বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৬:৩৫ পি.এম
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে চার যুবককে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জয়।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, রূপসী প্রধানবাড়ি এলাকার আলী হোসেনের ছেলে মুন্না, বারিয়ারটেক এলাকার মেহের উদ্দিনের ছেলে মৃদুল হাসান, টেকনোয়াদ্দা এলাকার ইসমাইলের ছেলে সাকিব এবং একই এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে যুবরাজ মিয়া।
পুলিশ জানায়, দণ্ডপ্রাপ্ত চারজন দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি এবং সেবনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ও গাঁজাসহ তাদের আটক করা হয়। পরে তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে অভিযুক্তরা অভিযোগ স্বীকার করেন।
শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেককে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। পরে তাদের নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গুচ্ছভুক্ত (জিএসটি) ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ক্লাস ১৫ জুলাই থেকে একযোগে শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে ৮ থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করার কথা রয়েছে।
গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার কোর কমিটির (২০২৫–২৬) সদস্যসচিব ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে চতুর্থ পর্যায়ের প্রাথমিক ভর্তি সম্পন্ন হয়েছে এবং ৪ ও ৫ জুলাই আরেকটি মেধাতালিকা প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে। এই তালিকার ভিত্তিতে প্রাথমিক ভর্তি শেষ হলে ৮ থেকে ১৩ জুলাই চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম চলবে। এর পরে, ১৫ জুলাই থেকে গুচ্ছভুক্ত সব বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু হবে।
চূড়ান্ত ভর্তির পর মাইগ্রেশন চালু থাকবে কি না, সে বিষয়ে অধ্যাপক মনজুরুল হক বলেন, এটি নির্ভর করবে চূড়ান্ত ভর্তি শেষে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কতটি আসন ফাঁকা থাকে। বর্তমানে ৬ থেকে ৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো আসন ফাঁকা নেই। অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ১০ থেকে ১২টি করে আসন শূন্য রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে আরেক দফা মাইগ্রেশনের পর সেগুলোও পূরণ হয়ে যাবে।
অধ্যাপক মনজুরুল হক আরও জানান, পরবর্তী মাইগ্রেশনের পর যদি মাত্র দুই-তিনটি আসন ফাঁকা থাকে, তাহলে নতুন করে ভর্তি কার্যক্রম নাও নেওয়া হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। গুচ্ছ ভর্তি কমিটির পরবর্তী সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর হাতিয়াতে নারীসহ এক যুবদল নেতাকে স্থানীয় এলাকাবাসী আটক করে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। পরে রাতের সময় উপজেলা স্থানীয় বিএনপির ঊর্ধ্বতন নেতাদের হস্তক্ষেপের কারণে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
আটক হওয়া যুবদল নেতার নাম আশ্রাফ উদ্দিন (৪০)। তিনি উপজেলার নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি এবং সেই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আদর্শ গ্রামের ইসমাইল মাঝির ছেলে।
বুধবার (১ জুলাই) রাত ১০টার দিকে উপজেলার জাহাজমারা ইউনিয়নের ল্যাংড়া তেমুনী এলাকার একটি ঘর থেকে এলাকাবাসী এক নারীসহ তাকে আটক করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যুবদল নেতা আশ্রাফ নোয়াখালীর সদর উপজেলার এক নারীসহ রাত পৌনে ১০টার দিকে জাহাজমারা ইউনিয়নের ল্যাংড়া তেমুনী এলাকার একটি ঘরে ঢুকে পড়েন। বিষয়টি স্থানীয় লোকজন টের পেয়ে ওই নারীসহ আপত্তিকর অবস্থায় রাত ১০টার দিকে তাকে আটক করে। এর পর, ওই ঘর থেকে তাদের দুজনকে আটক করে স্থানীয়রা রাস্তার ওপর নিয়ে আসে। একপর্যায়ে, স্থানীয়রা তাদের ভিডিও ধারণ করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়। পরবর্তী রাত ১১টার দিকে যুবদল নেতা আশ্রাফসহ ওই নারীকেও ছেড়ে দেওয়া হয়।
আবাসন সম্পর্কে অভিযোগ নাকচ করে নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আশ্রাফ উদ্দিন বলেন, 'আমি সন্ধ্যার দিকে ওছখালী বাজারে একটি সালিসে যাই। সালিস থেকে ফেরার পথে জাহাজামারা ইউনিয়নের মেঘ ফ্যাশন এলাকায় বেশ কয়েকজন যুবক আমাকে আটক করে। এরপর তারা আমাকে অপহরণ করে চাঁদা দাবি করে। একপর্যায়ে, এক নারীকে আমার পাশে এনে ছবি তুলে। যারা আমাকে উদ্ধার করে তারা জানে কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনো আমি কোন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।'
হাতিয়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন ইলিয়াছ বলেন, 'ঘटनাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। হাইকমান্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, 'খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পুলিশ যাওয়ার আগে তারা ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। সেখানে গিয়ে অভিযুক্ত কাউকে পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা কিছু জানাতে পারেনি।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মজবুত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে জেলার বদলগাছী উপজেলায় উপকারভোগীদের মাঝে সেলাই মেশিন, খেলাধুলার সামগ্রী, কৃষি প্রণোদনার বীজ, অর্থ এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বেঞ্চ বিতরণ করা হয়েছে। এই সব সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে উপজেলায় অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায়।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপকারভোগীদের মাঝে এসব সামগ্রী বিতরণ করেন নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর-বদলগাছী) আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হুদা বাবুল।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য বলেন, ‘সরকার শিক্ষা, ক্রীড়া ও আত্মকর্মসংস্থানের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করছে। এসব সহায়তা মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান ছনি অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেছেন।
এ সময় উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নরসিংদীর মনোহরদীর খিদিরপুর ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রের দুটি কক্ষের ১০০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগ উত্থিত হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চার শিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষার সময় এ ঘটনা ঘটে।
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, লিখিত পরীক্ষার পর ৩০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হয়েছে। সেখানে মনোহরদী সরকারি কলেজের ৬১২ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। তাদের মধ্যে দুটি কক্ষের অন্তত শতাধিক পরীক্ষার্থীকে নতুন সিলেবাসের প্রশ্নপত্রের পরিবর্তে ২০২৫ সালের বাংলা প্রথমপত্রের ‘খ’ সেট ১২১ কোডের নৈর্ব্যক্তিক (এমসিকিউ) প্রশ্ন দেওয়া হয়।
পরীক্ষা শেষের পর শিক্ষার্থীরা বাড়িতে ফিরে উত্তর মিলিয়ে দেখার পর ভুল প্রশ্নের বিষয়টি তাদের অগোচরেই চলে যায়। ওই বিষয়ে জানা গেলে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ এবং ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার বিষয়টি এবং ভালো ফলাফল নিয়ে তাদের চিন্তার কারণে সমস্যাটি বাড়তে থাকে।
মনোহরদী সরকারি কলেজের পরীক্ষার্থী সাকিবা বলেন, পরীক্ষার হলে ভুল প্রশ্নপত্রের বিষয়ে আমি বুঝতে পারিনি।
বাড়িতে এসে উত্তর মিলিয়ে আমি দেখি পুরোনো প্রশ্নে আমাদের পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে, এ কারণে এখন আমরা ভালো ফলাফল নিয়ে চিন্তিত।
কেন্দ্র সচিব ও খিদিরপুর ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. নাজিম উদ্দীন বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন।
মনোহরদী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল মান্নান বলেন, শিক্ষার্থীদের অভিযোগ পাওয়ার পর আমি বিষয়টি জানতে পারি। পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা শিক্ষকদের অবহেলার কারণে এমনটি হয়েছে।
বিষয়টির সমাধানের জন্য ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।
মনোহরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এ মুহাইমিন আল জিহান বলেন, প্রশ্নপত্র কেন্দ্রের কাছে আসার আগে যে ধাপগুলো রয়েছে, সেই হিসেবে এক পরীক্ষার প্রশ্ন আরেক পরীক্ষায় আসা অনেকটা অসম্ভব বলা যায়। এ ক্ষেত্রে দায়িত্বে থাকা কলেজের শিক্ষকরা ভুল করেছেন বলে মনে হচ্ছে। এ ঘটনায় দায়িত্বে থাকা চারজন শিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ