ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

জার্মানির আইনমন্ত্রী: সহিংসতা সত্ত্বেও জেন-জিদের বিক্ষোভের পক্ষে


জার্মানির আইনমন্ত্রী: সহিংসতা সত্ত্বেও জেন-জিদের বিক্ষোভের পক্ষে

জার্মানিতে জেন-জি (জেনারেশন জেড) বিক্ষোভের মধ্যে সহিংসতার ঘটনা ঘটলেও তরুণদের অধিকার ও দাবি নিয়ে রাজপথে নামার অধিকারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন আইনমন্ত্রী স্টেফানি হুবিগ। তিনি উল্লেখ করেছেন, শিক্ষা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করা তরুণদের গণতান্ত্রিক অধিকার রয়েছে।

জার্মান সংবাদমাধ্যম নয়য়ে ওসনাব্রুকার সাইটুংকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হুবিগ বলেন, “বিক্ষোভকারীদের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশই শান্তিপূর্ণ ছিল। যেসব বিষয়ে তরুণদের উদ্বেগ রয়েছে, সেসব নিয়ে বিক্ষোভ করার অধিকার তাঁদের রয়েছে।”

ফ্রান্সের পরিস্থিতির সঙ্গে জার্মানির বিক্ষোভের তুলনা করতে রাজি হননি তিনি। ফ্রান্সে সাম্প্রতিক বিক্ষোভে ব্যাপক দাঙ্গা ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে।

আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে শেখ পদবিধারীদের নামের সংখ্যা সর্বাধিক

তবে বিক্ষোভের সময় লুটপাট এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলাকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করেছেন হুবিগ। তিনি জানান, পুলিশ ও অন্যান্য জরুরি সেবাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় আরও কঠোর শাস্তির বিধান রেখে একটি আইন প্রণয়নের কাজ করছেন।

এদিকে, দুই সপ্তাহ পর জার্মানিতে নতুন করে বিক্ষোভের কর্মসূচি রয়েছে। এসব কর্মসূচির ওপর সার্বিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিরোধিতা করেছেন তিনি। তাঁর মতে, এমন নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলে তা হবে “সম্পূর্ণ ভুল বার্তা।”

হুবিগ বলেন, “আমরা সব সময়ই চাই তরুণেরা রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিক। উন্নত শিক্ষা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের দাবিতে তরুণদের রাজপথে নামার অধিকার রয়েছে।”

হুবিগ জার্মানির মধ্য-বামপন্থী সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এসপিডি) সদস্য। উল্লেখ্য, দলটি দেশটির রক্ষণশীল নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের অন্যতম অংশীদার।

আরও পড়ুন: ডিসেম্বরে দেশে আসার সুযোগ নেই: নাহিদ ইসলাম

সূত্র: ডয়েচে ভেলে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী: ফ্যাসিস্টদের আর ফিরতে দেওয়া হবে না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:২৮ পি.এম


ধর্ম প্রতিমন্ত্রী: ফ্যাসিস্টদের আর ফিরতে দেওয়া হবে না

"যাদের হাতে রক্ত, সেই পলাতক ফ্যাসিস্টকে আর ফিরতে দেওয়া হবে না।" ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার লিংকন এসব কথা বলেন গাইবান্ধা জেলা বিএনপির আয়োজনে বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে। তিনি আরও বলেন, "ফ্যাসিস্টদের কেউ প্রশ্রয় দিয়ে দেশকে অস্থির করার চেষ্টা করলে, ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দেওয়া হবে। এ দেশের জনগণ আমাদের সঙ্গে আছে।"

তিনি উল্লেখ করেন, "প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বারবার দেশ বিএনপি হাতেই রক্ষা পেয়েছে। জনগণ শহীদ জিয়াকে হৃদয়ে ধারণ করে এবং ভালোবেসেই রাষ্ট্র ক্ষমতায় এনেছিলেন।" ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, "পতিত স্বৈরাচার এদেশের মানুষের রক্ত নিয়ে খেলা করেছে। জনগণ তাদের ক্ষমা করবে না।"

জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক মইনুল ইসলাম সাদিকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুন্নবী টিটুলের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ আলো, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইফুল ইসলাম সাজা, ডা. খন্দকার জিয়াউল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী, আব্দুস সালাম প্রমুখ।

এমএইচ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য রেলি জেলা জাসাস,

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ ওসমান গনি শেরপুর জেলা প্রতিনিধি

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:২৮ পি.এম


শেরপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য রেলি জেলা জাসাস,

শেরপুরে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে পালন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস), শেরপুর জেলা শাখা। দিবসটি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করে সংগঠনটি। কর্মসূচিতে জেলা, উপজেলা, পৌরসভা ও বিভিন্ন ইউনিটের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থকের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজন প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে জেলা জাসাসের উদ্যোগে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ঘুরে থানার মোড় মুক্তমঞ্চে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় নেতাকর্মীরা জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং জাতীয়তাবাদী আদর্শ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক চেতনা সমুন্নত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

র‍্যালিতে নেতৃত্ব দেন শেরপুর জেলা জাসাসের আহ্বায়ক এ.কে.এম. এনামুল হক বিপু। পরে থানার মোড় মুক্তমঞ্চে দিবসটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে উপস্থিত ছিলেন জেলা জাসাসের সদস্য সচিব মোঃ হারুন অর রশিদ, যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ জাকির হোসেন, মিলন মিয়া ও সবুজ মিয়া এবং জেলা জাসাসের সদস্য ও দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত জহুরুল ইসলাম জাপি। এ ছাড়া উপজেলা, পৌরসভা ও বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ, জাসাসের সাংস্কৃতিক কর্মী, শিল্পী, সমর্থকসহ বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সংঘটিত ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহ দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের মূল চেতনার সঙ্গে জাতীয় ঐক্য, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা, দেশপ্রেম এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয়গুলো জড়িয়ে রয়েছে। ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় থেকে শিক্ষা নিয়ে জাতীয়তাবাদী আদর্শ ও গণতান্ত্রিক চেতনাকে আরও সুসংহত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।

বক্তারা আরও বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) কেবল একটি সাংগঠনিক প্ল্যাটফর্ম নয়; এটি জাতীয়তাবাদী দর্শন, দেশীয় সংস্কৃতি, সাহিত্য, সংগীত ও শিল্পচর্চার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সাংস্কৃতিক অঙ্গনে জাতীয় চেতনা, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, দেশপ্রেম ও মানুষের অধিকারবোধকে ছড়িয়ে দিতে জাসাসের নেতাকর্মীদের আরও দায়িত্বশীল ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।

তাঁরা বলেন, সাংগঠনিক ঐক্য, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে সংগঠনকে তৃণমূল পর্যায়ে আরও শক্তিশালী করতে হবে। একই সঙ্গে দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ, নতুন প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম জাগ্রত করা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় সাংস্কৃতিক আন্দোলনকে এগিয়ে নিতে হবে।

জেলা জাসাসের আহ্বায়ক এ.কে.এম. এনামুল হক বিপুর নেতৃত্বে আয়োজিত এ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সংগঠনের নেতাকর্মীরা ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের চেতনাকে ধারণ করে জাতীয়তাবাদী আদর্শ ও সাংস্কৃতিক ঐক্য সুদৃঢ় করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন শেরপুর জেলা জাসাসের সাংগঠনিক তৎপরতায় নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। পাশাপাশি নেতাকর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, ঐক্য ও সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন আয়োজকরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম: কওমি মাদরাসার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:২৯ পি.এম


জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম: কওমি মাদরাসার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নৈতিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে কওমি মাদরাসায় হামলা, ভাঙচুর ও শিক্ষার পরিবেশ বিনষ্টের ঘটনায় জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংগঠনটির বক্তব্য হলো, "কোনো ব্যক্তি অপরাধ করলে তার দায় ব্যক্তির; এর সঙ্গে পুরো একটি শিক্ষা-ব্যবস্থা বা মাদরাসা প্রতিষ্ঠানকে জড়ানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।"

শনিবার রাজধানীর পুরানা পল্টনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় মজলিসে আমেলার অধিবেশনে নেতারা এসব মন্তব্য করেন। কেন্দ্রীয় সভাপতি শাইখুল হাদিস মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুকের সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দীর পরিচালনায় এই অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

এ অধিবেশনে আরো উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী, মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস তালুকদার, মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, মাওলানা শেখ মুজিবুর রহমান, মাওলানা নাজমুল হাসান কাসেমী, মাওলানা বাহাউদ্দীন যাকারিয়া, মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী, মুফতি মকবুল হোসাইন কাসেমী এবং মাওলানা লোকমান মাযহারী প্রমুখ।

নেতারা উল্লেখ করেন, "কোনো মাদ্রাসার শিক্ষক, কর্মকর্তা বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ও গুরুতর অভিযোগ থাকলে আইনানুগ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করতে হবে।" অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রকৃত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তবে অভিযোগের অজুহাতে কোনো মাদ্রাসায় হামলা, ভাঙচুর, শিক্ষার্থীদের আতঙ্কিত করা কিংবা প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।

তারা আরও বলেন, কওমি মাদ্রাসাগুলো দীর্ঘদিন ধরে দেশের শিক্ষা, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও নৈতিকতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বিচ্ছিন্ন কোনো অপরাধের অভিযোগের ভিত্তিতে ঢালাওভাবে কওমি মাদ্রাসাগুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং হামলার পরিবেশ সৃষ্টি করা একটি গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ হতে পারে। তাই, কোনো ঘটনার ক্ষেত্রে আবেগ, গুজব বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচারণার ওপর নির্ভর না করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন করতে হবে।

জমিয়ত নেতারা বলেন, "আমরা কোনো অপরাধীর পক্ষাবলম্বন করি না।" অপরাধী যে-ই হোক, তার পরিচয় ও প্রতিষ্ঠান বিবেচনা না করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। একই সঙ্গে নিরপরাধ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও প্রতিষ্ঠানের ওপর অন্যায়ের দায় চাপিয়ে দেওয়া কিংবা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা বন্ধ করতে হবে।

তারা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, অভিযোগের নামে দেশের কোনো মাদ্রাসায় হামলা বা ভাঙচুরের ঘটনা যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। একই সঙ্গে প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। "অপরাধীর বিচার চাই, কিন্তু কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস বা একটি বৃহৎ শিক্ষা ব্যবস্থাকে কলঙ্কিত করার ষড়যন্ত্র মেনে নেওয়া হবে না।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মামুনুল হকের দলের ঢাকার দুই সিটির মেয়র প্রার্থী সম্পর্কে জানা গেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:২৯ পি.এম


মামুনুল হকের দলের ঢাকার দুই সিটির মেয়র প্রার্থী সম্পর্কে জানা গেল

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, যা মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শনিবার ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই দুই প্রার্থীর নাম ও তাদের দলীয় পরিচয় ঘোষণা করা হয়।

দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজধানী ঢাকার দুই গুরুত্বপূর্ণ সিটিতে সংগঠন ও তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত এমন দুই শীর্ষ নেতাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে:

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি):

ঢাকা উত্তরের মেয়র প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মাওলানা মুর্শিদ আলম সিদ্দিকী। তিনি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি এবং দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি):

ঢাকা দক্ষিণে মেয়র পদে লড়বেন হাফেজ মাওলানা মাহবুবুল হক। তিনি দলের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির এবং অবিভক্ত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রখ্যাত আলেম মরহুম শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হক (রহ.)-এর সুযোগ্য সন্তান।

সংবাদ সম্মেলনে দলের শীর্ষ নেতারা জানান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দেশব্যাপী পূর্ণ শক্তিতে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাদের মূল লক্ষ্য হলো ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা এবং অন্যান্য সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি রাজধানীর দুই সিটিতে সৎ, আদর্শবান ও জনবান্ধব নেতৃত্ব উপহার দেওয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%