ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অ্যাডহক বার কাউন্সিল গঠন, চেয়ারম্যান অ্যাটর্নি জেনারেল


অ্যাডহক বার কাউন্সিল গঠন, চেয়ারম্যান অ্যাটর্নি জেনারেল

বাংলাদেশে অ্যাডহক বার কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে। এর চেয়ারম্যান হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলকে নিযুক্ত করা হয়েছে এবং এটি ১ বছরের জন্য ১৫ সদস্যের একটি কাউন্সিল গঠন করেছে।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে, আজ মঙ্গলবার আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা স^াক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে, যাতে অ্যাডহক বার কাউন্সিল গঠনের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার ১৯৭২ এর ৪ (২) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার এই অ্যাডহক বার কাউন্সিল গঠন করেছে।

আরও পড়ুন: জাতিসংঘে মানবাধিকারভিত্তিক অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের আহ্বান বাংলাদেশ

কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন: সিনিয়র অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, সিনিয়র অ্যাডভোকেট ব্যারিস্টার মো. বদরুদ্দোজা বাদল, অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার, অ্যাডভোকেট জসীম উদ্দীন সরকার, সিনিয়র অ্যাডভোকেট এ এইচ এম মুশফিকুর রহমান তুহিন, সিনিয়র অ্যাডভোকেট ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী, ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম, অ্যাডভোকেট সরকার তাহমিনা বেগম সন্ধ্যা, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন লিপু, সিনিয়র অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির, অ্যাডভোকেট মো. নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট আলী আসগর, অ্যাডভোকেট সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং সিনিয়র অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান মিলন।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অ্যাডহক বার কাউন্সিল আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত এক বছরের জন্য দায়িত্ব পালন করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা বাঁচাতে এখনই বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই: ডিসি ফরিদা খানম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৮ পি.এম


ঢাকা বাঁচাতে এখনই বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই: ডিসি ফরিদা খানম

ঢাকাকে আরো বাসযোগ্য, পরিবেশবান্ধব ও জলবায়ু সহনশীল নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুতরভাবে বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম।

আজ তিনি রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বৃক্ষরোপণ করেন। ঢাকাকে বাঁচাতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ফরিদা খানম বলেছেন, ‘ঢাকাকে বাঁচাতে এখনই বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। একটি গাছ শুধু পরিবেশকে সবুজ করে না, এটি বিশুদ্ধ বাতাস, জীববৈচিত্র্য এবং আগামী প্রজন্মের নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করে।’

আজকের এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘সবুজ ঢাকার অঙ্গীকার: আজকের বৃক্ষ আগামীর নিঃশ্বাস’ প্রতিপাদ্য নিয়ে আয়োজনটি ছিল। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বৃদ্ধি পাওয়া তাপমাত্রা, বায়ুদূষণ ও পরিবেশগত ঝুঁকি বিষয়গুলো তুলে ধরে তিনি বলেছেন, এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শুধু সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, প্রতিটি নাগরিককে বৃক্ষরোপণকে নিজেদের সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘শুধু আনুষ্ঠানিকভাবে গাছ লাগালেই দায়িত্ব শেষ হয় না। রোপণ করা প্রতিটি গাছের পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। একটি গাছ বাঁচানো মানে একটি জীবন, একটি পরিবার এবং একটি সুস্থ পরিবেশকে বাঁচিয়ে রাখা।’ তিনি বানিজ্যিক ও আবাসিক এলাকা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি অফিস ও খালি স্থানগুলোতে পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণ করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

একটি গবেষণার ফলাফলে তিনি জানান, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ প্রতিদিন গড়ে ৫৫০ লিটার অক্সিজেন গ্রহণ করেন এবং গড় আয়ু ৭০ বছর হলে, একজন মানুষের সারা জীবনে প্রয়োজন হয় প্রায় ১৪ লাখ লিটার অক্সিজেন। অন্যদিকে, একটি পূর্ণবয়স্ক গাছ বছরে গড়ে ৮২ হাজার ৬০০ লিটার অক্সিজেন উৎপাদন করে। ফলে একজন মানুষের অক্সিজেনের চাহিদা পূরণে প্রয়োজন হয় প্রায় ১৭টি পূর্ণবয়স্ক গাছ।

তিনি বলেন, বাস্তবতা হলো, রোপণ করা সব গাছ পরিণত বয়সে পৌঁছায় না, তাই আমাদের প্রত্যেকের উচিত জীবনে অন্তত ১০০টি গাছ রোপণ করা, যাতে অন্তত ১৭টি গাছ পূর্ণবয়স্ক হয়ে মানুষ ও পরিবেশের কল্যাণে অবদান রাখতে পারে।

জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, বাংলাদেশে একটি আইসিইউ বেডে অক্সিজেন ও অন্যান্য চিকিৎসাসহ প্রতিদিনের ব্যয় প্রায় ১০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা, কখনো কখনো এরও বেশি। অথচ আমরা সুস্থ অবস্থায় প্রতিদিন যে বিপুল পরিমাণ অক্সিজেন গ্রহণ করি, তার বিশাল অংশের যোগান প্রকৃতি এবং আমাদের চারপাশের গাছপালা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দিয়ে থাকে।

তিনি আরো বলেন, অর্থ দিয়ে আইসিইউর অক্সিজেন কেনা সম্ভব, কিন্তু একটি পরিণত গাছ যে অক্সিজেন, ছায়া, শীতলতা, জীববৈচিত্র্যের আশ্রয় এবং পরিবেশগত সুরক্ষা প্রদান করে, তার প্রকৃত মূল্য কোনো অর্থেই নির্ধারণ করা যায় না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিন্ধু পানি চুক্তি নিয়ে ভারতকে পাকিস্তানের নজিরবিহীন হুঁশিয়ারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০০ পি.এম


সিন্ধু পানি চুক্তি নিয়ে ভারতকে পাকিস্তানের নজিরবিহীন হুঁশিয়ারি

সিন্ধু পানি চুক্তিকে কেন্দ্র করে ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা এবার চরম আকার ধারণ করেছে।

গত বছরের ভয়াবহ হামলায় ২৬ জন ভারতীয় নাগরিক নিহত হওয়ার পর জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগামে নয়াদিল্লি এই ঐতিহাসিক চুক্তিটি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার ঘোষণা দেয়। ভারতের এই অনড় অবস্থানের প্রতিক্রিয়ায় এখন সুর চড়িয়েছে ইসলামাবাদ।

পাকিস্তানের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মুসাদিক মালিক এক সংবাদ সম্মেলনে কার্যত সরাসরি হুমকি দিয়ে বলেছেন, পাকিস্তানের ন্যায্য পানির অংশে যদি কেউ হাত দেওয়ার চেষ্টা করে, তবে সেই হাত কেটে ফেলা হবে। ভারতের নাম উল্লেখ করে তিনি অভিযোগ করেছেন, প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রী একটি পানির কল নিয়ন্ত্রণ করছেন এবং বলছেন যে তিনি পাকিস্তানে এক ফোঁটা পানিও যেতে দেবেন না। পাকিস্তানের অর্থনীতি, খাদ্য নিরাপত্তা এবং অর্ধেক জনগণের কর্মসংস্থান কৃষির ওপর নির্ভরশীল উল্লেখ করে মুসাদিক মালিক জানান, তারা এই সংকটের কথা আন্তর্জাতিক মহলে তুলে ধরবেন এবং নিম্নাঞ্চলের মানুষের অধিকার নিয়ে লড়াই করবেন।

একই সংবাদ সম্মেলনে সুর মিলিয়েছেন পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারারও। তবে তিনি হুমকির চেয়ে আইনি দিকের ওপর বেশি জোর দিয়েছেন। তারার দাবি করেছেন, সিন্ধু পানি চুক্তি একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত চুক্তি এবং কোনো পক্ষই এককভাবে এটি বাতিল, স্থগিত বা সংশোধন করতে পারে না। তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরের বক্তব্য পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, পানি পাকিস্তানের জন্য জীবনরেখা এবং একই সাথে একটি চূড়ান্ত সীমারেখা, যা অতিক্রম করা বরদাস্ত করা হবে না।

কিছুদিন আগেই ভারতের কেন্দ্রীয় পানিসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ভারত আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে সিন্ধু নদের অববাহিকায় নিজস্ব অংশের পানির পূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করবে এবং ভারতের প্রাপ্য এক ফোঁটা পানিও পাকিস্তানে যেতে দেওয়া হবে না।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলে ট্রাম্পের উদ্যোগে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০৩ পি.এম


জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলে ট্রাম্পের উদ্যোগে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের উদ্যোগে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট একটি বড় ধাক্কা দিয়েছে।

মঙ্গলবার, আদালত ট্রাম্পের ওই নির্বাহী আদেশকে কার্যত অকার্যকর করে দিয়েছে, যার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শিশুদের নাগরিকত্বের দীর্ঘদিনের প্রচলিত অধিকারকে সীমিত করার চেষ্টা করা হয়েছিল।

এই উদ্যোগ, যা জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে শত বছরের বেশি সময়ের প্রচলিত নীতিতে পরিবর্তন আনার উদ্দেশ্য নিয়ে তৈরি হয়েছিল, ট্রাম্প প্রশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচির অংশ ছিল। তবে শুরু থেকেই এই আদেশের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন উঠেছিল।

ট্রাম্প তার দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুতেই একটি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া কিছু শিশুর স্বয়ংক্রিয় নাগরিকত্বের অধিকার বাতিলের উদ্যোগ নেন। প্রশাসনের যুক্তি ছিল, বর্তমান ব্যবস্থার অপব্যবহার হচ্ছে এবং অভিবাসন নীতিতে কঠোর পরিবর্তন প্রয়োজন।

তবে অভিবাসন অধিকারকর্মী, আইন বিশেষজ্ঞ এবং কয়েকটি অঙ্গরাজ্য এই আদেশের বিরুদ্ধে আদালতে চ্যালেঞ্জ জানায়। তাদের দাবি ছিল, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীর মাধ্যমে সুরক্ষিত একটি অধিকার, যা শুধুমাত্র প্রেসিডেন্টের নির্বাহী আদেশ দিয়ে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।

সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্ত ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতির জন্য একটি বড় আইনি বাধা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের একটি নীতি, যেখানে দেশটির ভূখণ্ডে জন্ম নেওয়া অধিকাংশ শিশুই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নাগরিকত্ব পায়। বিশ্বের কয়েকটি দেশের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র এই নীতির অন্যতম বড় উদাহরণ।

বিশ্লেষকদের মতে, এই রায় শুধু অভিবাসন নীতির ক্ষেত্রেই নয়, বরং প্রেসিডেন্টের নির্বাহী ক্ষমতার সীমা নিয়েও একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা প্রদান করেছে। কারণ ট্রাম্প প্রশাসন একাধিক ক্ষেত্রে নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তনের চেষ্টা করছে।

তবে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘদিন ধরেই রয়েছে। রক্ষণশীলরা মনে করেন, বর্তমান ব্যবস্থায় সীমান্ত ও অভিবাসন নীতির দুর্বলতা তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে সমালোচকদের মতে, এই অধিকার সীমিত করা হলে যুক্তরাষ্ট্রের সাংবিধানিক কাঠামোর একটি মৌলিক নীতিতে পরিবর্তন আসতো।

সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্তের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া লাখো মানুষের নাগরিকত্বের বর্তমান কাঠামো বহাল থাকছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন দূতাবাসের উদ্যোগে ঢাকায় ‘আমেরিকা সপ্তাহ ২০২৬’ উদ্বোধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০৬ পি.এম


মার্কিন দূতাবাসের উদ্যোগে ঢাকায় ‘আমেরিকা সপ্তাহ ২০২৬’ উদ্বোধন

 ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস 'আমেরিকা সপ্তাহ ২০২৬'-এর উদ্বোধনের কথা আজ ঘোষণা করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের 'ফ্রিডম ২৫০' উদ্যোগের অংশ হিসেবে, সাত দিনের এই অনুষ্ঠানের আয়োজন ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও রাজশাহীতে করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্র মিশনের মুখপাত্র পূর্ণিমা রাই স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, 'আমেরিকা সপ্তাহ ২০২৬'-এ যুক্তরাষ্ট্রের সংস্কৃতি, ইতিহাস ও মূল্যবোধ তুলে ধরার জন্য বিভিন্ন আয়োজন রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে 'ফ্রিডম ২৫০' কনসার্ট, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনীর ২৫তম ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের ব্যান্ড মাউকা ব্রাস পরিবেশন করবে, ঢাকায় বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ পার্কে 'আমেরিকান ফেয়ার' অনুষ্ঠিত হবে এবং সিলেটে 'ফাউন্ডার্স মিউজিয়াম' প্রদর্শনীর উদ্বোধন হবে।

এছাড়া, সপ্তাহজুড়ে চারটি শহরে আরও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও জনসম্পৃক্ততামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এসব অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন দেশটির সংস্কৃতি, ইতিহাস ও মূল্যবোধ বাংলাদেশের মানুষের কাছে তুলে ধরবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%