১১:২৪ এম
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে অনলাইনভিত্তিক সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টির সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটেছে। এই সংঘর্ষের ফলে অন্তত ১১৮ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পাশাপাশি হামলা, ভাঙচুর ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে ৭০ জন ককরোচ বিক্ষোভকারীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
এটি সোমবার (২০ জুলাই) দিল্লির যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকা জুড়ে ঘটে। আজ (২১ জুলাই) দিল্লি পুলিশ এক বিবৃতিতে এ বিষয়টি প্রকাশ করে।
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার তদন্ত এবং ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে গত ৬ জুন থেকে অনলাইনভিত্তিক সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি আন্দোলন করে আসছে। এর অংশ হিসেবে সোমবার (২০ জুলাই) যন্তর মন্তর থেকে সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার কর্মসূচির ব্যবস্থা করা হয়।
আরও পড়ুন: আঘাত হানল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, বাতাসের গতি পৌঁছাল ১৫০ কিলোমিটারে
পুলিশ জানায়, কর্মসূচি শুরুর কিছুক্ষণ পরই বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়া হয়। এই সময় পুলিশ কর্তৃক হালকা লাঠিচার্জও করা হয়, যা প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
এর কিছুক্ষণ পর আবারও যন্তর মন্তর এলাকায় জড়ো হয়ে কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বিক্ষোভকারীরা। পুলিশ বাধা দিলে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।
দিল্লি পুলিশের দাবি, বিক্ষোভকারীরা পুলিশের দিকে ইট-পাটকেল ও পাথর নিক্ষেপ করেন, ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন এবং সরকারি যানবাহন ও সম্পদের ক্ষতি করেন। এ ঘটনাটি রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি গুরুতর হুমকির মুখে ফেলেছিল বলেও পুলিশ দাবি করেছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, যে আহত ১১৮ জনের মধ্যে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও রয়েছেন। তাদের মধ্যে বিশেষ পুলিশ কমিশনার, যুগ্ম পুলিশ কমিশনার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, উপ-পুলিশ কমিশনার, সহকারী পুলিশ কমিশনার এবং কয়েকজন নারী পুলিশ সদস্যও রয়েছেন।
আরও পড়ুন: ইসরাইল নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, সরকার গঠনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অধরাই
তবে পুলিশের লাঠিচার্জের ফলে বিক্ষোভকারীদেরও আহত হওয়ার কথা স্বীকার করেছে দিল্লি পুলিশ। তাদের তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনায় ৬০ জন বিক্ষোভকারী আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, তবে অন্যান্য আহতরা এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন