ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভাণ্ডারিয়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন


ভাণ্ডারিয়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলা ও হয়রানির অভিযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে উপজেলার সর্বস্তরের হিন্দু সম্প্রদায়ের উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী শত শত নারী-পুরুষ বিভিন্ন এলাকার ছিলেন। এ সময়, তারা হামলা, অপপ্রচার ও হয়রানির প্রতিবাদ জানান এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন যে, সনাতন ধর্মাবলম্বী নিরীহ মানুষের ওপর উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার, হামলা ও হয়রানি চালানো হচ্ছে। এ সময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ভাণ্ডারিয়া পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলা ও দীর্ঘদিন ধরে অযৌক্তিক হয়রানির অভিযোগ তুলে স্থানীয় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।

আরও পড়ুন: টাঙ্গাইলে অটোভ্যান ছিনতাইয়ে কিশোর হত্যা, মূলহোতাসহ গ্রেপ্তার ২

বক্তারা বলেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন শ্রী শ্রী মদন মোহন জিউ মন্দিরের সভাপতি কিরণ চন্দ্র বসু, শিক্ষক মিনতি রানী, উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নান্টু সিংহ, কোষাধ্যক্ষ রণণ বলসহ আরও অনেকে।

মানববন্ধন থেকে বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করা না হলে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: চারঘাটে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ মাদক কারবারী গ্রেফতার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রামে বৃক্ষপ্রেমী আনোয়ারের সবুজ বিপ্লব, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:০৩ পি.এম


কুড়িগ্রামে বৃক্ষপ্রেমী আনোয়ারের সবুজ বিপ্লব, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ শুরু

"বৃক্ষ দিয়ে সাজাই দেশ, সমৃদ্ধ করি বাংলাদেশ" এই প্রতিপাদ্যে কুড়িগ্রামে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে বৃক্ষপ্রেমী আনোয়ার হোসেনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬’।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে কুড়িগ্রাম জেলা নির্বাচন অফিসার কার্যালয়ের সামন থেকে শুরু করে সরকারি মহিলা কলেজের সামন পর্যন্ত বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়।

কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা পরিষদ প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুড়িগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম, সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক (উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ) শাহনাজ বেগম এবং ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক সাইদুল আবেদীন ডলার। এতে স্কুল শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, একটি গাছ শুধু পরিবেশকে সবুজ করে না, বরং মানুষের জীবন ও জীবিকার সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত। বর্তমান জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তাই প্রত্যেক নাগরিকের উচিত অন্তত একটি করে গাছ রোপণ এবং তার যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করা।

বৃক্ষপ্রেমী আনোয়ার বলেন, “আজকের একটি গাছ আগামী প্রজন্মের জন্য নিরাপদ পরিবেশের ভিত্তি। আমরা যদি সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসি, তাহলে দেশ আরও সবুজ ও বাসযোগ্য হবে।” তিনি ভবিষ্যতেও এ ধরনের পরিবেশবান্ধব কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে পরিচালনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

কর্মসূচি শেষে অতিথিরা এ ধরনের উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় উল্লেখ করে ভবিষ্যতেও এমন কর্মসূচি অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই চেতনায় গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:১৭ পি.এম


জুলাই চেতনায় গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম মহান জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহিদ ও আহতদের আত্মত্যাগ এবং প্রত্যাশার ভিত্তিতে বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, জবাবদিহিমূলক ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, আসুন, মহান জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক, বৈষম্যহীন ও সুখী-সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলি। একই সঙ্গে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ ও গণ-অভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্বপ্ন, আদর্শ এবং আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়নে একযোগে কাজ করার জন্য আহ্বান জানান।

বাণীতে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার সম্মিলিত প্রতিরোধের মুখে দীর্ঘদিনের বৈষম্যমূলক এবং ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে এবং প্রবল গণরোষের কারণে ফ্যাসিস্ট সরকার দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। এই গৌরবোজ্জ্বল অর্জনের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বীর জুলাই যোদ্ধাসহ দেশপ্রেমিক সব নাগরিককে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

তিনি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে আন্দোলনের শহীদদের মধ্যে আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ওয়াসিম, ইয়ামিন, ফারহান, নাফিজ, তাইম, নাঈমা, শিশু রিয়া গোপ ও আহাদসহ আত্মোৎসর্গকারী হাজারো বীর শহিদকে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে আন্দোলনে পঙ্গুত্ববরণকারী জুলাই যোদ্ধাদের প্রতিও গভীর সম্মান ও আন্তরিক সহমর্মিতা জ্ঞাপন করেন।

তিনি বলেন, তাঁদের বিরল আত্মত্যাগ, অসীম সাহস এবং অসামান্য অবদান জাতি চিরকাল স্মরণ করবে এবং তা অনন্তকাল অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

তিনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে গত দীর্ঘ দেড় দশকের দুঃশাসন, বৈষম্য, সীমাহীন দুর্নীতি, শোষণ, গুম-খুন, দলীয়করণ, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার এবং বাকস্বাধীনতার হরণ এবং জেল-জুলুমের বিরুদ্ধে জনগণের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের অপ্রতিরোধ্য বহিঃপ্রকাশ বলে উল্লেখ করেন।

বাণীতে উল্লেখ করা হয় যে, দীর্ঘ সময়ের রাষ্ট্রীয় অনিয়ম, নিপীড়ন এবং দুর্নীতির ফলে জনমনে সঞ্চিত ক্ষোভ ও তীব্র অসন্তোষ কোটা সংস্কার আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় নিরস্ত্র শিক্ষার্থী-জনতার ওপর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর সর্বব্যাপী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নেয়।

আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সকলকে জুলাই যোদ্ধা হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, এই গণ-অভ্যুত্থানে সরকারি এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী-শিক্ষক, তরুণ-যুবসমাজ, রাজনৈতিক কর্মী, শ্রমজীবী, কর্মজীবী, ভ্রাতা-ভগ্নি, কন্যা-জায়া, জননীসহ সর্বস্তরের মানুষ অসীম সাহস এবং ত্যাগের প্রতিজ্ঞা নিয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাজপথে নেমে আসেন এবং তাঁরা সবাই জুলাই যোদ্ধা।

তিনি বলেন, জনগণই সকল রাষ্ট্রক্ষমতার উৎস। গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে এই চিরন্তন সত্য আবারও সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই শহীদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষায় এমন একটি মানবিক ও গণমানুষের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে আর কখনো ফ্যাসিবাদ, স্বৈরাচার এবং উগ্রপন্থার ঠাঁই হবে না। একই সঙ্গে বৈষম্য, দুর্নীতি, দুঃশাসন এবং অন্যায়ের অবসান, ভোটাধিকার, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, ন্যায়বিচার ও মৌলিক অধিকার সমুন্নত রাখা এবং রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে সুশাসন, জনস্বার্থ, জবাবদিহি এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।

আন্দোলনে শহীদ এবং আহত জুলাই যোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান প্রদানের বিষয়ে, তাঁদের পরিবারের কল্যাণ, আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত সকল হত্যাকাণ্ড এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার বিষয়ে তিনি আশ্বাস প্রদান করেন।

বাণীর শেষে তিনি বাংলাদেশকে শান্তি, সাম্য, অগ্রগতি এবং সমৃদ্ধির পথে আরও দৃঢ়তার সঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সকল শহিদের রুহের মাগফেরাত ও শান্তি কামনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে থমথমে বেরোবি, নিরাপত্তা জোরদার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বেরোবি প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:২৪ পি.এম


ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে থমথমে বেরোবি, নিরাপত্তা জোরদার

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এই সম্ভাব্য অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এই কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে অংশ নেন রংপুর মহানগর ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জহির আলম নয়ন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ইমরান হোসেন, সদস্য সচিব নূর হাসান সুমন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জাকারিয়া ইসলাম জিম, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শরীফ নেওয়াজ জোহা, সদস্য সচিব আফতাবুজ্জামান সুজন, মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক আল ইমরান সুজন এবং সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম রবি।

অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং ক্যাম্পাসসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করেন। একই সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিলও অনুষ্ঠিত হয়। সম্ভাব্য সংঘর্ষের আশঙ্কায় ক্যাম্পাসজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয় এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

এর আগে সোমবার (৩ আগস্ট) রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত পাঁচজন আহত হন। ওই ঘটনার পর থেকেই ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. ফেরদৌস রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত অতিথি, দর্শনার্থীসহ সব ধরনের বহিরাগতদের ক্যাম্পাসে প্রবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাইসাইকেল, মোটরসাইকেল, রিকশা, প্রাইভেটকারসহ বিভিন্ন যানবাহনের প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ক্যাম্পাসজুড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের টহলও বৃদ্ধি করা হয়েছে।

এদিকে চলমান পরিস্থিতিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। সম্ভাব্য সংঘর্ষের আশঙ্কায় অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজন ছাড়া ক্যাম্পাসে অবস্থান করছেন না।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ইয়ামিন বলেন, "যারা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকে কটাক্ষ করবে এবং জুলাইয়ের চেতনাকে খাটো করার চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সর্বাত্মক প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।"

তাজহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, "পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমাদের পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। আমরা সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে।"

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বলেন, "সোমবারের ঘটনার পর আমরা দুই ছাত্র সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। আজকের কর্মসূচিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নয়; এটি রংপুর মহানগর জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কর্মসূচি। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।"

অন্যদিকে, সোমবার রাতের ঘটনার প্রতিবাদ এবং গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে ইসলামী ছাত্রশিবির 'অদম্য জুলাই' শিরোনামে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টায় কারমাইকেল কলেজ থেকে বিক্ষোভ মিছিলের ঘোষণা দিয়েছে। এ কর্মসূচিকে ঘিরেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদি আরবের বিমানবন্দরে হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:২৭ পি.এম


সৌদি আরবের বিমানবন্দরে হামলা

সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলীয় নাজরান প্রদেশের একটি বিমানবন্দরে ড্রোন হামলার দাবি করেছে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথি।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) স্থানীয় সময় দুপুরের দিকে এই হামলা চালানোর কথা জানায় ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীটি।

ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, লোহিত সাগরে সৌদি আরবের মালিকানাধীন একটি জাহাজে হুথিরা হামলা চালানোর পর এবং রিয়াদের ওপর সামুদ্রিক অবরোধ আরোপ করার পর দুই দেশের মধ্যে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এই উত্তেজনার মধ্যেই নাজরান বিমানবন্দরে হামলার ঘটনা ঘটেছে।

হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারে বলেন, ‘একটি ড্রোনের মাধ্যমে নাজরান বিমানবন্দরে সৌদি আরবের একটি সংবেদনশীল লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে আঘাত হানা হয়েছে।’

তিনি আরও জানান, সৌদি আরব ড্রোন ব্যবহার করে ইয়েমেনের সায়াদা ও হাজ্জাহ প্রদেশের আকাশসীমা লঙ্ঘন করায় জবাবে এই হামলা চালানো হয়েছে।

ইয়েমেনের এই সশস্ত্র গোষ্ঠীর এক বিবৃতিতে দাবি করা হয়, নাজরান বিমানবন্দরে নিখুঁতভাবে ড্রোনটি নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। তবে হামলার বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় হুদাইদাহ প্রদেশে এক প্রাণঘাতী ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণের জন্য হুথি বিদ্রোহীদের দায়ী করছে।

তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সোমবারের ওই ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে একই পরিবারের চারজন নিহত ও অন্তত ছয়জন আহত হন। হুদাইদাহ ভিত্তিক সরকারি প্রশাসন এক বিবৃতিতে জানায়, এলাকাটিতে হুথিদের নির্বিচার ও ব্যাপক মাইন স্থাপনের কারণেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটছে এবং পুরো এলাকা সাধারণ মানুষের জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%