থেকে বঞ্চিত করে। ম্যাচের প্রথমার্ধে দুই দলই একাধিক আক্রমণ চালালেও গোলের দেখা পায়নি। ৩৪ মিনিটে শটটি কর্নার থেকে ডনিয়েল মালেনের অসাধারণ হেড, জাপানের গোলরক্ষক জিওন সুজুকি দুর্দান্ত দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন। তার অন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেভের জন্য বিরতির আগে স্কোরলাইন ছিল ০-০।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ম্যাচে এগিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। ৫১ মিনিটে ডান দিক থেকে আসা ক্রসে অধিনায়ক ভার্জিল ফন ডাইক দুর্দান্ত হেডে গোল করেন। পোস্টে লেগে জালে জড়ানো গোলটি ছিল তার দেশের জন্য বড় কোনো টুর্নামেন্টে প্রথম। তবে ৫৭ মিনিটে জাপানের মিডফিল্ডার কেইতো নাকামুরা বাঁ প্রান্ত থেকে গড়ে ওঠা দারুণ একটি আক্রমণে গোল করে সমতা ফেরান।

যা হয়নি তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি, ৬৪ মিনিটে ক্রিসেনসিও সামারভিল গোল করে আবারও ২-১ ব্যবধানে নেদারল্যান্ডসকে এগিয়ে দেন। তখন জয়ের দিকেই এগোচ্ছিল ডাচরা। তবে শেষ মুহূর্তে নাটকীয়তা ছিল। ৮৯ মিনিটে কোকি ওগাওয়া গোল করে দ্বিতীয়বার সমতা ফিরিয়ে আনেন। দুই দল শেষ পর্যন্ত ২-২ গোলের ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে।

ম্যাচ শুরুর আগেই একটি পরিসংখ্যান নজর কেড়েছিল। বিশ্বকাপ ইতিহাসে এই প্রথম নেদারল্যান্ডসের শুরুর একাদশে ডাচ শীর্ষ লিগের কোনো খেলোয়াড় ছিল না। অন্যদিকে, জাপানের প্রথম একাদশে ডাচ লিগে খেলা দুই ফুটবলার— আয়াসে উয়েদা ও সুয়োশি ওয়াতানাবে জায়গা পান।

এছাড়াও তথ্য হচ্ছে যে, ২০২৫-২৬ মৌসুমে ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে এটি ভার্জিল ফন ডাইকের ৬৬তম ম্যাচ ছিল। চলতি মৌসুমে ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের ফুটবলারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ডও তার দখলে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%