ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের দাফন আগামীকাল


শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের দাফন আগামীকাল

বাংলাদেশে পাপেট শিল্পের পথিকৃৎ, একুশে পদকপ্রাপ্ত চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের মরদেহ আগামীকাল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হবে। পরে তাঁকে বনানী গোরস্থানে দাফন করা হবে।

তিনি আজ (সোমবার) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। মুস্তাফা মনোয়ার দীর্ঘদিন ধরে নিউমোনিয়া এবং প্রোস্টেট ক্যানসারে ভুগছিলেন।

মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ৯০ বছর ছিল। তিনি স্ত্রী মেরী মনোয়ার, ছেলে সাদাত মনোয়ার, মেয়ে নন্দিনী মনোয়ারসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, গুণগ্রাহী এবং শুভাকাঙ্খী রেখে গেছেন।

আরও পড়ুন: রাণীনগরে জাতীয় যুব দিবস পালিত, অনুষ্ঠিত র‌্যালি ও আলোচনা সভা

শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের ব্যক্তিগত সহকারী মো. রুবেল মিয়া বাসসকে জানান, হাসপাতালে যাবতীয় প্রস্তুতি শেষে সকাল ১০টার দিকে শিল্পীর মরদেহ ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে নেওয়া হয়। এরপর মরদেহ বহনকারী ফ্রিজিং ভ্যানে তাঁকে ধানমন্ডির ১ নম্বর সড়কের নিজ বাড়িতে নেয়া হয়। আজ রাতে শিল্পীর মরদেহ স্কয়ার হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হবে।

আগামীকাল ৩০ জুন সকালে ৯টায়, বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) মুস্তাফা মনোয়ারের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। বেলা ১১টায় শহীদ মিনারে তাঁর মরদেহ সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হবে। পরে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে বাদ জোহর মুস্তাফা মনোয়ারের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। তারপরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে তাঁর মরদেহে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হবে। বাদ যোহর বনানী কবরস্থানে শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারকে দাফন করা হবে।

উল্লেখ্য, বরেণ্য এই শিল্পী নিউমোনিয়াসহ নানা শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে গত ১৪ জুন রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন। এরপর তিনি কয়েক দিন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন।

শিল্পীর মৃত্যুতে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বাংলা একাডেমি, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি এবং সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনসহ বিভিন্ন সংস্থা ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শোক জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: ল্যাবএইড হাসপাতালে মোস্তফা জামাল হায়দারকে দেখতে গেলেন রাষ্ট্রপতি

কলকাতা আর্ট কলেজে চারুকলা বিষয়ে পড়াশোনা শেষে দেশে ফিরে শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার শিক্ষকতা, শিল্পচর্চা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে যুক্ত হন। বাংলাদেশের পাপেট শিল্পকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা বিশেষভাবে স্মরণীয়। তিনি ১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর কবি গোলাম মোস্তফা এবং জমিলা খাতুনের ঘরে জন্মগ্রহণ করেন।

মুস্তাফা মনোয়ার ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধকাল পর্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। এছাড়াও, বাংলাদেশ টেলিভিশনের অনুষ্ঠান 'নতুন কুঁড়ি'-এর পরিকল্পনা ও নির্মাণে দক্ষতার পরিচয় দিয়েছিলেন। কর্মজীবনে তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি)-সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বড় লিডের দিকে এগোচ্ছে জিম্বাবুয়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২৭ পি.এম


বড় লিডের দিকে এগোচ্ছে জিম্বাবুয়ে

 বাংলাদেশ দলের বিপক্ষে ঘরের মাঠে একমাত্র টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট হাতে নিয়ে ২১০ রানে এগিয়ে রয়েছে জিম্বাবুয়ে। দ্বিতীয় দিনের চা-বিরতিতে তারা এই অবস্থানে পৌঁছেছে।

বাংলাদেশের ১৪০ রানের জবাবে জিম্বাবুয়ে ৫ উইকেট হারিয়ে ৩৫০ রান তুলেছে। ওপেনার ইনোসেন্ট কাইয়া ১৪০ রানে আউট হন।

হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টেস্টের প্রথম দিনেই বাংলাদেশ অলআউট হয়ে যায়। দিন শেষে জিম্বাবুয়ে ১ উইকেটে ১৩৬ রানে ব্যাট করছিল। কাইয়া ৭৬ ও ব্রেন্ডন টেইলর ১৭ রানে অপরাজিত ছিলেন।

দ্বিতীয় দিনের খেলায় ১৭ রানের মাথায় বাংলাদেশ পেসার খালেদ আহমেদের বলেই আউট হন টেইলর। দলীয় ১৪৩ রানে টেইলর ফিরে আসার পর ক্রিজে প্রবেশ করেন ব্রায়ান বেনেট। তৃতীয় উইকেটে কাইয়ার সাথে ১০৭ রান যোগ করেন বেনেট। ব্যক্তিগত ৫৯ রানে টাইজুলের বলে আউট হন বেনেট।

বেনেটের সাথে জুটিতে কাইয়া তার টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরির স্বাদ গ্রহণ করেন। ২২৭ বল খেলে ১৭টি চার মারার পরে ১৪০ রানে তিনি তাইজুলের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন।

জিম্বাবুয়ের উইকেটরক্ষক টাফাডজাওয়া সিগা ১ রানে রান আউট হওয়ার পর ষষ্ঠ উইকেটে ৭০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে চা-বিরতি বিরতিতে যান ক্রেইগ আরভিন ও ওয়েসলি মাধভেরে। বিখ্যাত মুহূর্তে, আরভিন ৪৯ ও মাধভেরে ৩৬ রানে অপরাজিত আছেন।

বাংলাদেশের খালেদ ও তাইজুল প্রত্যেকে ২টি করে উইকেট নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কোরিয়া ইমপোর্ট এক্সপো ২০২৬-এ বাংলাদেশের রপ্তানি সম্ভাবনার প্রদর্শন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২৮ পি.এম


কোরিয়া ইমপোর্ট এক্সপো ২০২৬-এ বাংলাদেশের রপ্তানি সম্ভাবনার প্রদর্শন

দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী ‘কোরিয়া ইমপোর্ট এক্সপো ২০২৬’-এ বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান রপ্তানি সম্ভাবনা ও বিনিয়োগের সুযোগ যথাযথভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এই প্রদর্শনীতে ৩২টি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন খাতের পণ্য প্রদর্শনের পাশাপাশি কোরিয়ান ক্রেতাদের সঙ্গে ব্যবসায়িক বৈঠক করেছে।

আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, কোরিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (কেবিসিসিআই) এবং সিউলে বাংলাদেশ দূতাবাসের যৌথ উদ্যোগে গত ২৩ থেকে ২৫ জুন সিওইএক্স হল-বি-তে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।

কোরিয়া ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (কোইমা) চেয়ারম্যান ইয়ংমি ইউন, দক্ষিণ কোরিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তৌফিক ইসলাম শাতিল, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত এবং অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথির উপস্থিতিতে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়েছে।

রাষ্ট্রদূত তৌফিক ইসলাম শাতিল এবং কেবিসিসিআইর সভাপতি শাহাব উদ্দিন খান যৌথভাবে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নের উদ্বোধন করেন। ‘ইনভেস্ট ইন বাংলাদেশ: শক্তিশালী দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের মাধ্যমে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের অগ্রযাত্রা’ বিষয়ক প্রতিপাদ্য নিয়ে সাজানো বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের ব্যাপক দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী ৩২টি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান তৈরি পোশাক, বস্ত্র, গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ, চামড়াজাত পণ্য, জুতা, পাট ও পরিবেশবান্ধব পণ্য, হস্তশিল্প, কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য, তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) সফটওয়্যার সমাধান এবং লজিস্টিকস সেবা প্রদর্শন করেছে।

এছাড়া বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএপিএমইএ) প্রদর্শনীতে সক্রিয় উপস্থিতি বজায় রেখেছে।

প্রদর্শনীর সময় কেবিসিসিআই প্রতিনিধিদল কোইমার নেতাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করে। বৈঠকে দুই পক্ষ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা সম্প্রসারণে তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

এ আলোচনায় ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে কেবিসিসিআই ও কোইমার মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) ধারাবাহিকতায় দ্বিপক্ষীয় আমদানি-রপ্তানি সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

কেবিসিসিআই সভাপতি শাহাব উদ্দিন খানের নেতৃত্বে ৪১ সদস্যের একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল প্রদর্শনীতে অংশ নেয়। এ সময় তারা কোরিয়ান ও আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সঙ্গে ১৫টিরও বেশি বিজনেস-টু-বিজনেস (বি-টু-বি) বৈঠক করে।

২৬ জুন বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত তৌফিক ইসলাম শাতিল বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে দূতাবাসের পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক রাষ্ট্রদূত লি ইউন ইয়ং, পার্ক ইয়ং সিক এবং ইনচনে বাংলাদেশের অনারারি কনসাল জেনারেল ডেভিড কিম উপস্থিত ছিলেন।

কোরিয়া ইমপোর্ট এক্সপো ২০২৬-এ ২০০টি স্টলে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর খাদ্য ও পানীয়, প্রসাধনী, ভোগ্যপণ্য, গৃহস্থালি সামগ্রী, স্বাস্থ্য খাতের পণ্য, ইলেকট্রনিকস, শিল্পের কাঁচামাল এবং উদ্ভাবনী প্রযুক্তি প্রদর্শিত হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচিতে সমর্থন পুনর্ব্যক্ত ইইউ’র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২৯ পি.এম


বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচিতে সমর্থন পুনর্ব্যক্ত ইইউ’র

আজ প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের সঙ্গে বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে বিদেশি রাষ্ট্রদূতের সাথে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা।

 তথ্য অনুযায়ী, স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি গ্রহণের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচিতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে। এ সংস্থাটি বাণিজ্য, বিনিয়োগ, টেকসই অর্থায়ন এবং সুশাসনের ক্ষেত্রে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে।

এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন কমিশন জানিয়েছে, বৈঠকটি ছিল ফলপ্রসূ, প্রাণবন্ত এবং ভবিষ্যৎমুখী। আলোচনা অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশের সংস্কার অগ্রাধিকার এবং বাংলাদেশ ও ইইউ সহযোগিতার ভবিষ্যৎ নিয়ে।

বৈঠককালে বাণিজ্যিক সম্পর্ক, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, মানসম্মত বিনিয়োগ, সরকারি অর্থব্যবস্থার সংস্কার, টেকসই অর্থায়ন, ডিজিটাল সুশাসন এবং এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি নিয়ে বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ইইউ নিয়মভিত্তিক বাণিজ্য, স্বচ্ছ বিনিয়োগ, সবুজ প্রবৃদ্ধি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন এগিয়ে নিতে বাংলাদেশের অংশীদার হিসেবে কাজ করার আগ্রহ পুনর্ব্যক্ত করেছে। এ ছাড়া টেকসই অর্থায়ন, বিনিয়োগ পরিবেশের সংস্কার এবং স্বচ্ছতা, ই-গভর্ন্যান্স ও সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা বিষয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়েও উভয় পক্ষ আলোচনা করেছে।

এ বৈঠকে এলডিসি উত্তরণকে সামনে রেখে বাংলাদেশের টেকসই অর্থনৈতিক রূপান্তরে সহযোগিতা এবং দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্ব আরও গভীর করার বিষয়ে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের অভিন্ন অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যে পাঁচ কারণে ব্রাজিলের জন্য কঠিন হতে পারে জাপানকে হারানো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২৯ পি.এম


যে পাঁচ কারণে ব্রাজিলের জন্য কঠিন হতে পারে জাপানকে হারানো

আজ (২৯ জুন) রাতে বিশ্বকাপ নকআউটের একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জাপান মুখোমুখি হচ্ছে ব্রাজিলের। পরিসংখ্যান, র‍্যাঙ্কিং থেকে শুরু করে সবদিক থেকেই জাপানকে পিছনে ফেলে এগিয়ে আছে ব্রাজিল। তবে এশিয়ান পরাশক্তি জাপানও দারুণভাবে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ের পরিসংখ্যানগুলো ইঙ্গিত দেয় যে, দলটি দুর্দান্ত সময় কাটাচ্ছে।

সর্বশেষ যেখানে, জাপান ব্রাজিলকে হারিয়েছিল, সেই স্মৃতিটিও সামুরাই ব্লুদের আত্মবিশ্বাসকে বাড়িয়ে চলেছে। বেশ কয়েকটি কারণে জাপান ব্রাজিলের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। এই বিষয়গুলো হলো-

১. হাজিমে মোরিয়াসুর ‘জায়ান্ট কিলিং’ ট্যাকটিক্স ও কাউন্টার অ্যাটাক

বর্তমানে জাপান বেশিরভাগ ম্যাচে যে পরিকল্পনা নিয়ে খেলছে, তার স্থপতি কোচ হাজিমে মোরিয়াসু। এই পরিকল্পনা অনুসারে, প্রতিপক্ষের বক্সে দ্রুততম সময়ে বল পৌঁছাতে চেষ্টা করেন জাপানি ফুটবলাররা, যদিও তাদের বল পজেশন কম থাকে। পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়, এই ব্যবস্থাপনায় জাপান অত্যন্ত সফল। সর্বশেষ বিশ্বকাপে জার্মানি এবং স্পেনকে হারানোর ক্ষেত্রে তাদের বল পজেশন ছিল যথাক্রমে মাত্র ২৬% এবং ১৮%। বল পায়ে না রেখেও নিখুঁত ডিফেন্সিভ ব্লক এবং উইং-স্পিড দিয়ে কিভাবে ম্যাচের ফলাফল পরিবর্তন করতে হয়, তা মোরিয়াসু একাধিকবার প্রমাণ করেছেন।

২. ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবলের অভিজ্ঞতা

একসময় জাপানের স্কোয়াডের অধিকাংশ ফুটবলার ঘরোয়া জে-লিগে খেলতেন। তবে বর্তমানে জাপানি স্কোয়াডের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। এখনকার দলটির প্রায় ৮০ শতাংশ খেলোয়াড় ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগে খেলছেন, এবং তারা শুধু খেলছেন না বরং বেশিরভাগ খেলোয়াড়ই সেখানে আলো কাড়ছেন। রিয়াল সোসিয়েদাদের হয়ে লা লিগা কাঁপাচ্ছেন তাকেফুসা কুবো, মোনাকোর হয়ে লিগ ওয়ানে দারুণ ফর্মে থাকছেন তাকুমি মিনামিনো, এবং স্টুটগার্টের উইঙ্গার হিসেবে খেলছেন রিতসু দোয়ান। ইউরোপের সেরা টুর্নামেন্টগুলোতে খেলার ফলে তাদের ভিনিসিয়ুস জুনিয়রদের শক্তি এবং দুর্বলতা সম্পর্কে ভালো ধারণা তৈরি হয়েছে।

৩. এনদো-তানাগাকার প্রেসিং

জাপানের মাঝমাঠের দুই মূল স্তম্ভ হলেন লিভারপুলের অভিজ্ঞ ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার ওয়াতারু এনদো এবং ডুসেলডর্ফের আও তানাকা। ফিফার ট্র্যাকিং ডাটা অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক ম্যাচে এই দুই মিডফিল্ডার প্রতি ৯০ মিনিটে গড় ১১.৮ কিলোমিটার ব্যাপ্তি দৌড়ান। ম্যাচের শুরু থেকে শেষ বাঁশি বাজা পর্যন্ত তাদের এই হাই-ইনটেনসিটি প্রেসিং ব্রাজিলের মাঝমাঠের খেলোয়াড়দের জন্য খুব একটা সময় দেবে না। মধ্যমাঠে এই নিরবচ্ছিন্ন চাপ ব্রাজিলের বিল্ড-আপ প্লে শুরুতেই ভুলের মুখে ঠেলে দিতে পারে।

৪. সেট-পিস ও এরিয়াল বলে জাপানের নিখুঁত রেকর্ড

আধুনিক ফুটবলে অধিকাংশ ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয় সেট-পিস। পরিসংখ্যান প্রকাশ করে যে, জাপান তাদের শেষ ১০টি আন্তর্জাতিক গোলের ৩১% পেয়েছে কর্নার, ফ্রি-কিক বা ডেড-বল পরিস্থিতি থেকে। বিশেষ করে জুনিয়া ইতো এবং তাকেফুসা কুবোর বাঁকানো ক্রস ও বক্সে কো ইতাকুরা বা হিরোকি ইতোদের মতো দীর্ঘদেহী ডিফেন্ডারদের এরিয়াল হেড নেওয়ার দক্ষতা জানায় যে তারা অনেকটাই শক্তিশালী। অন্যদিকে, ব্রাজিলের রক্ষণভাগ সাম্প্রতিক সময়ে সেট-পিস এবং ক্রস থেকে গোল হজমের জন্য একটানা দুর্বল হয়ে পড়ছে। রোজ বোলের বিশাল মাঠে আজ সেট-পিস মোরিয়াসুর দলের জন্য একটি বড় অস্ত্র হতে পারে।

৫. তারকা-নির্ভরতার বাইরে গিয়ে ‘কালেক্টিভ ফুটবল’

জাপানের মূল শক্তি হল তাদের ‘দলগত শক্তি’। গত এক বছরে জাপানের গোল স্কোরের বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তাদের নির্দিষ্ট ১ বা ২ জন স্ট্রাইকারের ওপর নির্ভরতা নেই। ডিফেন্ডার থেকে শুরু করে বদলি হিসেবে নামা উইঙ্গার—সবাই গোল করছেন। স্কোয়াডে একক মেগা-স্টার যারা নেই তাদের কারনে ব্রাজিলের জন্য জাপানের কোনো বিশেষ খেলোয়াড়কে ম্যান-মার্ক করে খেলার কৌশল প্রয়োগ করা সম্ভব হবে না।

ক্যালিফোর্নিয়ার ঐতিহ্যবাহী রোজ বোল স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত এগারোটায় জাপান-ব্রাজিল ম্যাচটি শুরু হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%