ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সেপা চুক্তি, বাংলাদেশের যেসব সুবিধা মিলবে


দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সেপা চুক্তি, বাংলাদেশের যেসব সুবিধা মিলবে

জাপানের পর এবার দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গেও সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (সেপা) সম্পন্ন করেছে বাংলাদেশ। এ চুক্তির আওতায় দুই দেশের মধ্যে ৯৭ শতাংশ পণ্য ও সেবায় অগ্রাধিকারমূলক শুল্ক সুবিধা মিলবে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ-কোরিয়া সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (সেপা) স্বাক্ষর-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

তিনি বলেন, সেপা চুক্তির ফলে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়া উভয় দেশই ৯৭ শতাংশ পণ্য ও সেবার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকারমূলক শুল্ক সুবিধা পাবে। ফলে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও সম্প্রসারিত হবে।

আরও পড়ুন: ভারত-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্তের পথে, জানালেন ট্রাম্প

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, তাড়াহুড়ো নয়, বরং বাংলাদেশের স্বার্থ বিবেচনায় একটি ভালো বাণিজ্য চুক্তি করা হয়েছে। এই চুক্তির সুফল ভবিষ্যতে বাংলাদেশ পাবে। চুক্তিটি বাংলাদেশের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করবে এবং দেশের ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

মন্ত্রী জানান, দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি), চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, জুতা, তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি), ওষুধ এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের জন্য অগ্রাধিকার হবে। অন্যদিকে, কোরিয়ার প্লাস্টিক শিল্পসহ বিভিন্ন খাত বাংলাদেশের বাজারে আরও বেশি সুযোগ থাকবে।

বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ট্রিলিয়ন ডলারের পর্যায়ে নিতে হলে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি অন্তত ৮ শতাংশে উন্নীত করতে হবে বলে মন্ত্রী আরও জানান। তবে সেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় পুঁজি দেশীয় সক্ষমতায় যথেষ্ট নয়। এজন্য বিনিয়োগ বাড়াতে অন্যান্য শক্তিশালী অর্থনীতির দেশগুলোর বিনিয়োগ আকর্ষণ করা প্রয়োজন।

দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী ইয়ো হান-কু বলেন, দুই দেশের অংশীদারত্ব, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও সম্প্রসারণ, স্বচ্ছ এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করতে এ ধরনের আইনি কাঠামোর প্রয়োজন। এর মাধ্যমে কোরিয়ার কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে, উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপন করতে এবং বাংলাদেশ থেকে কোরিয়ার বাজারে আরও বেশি পণ্য রফতানিতে আগ্রহী হবে।

আরও পড়ুন: দেশের ডিসি ও বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৫.০৭ মেগাওয়াট

ব্যবসায়ীরা এটিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। উদ্যোক্তারা এলডিসি থেকে উত্তরণের আগে এটিকে স্বস্তিদায়ক পদক্ষেপ হিসেবে মনে করছেন। কোরিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি শাহাব উদ্দিন খান বলেন, কোরিয়ার আরও বেশি পণ্য বাংলাদেশে আসবে এবং কোরিয়ার প্রযুক্তি ও বিনিয়োগও বাড়বে। অন্যদিকে আমাদের তৈরি পোশাক, হস্তশিল্প, হিমায়িত মাছসহ বিভিন্ন পণ্যের জন্য কোরিয়ার বাজার আরও উন্মুক্ত হবে। কারণ অন্যান্য দেশগুলোর তুলনায় আমাদের পণ্যে কম শুল্ক দিতে হবে।

বর্তমানে, বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ১৩৯ কোটি ডলার। তবে এই বাণিজ্যে আমদানির দিকেই ভারসাম্য রয়েছে। সেপা চুক্তি কার্যকর হলে তৈরি পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, ওষুধ, পাট ও পাটজাত পণ্যসহ বিভিন্ন রফতানি পণ্য দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। পাশাপাশি বাংলাদেশে কোরিয়ার বিনিয়োগও বাড়বে। চুক্তির আওতায় প্রযুক্তি সহায়তা, শুল্কায়ন প্রক্রিয়ার উন্নয়ন এবং বন্দরে দ্রুত পণ্য খালাসের মতো বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

সিপিডির অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম খান জানান, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে আমরা বিভিন্ন ধরনের কারিগরি সহায়তা পাচ্ছি। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আরও বড় পরিসরে কাজ করার সুযোগ তৈরি হবে। প্রযুক্তি হস্তান্তরের পাশাপাশি মেধাস্বত্ব আইনের আওতায় আলোচনা করার সুযোগ থাকবে। বাংলাদেশ এখন সৃজনশীল অর্থনীতির দিকে এগোতে চায় এবং দক্ষিণ কোরিয়া এ ক্ষেত্রে বিশ্বের অন্যতম সফল দেশ।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চুক্তিতে দেশের স্বার্থ রক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রক্রিয়ায় চুক্তিটি এগিয়ে নিতে হবে। তৌফিকুল ইসলাম খান আরও বলেন, চুক্তিটি কারিগরি দিক থেকে সতর্কতার সঙ্গে পর্যালোচনা করা উচিত। এতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা উচিত। যদি সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করা হয় তবে এই চুক্তি দেশের জন্য বড় সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।

আরও পড়ুন: মিসরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে ১৩ জনের মৃত্যু, আহত ৩৪

এদিকে, নেপালের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে দেশের অন্যতম প্রধান রফতানি গন্তব্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গেও বাণিজ্য চুক্তির উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষার্থীকে ওয়াশরুমে নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:১৪ পি.এম


শিক্ষার্থীকে ওয়াশরুমে নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামে আট বছর বয়সী মাদরাসাছাত্রকে বলোৎকারের অভিযোগে হওয়া মামলায় ওই প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে আনোয়ারা উপজেলার কর্ণফুলী টানেল সংলগ্ন চায়না রোডের বৈরাগ এলাকা তাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

গ্রেপ্তার মুহাম্মদ রমিজ উদ্দীন (৩১) বাঁশখালী উপজেলার উত্তর সরল এলাকার মৃত মতিউর রহমানের ছেলে এবং স্থানীয় দারুচ্ছুন্নাহ খাইরিয়া মাদরাসা ও এতিমখানার প্রধান শিক্ষক।

র‌্যাব ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি ওই মাদরাসার নাজেরা বিভাগের শিক্ষার্থী। মাদরাসায় ভর্তি হওয়ার পর থেকে প্রধান শিক্ষক রমিজ উদ্দীন বিভিন্ন সময় তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে মাদরাসার ওয়াশরুমে নিয়ে বলেৎকার করতেন।

সর্বশেষ গত ২৩ জুলাই বিকেলে মাদরাসা ছুটির পর অন্য শিক্ষার্থীরা মাঠে খেলতে গেলে ওই শিশুকে এতিমখানার হেফজ বিভাগের দ্বিতীয় তলার একটি শ্রেণিকক্ষে ডেকে নিয়ে আবারও বলায্তকার করা হয়। পাশাপাশি বিষয়টি কাউকে বলতে ভয়ভীতি দেখানো হয়।

পরে বাড়িতে গিয়ে শিশুটি মায়ের কাছে কান্নাকাটি করে মাদরাসায় আর না যাওয়ার কথা জানায় এবং সব খুলে বলে। এরপর শিশুটির বাবা বাদী হয়ে গত ২৯ জুলাই বাঁশখালী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে র‌্যাব-৭-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) এ. আর. এম. মোজাফফর হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, মামলা হওয়ার পর থেকে রমিজ উদ্দীন পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আনোয়ারা এলাকায় তার অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরও বলেন, পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাকে বাঁশখালী থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে অনুদান প্রদান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:১৬ পি.এম


ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে অনুদান প্রদান

ঝিনাইদহ, ৪ আগস্ট, ২০২৬ : ঝিনাইদহে ঘটে যাওয়া সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের অর্থনৈতিক সংকট কিছুটা লাঘব করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) ট্রাস্টি বোর্ডের পক্ষ থেকে মঞ্জুরিকৃত ১ কোটি ১৯ লাখ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ, ঝিনাইদহ সার্কেলের যৌথ আয়োজনে এই চেক বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. নোমান হোসেন।

এতে মোট ৩১টি পরিবারের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেয়া হয়। এর মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৯ জনের পরিবারের প্রত্যেককে ৫ লাখ টাকা করে মোট ৯৫ লাখ টাকা এবং আহত ১২ জনকে মোট ২৪ লাখ টাকার অনুদান প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়। সব মিলিয়ে ১ কোটি ১৯ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন বলেন, "সড়ক দুর্ঘটনায় একটি পরিবারের যে ক্ষতি হয়, তা কোনো অর্থ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়। তবে সরকারের এই আর্থিক সহায়তা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর জন্য একটি আন্তরিক উদ্যোগ।" তিনি সকলকে সড়ক আইন মেনে চলা, যানবাহন চালানোর সময় সতর্কতা অবলম্বন এবং নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করার জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, "সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে চালক, যাত্রী, পথচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। ট্রাফিক আইন মেনে চললে দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।"

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিআরটিএ, ঝিনাইদহ সার্কেলের সহকারী পরিচালক দেবাশীষ বিশ্বাস।

তিনি উল্লেখ করেন, সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ড নিয়মিতভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে আসছে। যোগ্য আবেদনকারীরা নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় আবেদন করলে যাচাই-বাছাই করার পর অনুদান প্রদান করা হয়।

এ সময় বিআরটিএ ঝিনাইদহ সার্কেলের মোটরযান পরিদর্শক সজীব সরকার ও সোহাগ হোসেন, মেকানিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট শাওন রেজাসহ জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএর অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে উপকারভোগী পরিবারের সদস্যদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুদানের চেক তুলে দেয়া হয়। উপস্থিত উপকারভোগীরা সরকারের এই সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের স্বার্থে যেকোনো বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকতে প্রস্তুত: জামায়াত আমির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:১৮ পি.এম


দেশের স্বার্থে যেকোনো বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকতে প্রস্তুত: জামায়াত আমির

দেশের স্বার্থে যেকোনো বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। জামায়াত আমির বলেন, ফ্যাসিবাদের শেকড় অনেক গভীরে রয়েছে। এর মূলোৎপাটন করতে হবে। ৫ আগস্ট যারা শেখ হাসিনার বিদায়কে মিরাকল বলেছিলেন, তারাই এখন অভ্যুত্থানের ভাগ-বাটোয়ারায় ব্যস্ত।

‘অভ্যুত্থানকালে যখন বিপ্লবীদের আশ্রয় দেয়ার মতো কেউ ছিল না, তখন দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে সবার পাশে ছিল জামায়াত’, ডা. শফিকুর রহমান বলেন।

জুলাইয়ের অভ্যুত্থানের কেউ নির্দিষ্ট মাস্টারমাইন্ড নেই জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, জুলাইকে ভুলিয়ে দেয়ার সংগ্রাম শুরু হয়েছে। কিন্তু এই অপচেষ্টাকে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তছনছ করে দেয়া হবে। দেশের স্বার্থে যেকোনো বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকতে প্রস্তুত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে দেশজুড়ে র‍্যাবের কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:২১ পি.এম


জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে দেশজুড়ে র‍্যাবের কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা

আগামী ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে ঢাকাসহ সারা দেশে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে র‍্যাবের তরফ থেকে। সম্ভাব্য যেকোনো অশান্তি এড়াতে উগ্রবাদী গোষ্ঠী, নিষিদ্ধ সংগঠন এবং রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী কার্যক্রম মোকাবেলায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

র‍্যাব জানিয়েছে যে, অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। দিবসটিকে কেন্দ্র করে জারি করা আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রতিটি ব্যাটালিয়ন তাদের নিজ নিজ এলাকায় সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি পর্যালোচনা করে আলাদা নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। একইসাথে গোয়েন্দা তৎপরতাও জোরদার করা হয়েছে। আগাম তথ্য সংগ্রহের জন্য এলাকাভিত্তিক তথ্যদাতা নিয়োগ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

৪ আগস্ট দিবাগত রাত থেকে অনুষ্ঠানস্থল, রোডমার্চ ও পদযাত্রার নির্ধারিত পথ এবং জুলাই স্মৃতিস্তম্ভগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হবে। এসব স্থানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে র‍্যাব।

র‍্যাব তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় নিরাপত্তা দায়িত্ব পালন করবে। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন, অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে অনুষ্ঠানস্থলে যাতায়াতের পথে সাদা পোশাকে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

সন্দেহভাজন ব্যক্তি এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্যদের নাশকতা ঠেকাতে গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে, সেইসঙ্গে প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

র‍্যাব আরও জানিয়েছে যে, প্রতিটি জেলার অনুষ্ঠানস্থল ও জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে নাশকতা রোধ করার জন্য দিবসটির সাত দিন আগে থেকেই ইউনিফর্ম পরিহিত সদস্যদের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে।

এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও অপপ্রচার প্রতিরোধ করার লক্ষ্যে সাইবার নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে।

র‍্যাব জানিয়েছে যে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সকল নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপরাধ প্রতিরোধ করা এবং আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তারা সর্বোচ্চ প্রস্তুত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%