ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
সমন্বয়কদের খাওয়ার ছবি প্রকাশ করায় হারুনকে সরানোর নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা

ডিবি হারুনকে সরানো নিয়ে কাদের-কামালের ফোনালাপে যে কথা হয়


ডিবি হারুনকে সরানো নিয়ে কাদের-কামালের ফোনালাপে যে কথা হয়

ডিবি কার্যালয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের খাবারের ছবি তোলা ও তা গণমাধ্যমে প্রকাশের সিদ্ধান্ত তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশেই নেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন তৎকালীন ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ। এ সংক্রান্ত একটি অডিও কলের কথোপকথনের প্রতিলিপি বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে  ওবায়দুল কাদের ও অন্য ছয়জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার যুক্তিতর্কের উপস্থাপনের দিনে কল রেকর্ডটি প্রমাণ হিসেবে জমা দেয় প্রসিকিউশন।

ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপিত ওবায়দুল কাদের ও হারুন অর রশীদের কথোপকথনের প্রতিলিপিতে হারুনকে বলতে শোনা যায়, সমন্বয়কদের খাওয়ানোর সিদ্ধান্ত তার নিজের ছিল না। তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও এসবি প্রধানের নির্দেশেই খাবারের ব্যবস্থা করা এবং ছবি তোলা হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন।

আরও পড়ুন: তেলের দাম কমবে কবে: রুশ উপপ্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য

কথোপকথনে ওবায়দুল কাদের প্রশ্ন করেন, খাওয়ানোর পর ছবি তুলে বাইরে প্রকাশ করতে বলা হয়েছিল কি না। জবাবে হারুন বলেন, ছবি তোলা এবং সংবাদে প্রকাশের জন্য তা পাঠানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। এ বিষয়ে তৎকালীন এসবি প্রধান মনিরুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলার কথাও বলেন তিনি।

হারুন আরও বলেন, তিনি যা করেছেন তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইজিপির নির্দেশেই করেছেন। এর বাইরে তিনি একবিন্দুও কিছু করেননি। এ বিষয়ে প্রমাণ নেওয়ার জন্যও ওবায়দুল কাদেরকে অনুরোধ করেন তিনি।

কথোপকথনের একপর্যায়ে হারুন অভিযোগ করেন, এ ঘটনায় তাকে ডিবি থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি ওবায়দুল কাদেরের কাছে জানতে চান, তার অপরাধ কী।

এদিকে, ওবায়দুল কাদের ও তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের আরেকটি অডিও কলের প্রতিলিপিও ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করা হয়েছে। সেখানে হারুনকে সরিয়ে দেওয়া নিয়ে দুজনের মধ্যে আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন: অরেগনের স্কুলে গুলিতে নিহত ৪, আহত ২; শোকে স্তব্ধ শহর

আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, হারুনকে ডিএমপির মধ্যেই রাখা হবে, তবে তার দায়িত্ব পরিবর্তন করা হবে। তিনি জানান, হারুনকে অন্য কোথাও দেওয়ার কথা থাকলেও ডিএমপিতেই রেখে শুধু ডিবির দায়িত্ব থেকে সরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

ওবায়দুল কাদের এ সিদ্ধান্তে পুলিশের মধ্যে প্রতিক্রিয়া ও বাহিনীর মনোবল ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কার কথা বলেন। জবাবে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও পুলিশের মধ্যে প্রতিক্রিয়া হওয়ার কথা স্বীকার করেন।

কথোপকথনে আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী হারুনকে সরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে নির্দেশ দেওয়ার পর তিনি তার দায়িত্ব পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাকে সাত দিন ধরে বিষয়টি করতে বলা হচ্ছিল বলেও জানান তিনি।

ওবায়দুল কাদের তখন বিষয়টি পুনর্বিবেচনার পরামর্শ দেন এবং প্রধানমন্ত্রীকে বিষয়টি জানাতে বলেন। আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল জানান, তিনি ইতোমধ্যে বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পরই হারুনের দায়িত্ব পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

আরও পড়ুন: সওজের ৪০০ স্থাপনায় সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপন হবে

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় ওবায়দুল কাদের ছাড়াও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান আসামি।

প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, মামলার সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক। চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। পরে গত ২ আগস্ট মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শেষ হয়। তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ২৮ জন সাক্ষী এ মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন। বর্তমানে মামলাটির যুক্তিতর্ক উপস্থাপন চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডারউইনের উইকেটে কি অস্ট্রেলিয়াকে চমকে দিতে পারবে বাংলাদেশ?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:১৭ পি.এম


ডারউইনের উইকেটে কি অস্ট্রেলিয়াকে চমকে দিতে পারবে বাংলাদেশ?

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হলো সাধারণত গতি ও বাউন্স সামলানো। কিন্তু ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে সেই চ্যালেঞ্জ কিছুটা কম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, এমন আশাবাদ জানাচ্ছে বাংলাদেশ। প্রথম টেস্টের আগে কিউরেটর জ্যাক পাভলিচ বলেছেন, উইকেটটি ব্যাটার এবং বোলার উভয় পক্ষকেই সহায়তা করবে।

পাভলিচের মতে, মারারার উইকেটে রান করার যথেষ্ট সুযোগ থাকবে। একইভাবে, সঠিক জায়গায় বল করতে পারলে বোলাররাও সহায়তা পাবেন। ফলস্বরূপ, গ্যাবা অথবা পার্থের মতো অতিরিক্ত বাউন্সের মুখোমুখি নাও হতে পারে বাংলাদেশের ব্যাটাররা।

ডারউইনের তীব্র রোদও বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক হতে পারে। ম্যাচের গতির সঙ্গে শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে উইকেট স্পিনারদের সহায়তার কিছুটা সম্ভাবনা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলামের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

তবে ম্যাচের শুরুতে বাংলাদেশের মূল ভরসা থাকবে পেসারদের উপর। চোটের কারণে নাহিদ রানা নেই এবং প্রথম টেস্টে শরীফুল ইসলামও খেলছেন না। এর ফলে তাসকিন আহমেদ, ইবাদত হোসেন, হাসান মাহমুদ ও খালেদ আহমেদের উপর নতুন বলের দায়িত্ব থাকবে।

অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনআপে বাংলাদেশের জন্য বড় হুমকি হতে পারেন ট্রাভিস হেড। তার আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে দ্রুত রান তোলার ক্ষমতা রয়েছে। তার সঙ্গে মারনাস লাবুশেন এবং স্টিভেন স্মিথের মতো অভিজ্ঞ ব্যাটারও রয়েছেন। তাদের থামানোর জন্য বাংলাদেশের বোলারদের শুরু থেকেই নিখুঁত হতে হবে।

অন্যদিকে বাংলাদেশের ব্যাটারদের সামনে অপেক্ষা করছে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী পেস আক্রমণ। প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক এবং জশ হ্যাজলউডের বিপক্ষে নতুন বল সামলাক, ভালো শুরু করাই হতে পারে ম্যাচে টিকে থাকার প্রধান চাবিকাঠি।

বাংলাদেশের ফিল্ডিং কোচ আশিকুর রহমান মজুমদার জানিয়েছেন, দল মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং মাঠে লড়াই করতে আত্মবিশ্বাসী। অস্ট্রেলিয়ার ট্রাভিস হেডও বাংলাদেশকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই বলে মনে করেন।

বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের একাদশ ম্যাচের একদিন আগে ঘোষণা করেছে অস্ট্রেলিয়া। দলে রাখা হয়েছে অভিজ্ঞ পেস ত্রয়ী কামিন্স, স্টার্ক ও হ্যাজলউডকে এবং একাদশে ফিরেছেন ক্যামেরন গ্রিনও।

অস্ট্রেলিয়ার একাদশ: জেক ওয়েদারাল্ড, ট্রাভিস হেড, মারনাস লাবুশেন, স্টিভেন স্মিথ, ক্যামেরন গ্রিন, অ্যালেক্স ক্যারি (উইকেটরক্ষক), বেউ ওয়েবস্টার, মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), নাথান লায়ন এবং জশ হ্যাজারউড।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুম্বাইয়ে পাহাড় ধসে নিহত ৫, নিখোঁজ আরও অনেকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:১৯ পি.এম


মুম্বাইয়ে পাহাড় ধসে নিহত ৫, নিখোঁজ আরও অনেকে

মুম্বাইয়ে পাহাড় ধসের ঘটনায় অন্তত পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার ভোর পৌনে চারটার সময় ঘাটকোপারের চিরাগ নগর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

পাহাড়ির ঢালের একটি অংশ আচমকা ভেঙে পড়ার ফলে নিচে থাকা দুই-তিনটি ঘরবাড়ির ওপর আছড়ে পড়ে। এই ঘটনার পর উদ্ধারকারী দল আশঙ্কা করছে যে ধ্বংসস্তূপের নিচে আরো চার থেকে পাঁচজন আটকে থাকতে পারেন।

ঘটনার পরপরই মুম্বাই ফায়ার ব্রিগেড, পুলিশ এবং জাতীয় দুর্যোগ সাড়াদানকারী দল (এনডিআরএফ) ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং উদ্ধারকাজ শুরু করে। জীবিত মানুষদের অবস্থান নিখুঁতভাবে চিহ্নিত করার জন্য উদ্ধারকারীরা বিশেষ ভিকটিম-ডিটেকশন ক্যামেরা ব্যবহার করছেন। দুর্ঘটনায় সোহেল আনসারী ও মোহাম্মদ আনসারী নামে দুই তরুণ গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে বর্তমানে তাদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলেও জানানো হয়েছে।

খবর পেয়ে, পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে মুম্বাইয়ের মেয়র ঋতু তাওড়ে এবং অতিরিক্ত পৌর কমিশনার অবিনাশ ঢাকনে দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। মেয়র ঋতু তাওড়ে নিহতদের পরিবারের জন্য জেলা কালেক্টর কার্যালয়ের মাধ্যমে তিন লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তার কথা ঘোষণা করেছেন। স্থানীয় ডেপুটি পুলিশ কমিশনার গণেশ শিন্ডে জানান, মৃতদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশে ভ্রমণে কানাডার সতর্কতা, পার্বত্য চট্টগ্রামে ‘সব ধরনের ভ্রমণ এড়ানোর’ পরামর্শ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:২০ পি.এম


বাংলাদেশে ভ্রমণে কানাডার সতর্কতা, পার্বত্য চট্টগ্রামে ‘সব ধরনের ভ্রমণ এড়ানোর’ পরামর্শ

কানাডা সরকার বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে ভ্রমণ সতর্কতা হালনাগাদ করেছে। বর্তমান হালনাগাদ করা সতর্কবার্তায় বাংলাদেশকে ‘উচ্চমাত্রার সতর্কতা অবলম্বন’ পর্যায়ে এখনও রাখা হয়েছে।

কানাডা সরকারের ভ্রমণবিষয়ক ওয়েবসাইটে ঘোষণা করা হয়েছে- রাজনৈতিক উত্তেজনা, বিচারিক কার্যক্রম এবং রাজনৈতিক সমাবেশের কারণে যেকোনো সময় বিক্ষোভ, সংঘর্ষ ও জনঅস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে। এই ধরনের পরিস্থিতিতে হঠাৎ যান চলাচল বন্ধ হয়ে যেতে পারে, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি সহিংস সংঘর্ষের মতো ঘটনা ঘটানোর ঝুঁকি রয়েছে। এই কারণে বড় ধরনের জমায়েত ও বিক্ষোভ এড়িয়ে চলার নির্দেশনা এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী চলাফেরা করার ক্ষেত্রে কানাডীয় নাগরিকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তবে চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের বিষয়ে কানাডা সরকার আরও কঠোর সতর্কতা জারি করেছে। সেখানে ‘সব ধরনের ভ্রমণ এড়িয়ে চলার’ পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক সহিংসতা, অপহরণ এবং সংঘর্ষের যে ঝুঁকি রয়েছে, তা সতর্কবার্তায় উল্লিখিত হয়েছে।

বাংলাদেশে অবস্থানরত কানাডীয় নাগরিকদের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য নিয়মিত অনুসরণ করার এবং পরিস্থিতির যে কোন পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত থাকার অঙ্গীকার করা হয়েছে। পাশাপাশি ভ্রমণের পূর্বে সর্বশেষ সরকারি তথ্য যাচাই করে নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

এমনকি বাংলাদেশ সম্পর্কে গত বছরের সেপ্টেম্বর এবং ডিসেম্বরে কানাডা সরকার দুই দফা ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছিল। সর্বশেষ এই হালনাগাদের মাধ্যমে সেই সতর্কতা পুনরায় বহাল রাখা হলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমার সহধর্মিণী আমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি : মির্জা ফখরুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:২২ পি.এম


আমার সহধর্মিণী আমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি : মির্জা ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজস্ব স্ত্রী রাহাত আরা বেগমকে জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে তিনি রাজনৈতিক জীবনের নানা কঠিন সময়ে স্ত্রীর সাহস, ত্যাগ ও সহযোগিতার কথাও স্মরণ করেছেন।

সম্প্রতি একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া ভিডিও সাক্ষাৎকারে পারিবারিক জীবন ও রাজনীতিতে স্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন মির্জা ফখরুল।

স্ত্রীকে নিয়ে বলেন, ‘আমার সহধর্মিণী (রাহাত আরা বেগম) আমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি। আমি আল্লাহ তায়ালার কাছে সবসময় শুকরিয়া আদায় করি। আমি খুব ভাগ্যবান যে আমার তার সঙ্গে বিয়ে হয়েছে। সি কুড বিকাম মাই লাইফ পার্টনার। কারণ আমি আমার জীবনটা বিয়ের পরেই আমার ট্রান্সফার পোস্টিংটা। এরপর রাজনৈতিক জীবনে চলে আসা। পুরোপুরি একটা অনিশ্চিত জীবন।’

মির্জা ফখরুল জানিয়েছেন, তার স্ত্রী দীর্ঘদিন একটি বীমা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছেন। সন্তানদের পড়াশোনা ও পরিবারের দায়িত্ব সামলাতে তাকে অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে। মেয়েদের হলিক্রস স্কুলে পড়ানোর সময় পরিবারকে গণপরিবহনে যাতায়াতসহ নানা ধরনের কষ্টও করতে হয়েছে তাকে।

তার ভাষ্যে, ‘তিনি নিজে চাকরি করেছেন, দীর্ঘদিন ইন্স্যুরেন্সের কোম্পানিতে কাজ করেছেন। তার চেষ্টাতেই আমার মেয়েরা লেখাপড়া শিখেছে। হলিক্রসে পড়াশোনা করেছে এবং কষ্ট করেছেন। আমার মেয়েরা এবং আমার স্ত্রী টেম্পোতে যাতায়াত করতো। এই কষ্টটা উনি করেছেন খুব প্রচুরভাবে। পরবর্তীতে যখন কিছুটা ভালো বেতন পেলেন, আমিও কিছুটা সেট হবার মতো অবস্থায় আসলাম।’

রাজনৈতিক জীবনের সংকটময় সময়গুলোতে স্ত্রীর দৃঢ়তার কথাও তুলে ধরেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, ‘প্রত্যেকটা বিপদের সময় উনি কারেজিয়াসলি দাঁড়াতেন। আমাকে যখন পুলিশ নিয়ে যাচ্ছে, তখন উনি খুব কারাজিয়াসলি আমার ব্যাগ গুছিয়ে দিয়েছেন। ২০২৩ বা ২০১৪ সালের দিকে একটা রাত্রে পুলিশ রেইড করলো। উনি বললেন, আমি দরজা খুলবো না। ভোর হওয়ার আগে পর্যন্ত আমি দরজা খুলবো না। ইতিমধ্যে মিডিয়াতে খবর দেওয়ায় মিডিয়া সব চলে এসেছে। তারপরে ভোরবেলা উনি দরজা খুলেছেন, আমাকে পুলিশ নিয়ে গেছে।’

স্ত্রীর এমন সাহসিকতার প্রশংসা করে মির্জা ফখরুল বলেন, তিনি কখনো রাজনীতি করার কারণে তার ওপর বিরক্ত হননি। বরং প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সবসময় পাশে থেকেছেন। তার মতে, রাজনৈতিক জীবনের দীর্ঘ পথচলায় স্ত্রীর এই সহযোগিতা ও ত্যাগের মূল্য অনেক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%