ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ছাত্রদল নেতা শাকিল ইসলামের হত্যা: গুরুদাসপুরের ওসি প্রত্যাহার, এমপি ছেলেকে ত্যাজ্য ঘোষণা


ছাত্রদল নেতা শাকিল ইসলামের হত্যা: গুরুদাসপুরের ওসি প্রত্যাহার, এমপি ছেলেকে ত্যাজ্য ঘোষণা

নাটোরের গুরুদাসপুরে পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব শাকিল ইসলাম হত্যার ঘটনায় ব্যর্থতার জন্য সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হান্নানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাকে রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতেখায়ের আলম নিশ্চিত করেন।

এদিকে, মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাতে গুরুদাসপুর শহীদ শাসুজ্জোহা কলেজ মাঠে শাকিলের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার পর হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে এমপিপুত্র মিন্টুর বন্ধু ব্যবসায়ী রাসেল হোসেনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে স্থানীয়রা ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।

আরও পড়ুন: পূর্বধলায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

এর আগে স্থানীয় এমপি আব্দুল আজিজ জানাজায় উপস্থিত হলে সেখানে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। এমপি তখন তার ছেলেকে ত্যাগ করার ঘোষণা দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

গত ১৪ অক্টোবর শাকিলের ওপর হামলার পর তিনি ২৬ অক্টোবর রাতে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ঘটনায় পুলিশ এমপি আব্দুল আজিজের ছেলে মিন্টুকে গ্রেফতার করে এবং ৩ দিনের রিমান্ডে নেয়। এদিকে, গতরাতেই মিন্টুকে দল থেকে বহিষ্কার করে কেন্দ্রীয় যুবদল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভয়াবহ দূষণে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত, হঠাৎ হাজির ‘বর্জ্যদানব’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৯ পি.এম


ভয়াবহ দূষণে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত, হঠাৎ হাজির ‘বর্জ্যদানব’

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বালুচরে হঠাৎ ১২টি দানব আকৃতির ‘বর্জ্যদানব’ উপস্থিত হয়েছে। কিছু দানবের শরীরে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের বর্জ্য রয়েছে, আবার কিছুতে পরিত্যক্ত প্লাস্টিক ও বৈদ্যুতিক পণ্যের বর্জ্য দেখা যাচ্ছে। এই বর্জ্য দিয়ে তৈরি দানব যেন মানবজাতিকে সতর্ক করে দিচ্ছে, যে যদি সমুদ্রের মধ্যে বর্জ্য ফেলা হয় তবে একদিন সেই বর্জ্য মানুষের জীবনে ভয়াবহ বিপর্যয়ের কারণ হয়ে উঠতে পারে।

সমুদ্রদূষণ রোধে জনসচেতনতা তৈরির উদ্দেশ্যে বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে একটি ব্যতিক্রমী র‍্যালির আয়োজন করা হয়। এই র‍্যালিতে বর্জ্য দিয়ে তৈরি ১২টি দানবাকৃতির শিল্পকর্ম প্রদর্শন করা হয়। এরপর সৈকতের তিন কিলোমিটার এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়।

কক্সবাজারের লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টে প্রতিদিন হাজারো পর্যটক ভিড় করেন। তাদের মধ্যে অনেকেই অসচেতনভাবে সৈকতে প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য ফেলে দেন। এই বর্জ্য সমুদ্রের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আয়োজকেরা বর্জ্য দিয়ে তৈরি দানবের মাধ্যমে সেই দূষণের ভয়াবহতা তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন।

সৈকতে প্রদর্শিত দানবাকৃতির শিল্পকর্মগুলোতে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক, পরিত্যক্ত প্লাস্টিক ও বৈদ্যুতিক পণ্যের বর্জ্য ব্যবহার করা হয়েছে। এই শিল্পকর্মের মাধ্যমে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে, মানুষের ফেলে দেওয়া বর্জ্য একসময় পরিবেশের জন্য দানব হয়ে উঠতে পারে।

আয়োজকদের বক্তব্য, মানুষ যদি যত্রতত্র বর্জ্য ফেলতে থাকে, তবে দূষণের এই দানব ক্রমেই বড় হয়ে উঠবে। এক পর্যায়ে তা সমুদ্র, জীববৈচিত্র্য ও মানুষের অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।

সৈকতে ঘুরতে আসা পর্যটক আবদুল হালিম মন্তব্য করেন, "যদি সবাই সচেতন হন এবং সমুদ্রসৈকত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেন, তবে পরিবেশদূষণ অনেকটাই কমানো সম্ভব।" তিনি আরও বলেন, "আমরা যারা এখানে ঘুরতে আসি, তাদের অনেকেই অসচেতনভাবে যত্রতত্র প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য ফেলি। অথচ বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত আমাদের অমূল্য সম্পদ। আমাদের পর্যটনশিল্পের বিকাশ ও পরিবেশের সৌন্দর্য রক্ষায় সবাইকে সচেতন হতে হবে। যেখানে-সেখানে প্লাস্টিক না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলা উচিত। সৈকত পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব শুধু কর্তৃপক্ষের নয়, সবার।"

কর্মসূচির আয়োজক বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন জানায়, প্লাস্টিক বর্জ্যের ভয়াবহতা তুলে ধরে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং পরিবেশ রক্ষার কাজে মানুষকে সম্পৃক্ত করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের বোর্ড সদস্য জামাল উদ্দিন বলেন, "প্রতিবছর লাখ লাখ পর্যটক সমুদ্রের সৌন্দর্য উপভোগ করতে কক্সবাজারে আসেন। কিন্তু অসচেতনতার কারণে তাদের অনেকে বুঝতে পারেন না, ফেলে দেওয়া প্লাস্টিক ও একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকসামগ্রী সমুদ্র, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের কতটা ক্ষতি করছে।"

তিনি আরও বলেন, "পরিবেশদূষণ রোধে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনা করা সরকারি প্রতিষ্ঠান, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাগুলোর একার পক্ষে কঠিন। এই সমস্যা মোকাবিলায় জনসচেতনতা ও জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি।"

জামাল উদ্দিন জানান, তাদের প্লাস্টিক এক্সচেঞ্জ স্টোরের মাধ্যমে পর্যটকদের কাছ থেকে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক সংগ্রহের পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা তৈরির চেষ্টা চলছে। এছাড়া সমুদ্রসৈকত থেকে সংগৃহীত বর্জ্য দিয়ে বিভিন্ন ধরনের দানবাকৃতির শিল্পকর্ম তৈরি করা হচ্ছে। ফেলে দেওয়া বর্জ্য একসময় ভয়ঙ্কর দানবে পরিণত হচ্ছে। এই দূষণ ও বর্জ্যের দানব ক্রমেই বড় হবে এবং একসময় আমাদের পৃথিবীকে গ্রাস করে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেবে। সেই ধ্বংসযজ্ঞ থেকে কেউই রেহাই পাবেন না।

জামাল উদ্দিনের মতে, পরিবেশদূষণের ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা এবং পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে সম্পৃক্ত করাই এই আয়োজনের প্রধান উদ্দেশ্য। এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে সারা বছর পরিবেশদূষণ রোধে জনসচেতনতা ও কার্যকর পদক্ষেপ অব্যাহত রাখতে চাই।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, "কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত দেশের অমূল্য প্রাকৃতিক সম্পদ। কিন্তু মানুষের অসচেতনতার কারণে এখানে প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য ফেলে পরিবেশ ও প্রতিবেশের ক্ষতি করা হচ্ছে। এখানে প্রদর্শিত বর্জ্যগুলোও সমুদ্র সৈকত থেকেই সংগ্রহ করা হয়েছে। এটি প্রমাণ করে, আমাদের অসচেতনতার কারণে কী বিপুল পরিমাণ বর্জ্য এই অপরূপ প্রাকৃতিক সম্পদকে দূষিত করছে।"

জেলা প্রশাসক আরও বলেন, "জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি সৈকত পরিচ্ছন্ন রাখাও সবার দায়িত্ব। জেলা প্রশাসন, বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সম্মিলিতভাবে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।"

পর্যটন মৌসুমে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকদের জন্য কক্সবাজারের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের সুযোগ করে দিতে এসব উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের তিন কিলোমিটার এলাকায় বর্জ্য অপসারণ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়। আয়োজকেরা আশা করছেন, বর্জ্য দিয়ে তৈরি দানবের মাধ্যমে প্রদত্ত বার্তা পর্যটকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করবে এবং সৈকত পরিচ্ছন্ন রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনে উদ্বুদ্ধ করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এনসিপির ইউনিয়ন কমিটি ও ইউপি প্রার্থী বাছাইয়ের নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৯ পি.এম


এনসিপির ইউনিয়ন কমিটি ও ইউপি প্রার্থী বাছাইয়ের নির্দেশনা

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ইউনিয়ন আহ্বায়ক কমিটি গঠন ও ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্ধারণের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশনা প্রদান করেছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) এই নির্দেশনা প্রকাশিত হয়, যা দলের সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব মো. সারজিস আলম স্বাক্ষরিত।

নির্দেশনার মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, জেলা কমিটির তত্ত্বাবধানে এবং উপজেলা কমিটির নেতৃত্বে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে প্রতিটি ইউনিয়নে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করতে হবে।

যদি কমিটির সদস্য সংখ্যা ৩১ থেকে ৫১ জনের মধ্যে হয়, তবে সেটিকে পূর্ণাঙ্গ কমিটি হিসেবে গণ্য করা হবে। কিন্তু ৩১ জনের নিচে হলে সেটিকে আংশিক কমিটি হিসেবে প্রকাশ করতে হবে।

ন্যূনতম ১১ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি প্রকাশ করা বাধ্যতামূলক। প্রকাশিত আংশিক কমিটি ১৫ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করবে।

নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, ইউনিয়ন কমিটিতে প্রত্যেক ওয়ার্ড থেকে সমতার ভিত্তিতে সদস্য নিতে হবে। প্রতি কমিটিতে নারী, ভিন্ন ধর্মাবলম্বী প্রতিনিধি, বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ এবং জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ জনসংখ্যার অনুপাতে নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্ব পাবে।

এনসিপির জেলা থেকে শুরু করে ওয়ার্ড পর্যায়ের কোনো কমিটিতে রানিং স্টুডেন্ট থাকতে পারবে না, কারণ তারা ছাত্রশক্তিতে কাজ করবে বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এছাড়া, ৩০ বছর বয়সের নিচে কাউকে এনসিপির কমিটিতে না রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে ৩০ বছরের নিচে যারা রানিং স্টুডেন্ট নয়, তারা যুবশক্তি, স্বেচ্ছাসেবক শক্তি এবং অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনে কাজ করবেন।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, আহ্বায়ক হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়সসীমা ৩৫ বছর, তবে ৪০ বছরের বেশি হলে তা ভালো হবে। সদস্য সচিবের জন্য ন্যূনতম বয়সসীমা ৩০ বছর। স্থানীয়ভাবে পরিচিত, গ্রহণযোগ্য, সৎ, দেশপ্রেমিক, সচ্ছল এবং সুশিক্ষিত ব্যক্তিদের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

৩০ নভেম্বরের মধ্যে প্রতি ইউনিয়ন থেকে এনসিপি সমর্থিত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নির্ধারণ করে জেলা কমিটির মাধ্যমে বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদককে তালিকা পাঠাতে হবে। ১০ নভেম্বর প্রথম ধাপে, ২০ নভেম্বর দ্বিতীয় ধাপে এবং সর্বশেষ ৩০ নভেম্বর তৃতীয় ধাপে তালিকা পাঠানোর নির্দেশনা রয়েছে।

পূর্ণাঙ্গ কমিটি কত সদস্যের?

দলীয় নির্দেশনা অনুযায়ী বিভিন্ন কমিটির সদস্য সংখ্যা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। নিম্নবর্ণিত সংখ্যা অনুযায়ী কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে।

১. মহানগর/জেলা কমিটি ১০১ সদস্য বিশিষ্ট।

২. উপজেলা/পৌরসভা/থানা কমিটি ৭১ সদস্য বিশিষ্ট।

৩. ইউনিয়ন কমিটি ৫১ সদস্য বিশিষ্ট।

৪. ওয়ার্ড কমিটি ৩১ সদস্য বিশিষ্ট।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঋণ গ্রহণের ব্যয় বৃদ্ধিতে সীমিত পরিসরের বাজেটের পথে যুক্তরাজ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩০ পি.এম


ঋণ গ্রহণের ব্যয় বৃদ্ধিতে সীমিত পরিসরের বাজেটের পথে যুক্তরাজ্য

ঢাকা, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ : যুক্তরাজ্য বুধবার একটি সতর্কতামূলক বাজেট ঘোষণা করার পরিকল্পনা করছে, যা মূলত মূল্যস্ফীতি ও ঋণ গ্রহণের ব্যয় বৃদ্ধির চাপের কারণে। নতুন সরকারের জন্য এটি একটি চ্যালেঞ্জ, কারণ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বৃদ্ধি এবং পরিবারের জীবনযাত্রার ব্যয় হ্রাসের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পাশাপাশি সীমিত আর্থিক সক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের প্রভাবে মূল্যস্ফীতি ও ঋণ গ্রহণের ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকারের ঋণের বোঝা বাড়ছে। এর ফলে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ মানুষের ওপর চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামের নতুন প্রশাসনের জন্য বাজেট প্রণয়ন একটি কঠিন কাজ হয়ে উঠতে পারে।

লন্ডন থেকে এএফপি জানায়, অর্থমন্ত্রী জন হিলি বাজেট ঘোষণার আগের দিন একটি বিবৃতিতে বলেন, “ব্রিটেনের ওপর আঘাত হানা এসব আকস্মিক ধাক্কা আমরা ঠেকাতে পারি না। তবে যখন এগুলো আসে, তখন ব্রিটেনকে আরও সহনশীল করে তুলতে পারি।”

লেবার সরকারের বাজেট সম্পর্কে তিনি উল্লেখ করেন, “এই বাজেটের লক্ষ্য হলো কঠিন এ সময় পার করে আসা।” এতে পরিবারগুলো কিছুটা স্বস্তির সুযোগ পাবে এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো পাবে ‘লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা’।

জুলাইয়ে কিয়ার স্টারমারের স্থলাভিষিক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়া বার্নহাম সোমবার বলেন, বার্ষিক কর ও ব্যয় পরিকল্পনায় তাঁর পূর্বসূরির ঘোষিত প্রতিরক্ষা বিনিয়োগ কর্মসূচির অর্থায়ন কীভাবে করা হবে, তা তুলে ধরা হবে।

তবে ২০৩৫ সালের মধ্যে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩ দশমিক ৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয়ের ন্যাটোর লক্ষ্য কীভাবে পূরণ করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা হিলি আগামী বছর পর্যন্ত পিছিয়ে দিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্টারমারের সরকারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী থাকাকালে হিলি পদত্যাগ করেছিলেন। সে সময় তিনি অভিযোগ করেছিলেন, অর্থ মন্ত্রণালয় সামরিক খাতে পর্যাপ্ত অর্থ দিচ্ছে না।

লেবার পার্টি আয়কর ও মূলধনি মুনাফার ওপর কর বাড়ানোর পরিকল্পনা নাকচ করে দেওয়ায় বাজেটের হিসাব মেলাতে সরকারি ব্যয় কমানোর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

সীমিত পরিসরের বাজেট

অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী হিলি তাঁর পূর্বসূরি র‌্যাচেল রিভসের নির্ধারিত আর্থিক বিধি মেনে চলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ওই বিধি অনুযায়ী, সরকারের দৈনন্দিন ব্যয় কর থেকে প্রাপ্ত রাজস্বের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।

জ্বালানির বিল বেড়ে যাওয়ায় পরিবারগুলোকে সহায়তা দিতে বিভিন্ন ব্যয় কর্মসূচির অর্থায়নে ব্যাংকগুলোর ওপর আরোপিত অতিরিক্ত কর ব্যবহার করতে পারেন অর্থমন্ত্রী।

অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের যুক্তরাজ্যবিষয়ক অর্থনীতিবিদ আলেকজান্ডার হার্ভে বলেন, “২০২৭ সালে আরও বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তনের আগে এই বাজেট মূলত সরকারকে সাময়িকভাবে সময় পার করতে সহায়তা করবে।”

তিনি আরও বলেন, “জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর পাশাপাশি অন্যান্য তুলনামূলক কম ব্যয়বহুল নীতিগত পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। এসব ব্যবস্থার পরিসরও হবে সীমিত।”

ইতোমধ্যে তুলনামূলক কম ব্যয়বহুল কিছু সহায়তা ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০০টির বেশি আমদানি করা পণ্যের ওপর শুল্ক কমানো এবং অভিভাবকদের বেতনসহ ছুটির সুবিধা সম্প্রসারণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন বাজেটে জ্বালানির ওপর শুল্ক স্থগিত রাখার মেয়াদ বাড়ানো, দরিদ্রতম পরিবারগুলোর জন্য আরও লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা এবং ন্যূনতম মজুরি বাড়ানোর মতো পদক্ষেপ থাকতে পারে।

পাম্পে ডিজেলের দাম দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় সেপ্টেম্বরে যুক্তরাজ্যের বার্ষিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৩ দশমিক ৫ শতাংশে দাঁড়ায়, যা প্রায় এক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

গত সপ্তাহে সরকার উত্তর সাগরের একটি গ্যাসক্ষেত্রে খননকাজের অনুমোদন দিয়েছে। সরকারের দাবি, এ পদক্ষেপের লক্ষ্য জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা, জ্বালানির বিল কমানো নয়।

ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ব্যয় কমাতে ‘অপ্রয়োজনীয় কাগজপত্রের কাজ’ হ্রাসের ব্যবস্থাও বাজেটে থাকবে বলে জানিয়েছেন হিলি।

এদিকে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) কারণে সৃষ্ট সাইবার ও জৈবিক ঝুঁকি নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকায় গত সপ্তাহান্তে অর্থ মন্ত্রণালয় এআই নিরাপত্তায় বিনিয়োগের একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

ঋণ গ্রহণের ব্যয় বাড়ছে

বাজেটের সঙ্গে প্রকাশিত হালনাগাদ হিসাব অনুযায়ী, সরকারের ২৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন পাউন্ড বা ৩১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের আর্থিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে। ঋণ গ্রহণের ব্যয় বৃদ্ধির ফলে সরকারের ঋণ পরিশোধের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় এ পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।

যুক্তরাজ্যের স্বাধীন আর্থিক পর্যবেক্ষক সংস্থা অফিস ফর বাজেট রেসপনসিবিলিটি বুধবার দেশটির প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতি নিয়ে সর্বশেষ পূর্বাভাসও প্রকাশ করবে।

মধ্যপ্রাচ্য ও ইউক্রেনের যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়ছে। এর প্রভাবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে বিভিন্ন দেশের সরকারি বন্ডের মুনাফার হার কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

মূল্যস্ফীতি বাড়তে থাকায় আগামী মাসে ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের নীতিনির্ধারণী সুদের হার বাড়ানোর প্রত্যাশা আরও জোরালো হয়েছে। এতে ঋণগ্রহীতাদের, বিশেষ করে গৃহঋণ নেওয়া ব্রিটিশদের ওপর আর্থিক চাপ আরও বাড়তে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুনামগঞ্জে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত, সম্মাননা পেলেন চার চালক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

‎সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : মোহাম্মদ নূর

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৫ পি.এম


সুনামগঞ্জে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত, সম্মাননা পেলেন চার চালক

নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সুনামগঞ্জ সার্কেল ও নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) সুনামগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ, ট্রাফিক আইন মেনে চলা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা। আলোচনা সভা শেষে চারজন শ্রেষ্ঠ চালককে সনদপত্র ও ক্রেস্ট দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়।
‎
‎বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১০টায় বিআরটিএ সুনামগঞ্জ সার্কেল ও নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) সুনামগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে একটি র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিতে নিসচা নেতৃবৃন্দ, পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
‎
‎জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং বিআরটিএ সুনামগঞ্জ কার্যালয়ের মোটরযান পরিদর্শক মোহাম্মদ হাসিব ইসলাম হিমেলের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুনজিত কুমার চন্দ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন সরকার এবং সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. রনবীর তালুকদার রক্তিম।
‎
‎সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। চালকদের ট্রাফিক আইন মেনে চলা, নির্ধারিত গতিসীমা অনুসরণ এবং গাড়ি চালানোর সময় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। একই সঙ্গে যাত্রী ও পথচারীদেরও সড়ক ব্যবহারের নিয়ম মেনে চলতে হবে। সম্মিলিত সচেতনতা, আইনের যথাযথ প্রয়োগ এবং সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনা কমিয়ে আনা সম্ভব। নিরাপদ সড়ক গড়ে তুলতে প্রশাসনের পাশাপাশি পরিবহন মালিক-শ্রমিক, সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ মানুষকে একযোগে কাজ করতে হবে।
‎
‎আলোচনা সভায় নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সহসভাপতি ওবায়দুল হক মিলন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ নূর বক্তব্য দেন। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন নিসচা সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সিনিয়র সহসভাপতি আফতাব উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফুয়াদ মনি এবং প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এম আর সজীব সহ আরও অন্যান্যরা।
‎
‎সভায় আরও বক্তব্য দেন বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির জেলা সাধারণ সম্পাদক জুয়েল মিয়া, জেলা বাস-মিনিবাস-কোচ-মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সুজাউল কবির ও সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হামিদ, সাংবাদিক মুহাম্মদ আমিনুল হক, ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের জেলা সভাপতি ফয়জুনূর এবং হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলনের সভাপতি রাজু আহমেদ।
‎
‎আলোচনায় বক্তারা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে শুধু চালকদের সচেতনতা যথেষ্ট নয়; যাত্রী, পথচারী, পরিবহন মালিক-শ্রমিক এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। ট্রাফিক আইন মেনে চলা, নির্ধারিত গতিসীমা অনুসরণ, সতর্কতার সঙ্গে গাড়ি চালানো এবং সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখার মাধ্যমে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানো সম্ভব।
‎
‎বক্তারা আরও বলেন, মাদকাসক্ত অবস্থায় গাড়ি চালানো সড়ক নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি। চালকের সামান্য অসতর্কতা কিংবা দায়িত্বহীনতায় প্রাণহানিসহ বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই চালকদের মাদক থেকে দূরে থাকা, গাড়ি চালানোর সময় সম্পূর্ণ মনোযোগী থাকা এবং পেশাগত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
‎
‎সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চালকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, ট্রাফিক আইন সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি এবং দুর্ঘটনার কারণ চিহ্নিত করে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদারের আহ্বান জানান বক্তারা। তাঁদের মতে, দুর্ঘটনা ঘটার পর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি দুর্ঘটনা এড়াতে আগাম উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে সরকারি সংস্থার পাশাপাশি নিরাপদ সড়ক চাইয়ের মতো সামাজিক সংগঠন, পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
‎
‎আলোচনা সভা শেষে চারজন শ্রেষ্ঠ চালককে সনদপত্র ও ক্রেস্ট দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়। এ ধরনের সম্মাননা চালকদের পেশাগত দায়িত্বশীলতা, দক্ষতা ও নিরাপদে যানবাহন পরিচালনায় উৎসাহিত করবে বলে আশা প্রকাশ করেন বক্তারা।
‎
‎জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসের এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে সুনামগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ, নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং সড়ক ব্যবহারকারীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%