মুহাম্মদ কাইসার হামিদ, কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ)
০২:২১ এম
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে জায়গা সম্পত্তি নিয়ে দুই ভাইয়ের বিরোধের জের ধরে দেয়াল নির্মাণে বাধা দেয়ায় দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ বড় ভাই-ভাবীসহ ৪ জনকে মারধোরের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষ ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে।
গত ২৩ আগস্ট রোববার বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার ছয়সূতী ইউনিয়নের দ্বাড়িয়াকান্দি নয়াবাড়ী এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়।
হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন- দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মো. জসিম উদ্দিন (৬৫), তার স্ত্রী মোছা. নাছিমা বেগম (৫৫), ছেলে মাওলানা তানভীর আহমদ (২২) ও শ্যালিকা মোছা. আওলিয়া বেগম (৫২)। এ ঘটনায় ওইদিন রাতেই কুলিয়ারচর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন দৃষ্টি প্রতিবন্ধীর ছেলে তানভীর।
স্থানীয় ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দ্বাড়িয়াকান্দি নয়াবাড়ী এলাকার মৃত হিম্মত আলীর দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ছেলে মো. জসিম উদ্দিনের পরিবারের সাথে তাঁর ছোট ভাই মো. সাহাজ উদ্দিন গংদের দীর্ঘদিন যাবৎ জায়গা-সম্পত্তি নিয়ে তীব্র বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে এলাকায় একাধিকবার সালিশ দরবারও হয়েছে। বিরোধ চলমান থাকা অবস্থায় গত ২৩ আগস্ট রোববার বিকেলে প্রতিপক্ষের ছোট ভাই মো. সাহাজ উদ্দিন লোকজনসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে জসিম উদ্দিনের বসতবাড়ির উত্তর দিকে জোরপূর্বক সীমানা প্রাচীর (দেওয়াল) নির্মাণ শুরু করে। এ সময় জমির মালিক দাবিদার দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বড় ভাই মো. জসিম উদ্দিন ও তার ছেলে তানভীর আহমদ ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে বেআইনি দেওয়াল নির্মাণে বাধা দিলে প্রতিপক্ষ ছোট ভাই সাহাজ উদ্দিন ও তার লোকজন জসিম উদ্দিন ও তার ছেলে তানভীর আহমদ এর উপর হামলা চালিয়ে মারধোর করতে থাকে। এসময় স্বামী ও ছেলেকে বাঁচাতে এসে মোছা. নাছিমা বেগম ও তার বোন মোছা. আউলিয়া বেগম গুরুতর রক্তাক্ত আহত হয়।
অভিযোগ মতে, মো. সাহাজ উদ্দিন (৪৫) এর হাতে থাকা ধারালো দা দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে জসিম উদ্দিনের স্ত্রী মোছা. নাছিমা বেগমের কপালে ও মাথায় একাধিক কোপ মারে। এতে তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।অন্যান্যরা দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ জসিম উদ্দিনসহ তাঁর ছেলে মাওলানা তানভীর আহমদ-কে দেশীয় অস্ত্রদী দিয়ে মারধোর করে এবং জসিম উদ্দিনের সালিকা মোছা. আউলিয়া বেগমকে হাত-পা বেধে নির্মম ভাবে মারধর করে। এসময় ভুক্তভোগীদের ডাকচিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে এবং যাওয়ার সময় হুমকি দিয়ে যায় ভবিষ্যতে যদি কেউ দেওয়াল নির্মাণে তাদের বাধা দেয় তাহলে তাকে খুন করে লাশ গুম করে ফেলবে। পরে স্থানীয়রা আশঙ্কাজনক অবস্থায় আহতদের উদ্ধার করে কুলিয়ারচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন। তানভীর আহমেদ প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি চলে আসেন। বাকীরা এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।
এদিকে বড় ভাই জসিম উদ্দিনের পরিবারের সকল অভিযোগ মিথ্যা দাবী করে প্রতিপক্ষের ছোট ভাই মো. সাহাজ উদ্দিন বলেন, আমার নিজের সম্পত্তিতে আমরা সীমানা প্রচীর (দেওয়াল) নির্মাণ করা অবস্থায় রোববার বিকাল ৪ টার দিকে আমার ভাবী মোছা. নাছিমা বেগম ঝগড়া করার উদ্দেশ্যে আমাদের জায়গা থেকে বেশ কয়েকটি বাঁশ কেটে ক্ষতি করতে থাকে। এসময় আমি বাধা নিষেধ দিলে ভাবী কোড়াল দিয়ে আমাকে কোপ মারতে আসলে আমি কোড়ালটি ধরে ফেলি। এসময় কোড়াল নিয়ে আমাদের মধ্যে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে কোড়ালের ঘারার আঘাতে ভাবীর মাথা ফেটে যায়। অন্যদেরকে কেউ কোন মারধর করেনি। এই জায়গা নিয়ে একাধিকবার এলাকায় সালিশ দরবার হয়েছে। কিন্তু আমার ভাই জসিম উদ্দিন ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা সালিশ দরবার না মেনে উল্টো আমাদেরকে হয়রানি করে আসছে। ২৪ আগস্ট সোমবার কুলিয়ারচর থানার এএসআই মো. আব্দুল লতিফ বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে আমাদের জায়গার উপর ১৪৪/১৪৫ ধারা জারি করার পর আমরা উক্ত জায়গায় দেওয়াল নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেই।
উল্লেখ, গত ২৩ আগস্ট রোববার হামলার ঘটনার আগে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী জসিম উদ্দিনের ছেলে তানভীর আহমদ বাদী হয়ে তার চাচা সাহাজ উদ্দিন (৫০) গংদের বিরুদ্ধে ফৌ: কা: বি: আইনের ১৪৪/১৪৫ ধারায় বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত কিশোরগঞ্জে একটি মোকদ্দমা দাখিল করেন। যাহার সি আর মোকাদ্দমা নং- ১০৮১/২৬। উক্ত মোকাদমা দাখিলের পর বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে স্মারক নং- ২৮৩৯/২০২৬, তারিখ-২৩/০৮/২০২৬ ইং মূলে দ্বাড়িয়াকান্দি মৌজার খতিয়ান নং- সিএস- ৫৪৩ ও আর.এস- ৩৯৪, দাগ নং- সিএস- ৪০৭, আর.এস-১২৫৫, শ্রেণি- কান্দা, ১০ শতাংশ বিরোধীয় ভূমিতে উভয় পক্ষের মধ্যে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য উভয় পক্ষদ্বয়ের মধ্যে ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৪৪/১৪৫ ধারার বিধান মোতাবেক ২৪ আগস্ট সোমবার বিকাল ৩টার দিকে কুলিয়ারচর থানার কর্তব্যরত এএসআই মো. আব্দুল লতিফ (নি.) একটি নোটিশ জারী করেন। নোটিশে উল্লেখ করা হয় বিরোধীয় ভূমিতে কেউ যদি জোর পূর্বক প্রবেশ করে শান্তি ভঙ্গের চেষ্টা করে তাহলে সেই পক্ষ আইনে আমলে আসিতে বাধ্য থাকিবেন। নোটিশ জারির পর সোমবার বিকাল ৫ টার দিকে সরেজমিন ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, বিরোধী ভূমিতে দেয়াল নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে এবং এলাকার পরিবেশ শান্তন রয়েছে।
বাদী তানভীর এর লিখিত অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে কুলিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দীন বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রতিবাদ মিছিল ও ছাত্রসমাবেশ করেছে জেলা ছাত্রদল, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে।
প্রতিবাদ মিছিলটি সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত ছাত্রসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশের সঞ্চালনা করেন জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাজিদুর রহমান সাজিদ। বক্তৃতা করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি জিমি হৃদয়, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি রনি, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাসেল সরকার, সাবেক সহসভাপতি মোকারম হোসেন আদি, যুগ্ম আহ্বায়ক রিজোয়ান হক (শীষ) এবং জেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব সমীর চক্রবর্তী।
বক্তারা অভিযোগ করেন, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন শোভনের নেতৃত্বে সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একটি মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে, কিন্তু প্রশাসন থেকে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তারা বলেন, ওই মিছিলে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের এখনো গ্রেপ্তার করা হয়নি।
বক্তারা দ্রুত শাহাদাত হোসেন শোভনসহ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের অন্যান্য নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান। একইসাথে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের প্রকাশ্যে এসে ছাত্রদলের মোকাবিলা করার আহ্বান জানান তারা।
সমাবেশে জেলা ছাত্রদল ও বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের জানিগাঁও এলাকায় সিলেট-সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে একটি যাত্রীবাহী বাস উল্টে খাদে পড়ে যাওয়ার ফলে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। এই দুর্ঘটনায় অন্তত ২০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর আহতদের সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়ার সময় সেখানে স্বজনদের ভিড় ও কান্নার আহাজারিতে হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।দুর্ঘটনাটি সোমবার (২৪ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, সিলেট থেকে সুনামগঞ্জগামী একটি যাত্রীবাহী বাস জানিগাঁও এলাকায় পৌঁছানোর পর চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। এর ফলে বাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ এবং হাইওয়ে পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। আহতদের উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। নিহত ওই নারীর নাম শিল্পী রানী দাস (৩০)।সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি রতন শেখ দুর্ঘটনায় একজন নারীর মৃত্যু এবং বেশ কয়েকজনের আহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরও জানান, তাৎক্ষণিক খবর পেয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং স্থানীয়রা সকলের সহযোগিতায় আহতদের উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ৪৪ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী গোপন তৎপরতায় জড়িত থাকার অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে তদন্ত কমিটি।
প্রতিবেদনটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে সোমবার (২৪ আগস্ট) জমা দেওয়া হয়। তবে তদন্তের বিস্তারিত তথ্য এখনই প্রকাশ করতে রাজি হয়নি কমিটি।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, একটি অনলাইন পোর্টালে ইবির কয়েকজন শিক্ষকের রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ওঠার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টি তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করে। এরপর অভিযুক্ত শিক্ষকদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের জন্য সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের সম্পাদককে চিঠি দেওয়া হয়। চিঠিতে তাদের কথোপকথনের স্ক্রিনশটসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে ৪৪ জন শিক্ষকের নাম উল্লেখ করা হলেও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তালিকা যাচাই করে দেখা গেছে, ইবির শিক্ষকদের নামের সঙ্গে মিলে যায় এমন প্রায় ২৫ জনের নাম পাওয়া গেছে।
তদন্ত কমিটি জানিয়েছে, যদি অভিযুক্ত শিক্ষকদের কর্মকাণ্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ডিন্যান্সের পরিপন্থি প্রমাণিত হয়, তাহলে বিধি অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন, "এটি তদন্তাধীন বিষয়। এ বিষয়ে কিছু বলার থাকলে কমিটির আহ্বায়ক বলবেন। অথবা আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি প্রকাশ করব।"
কমিটির আহ্বায়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন জানিয়েছেন, "নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আমরা তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছি। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সিন্ডিকেট সভায় সিদ্ধান্ত নেবেন। প্রশাসনের সিদ্ধান্তের আগে তদন্তাধীন বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশের নিয়ম নেই। তাই এর বেশি কিছু বলতে পারছি না।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক ও স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। এই ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১৭ ও ১৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।
এই সিদ্ধান্তটি সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকালে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সভায় গৃহীত হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. এস এম মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ১৭ ডিসেম্বর ‘সি’ ও ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ‘সি’ ইউনিটের মধ্যে কলা ও মানবিক, সামাজিক বিজ্ঞান, আইন, শিক্ষা ও চারুকলা স্কুলের ডিসিপ্লিনগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। অপরদিকে, ‘ডি’ ইউনিটের আওতায় রয়েছে ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রশাসন স্কুলের ডিসিপ্লিনগুলো।
পরবর্তী দিন ১৮ ডিসেম্বর ‘এ’ ও ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ‘এ’ ইউনিটের আওতায় বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুলের ডিসিপ্লিনগুলো রয়েছে। আর ‘বি’ ইউনিটের আওতায় জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিসিপ্লিনগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
ভর্তি পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি, কেন্দ্র ও অন্যান্য নির্দেশনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পরবর্তীতে জানানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ