মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:২৯ পি.এম
নতুন বছর শুরু হতে তিন মাসেরও বেশি সময় বাকি রয়েছে। তবে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের দৃষ্টি ২০২৭ সালের ক্যালেন্ডারের দিকে। পবিত্র রমজান কবে শুরু হবে, তা নিয়ে কৌতূহলের অন্ত নেই। বর্তমান জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৭ সালের রমজান শুরু হতে পারে ৮ ফেব্রুয়ারি। এই হিসাব অনুযায়ী, রমজান মাস আসতে আর ১৫০ দিনেরও কম সময় বাকি রয়েছে। তবে চূড়ান্ত তারিখ নির্ভর করবে রমজানের নতুন চাঁদ দেখার ওপর।
সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ জানাচ্ছে, গত শনিবার ১৪৪৮ হিজরি সনের রবিউস সানি মাস শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে রমজান শুরুর অপেক্ষা এখন শেষ পাঁচ চন্দ্রমাসে এসে পৌঁছেছে। ধারণা করা হচ্ছে, পবিত্র মাসটি শুরু হতে আর ১৪৬ দিন বাকি রয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রবিউস সানি মাসের চতুর্থ দিন। বর্তমান জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৭ সালের রমজান শুরু হতে পারে সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি)। তবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে রমজান শুরুর চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারিত হবে।
গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের একই তারিখে পরপর দুই বছর রমজান শুরু হয় না। কারণ ইসলামি ক্যালেন্ডারে মাসের হিসাব চাঁদ দেখে করা হয়। ইসলামি বছর ৩৫৪ দিনের, যা গ্রেগরিয়ান বছরের চেয়ে প্রায় ১০ থেকে ১১ দিন কম। এই কারণে প্রতিবছর রমজান আগের বছরের তুলনায় কিছুটা আগে শুরু হয়।
এভাবে প্রতি বছর রমজানের তারিখ প্রায় ১০-১১ দিন করে এগিয়ে আসে। ফলে প্রায় ৩৩ বছরের মধ্যে বছরের সব ঋতুতেই মুসলমানরা রমজান পালনের সুযোগ পান।
জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি, রোববার সন্ধ্যায় রমজানের নতুন চাঁদ দেখার চেষ্টা করা হবে। ওইদিন সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা গেলে সেদিন রাতেই প্রথম তারাবির নামাজ আদায় করা হবে এবং পরদিন সকালে মুসলমানরা রোজা রাখা শুরু করবেন।
চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে রমজান মাস ২৯ অথবা ৩০ দিন হতে পারে। এরপর শাওয়ালের চাঁদ দেখা গেলে ঈদুল ফিতর পালিত হবে। ২০২৭ সালের ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ ধরা হচ্ছে বুধবার, ১০ মার্চ। তবে চূড়ান্ত তারিখ নির্ভর করবে নতুন চাঁদ দেখার ওপর।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, পবিত্র রমজান ইসলামি ক্যালেন্ডারের নবম মাস। মুসলমানদের কাছে এটি বছরের সবচেয়ে পবিত্র সময় হিসেবে বিবেচিত। এই মাসেই মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর পবিত্র কোরআনের প্রথম আয়াত নাজিল হয়েছিল।
রমজান মাসজুড়ে মুসলমানরা ভোর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার থেকে বিরত থেকে রোজা পালন করেন। এ সময় নামাজ, দান-সদকা, আত্মসংযম, পরিবার ও সমাজের প্রতি দায়িত্ব পালনের ওপরও বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে লেখা এক চিঠিতে তাঁর দেশের প্রতি রাশিয়ার ‘অটুট সমর্থনের’ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
তিনি ইউক্রেনের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধকে ‘পবিত্র’ হিসেবে উল্লেখ করেন। মঙ্গলবার উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এ বিষয়টি জানায়।
এএফপি সংবাদ সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২২ সালে রাশিয়া ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করার পর থেকে উত্তর কোরিয়া ক্রেমলিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হয়ে উঠেছে। বিশ্লেষকদের মতে, মস্কোর যুদ্ধ প্রচেষ্টায় সহায়তার বিনিময়ে পিয়ংইয়ং অর্থনৈতিক সুবিধা ও সামরিক প্রযুক্তি লাভ করছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা গত বছর জানিয়েছিল, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে প্রায় ২ হাজার উত্তর কোরীয় সেনা নিহত হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ কোরিয়া বলেছে, নিহত ও আহত মিলিয়ে উত্তর কোরীয় সেনার সংখ্যা প্রায় ৬ হাজার বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উত্তর কোরিয়ার সরকারি বার্তা সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) মঙ্গলবার কিমের চিঠির উদ্ধৃতি দিয়ে জানায়, তিনি লিখেছেন, দেশের নিরাপত্তা স্বার্থ ও আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার রক্ষার জন্য চলমান ‘পবিত্র যুদ্ধে’ রাশিয়ার বিজয়ের ব্যাপারে তিনি দৃঢ়ভাবে আশাবাদী।
কিম চিঠিতে পুতিনকে তাঁর ‘প্রিয় বন্ধু’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, রাশিয়া এবং রুশ জনগণের প্রতি উত্তর কোরিয়ার অবিচল সমর্থন থাকবে।
তিনি আরও জানান, রাশিয়ার সঙ্গে বিভিন্ন ক্ষেত্রে যৌথ সহযোগিতা আরও বিস্তৃত ও গভীর করার বিষয়ে তাঁর এবং উত্তর কোরিয়া সরকারের অবস্থান নিঃসন্দেহে দৃঢ়।
এদিকে, কিমের চিঠি এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার যুদ্ধ প্রচেষ্টায় সহায়তার জন্য উত্তর কোরিয়া আরও সেনা পাঠানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে।
ইউক্রেনের দাবি, ‘উত্তর কোরিয়ার আরও ৫০ হাজার সেনা রাশিয়ায় মোতায়েন করা হতে পারে। তবে কিয়েভ এ দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ দেয়নি। এসব সেনা কবে মোতায়েন হবে, সে বিষয়ে কোনো সময়সীমা জানানো হয়নি।’
এ দাবির পাশাপাশি জেলেনস্কি দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মোকাবিলায় বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহের আহ্বান জানিয়েছেন। তবে সিউল এখনো এ অনুরোধের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
"চলো যাই যুদ্ধে মাদকের বিরুদ্ধে" স্লোগানকে সামনে রেখে রাজধানীর উত্তরার একটি অবৈধ মদেরবার ও জুয়ার ক্লাবে অভিযান চালিয়েছে র্যাব-১। এই অভিযানে সাড়ে ১৭ লাখ টাকার দেশি-বিদেশি মদ ও বিয়ারসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযানের সময় ১৭ লাখ ৭৩ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের ৭৭৯টি মদের বোতল ও বিয়ার ক্যান (মোট ৪৭০.৮৬ লিটার) জব্দ করা হয়।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ১২ নম্বর সেক্টরের সোনারগাঁও জনপথ রোডের ‘আজিজ স্কয়ার’-এর ৫ম তলায় অবস্থিত ‘উত্তরা লিবার্টি ক্লাবে’ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানটি পরিচালিত হয়।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন—উত্তরা লিবার্টি ক্লাবের সহকারী ম্যানেজার মো. রাসেল (২৮) এবং ক্লাবের কম্পিউটার অপারেটর মো. নয়ন মিয়া (৩৮)। মো. রাসেল বাগেরহাটের মোড়লগঞ্জ থানার উত্তর সুতাল লরী গ্রামের মো. অলি উর রহমানের ছেলে এবং নয়ন মিয়া ঢাকার বাড্ডা এলাকার মো. নবি হোসেনের ছেলে।
র্যাব জানিয়েছে, "চলো যাই যুদ্ধে মাদকের বিরুদ্ধে" স্লোগানের আওতায় নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে ক্লাবের সভাপতি ও অন্যান্য কর্মচারীরা পালিয়ে যান।
জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতারকৃতদের ডিএমপির উত্তরা পশ্চিম থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ক্লাবের সভাপতিসহ পলাতক ব্যক্তিদের গ্রেফতার করতে র্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লিবিয়ার বেনগাজীতে অবস্থিত গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ১৬৮ বাংলাদেশি নাগরিককে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) তাদের দেশে প্রত্যাবাসন সম্পন্ন হয়েছে, যা লিবিয়া সরকার, বাংলাদেশ সরকার এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় সম্ভব হয়েছে।
বিকেল ১০টা ৪ মিনিটে, বুরাক এয়ারের (ইউজেড-২২২) একটি ফ্লাইটে তারা বাংলাদেশে পৌঁছান। এই প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের অধিকাংশই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার জন্য মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের মধ্যে অনেকেই লিবিয়ায় বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন।
দেশে ফেরার পর বিমানবন্দরে তাদের অভ্যর্থনা জানান সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আইওএমের কর্মকর্তারা। জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রত্যাবাসিতদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে যে, তারা লিবিয়ায় তাদের দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করুন।
আইওএমের পক্ষ থেকে দেশে ফেরা প্রত্যেক বাংলাদেশিকে পথখরচ, কিছু খাদ্যসামগ্রী এবং প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের জন্য অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আইওএম যৌথভাবে কাজ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের কিছু রাজ্যের পর, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও কংগ্রেসের ‘কল্যাণ মডেল’ অনুসরণ করছেন বলে মন্তব্য করেছেন কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমার। বেঙ্গালুরুতে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই দাবি করেন। খবর এনডিটিভির
ট্রাম্পের প্রতিশ্রুতি, চলতি বছরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টি কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারলে প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিন নাগরিককে ৫ হাজার ডলার করে দেওয়ার কথা।
শিবকুমার বলেন, ‘কংগ্রেসের কল্যাণমূলক কর্মসূচি মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান ও বিহারে অনুসরণ করা হয়েছে। এবার সেই চিন্তাধারা যুক্তরাষ্ট্রেও পৌঁছে গেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘মহারাষ্ট্র আমাদের কপি করেছে। মধ্যপ্রদেশ করেছে, রাজস্থান করেছে, বিহারও করেছে। এখন ট্রাম্প আমাদের কপি করছেন!’
ট্রাম্পের ৫ হাজার ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতির প্রসঙ্গে শিবকুমার বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় কংগ্রেসের চিন্তাধারা অনুসরণ করা হচ্ছে। এটি কংগ্রেসের শক্তির প্রমাণ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
কী বলেছিলেন ট্রাম্প?
গত ৯ সেপ্টেম্বর ডালাসে রিপাবলিকান পার্টির মধ্যবর্তী নির্বাচনী সম্মেলনে ট্রাম্প প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিন নাগরিককে ৫ হাজার ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
তিনি বলেন, রিপাবলিকানরা নির্বাচনে জয়ী হলে জনগণও এর সুফল পাবেন। এই অর্থকে তিনি ‘ট্রাম্প ডিভিডেন্ড’ নামে অভিহিত করেন।
গত রোববার এ প্রসঙ্গে ট্রাম্প আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এই অর্থ দেওয়ার সামর্থ্য রাখে। তার দাবি, দেশ বিপুল পরিমাণ অর্থ আয় করছে বলে প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিককে ৫ হাজার ডলার করে দেওয়া সম্ভব।
তবে এই অর্থ দেওয়ার আগে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ও রিপাবলিকান নেতা মাইক জনসন।
তিনি বলেন, ‘পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের আগে এর বিস্তারিত বিষয়গুলো নির্ধারণ করতে হবে এবং পুরো প্রক্রিয়ার জন্য কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ