ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ইউক্রেন যুদ্ধের পর কৃষ্ণসাগরে ১ লাখ ২০ হাজার ডলফিনের মৃত্যু


ইউক্রেন যুদ্ধের পর কৃষ্ণসাগরে ১ লাখ ২০ হাজার ডলফিনের মৃত্যু

ইউক্রেন যুদ্ধে বিস্ফোরণ, ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও সামরিক সোনার কারণে কৃষ্ণসাগরের ডলফিনেরা দিশাহারা হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতির ফলে তারা শিকার করতে পারছে না। মাছ ধরার জালে আটকা পড়ে অসংখ্য ডলফিন দম বন্ধ হয়ে মারা যাচ্ছে।

দক্ষিণ ইউক্রেনের তুজলি লাগুনস ন্যাশনাল পার্কের প্রধান গবেষক ইভান রুসেভ আলজাজিরাকে জানিয়েছেন, ২০২২ সালে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রায় সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত কৃষ্ণসাগরে ১ লাখ ২০ হাজারের বেশি ডলফিন মারা গেছে।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, যুদ্ধের সময় সৃষ্ট বিস্ফোরণের শব্দ, ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ এবং সামরিক সোনার ডলফিনের স্বাভাবিক চলাচল ও যোগাযোগব্যবস্থায় বাধা সৃষ্টি করছে। এর ফলে তারা দিক হারিয়ে ফেলছে এবং খাবার খুঁজে পেতে সমস্যা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: রূপগঞ্জে কম্প্রেসার বিস্ফোরণে চার শ্রমিক দগ্ধ, একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

অনেক ডলফিন মাছ ধরার ট্রলারের জালে আটকা পড়ে মারা যাচ্ছে। জেলেরা যখন জাল থেকে ডলফিনগুলোকে ছাড়ানোর চেষ্টা করছেন, তখন অনেক ক্ষেত্রে তাদের পাখনা কেটে ফেলছেন। মৃত ডলফিনগুলো পরে তীরে ভেসে আসছে। এসব ডলফিনের শরীরে মাছ ধরার জালের দাগ স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।

তিনি বলেন, সামরিক বাহিনীর ব্যবহৃত বিভিন্ন প্রযুক্তি ডলফিনের টিকে থাকার অন্যতম প্রধান কৌশল ‘ইকোলোকেশন’ বা প্রতিধ্বনির মাধ্যমে আশপাশের অবস্থান শনাক্ত করার প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করছে। এর ফলে ডলফিনেরা দিকনির্ণয়, নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ এবং খাবার খুঁজে শিকার করার সক্ষমতা হারিয়ে ফেলছে।

তিনি বলেন, ‘কোনো ডলফিন মাছ শিকার করতে না পারলে দ্রুত তার ওজন কমতে থাকে।’ তার ভাষ্য, এ অবস্থায় ডলফিনেরা বেঁচে থাকার জন্য শরীরে জমা চর্বি বা ‘ব্লাবার’ ব্যবহার করতে শুরু করে। তবে যুদ্ধের কারণে দূষিত হয়ে পড়া কৃষ্ণসাগরের পানি পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলেছে। ডলফিনের শরীরে জমা এই চর্বির স্তরে ইতিমধ্যে বিভিন্ন ক্ষতিকর দূষক পদার্থ জমে রয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে বর্জ্য পানি, কৃষিজমি থেকে পানিতে মিশে আসা রাসায়নিক ও অন্যান্য উপাদান, মাইক্রোপ্লাস্টিক এবং অ্যান্টিবায়োটিক। এর ফলে ডলফিনের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ছে। পাশাপাশি তারা শ্বাসতন্ত্রের প্রাণঘাতী সংক্রমণে আক্রান্ত হচ্ছে।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়-পরাজয়ের ৭ জরুরি প্রশ্নের উত্তর

চলমান যুদ্ধের কারণে কৃষ্ণসাগরের সামুদ্রিক পরিবেশও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধ্বংসপ্রাপ্ত ড্রোন ও ডুবে যাওয়া সাবমেরিন থেকে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ ও জ্বালানি পানিতে ছড়িয়ে পড়ছে। এতে সমুদ্রের পানি আরো দূষিত হয়ে পড়ছে।

এ অঞ্চলে মাছ ধরার ওপর বিধি-নিষেধ থাকলেও মালেট ও ব্লুফিশের মতো কয়েকটি মাছের প্রজাতি এখন আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে। ফলে সামুদ্রিক প্রাণীদের খাদ্যসংকটও বাড়ছে। রুসেভ বলেন, ‘ডলফিন খাদ্যশৃঙ্খলের শীর্ষে থাকায় জুপ্ল্যাঙ্কটন থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া দূষিত পদার্থ শেষ পর্যন্ত তাদের শরীরেও জমা হয়।’

রুসেভ জানান, যুদ্ধের প্রভাব সমুদ্রের মাছ খেয়ে বেঁচে থাকা পাখিদের ওপরও পড়ছে। তার মতে, বিস্ফোরণের কারণে অনেক মাছ মারা যাচ্ছে। বিস্ফোরণের শব্দে উত্তর ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যে যাতায়াতকারী পরিযায়ী পাখিরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ছে।

তিনি বলেন, ‘কোনো পাখি যদি পর্যাপ্ত খাবার বা প্রয়োজনীয় শক্তি সঞ্চয়ের সুযোগ না পায়, তাহলে সেটি শীতকালীন আবাসস্থল কিংবা প্রজননের জন্য নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে না। দীর্ঘ মেয়াদে এর প্রভাব পড়বে নির্দিষ্ট কিছু প্রজাতির পাখির সংখ্যার ওপর।’

আরও পড়ুন: আগারগাঁও মেট্রো স্টেশন ও ধানমন্ডিতে ককটেল বিস্ফোরণ, হতাহত নেই

ডলফিনের এই ব্যাপক মৃত্যু ইউক্রেনের উপকূলীয় এলাকার মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে। কৃষ্ণসাগরের তীরে প্রায়ই কঙ্কালসার ও ক্ষতবিক্ষত ডলফিনের মৃতদেহ ভেসে আসতে দেখা যাচ্ছে।

তেতিয়ানা স্মোলচেঙ্কো আলজাজিরাকে জানান, গত আগস্টে দক্ষিণ ইউক্রেনের ওদেসা শহরে আট বছর বয়সী ছেলে ওলেহকে নিয়ে হাঁটছিলেন তিনি। এ সময় তার ছেলে সৈকতে একটি পচনশীল ডলফিনের মৃতদেহ দেখতে পায়। ৩৩ বছর বয়সী তেতিয়ানা স্মোলচেঙ্কো বলেন, ‘দৃশ্যটি দেখে আমার বমি আসছিল’। তার স্বামী ইউক্রেনের সেনাবাহিনীতে কর্মরত। এ ছাড়া তাদের অ্যাপার্টমেন্ট ভবনটি রুশ ড্রোন হামলায় দুবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘যুদ্ধে মানুষের মৃত্যু দেখতে দেখতে আমরা এখন অনেকটা অভ্যস্ত হয়ে গেছি। কিন্তু যুদ্ধের কারণে এসব নিরীহ প্রাণীর মৃত্যু দেখাও কোনো অংশে কম ভয়াবহ নয়। আমরা দুজনেই কেঁদে ফেলেছিলাম।

আরও পড়ুন: কমনওয়েলথ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশের হুমায়ুন কবির

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যোগাযোগমাধ্যমে বিয়ের দাওয়াতে হাজির হাজারো মানুষ, উপহার হিসেবে গাড়ি-ফ্রিজ-খাবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৫৯ পি.এম


যোগাযোগমাধ্যমে বিয়ের দাওয়াতে হাজির হাজারো মানুষ, উপহার হিসেবে গাড়ি-ফ্রিজ-খাবার

চীনের এক তরুণের বিয়ের দাওয়াত পেয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজির হয়েছেন হাজার হাজার অপরিচিত মানুষ। কেউ এসেছেন খাবার নিয়ে, কেউ উপহার হিসেবে দিয়েছেন ফ্রিজ ও আসবাবপত্র। এমনকি নবদম্পতির জন্য গাড়ির ব্যবস্থাও করেছেন কেউ কেউ। পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজনের অভাবে বিয়ের অনুষ্ঠান নিরানন্দ হয়ে যেতে পারে— এমন আশঙ্কা থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উন্মুক্ত আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ২৪ বছর বয়সী ওই তরুণ। তার সেই আহ্বান ঘিরেই ঘটে যায় ব্যতিক্রমী ঘটনা।

চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় ইউনান প্রদেশের ঝাওতং শহরের ইলিয়াং কাউন্টির বাসিন্দা শু চেংহং। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি ‘শিয়াওশিয়াওশু’ নামে পরিচিত। চায়না নিউজ সার্ভিস ও অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিয়ের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করে নেটিজেনদের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানান তিনি।

শুর বয়স যখন মাত্র তিন বছর, তখন তার বাবা মারা যান। দুই বছর পর মা দ্বিতীয় বিয়ে করলে বড় ভাইয়ের সঙ্গে দাদির কাছে বড় হতে থাকেন তিনি। পরে দাদিও মারা যান। পরিবারের অন্য সদস্যদের হারিয়ে দুই ভাই একে অপরের ওপর নির্ভর করে জীবন কাটান। অল্প বয়সেই পড়াশোনা ছেড়ে জীবিকার সন্ধানে কাজে নামতে হয় শুকে। নানা ধরনের কাজ করে বিয়ের জন্য ১ লাখ ৬৭ হাজার ৫০০ ইউয়ান সঞ্চয় করেন তিনি।

প্রায় তিন বছর আগে অনলাইনে পরিচয় হয় তার বর্তমান স্ত্রীর সঙ্গে। জীবনের কঠিন সময়ে পাশে থাকার কারণে স্ত্রীকে নিয়ে নতুন জীবন শুরুর স্বপ্ন দেখছিলেন শু। কিন্তু বিয়ের আয়োজন সামনে আসতেই অতিথি নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েন তিনি। ঘনিষ্ঠ আত্মীয় ও বন্ধুদের নিয়ে অনুষ্ঠান করলে মাত্র দুই-তিনটি টেবিল পূর্ণ হবে বলে ধারণা করেছিলেন। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপরিচিত মানুষদের বিয়েতে আমন্ত্রণ জানান।

শুর ধারণা ছিল, হয়তো ২০ জনের মতো অপরিচিত মানুষ তার আমন্ত্রণে সাড়া দেবেন। কিন্তু ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর হাজারো মানুষ বিয়েতে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। অনেকে কয়েক শ থেকে হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

অতিথিদের অনেকে শুধু শুভেচ্ছা জানাতেই আসেননি, বিয়ের আয়োজনেও সহযোগিতা করেছেন। কেউ নিয়ে আসেন শূকর, মাছ, সবজি ও অন্যান্য খাবার। কেউ উপহার দেন ফ্রিজ, খাবার গরম রাখার সরঞ্জাম, টেবিল ও চেয়ার। আবার কেউ বাড়ি সাজানো, কনের সাজসজ্জা এবং বিয়ের গাড়ির ব্যবস্থা করতে এগিয়ে আসেন।

হুনান প্রদেশের হুয়াইহুয়া শহর থেকে এক বিয়ের আয়োজক প্রায় ১২ ঘণ্টা গাড়ি চালিয়ে এসে অনুষ্ঠানস্থল সাজানোর কাজে সহযোগিতা করেন। সিচুয়ান প্রদেশের এক কৃষক উপহার হিসেবে নিয়ে আসেন প্রায় ২০ হাজার ইউয়ান মূল্যের দুটি গরু। নবদম্পতির জন্য একটি বিলাসবহুল মেবাখ গাড়ির ব্যবস্থাও করেন এক শুভাকাঙ্ক্ষী বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অতিথির সংখ্যা প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি হওয়ায় স্থানীয় এলাকায় তৈরি হয় নানা ধরনের চাপ। আশপাশের হোটেল ও অতিথিশালাগুলোর কক্ষ পূর্ণ হয়ে যায়। রেস্তোরাঁগুলোতেও বাড়তে থাকে ক্রেতার সংখ্যা। অতিথিদের সামলাতে মূল অনুষ্ঠানস্থল থেকে আয়োজন সরিয়ে কাছের একটি বড় সাংস্কৃতিক চত্বরে নেওয়ার ব্যবস্থা করে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

সাংহাই ডেইলির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিয়ের ভোজে প্রায় দুই টন মুরগির মাংস রান্না করা হয়। অতিথিদের খাবার পরিবেশনের জন্য প্রায় ৫০টি রান্নার চুলা একটানা চালু ছিল। দেরিতে আসা অতিথিদেরও ফিরিয়ে দেওয়া হয়নি; রাত ২টা পর্যন্ত তাদের খাবার পরিবেশন করা হয়।

অতিথির সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ভিন্ন তথ্য এসেছে। কিছু প্রতিবেদনে বিয়েতে ১০ হাজারের বেশি মানুষের উপস্থিতির কথা বলা হলেও ১ নভেম্বর শু নিজে জানান, তার বিয়েতে তিন হাজারের বেশি অতিথি এসেছিলেন।

ব্যতিক্রমী এই আয়োজন ঘিরে স্থানীয় পর্যটন খাতেও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিথিরা যাতে বিয়েতে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি আশপাশের দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখতে পারেন, সে বিষয়ে স্থানীয় সংস্কৃতি ও পর্যটন কর্তৃপক্ষ আলোচনা শুরু করেছে।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনাটি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ এত বড় আয়োজনের পেছনে পরিকল্পিত প্রচারণা বা বিপণন কৌশল থাকতে পারে বলে প্রশ্ন তুলেছেন। তবে অধিকাংশ ব্যবহারকারী অপরিচিত মানুষের প্রতি অন্যদের সহমর্মিতা ও সহযোগিতার প্রশংসা করেছেন।

এক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন, ‘আমরা অপরিচিত হতে পারি, কিন্তু একে অপরের পাশে দাঁড়াতে পারি। রক্তের সম্পর্ক না থাকলেও মানুষ পরিবারের সদস্য হয়ে উঠতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অর্থ মন্ত্রণালয়ে ৩৫ জনের চাকরির সুযোগ, নতুন পে স্কেলে বেতন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৫৯ পি.এম


অর্থ মন্ত্রণালয়ে ৩৫ জনের চাকরির সুযোগ, নতুন পে স্কেলে বেতন

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীনে আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিটে জনবল নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। এ উদ্দেশ্যে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে, রাজস্ব খাতভুক্ত তিনটি ভিন্ন পদে মোট ৩৫ জনকে নিয়োগ দেয়া হবে।

আবেদন শুরু ৩ নভেম্বর ২০২৬ থেকে। ২৩ নভেম্বর ২০২৬-এ আবেদন শেষ হবে।

পদ সংক্রান্ত তথ্যাবলী:

১. ব্যক্তিগত সহকারী

পদ সংখ্যা: ১০

বেতনস্কেল: ২৪০০০-৫৮০০০

২. অফিস সহকারয় কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক

পদসংখ্যা: ১২

বেতনস্কেল: ২১৯০০-৫২৯০০

৩. অফিস সহায়ক

পদসংখ্যা: ১৩

বেতনস্কেল: ২০০০০-৪৮৪০০

প্রার্থীর বয়সসংক্রান্ত তথ্য:

প্রার্থীদের বয়স ১ নভেম্বর তারিখে সর্বনিম্ন ১৮ বছর এবং সর্বোচ্চ ৩২ বছরের মধ্যে থাকতে হবে।

বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য নয়।

আবেদনের পদ্ধতি:

আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে। এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।

সফলভাবে আবেদন জমা দেয়ার পর, টেলিটক প্রিপেইড সিমের মাধ্যমে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পরীক্ষার ফি জমা দিতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গায়ে হলুদের সাজে তৌসিফ-সাফা, বিয়ের গুঞ্জনের নেপথ্যে কী?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:০০ পি.এম


গায়ে হলুদের সাজে তৌসিফ-সাফা, বিয়ের গুঞ্জনের নেপথ্যে কী?

ছোট পর্দার জনপ্রিয় দুই মুখ তৌসিফ মাহবুব ও সাফা কবির। তাদের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের কারণে প্রায়ই একসঙ্গে দেখা যায়। তবে সম্প্রতি গায়ে হলুদের সাজে এই দুই তারকার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের মনে প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি তারা বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন?

সম্প্রতি একটি ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, রিসোর্টে জমকালো গায়ে হলুদের আয়োজনে হাজির হয়েছেন তৌসিফ ও সাফা। সাফার পরনে ছিল হলুদ রঙের ওপর বাহারি নকশার লেহেঙ্গা। অন্যদিকে তৌসিফকে দেখা গেছে হলুদ পাঞ্জাবি ও কুর্তিতে। চারপাশে তরুণদের উপস্থিতি এবং দুজনের আনন্দমুখর মুহূর্ত দেখে অনেকেই মনে করছেন, এটি হয়তো তাদের বিয়ের আয়োজন কিংবা কোনো নাটকের দৃশ্য হতে পারে।

তবে বাস্তবতা ভিন্ন। জানা গেছে, পুরো আয়োজনটি মূলত একটি প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনচিত্রের অংশ। প্রতিষ্ঠানটি বিয়ের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের পোশাক নকশা ও বিক্রি করে। বিজ্ঞাপনচিত্রে তৌসিফ ও সাফার উপস্থিতি দর্শকদের বেশ আকৃষ্ট করেছে। প্রকাশের মাত্র দুই দিনের মধ্যে ভিডিওটির দর্শকসংখ্যা প্রায় সাড়ে চার লাখে পৌঁছেছে। অনেকেই তাদের পর্দার রসায়নের প্রশংসা করেছেন।

উল্লেখ্য, গত ২৭ অক্টোবর ছিল তৌসিফ মাহবুবের জন্মদিন। বিশেষ দিনটি উপলক্ষে ব্যস্ততা থেকে কিছুটা বিরতি নিয়ে স্ত্রী ও বন্ধুদের সঙ্গে সিলেট ভ্রমণে গিয়েছিলেন তিনি। সেই সফরে তৌসিফ ও সাফার পাশাপাশি ছিলেন অভিনেত্রী মুমতাহিনা চৌধুরী টয়া এবং সৈয়দ জামান শাওন। অভিনেতা সিয়াম আহমেদেরও যাওয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে ব্যস্ততার কারণে তিনি যেতে পারেননি।

এদিকে তৌসিফকে সম্প্রতি শিহাব শাহীনের পরিচালনায় ‘ক্যাফে আমব্রেলা’ ওয়েব সিনেমায় দেখা যাচ্ছে। আইস্ক্রিনে মুক্তি পাওয়া সিনেমাটিতে তার সঙ্গে অভিনয় করেছেন বিদুষী বর্ণিতা, নাযাহ নাওয়ার, পার্থ শেখ, আমিনা ইসলাম ও আরেফিন জিলানী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীন নীতি নিয়ে হোঁচট খাচ্ছে যুক্তরাজ্য, এমপিরা সতর্ক করেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:০০ পি.এম


চীন নীতি নিয়ে হোঁচট খাচ্ছে যুক্তরাজ্য, এমপিরা সতর্ক করেছেন

যুক্তরাজ্য সরকার চীনের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে একটি সুস্পষ্ট নীতি গঠন করতে ব্যর্থ হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রবণতা দেশের বাণিজ্যিক স্বার্থকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র বা চীন যুক্তরাজ্যের নীতি নির্ধারণে প্রভাব ফেলতে পারে। ব্রিটিশ পার্লামেন্টের একটি প্রতিবেদনে এ বিষয়ে সতর্কতা প্রকাশ করা হয়েছে।

হাউস অব কমন্সের ব্যবসা, উদ্ভাবন, বিজ্ঞান ও বাণিজ্য বিষয়ক বিশেষ কমিটির তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৪ সাল থেকে চীন সম্পর্কে একটি সুসংগত কৌশল প্রণয়নে লেবার পার্টির সরকারের ব্যর্থতা যুক্তরাজ্যের জন্য ‘দুই জগতের সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি’ তৈরি করেছে।

কমিটির চেয়ারম্যান ও লেবার পার্টির এমপি লিয়াম বাইর্ন মন্তব্য করেছেন, চীন নিয়ে যুক্তরাজ্যের নীতির কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে দেশটির ব্যবসাও বিপদে পড়ছে। ফলে বড় ধরনের উৎপাদন সংক্রান্ত চুক্তি থেকে যুক্তরাজ্য বাদ পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকার একদিকে ব্রিটিশ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বাণিজ্যিক সুযোগ সৃষ্টি করতে পারছে না, অন্যদিকে চীনের সঙ্গে সম্পর্কের ‘পরিমাপ করা হয়নি, এমন ঝুঁকির ক্রমবর্ধমান ব্যবস্থাপিত সংস্পর্শ’ নিয়ন্ত্রণেও ব্যর্থ হচ্ছে।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ‘২০২৪ সালে নতুন সরকার চীনের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের কৌশলগত, দীর্ঘমেয়াদি ও ধারাবাহিক নীতির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু তারা তা বাস্তবায়ন করেনি।’

প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘চীনের সঙ্গে নিজেদের সম্পর্ক যুক্তরাজ্যকেই নির্ধারণ করতে হবে। তা না হলে ওয়াশিংটন বা বেইজিং আমাদের হয়ে সেই সম্পর্কের ধরন নির্ধারণ করার ঝুঁকি রয়েছে।’

গত ১০ বছরে চীনের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের সম্পর্কের ক্ষেত্রে যোগাযোগের অভাব ছিল। ২০১৮ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে চীন সফর করেছিলেন। এরপর গত জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার প্রথম সরকারি সফরে চীন যান।

এই সফরটি দুই দেশের মধ্যে ‘কূটনৈতিক শীতলতা’ কাটানোর উদ্যোগ হিসেবে দেখা হয়েছিল। তবে ২০১৮ সালের পর চীনের রপ্তানি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই প্রবৃদ্ধি বর্তমানে যুক্তরাজ্যে শিল্প খাতের অবক্ষয়ের আশঙ্কা তৈরি করছে। এর সঙ্গে দীর্ঘদিনের সাইবার গুপ্তচরবৃত্তি ও জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগও রয়েছে।

এমপিরা চীনের সঙ্গে বাণিজ্যের সুবিধাগুলোও স্বীকার করেছেন। তাঁরা বলেছেন, ব্রিটিশ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর চীনে লাভজনক কার্যক্রম রয়েছে এবং এসব প্রতিষ্ঠান সেখানে আরও ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে চায়। চীনের ‘বিশ্বসেরা’ উদ্ভাবন থেকে শিখতে তাঁরা আগ্রহী।

পরিবারের আয় যখন চাপে থাকে, তখন কম দামের আমদানি পণ্য ভোক্তাদের সুবিধা দেয়। চীন থেকে আমদানি করা বৈদ্যুতিক গাড়ি এর একটি উদাহরণ।

তবে বাইর্ন চীন নীতি নিয়ে সরকারের খণ্ডিত ও বিচ্ছিন্ন উদ্যোগের কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘সরকার পরিস্থিতি অনুযায়ী চীন নীতি তৈরি করতে থাকলে ব্রিটিশ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করতে পারবে না। মন্ত্রীরা স্পষ্টতা ও ধারাবাহিকতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু আমরা দেখছি, সুযোগ হাতছাড়া হচ্ছে, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা হচ্ছে না এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে একেবারে শেষ মুহূর্তে।’

প্রতিবেদনে গত মার্চে চীনা প্রতিষ্ঠান মিং ইয়াংকে স্কটল্যান্ডে ১৫০ কোটি পাউন্ড ব্যয়ে একটি বায়ুশক্তি প্রকল্প নির্মাণের অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কয়েক বছর ধরে আলোচনা চলার পরও নির্দিষ্ট করে না জানানো নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে প্রকল্পটি আটকে দেওয়া হয়।

স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার জন সুইনি প্রধানমন্ত্রী স্টারমারের ওই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন।

চীনা মালিকদের কাছ থেকে ব্রিটিশ স্টিলের নিয়ন্ত্রণ জরুরি ভিত্তিতে সরকারের হাতে নেওয়ার সিদ্ধান্তের সঙ্গে মিং ইয়াংয়ের প্রকল্প আটকে দেওয়ার ঘটনাকে প্রতিবেদনটিতে ‘প্রতিক্রিয়াশীলতা, অসংগতিপূর্ণ অবস্থান ও স্বচ্ছতার অভাব’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

কমিটি চীনের সঙ্গে বাণিজ্য নিয়ে নতুন কৌশল তৈরির পাশাপাশি অন্যায্য প্রতিযোগিতা মোকাবিলায় নতুন বাণিজ্যিক প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতির সুপারিশ করেছে। এর মধ্যে বৈদ্যুতিক গাড়ির ওপর সম্ভাব্য শুল্ক আরোপও রয়েছে। এ বিষয়ে ডাউনিং স্ট্রিটের পক্ষ থেকে সম্ভাবনা নাকচ করা হয়নি।

প্রতিবেদনে ‘খেলার নতুন ও স্পষ্ট নিয়ম’ তৈরির আহ্বান জানানো হয়েছে। চীনা বিনিয়োগ নিষিদ্ধ থাকবে, এমন শিল্প খাতকে ‘লাল অঞ্চল’ হিসেবে চিহ্নিত করার সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি যেসব খাতে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য উৎসাহিত করা হবে, সেগুলোকে ‘সবুজ অঞ্চল’ হিসেবে নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে।

বাইর্ন বলেছেন, চীন নিয়ে কৌশল তৈরি করা এখন জরুরি। কারণ, ইউরোপ দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। বেইজিংয়ের সঙ্গে আরও দৃঢ় অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি ওয়াশিংটনের বিষয়ে সতর্ক হয়ে ইউরোপ নতুন বাণিজ্য সুরক্ষাব্যবস্থার প্রস্তাব দিচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘নতুন আইনগুলো যুক্তরাজ্যকে ইইউর বাণিজ্যিক সুরক্ষাব্যবস্থার বাইরে আটকে দিতে পারে। এতে আমাদের সবচেয়ে বড় বাজার থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।’

বাইর্নের মতে, ইইউর ‘মেড ইন ইউরোপ’ প্রকল্পে ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকারকে ইইউর সঙ্গে নীতিগত সামঞ্জস্যের বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে। এর অংশ হিসেবে বৈদ্যুতিক গাড়ির ওপর শুল্ক আরোপের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা উচিত। এতে চীনের আধিপত্য ঠেকাতেও সহায়তা হবে।

ইইউর সঙ্গে বৈদ্যুতিক গাড়ির শুল্ক নীতিতে যুক্তরাজ্যের সামঞ্জস্য রাখার চাপ ইতিমধ্যে রয়েছে। তবে দেশটির ব্যবসাবিষয়ক মন্ত্রী জোনাথন রেনল্ডস বলেছেন, যুক্তরাজ্যের স্বার্থ বিবেচনা করেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ইইউ ইতিমধ্যে চীনে তৈরি বৈদ্যুতিক গাড়ির ওপর শুল্ক আরোপ করেছে। চীন থেকে আমদানি করা হাইব্রিড গাড়ির সংখ্যাও সীমিত করেছে। এখন ফ্রান্স ও জার্মানির একটি প্রস্তাব বিবেচনা করছে ইইউ। প্রস্তাব অনুযায়ী, চীন বাণিজ্যকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করলে আমদানি বন্ধ করার জন্য একটি ‘কিল সুইচ’ চালু করা হতে পারে।

গত বছর বিরল খনিজ ও চিপ রপ্তানিতে বিধিনিষেধ আরোপের মাধ্যমে চীন বাণিজ্যকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘যুক্তরাজ্যের অংশীদাররা আরও দ্রুত ও আরও দূর এগিয়ে যাচ্ছে।’

চীনের সঙ্গে বিশ্বের অন্যান্য দেশের বাণিজ্যে উদ্বৃত্ত এখন গত বছরের রেকর্ড ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার পথে।

২০২৬ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত কার্যকর চীনের সর্বশেষ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় দেশটির ভবিষ্যৎ অগ্রাধিকারের আভাস পাওয়া যায়। এতে উচ্চমূল্যের পরিবেশবান্ধব পণ্য রপ্তানি কৌশলগতভাবে সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে বৈদ্যুতিক গাড়ি, ব্যাটারি, বায়ুশক্তির টারবাইন, হাইড্রোজেন ও সৌর প্যানেল।

এএম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%