ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সরকার প্রধান হিসেবে নাগরিক অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব : প্রধানমন্ত্রী


সরকার প্রধান হিসেবে নাগরিক অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব : প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ (বাসস): প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, একজন নাগরিকের প্রাপ্য অধিকার নিশ্চিত করা সরকারের প্রধান হিসেবে তাঁর দায়িত্ব।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘ধর্মের ভিত্তিতে নয়, দেশের নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের প্রাপ্য অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।’

আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ঢাকা-১৭ আসনের হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন: এনসিপির ইউনিয়ন কমিটি ও ইউপি প্রার্থী বাছাইয়ের নির্দেশনা

শারদীয় দুর্গাপূর্জা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঢাকা-১৭ আসনের ৮টি মন্দিরের প্রতিনিধিগণ দেখা করে তাঁকে পূজার আমন্ত্রণ জানান।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু এ তথ্য জানিয়েছেন।

মতবিনিময়কালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর হিন্দুদের কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন নেতৃবৃন্দ। পূজার ছুটি ও অনুদান বাড়ানোর জন্য তাঁরা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

এ সময় হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা নিজেরাই বলেছেন এই অল্প সময়ের মধ্যে যতটুকু কাজ হয়েছে, আমরা তা করেছি। আরও কিছু বিষয়ে আমরা চেষ্টা করছি। এ থেকেই প্রমাণ হয়, আমাদের সদিচ্ছা রয়েছে।’

আরও পড়ুন: ছাত্রদল নেতা শাকিল ইসলামের হত্যা: গুরুদাসপুরের ওসি প্রত্যাহার, এমপি ছেলেকে ত্যাজ্য ঘোষণা

দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর বাবা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। সেই যুদ্ধে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান—সব ধর্মের মানুষ অংশ নিয়েছিলেন।

১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানেও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই অংশগ্রহণ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘জাতির ক্রান্তিলগ্নে যখন আমরা ধর্মকে বিবেচনায় আনিনি, তখন অন্য কাজে কেন ধর্মকে বিবেচনা করব? দেশটা সবাই মিলে স্বাধীন করেছি। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও সবাই অংশ নিয়েছি।’

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের শাসনামলে আন্দোলন-সংগ্রামে বিভিন্ন ধর্মের নেতা-কর্মীদের নির্যাতনের শিকার হওয়ার কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

আরও পড়ুন: ঘোষণা দিয়েও নিরাপত্তার কারণে ঢাকা-রিয়াদ সরাসরি ফ্লাইট চালু করতে পারল না সৌদি এয়ারলাইন্স

তিনি জানান, তাঁর মুসলমান কর্মীরা যেমন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তেমনি হিন্দু কর্মীরাও একইভাবে নির্যাতিত হয়েছেন। সেখানে ধর্মের কোনো পার্থক্য ছিল না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, আল্লাহতালা আমাকে একটি সুযোগ দিয়েছেন। আমি আমার অবস্থান থেকে চেষ্টা করব, ধর্মের পরিপ্রেক্ষিতে নয়, বরং মানুষ হিসেবে প্রত্যেককে আমার ক্ষমতার মধ্যে যতটুকু নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব, তা নিশ্চিত করতে।’

নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একজন দেশের নাগরিক হিসেবে, একজন মানুষ হিসেবে আপনার যে অধিকার, আপনার যা প্রাপ্য, সরকারপ্রধান হিসেবে আমার যে কর্তব্য, আমি সেটাই পালন করার চেষ্টা করছি।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, প্রত্যেক নাগরিকের ন্যায্য প্রাপ্য নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নিজের দায়িত্ব ও দায়বদ্ধতা থেকে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।

আরও পড়ুন: সরকারের সমালোচনা করলেই গ্রেপ্তার মানবাধিকারের লঙ্ঘন: আখতার হোসেন

মতবিনিময় সভায় হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তাঁরা শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছেন বলে জানান।

তারা বলেন, তাঁদের কোনো সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে না। বিএনপিকে ভোট দিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন যে ভুল করেনি, তা এই সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পরপর বারবার প্রমাণ হচ্ছে। সরকারের প্রতি তাদের সমর্থন ও সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও তাঁরা উল্লেখ করেন।

এ সময় হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতাদের মধ্যে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য রমেশ দত্ত, গুলশান-বনানী সর্বজনীন পূর্জা ফাউন্ডেশনের সভাপতি অলক সাহা, বারিধারা ডিওএইচ পূজা কমিটির সভাপতি জীবন কানাই দাস, ব্রিটিশ চন্দ্র কর্মকার, নারায়ণ চন্দ্র সাহা, প্রদীপ চন্দ্র দাস, শিখা রানী দাস, শ্যামল কুমার দাস, রাজিব কুমার আচার্য উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া মতবিনিময়কালে ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য তারেক রহমানের প্রতিনিধি আব্দুর রহমান সানি ও বনানী সোসাইটির কোষাধ্যক্ষ সফিকুজ্জামান রতনও উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামের ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ ডেভিড ইমনকে ৭ দিনের রিমান্ডে পাঠাল আদালত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে স্বল্প আয়ের পরিবারগুলোর জন্য খাদ্যসহায়তা: কারা পাবেন সুবিধা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০৭ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রে স্বল্প আয়ের পরিবারগুলোর জন্য খাদ্যসহায়তা: কারা পাবেন সুবিধা

যুক্তরাষ্ট্রে স্বল্প আয়ের পরিবারগুলোর জন্য খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি এসএনএপি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই কর্মসূচির আওতায় যোগ্য পরিবারগুলো ইলেকট্রনিক সুবিধা কার্ডের মাধ্যমে অর্থ পায়, যা অনুমোদিত খাদ্য কেনার কাজে ব্যবহার করা হয়। মার্কিন কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ অক্টোবর থেকে ২০২৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নতুন আয়সীমা ও সুবিধার নিয়ম কার্যকর হবে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী ৪৮টি অঙ্গরাজ্য, ওয়াশিংটন ডিসি, গুয়াম ও ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জে সাধারণ আয়সীমা অনুযায়ী একজনের পরিবারের মাসিক মোট আয় ১ হাজার ৭২৯ ডলার এবং চার সদস্যের পরিবারের ৩ হাজার ৫৭৫ ডলার পর্যন্ত হতে পারে। নিট আয়ের সীমা যথাক্রমে ১ হাজার ৩৩০ ও ২ হাজার ৭৫০ ডলার। আলাস্কা ও হাওয়াইয়ের জন্য আয়ের সীমা আলাদা। তবে এই সীমার মধ্যে থাকলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে সুবিধা পাওয়া যায় না; অন্যান্য যোগ্যতার শর্তও পূরণ করতে হয়।

পরিবারের সদস্যসংখ্যা অনুযায়ী আয়ের সীমা নিম্নরূপ:

১. একজন: মোট আয় ১,৭২৯ ডলার; নিট আয় ১,৩৩০ ডলার।

২. দুজন: মোট আয় ২,৩৪৫ ডলার; নিট আয় ১,৮০৪ ডলার।

৩. তিনজন: মোট আয় ২,৯৬০ ডলার; নিট আয় ২,২৭৭ ডলার।

৪. চারজন: মোট আয় ৩,৫৭৫ ডলার; নিট আয় ২,৭৫০ ডলার।

৫. পাঁচজন: মোট আয় ৪,১৯১ ডলার; নিট আয় ৩,২২৪ ডলার।

এখানে মোট আয় বলতে অনুমোদিত কর্তন বাদ দেওয়ার আগের আয় বোঝায়। নিট আয় হিসাব করার সময় কর্মসংস্থান, নির্ভরশীল ব্যক্তির যত্ন, চিকিৎসা ও বাসস্থানের কিছু অনুমোদিত ব্যয় বিবেচনা করা হতে পারে। কোন কর্তন প্রযোজ্য হবে, তা পরিবারের পরিস্থিতি ও অঙ্গরাজ্যের নিয়মের ওপর নির্ভর করে।

২০২৫ সালে পাস হওয়া ফেডারেল আইনের ফলে নির্দিষ্ট কিছু প্রাপ্তবয়স্ক এসএনএপি গ্রাহকের কাজসংক্রান্ত শর্ত সম্প্রসারিত হয়েছে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে মাসে অন্তত ৮০ ঘণ্টা কাজ, স্বেচ্ছাসেবা বা অনুমোদিত প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার প্রমাণ দিতে হতে পারে। শর্ত পূরণ না করলে নির্দিষ্ট তিন বছরের সময়কালে সাধারণত তিন মাসের বেশি সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা তৈরি হতে পারে।

এসএনএপি সুবিধার ক্ষেত্রে অভিবাসন-অবস্থা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করলেই প্রত্যেক বিদেশি নাগরিক এই সুবিধা পাওয়ার যোগ্য হন না। নাগরিকত্ব, নির্দিষ্ট অভিবাসন-শ্রেণি, বসবাসের সময় এবং অন্যান্য শর্ত বিবেচনা করা হয়। পরিবারের কোনো সদস্য অযোগ্য হলেও পরিবারের অন্য যোগ্য সদস্যদের আবেদন বিবেচনা করা যেতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিষ্টির শূন্য আসনে সংসদে যাওয়ার দৌড়, আলোচনায় বিএনপির নেত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০৮ পি.এম


মিষ্টির শূন্য আসনে সংসদে যাওয়ার দৌড়, আলোচনায় বিএনপির নেত্রী

ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগের ফলে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনটি শূন্য হয়ে গেছে, যা নিয়ে বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। আসনটিতে কে সংসদ সদস্য হবেন, তা নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। সাবেক সংসদ সদস্য, কেন্দ্রীয় নেত্রী, অঙ্গসংগঠনের নেত্রী এবং জেলা পর্যায়ের সংগঠকদের মধ্যে অনেকেই মনোনয়ন পাওয়ার জন্য তৎপরতা চালাচ্ছেন।

দলীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের তালিকায় বিএনপির পরিচিত ও অভিজ্ঞ নেত্রীদের পাশাপাশি দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অনেক নারী নেতা রয়েছেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ এবার মনোনয়ন চেয়েও পাননি, আবার কেউ সরাসরি নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার চেষ্টা করেছেন। মিষ্টির পদত্যাগের ফলে নতুন করে সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে তারা মনে করছেন।

বিএনপির দায়িত্বশীল নেতাদের মতে, দল বর্তমানে রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকায় সংসদ সদস্য হওয়ার আগ্রহী ব্যক্তিদের সংখ্যা বেড়েছে। পরিচিত নেত্রীদের বাইরেও অনেকে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন এবং বিভিন্নভাবে মনোনয়ন পাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন। তবে শূন্য আসনে কাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বিএনপির পাশাপাশি জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেত্রীদের মধ্যেও এ নিয়ে আগ্রহ রয়েছে।

রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে হামলা, লুটপাট ও ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের নাম আসার পর রাজনৈতিক দায় নিয়ে মিষ্টি প্রশ্নের মুখে পড়েন। প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় গত ১ অক্টোবর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। তবে হামলা ও ভাঙচুরে নিজের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মিষ্টি।

মিষ্টির পদত্যাগের ফলে সংরক্ষিত নারী আসনের একটি পদ শূন্য হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, সরাসরি ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের আনুপাতিক হারে রাজনৈতিক দলগুলো সংরক্ষিত নারী আসন পেয়ে থাকে। ফলে শূন্য হওয়া আসনটি বিএনপির ভাগে পড়েছে। দলটিই ঠিক করবে, নতুন করে কে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করবেন।

জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন, ২০০৪-এর ২৭ ধারা অনুযায়ী, আসন শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন আয়োজনের বিধান রয়েছে। সে হিসাবে আগামী ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন হওয়ার কথা। তবে নির্বাচন কমিশন এখনো তফসিল ঘোষণা করেনি।

এবার বিএনপির মনোনয়নে ৩৬ জন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। গত ৩০ এপ্রিল তাদের নির্বাচিত হওয়ার গেজেট প্রকাশিত হয় এবং ৩ মে তারা শপথ নেন। দায়িত্ব নেওয়ার পাঁচ মাসের মধ্যেই সংসদ সদস্য পদ ছাড়েন মিষ্টি।

আলোচনায় যেসব নেত্রী

বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শূন্য আসনটির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন দলটির সহ-মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া। এর আগে তিনি সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হারুনুর রশিদের স্ত্রী পাপিয়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেছেন।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে এক অনুষ্ঠানে যোগ্য নারীদের দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে বিএনপির উদারতার অভাব রয়েছে বলে প্রকাশ্যে সমালোচনা করেছিলেন তিনি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হারুনুর রশিদ বিএনপির মনোনয়ন পেলেও জামায়াতের প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন। সে সময় দলের ভেতরে আলোচনা ছিল, সংরক্ষিত আসনে পাপিয়াকে সংসদ সদস্য করা হতে পারে। তবে বর্তমানে এ দম্পতির কেউই সংসদে নেই। ফলে তাদের অনুসারীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।

আলোচনায় রয়েছেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় স্বনির্ভরবিষয়ক সহ-সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রদল নেত্রী অ্যাডভোকেট আসমা আজিজও। দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় এই নেত্রী দলের তৃণমূল পর্যায়ে পরিচিত। দলীয় সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রতি আনুগত্য এবং বিগত সরকারের সময় বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকার কারণে দলের ভেতরে তার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। ওই সময়ে একাধিক রাজনৈতিক মামলার মুখেও পড়েন তিনি এবং বিভিন্ন ধরনের দমন-পীড়ন সহ্য করেন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও আইনজীবী শাহানা আক্তার সানুও শূন্য আসনে মনোনয়ন পেতে তৎপর। ফেনীর সোনাগাজীর এই নেত্রী ছাত্রদলের রাজনীতি থেকে উঠে এসেছেন। বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক ও কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরে মহিলা দলের যুগ্ম সম্পাদকের দায়িত্বও পান। এবার সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন না পেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ ও আক্ষেপ প্রকাশ করেছিলেন তিনি।

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির আরেক সদস্য আয়শা সিদ্দিকা মনির নামও আলোচনায় রয়েছে। বাগেরহাটের রাজনীতিতে সক্রিয় এই নেত্রী এর আগে সরাসরি সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন। ২০২৫ সালে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে নারীদের অবদানবিষয়ক বিএনপির একটি কমিটিতেও তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।

মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক শাহিনুর নার্গিস। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হল ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি ছিলেন তিনি। পরে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের ছাত্রীবিষয়ক সম্পাদক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। স্বেচ্ছাসেবক দলের শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ মহিলা দলের নেতৃত্বেও ছিলেন তিনি।

শূন্য আসনটি ঘিরে আলোচনায় রয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক ও আইনজীবী শাহিনুর বেগম সাগর। নোয়াখালীর এই নেত্রী কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-ছাত্রীবিষয়ক সম্পাদক ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। পরে স্বেচ্ছাসেবক দলের মহিলাবিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পান। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৪ আসনে বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়নের তালিকায় তার নাম ছিল।

মহিলা দলের কেন্দ্রীয় মানব উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক খন্দকার ফারহানা আতিকাও মনোনয়নপ্রত্যাশীদের তালিকায় রয়েছেন। তিনি সংগঠনটির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক টিমের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন জেলায় মহিলা দলের সাংগঠনিক কর্মসূচিতেও অংশ নিয়েছেন।

বরিশাল মহানগর বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম নাসরিনের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে। কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন তিনি। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে খালেদা জিয়াসহ নেতা-কর্মীদের মুক্তির দাবিতে বরিশালে বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে ফেরার পথে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছিল।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক মাসুদা আফরোজ হক সূচিও মনোনয়ন পেতে আগ্রহী। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নাচোল, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাট নিয়ে গঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির মনোনয়ন চেয়েছিলেন তিনি। জেলা মহিলা দলের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ওই এলাকায় দলীয় কর্মসূচি ও জনসংযোগে সক্রিয় রয়েছেন। গত বছরের সেপ্টেম্বরে নাচোলে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন তিনি।

দিনাজপুর জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হাসনাহেনা হীরার নামও আলোচনায় এসেছে। ২০২২ সালের মে মাসে জেলা বিএনপির সম্মেলনে কাউন্সিলরদের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন তিনি। তিনটি সাংগঠনিক সম্পাদক পদের নির্বাচনে সর্বোচ্চ ১ হাজার ২৩৫ ভোট পেয়েছিলেন হীরা। প্রায় এক যুগ পর অনুষ্ঠিত ওই সম্মেলনে কাউন্সিলরদের ভোটে জেলা নেতৃত্বে আসেন তিনি।

এ ছাড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সভাপতি রুনা লায়লাও সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের তালিকায় রয়েছেন।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তারেক রহমানের

বিএনপির দায়িত্বশীল এক কেন্দ্রীয় নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, একটি আসনের বিপরীতে মনোনয়নপ্রত্যাশীর সংখ্যা এক ডজনের বেশি। দলের অঙ্গসংগঠনে দীর্ঘদিন সক্রিয় নেত্রীদের পাশাপাশি সংসদে ভূমিকা রাখতে সক্ষম যোগ্য নারীদেরও বিবেচনায় নেওয়া হবে।

ওই নেতা বলেন, সব দিক বিবেচনা করেই একজনকে বেছে নেওয়া হবে। তবে সবাইকে সন্তুষ্ট করা সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তিনি এখনো সিদ্ধান্ত প্রকাশ করেননি। ফলে এখন যেসব নাম আলোচনায় আসছে, সেগুলোকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনার পর্যায়েই দেখতে হবে।

সব মিলিয়ে মিষ্টির ছেড়ে যাওয়া আসনটি ঘিরে বিএনপির কেন্দ্রীয় ও তৃণমূল পর্যায়ের নেত্রীদের মধ্যে তৎপরতা বাড়ছে। তবে শেষ পর্যন্ত কার ভাগ্যে সংসদ সদস্য হওয়ার সুযোগ আসে, তা নির্ভর করছে দলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিলের ওপর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশিয়া-ইউক্রেনের জ্বালানি যুদ্ধবিরতিতে সমর্থন জানালেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০৮ পি.এম


রাশিয়া-ইউক্রেনের জ্বালানি যুদ্ধবিরতিতে সমর্থন জানালেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ : কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা বন্ধে যুদ্ধবিরতির প্রতি দৃঢ় সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। তিনি রবিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এক ফোনালাপে এই সমর্থন জানান।

কার্নি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির আহ্বানের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে উল্লেখ করেন, রাশিয়াকে এই সমঝোতা মান্য করা উচিত। তিনি আরো বলেন, ‘জ্বালানি অবকাঠামো ও বেসামরিক নাগরিকদের ওপর সব ধরণের হামলা অবিলম্বে বন্ধ করা অত্যন্ত জরুরি।’

বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, মন্ট্রিল থেকে এই খবরটি প্রকাশিত হয়েছে।

বিবৃতিতে আরো উল্লেখ করা হয়, ‘কানাডা যুক্তরাষ্ট্রে তেল ও ডিজেল রপ্তানি সর্বোচ্চ পর্যায়ে অব্যাহত রাখবে। এসব রপ্তানির মাধ্যমে প্রতিদিন ১০ লাখ ব্যারেলেরও বেশি ডিজেল সরবরাহ করা হয়।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সড়ক নিরাপত্তায় সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০৯ পি.এম


শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সড়ক নিরাপত্তায় সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

‘নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস-২০২৬ উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-৪ সার্কেলের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সড়ক নিরাপত্তা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে একটি সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

এই কর্মশালায় শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদে রাস্তা পারাপারের নিয়মাবলী, ফুটপাত ও জেব্রা ক্রসিংয়ের সঠিক ব্যবহার, গণপরিবহণে যাত্রী হিসেবে করণীয়, চালক ও পথচারীদের দায়িত্ব ও কর্তব্য, যাত্রী হিসেবে করণীয় এবং পথচারী হিসেবে পালনীয় বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়। সড়ক দুর্ঘটনা কমানোর জন্য শুধু চালকদের নয়, পথচারী ও যাত্রীদেরও দায়িত্বশীল হওয়ার প্রয়োজনীয়তা, ট্রাফিক আইন মেনে চলা এবং সড়কে সকলের দায়িত্বশীল আচরণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি সড়কের নিরাপদ নকশা ও ব্যবস্থাপনা, ট্রাফিক আইন বাস্তবায়ন এবং সড়ক ব্যবহারকারীদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সচেতনতার মাধ্যমে দুর্ঘটনা হ্রাসের বিভিন্ন দিক আলোচনা করা হয়।

বক্তারা উল্লেখ করেন যে, নিরাপদ সড়ক কেবল অবকাঠামো বা আইন প্রয়োগের বিষয় নয়; বরং এটি আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব, সচেতনতা ও দায়িত্বশীল আচরণের সম্মিলিত প্রতিফলন। এই উপলব্ধি শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে নাগরিক জীবনে ছড়িয়ে দিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। কারণ, আজকের সচেতন শিক্ষার্থী আগামী দিনের দায়িত্বশীল নাগরিক।

শিক্ষার্থীদের মধ্যে সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক জ্ঞান, সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ বিকাশের মাধ্যমে দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। নিরাপদ সড়ক গড়তে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রশাসন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রয়োজন রয়েছে। এছাড়াও শিক্ষার্থীরা নিরাপদ সড়ক বিষয়ে তাদের চিন্তা-ভাবনা উক্ত কর্মশালায় উপস্থাপন করেন। বিআরটিএর পক্ষ থেকে বিভিন্ন সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ও ভিডিও প্রদর্শন করা হয়।

অনুষ্ঠানে নিরাপদ সড়ক ব্যবহার ও সচেতনতা বৃদ্ধি বিষয়ে পার্থ সারথি দাস, পরিবহন বিশ্লেষক ও নির্বাহী পরিচালক, রোড সেফটি এলায়েন্স বাংলাদেশ; ট্রাফিক সাইন সিগন্যাল বিষয়ে মো. কামাল উদ্দিন, পুলিশ পরিদর্শক, গুলশান ট্রাফিক বিভাগ; নিরাপদ সড়কের গুরুত্ব, সড়ক দুর্ঘটনায় কারণ ও প্রতিকার বিষয়ে তন্ময় কুমার ধর, সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.), বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-৪ সার্কেল এবং অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর আলম, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ, বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আলোচনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%