বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৫৪ পি.এম
উত্তর কোরিয়া নতুন একটি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থাপনা নির্মাণ করেছে।
কোরিয়া তার প্রধান ইয়ংবিয়ন পরমাণু কমপ্লেক্সে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার উদ্দেশ্যে একটি নতুন স্থাপনা তৈরি করেছে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা বা আইএইএ জানিয়েছে, সেখানে সর্বোচ্চ ২৮টি সেন্ট্রিফিউজের সারি রাখা সম্ভব।
একই সময়ে, পিয়ংইয়ংয়ের কাছে কাংসন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রের সম্প্রসারিত অংশেও কাজ শুরু হয়েছে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে। আইএইএর তথ্য অনুযায়ী, উত্তর কোরিয়া একাধিক স্থানে ধীরে ধীরে তার পরমাণু কর্মসূচির অবকাঠামো বৃদ্ধি করছে। ভিয়েনাভিত্তিক এই আন্তর্জাতিক সংস্থা ২৮ আগস্টের তারিখে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরেছে। উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মসূচির ওপর নজর রাখতে আইএইএ উপগ্রহের ছবি এবং বিভিন্ন উন্মুক্ত উৎসের তথ্য বিশ্লেষণ করেছে।
উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিগুলিও এসব তথ্যের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ২০০৯ সালের পর থেকে উত্তর কোরিয়ায় আইএইএর কোনো পরিদর্শক যেতে পারেননি। ফলে বর্তমানে দেশটির পরমাণু স্থাপনাগুলো সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের জন্য প্রধানত উপগ্রহের ছবি ও প্রকাশ্য তথ্যের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে সংস্থাটিকে। আইএইএ ইয়ংবিয়নে একটি নতুন দ্বিতল ভবনের সন্ধান পেয়েছে।
সংস্থাটির ধারণা, এটি সেখানে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার দ্বিতীয় স্থাপনা হতে পারে। জুন মাসে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন ইয়ংবিয়ন পরমাণু কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেছিলেন। ওই সফরের সময় রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবির সঙ্গে ভবনটি নির্মাণের বিভিন্ন পর্যায়ের উপগ্রহের ছবি মিলিয়ে আইএইএ এই ধারণা করেছে।
আইএইএর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কিম জং উনের সফরের সময় প্রকাশিত ছবিতে ভবনটির ওপরের ও নিচের দুই তলাতেই গ্যাস সেন্ট্রিফিউজের সারি দেখা গেছে। সেন্ট্রিফিউজ এমন একটি যন্ত্র, যার মাধ্যমে ইউরেনিয়ামকে আরো বেশি মাত্রায় সমৃদ্ধ করা হয়।
পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি উচ্চ মাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পরমাণু অস্ত্র তৈরিতেও ব্যবহার করা যেতে পারে। আইএইএর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ছবিতে দেখা ধরনের সর্বোচ্চ ২৮টি সেন্ট্রিফিউজের সারি নতুন ভবনটিতে রাখা সম্ভব। এর ফলে ইয়ংবিয়নে উত্তর কোরিয়ার ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সক্ষমতা আরো বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইয়ংবিয়নের পাশাপাশি পিয়ংইয়ংয়ের কাছে কাংসন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রেও নতুন কার্যক্রমের ইঙ্গিত পেয়েছে আইএইএ। সংস্থাটি বলেছে, কেন্দ্রটির একটি সম্প্রসারিত অংশে জানুয়ারি থেকে কার্যক্রম শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই সম্প্রসারিত অংশটি ২০২৪ সালে নির্মাণ করা হয়েছিল। এখন সেখানে কার্যক্রম শুরু হওয়ার লক্ষণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে আইএইএ। অর্থাৎ, উত্তর কোরিয়া একই সময়ে দেশের একাধিক পরমাণু স্থাপনায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সক্ষমতা বাড়ানোর কাজ করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আইএইএ বলেছে, উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মসূচিতে এসব নতুন উন্নয়ন জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আইএইএর মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সোমবার আইএইএর গভর্নরস বোর্ডের কাছে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, কাংসন ও ইয়ংবিয়নের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থাপনাগুলোতে চলমান কার্যক্রম এবং অস্ত্র তৈরির উপযোগী পরমাণু উপাদান উৎপাদন আরো বাড়ানোর খবর অত্যন্ত উদ্বেগজনক। গ্রোসির এই বিবৃতির সঙ্গে আইএইএর বিস্তারিত প্রতিবেদনও প্রকাশ করা হয়েছে।
উত্তর কোরিয়া দীর্ঘদিন ধরেই আইএইএর কর্তৃত্ব প্রত্যাখ্যান করে আসছে। ২০০৯ সালে দেশটি থেকে আইএইএর পরিদর্শকেরা চলে যাওয়ার পর আর কোনো আন্তর্জাতিক পরিদর্শক সেখানে ঢুকতে পারেননি। গত সেপ্টেম্বরেও ভিয়েনায় জাতিসংঘে উত্তর কোরিয়ার মিশন আইএইএর সমালোচনা করে। তখন উত্তর কোরিয়ার মিশন বলেছিল, পরমাণু অস্ত্রধারী রাষ্ট্র হিসেবে তাদের অবস্থান এখন আর পরিবর্তন হবে না। জাতিসংঘের পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি বা এনপিটির প্রসঙ্গ তুলে উত্তর কোরিয়া আরও বলেছিল, এনপিটির বাইরে থাকা একটি পরমাণু অস্ত্রধারী রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার আইএইরের কোনো আইনি অধিকার নেই।
উত্তর কোরিয়া দীর্ঘদিন ধরে পরমাণু অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি চালিয়ে আসছে। দেশটির এই কর্মসূচির কারণে যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপানসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে তাদের উত্তেজনা রয়েছে। নতুন করে ইয়ংবিয়ন ও কাংসনে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের কার্যক্রম বাড়ানোর তথ্য পাওয়ায় সেই উদ্বেগ আরো বাড়ছে। তবে উত্তর কোরিয়ার এসব স্থাপনায় ঠিক কত পরিমাণ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করা হচ্ছে বা নতুন স্থাপনাগুলোতে বর্তমানে কতগুলো সেন্ট্রিফিউজ চালু রয়েছে, তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। আইএইএর কর্মকর্তারা বলছেন, আন্তর্জাতিক পরিদর্শনের সুযোগ না থাকায় উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মসূচির প্রকৃত পরিমাণ ও সক্ষমতা নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পলিথিন এবং প্লাস্টিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বন্ধে সংশ্লিষ্টদের আরও কঠোর হওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেছেন পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে। তিনি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাগুলোকে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণের বিষয়ক একটি পর্যালোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশনা দেন।
সভায় পরিবেশবান্ধব ব্লক ইটের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং বায়ু, পানি, মাটি ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। এছাড়া, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের বাস্তবায়ন অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌ পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
এছাড়া, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক) ড. সাইমুম পারভেজসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অস্কারজয়ী অভিনেত্রী গুইনেথ প্যালট্রো সম্প্রতি ব্র্যাড পিটের সঙ্গে বিচ্ছেদের বিষয়টি নিয়ে নতুন করে স্মৃতিচারণ করেছেন। হলিউডের এই তারকা ‘ফ্রেন্ডস কিপ সিক্রেটস’ নামের একটি পডকাস্টে উপস্থিত হয়ে বলেন, পিটের সঙ্গে সম্পর্কের পর সংবাদমাধ্যমের অতিরিক্ত মনোযোগের কারণে তার মানসিক চাপ ও সামাজিক কষ্ট অনেক বেড়ে গিয়েছিল।
যখন গুইনেথ প্যালট্রোর বয়স ছিল মাত্র ২২ বছর, তখন ব্র্যাড পিটের সঙ্গে তার প্রথম দেখা হয়। ৩১ বছর বয়সী পিট তখন প্রতিষ্ঠিত তারকা ছিলেন। প্রথম দেখাতেই তাদের মধ্যে ভালো লাগার সৃষ্টি হয়। পরে ১৯৯৬ সালে তারা বাগদান সম্পন্ন করেন। কিন্তু বিশ্বজুড়ে ভক্তদের নজর ও গণমাধ্যমের বিশ্লেষণের চাপের কারণে ১৯৯৭ সালের জুনে তাদের বাগদান ভেঙে যায়।
বর্তমানে ৫৩ বছর বয়সী প্যালট্রো বিচ্ছেদের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, সংবাদমাধ্যমের আলোচনা এত বেশি ছিল যে এটি একটি ‘কৃত্রিম সাংস্কৃতিক গুরুত্ব’ পেয়েছিল। তিনি জানান, খুব কম বয়সে বিচ্ছেদের ফলে তাকে ব্যর্থতার বাড়তি লজ্জা এবং মানসিক চাপ সহ্য করতে হয়েছিল। ২০২৩ সালে এক সাক্ষাৎকারে তিনি উল্লেখ করেন, তখন তিনি বিয়ের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলেন না বলেই বাগদান ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
অতীতের বিচ্ছেদ সত্ত্বেও প্যালট্রোর ব্র্যাড পিটের প্রতি কোনো তিক্ততা নেই।
পিটকে ভালো মানুষ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি জানান, তাদের মধ্যে এখনও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। প্যালট্রোর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ব্র্যাড পিট অভিনেত্রী জেনিফার অ্যানিস্টনের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং ২০০০ সালে তাদের বিয়ে হয়। পরে ২০০৫ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে এবং পিট অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলির সঙ্গে দীর্ঘকালীন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙ্গামাটি জেলায় আজ ১৮-এপিবিএনের উদ্ধার করা অর্থ ও হারানো মোবাইল প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বুধবার সকালে রাঙ্গামাটির ১৮ এপিবিএন কার্যালয়ে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রকৃত মালিকদের হাতে ৪২টি মোবাইল ফোন এবং ৭৭ হাজার টাকা তুলে দেন ১৮ এপিবিএনের অধিনায়ক (পুলিশ সুপার) মো. রেজাউল করিম।
এই অনুষ্ঠানে ১৮ এপিবিএনের সহ অধিনায়ক মো. এনায়েত করিম (পিপিএম-সেবা), এ্যাডজুটেন্ট মো. মশিয়ার রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার মো. ইত্তেখায়রুল ইসলামসহ ব্যাটালিয়নের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও সাইবার ক্রাইম সেলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
১৮ এপিবিএনের অধিনায়ক (পুলিশ সুপার) মো. রেজাউল করিম বাসস’কে জানান, ‘জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান দায়িত্ব। শুধুমাত্র অপরাধী গ্রেপ্তার নয়, একজন অসহায় মানুষের হারানো আমানত ফিরিয়ে দেয়ার মধ্যেই পুলিশের সেবার প্রকৃত প্রতিফলন ঘটে।’
তিনি মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহারে সাধারণ জনগণকে আরও সচেতন ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
এপিবিএন সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ ও সাইবার ক্রাইম সেলের দক্ষতার মাধ্যমে ভুলবশত বিকাশে চলে যাওয়া ৫০ হাজার টাকা এবং প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেয়া ২৭ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে উদ্ধার করা হয় ৪২টি মোবাইল ফোনও। এরপর প্রশাসনিক প্রক্রিয়া ও তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই শেষে উপস্থিত মালিকদের হাতে এসব তুলে দেন কর্মকর্তারা। দীর্ঘদিন পর হারিয়ে যাওয়া অর্থ ও মোবাইল ফেরত পেয়ে ভুক্তভোগীরা এপিবিএনকে ধন্যবাদ জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা হত্যা ও হত্যাচেষ্টার দুটি পৃথক মামলায় সাবেক হুইপ এবং পটুয়াখালী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজকে গ্রেফতার দেখিয়েছে আদালত।
আজ পুলিশ তাকে কারাগার থেকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তারা তাকে এই দুই মামলায় গ্রেফতার দেখানোর জন্য আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারা ফারজানা হক এই দুই মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। আদালত পরবর্তীতে ফিরোজকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় আসামিদের গুলিতে আন্দোলনকারী নাইম হাওলাদার (১৭) নিহত হন। এই ঘটনার পর ২০২৪ সালের ২৪ আগস্ট যাত্রাবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। একই দিনে যাত্রাবাড়ী থানায় আসামিদের গুলিতে আহত হন আন্দোলনকারী তারেক চৌকিদার (২৪)। এই ঘটনার পর ২০২৫ সালের ২৬ মার্চ যাত্রাবাড়ী থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করা হয়।
এছাড়া, উল্লেখযোগ্য যে, ২০২৪ সালের ২৩ আগস্ট রাতে ঢাকার বনানী এলাকা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। বর্তমানে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ