০২:৩৬ এম
মিয়ানমারের রাখাইন ও কারেন্নি রাজ্যের চারটি শহরে সামরিক বাহিনীর বিমান হামলায় অন্তত ১৫ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে একটি শিশু রয়েছে। গত রোববার (১ নভেম্বর) সংঘটিত এই হামলায় আরও ৩২ জন আহত হয়েছেন।
স্বাধীন সংবাদমাধ্যম দ্য ইরাবতীর সোমবারের (২ নভেম্বর) প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাখাইন রাজ্যের কিয়াউকতাও, ম্রাউক-উ, পাউকতাও ও কিয়াউকফিউ শহরের আবাসিক এলাকায় এবং একটি মাতৃসদন কেন্দ্রে বিমান হামলা চালানো হয়। এই হামলায় ১২ জন নিহত হন।
এর আগে, শনিবার, কারেন্নি রাজ্যের পূর্বাঞ্চলীয় লইকাও শহরের একটি স্কুলে বিমান হামলা চালায় মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী। ছুটির দিনে শিশুরা সেখানে পুষ্টিবিষয়ক একটি কর্মসূচিতে অংশ নিতে জড়ো হয়েছিল। হামলায় তিন শিশু নিহত এবং আরও আটজন আহত হন।
আরও পড়ুন: বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ-চীনের আলোচনা
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে মিন অং হ্লাইংয়ের নেতৃত্বে সামরিক বাহিনী নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করার পর থেকে মিয়ানমার দীর্ঘস্থায়ী গৃহযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে। অভ্যুত্থানের পর দেশের সংঘাত আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।
দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে সামরিক বাহিনীর নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি জাতিগত সশস্ত্র বিরোধী গোষ্ঠী লড়াই করছে।
রাখাইন রাজ্যে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গার বসবাস রয়েছে। প্রধানত মুসলিম এই সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীসহ বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়ে আসছে। বছরের পর বছর ধরে বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটি থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন কয়েক লাখ রোহিঙ্গা। সূত্র: আনাদোলু
আরও পড়ুন: যুদ্ধ বন্ধের শর্তে সৌদির কাছে ৫১ বিলিয়ন ডলার দাবি হুথিদের
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন