রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:২৯ পি.এম
নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার বিরিশিরি খাদ্যগুদামের (এলএসডি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মেহেদী ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে খাদ্য অধিদপ্তর।
কৃষকদের তালিকা প্রণয়ন ও ধান সংগ্রহে অনিয়মের অভিযোগে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। একই ব্যক্তির কাছ থেকে একাধিকবার ধান সংগ্রহ করে বিল দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করার প্রক্রিয়াও চলছে।
খাদ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক (সংস্থাপন) অনির্বাণ ভদ্রের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে গত ৩১ আগস্ট মেহেদী ইসলামকে সাময়িক বরখাস্তের বিষয়টি জানানো হয়।
এদিকে, গত ৯ সেপ্টেম্বর খাদ্য অধিদপ্তরের উপসচিব মো. মাহাবুর রহমান শেখের সই করা প্রজ্ঞাপনে নেত্রকোনার জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোয়েতাছেমুর রহমানকে বদলি করা হয়েছে। তাকে ঢাকা আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত সহকারী আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
খাদ্য অধিদপ্তরের প্রজ্ঞাপন সূত্রে জানা যায়, মহাপরিচালকের টেলিফোনিক নির্দেশনার পর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বিরিশিরি খাদ্য গুদাম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের সময় ধান সংগ্রহে বিভিন্ন অনিয়মের তথ্য পাওয়া যায়।
পরিদর্শন ও নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, কৃষি বিভাগ থেকে পাওয়া আগ্রহী কৃষকদের তালিকা সঠিকভাবে প্রণয়ন করা হয়নি। তালিকায় কৃষকদের পূর্ণাঙ্গ তথ্য না থাকায় তাদের যাচাই করা কঠিন হয়ে পড়ে। একই নাম একাধিকবার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার তথ্যও পাওয়া যায়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কৃষি বিভাগের প্রত্যয়ন নিয়ে কৃষকের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করার নিয়ম থাকলেও তা অনুসরণ করা হয়নি। শুধুমাত্র জাতীয় পরিচয়পত্রের ভিত্তিতে এবং কৃষি কর্মকর্তার মাধ্যমে কৃষক শনাক্ত না করেই ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। এতে তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেহেদী ইসলাম একটি সিন্ডিকেটের সহায়তায় ধান সংগ্রহ করেছেন বলে প্রতীয়মান হয়েছে।
রেজিস্টার ও কৃষি বিভাগের তালিকা পর্যালোচনায় আরও দেখা যায়, অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ নীতিমালা-২০১৭ লঙ্ঘন করে একই ব্যক্তির কাছ থেকে একাধিকবার ধান সংগ্রহ ও বিল পরিশোধ করা হয়েছে। দুর্গাপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের যথাযথ তদারকি ছিল না বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, মেহেদী ইসলামকে বরিশালের উজিরপুরে বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত ও বিভাগীয় কার্যক্রম চলমান থাকায় তাকে চাকরিতে বহাল রাখা সমীচীন মনে করেনি কর্তৃপক্ষ। প্রভাবমুক্ত ও স্বচ্ছ তদন্তের স্বার্থে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকালীন তিনি বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা পাবেন।
চলতি বছর নেত্রকোনায় সরকারি চাল নিয়ে অনিয়মের একাধিক ঘটনা ঘটেছে। গত ১৪ মে রাতে মদন উপজেলায় পাচারের সময় ২০ টন চাল জব্দ করে প্রশাসন। এ ঘটনায় উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও গুদাম কর্মকর্তাকে বরিশালে বদলি করা হয়। গত ৪ সেপ্টেম্বর একই উপজেলায় পাচারের সময় আরও ৫ টন সরকারি চাল জব্দ করা হয়। দুটি ঘটনায়ই থানায় মামলা হয়েছে। এর আগে গত বছরের ২১ জুন কেন্দুয়া উপজেলায় ১৩ হাজার ৫১৫ কেজি সরকারি চাল জব্দ করেছিল সেনাবাহিনী।
বরখাস্ত হওয়া গুদাম কর্মকর্তা মেহেদী ইসলামের বক্তব্য জানতে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক পদ থেকে বদলি হওয়া মোয়েতাছেমুর রহমান বলেন, ধান সংগ্রহে অনিয়মের কারণেই গুদাম কর্মকর্তা মেহেদী ইসলামকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
নিজের বদলির বিষয়ে তিনি বলেন, এটা নিয়মিত বদলিই মনে হচ্ছে। ওই ঘটনার সঙ্গে এই বদলির কোনো সম্পর্ক নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মন্তব্য করেছেন যে, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের ছাগল দুইটি খাওয়া উচিত ছিল।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই কথা বলেন পাটওয়ারী। এর আগে তিনি রংপুর অভিমুখে লংমার্চ উপলক্ষে ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির জরুরি প্রস্তুতি সভায় অংশগ্রহণ করেন।
পাটওয়ারী বলেন, আসিফ নজরুলের একটি ছাগল খাওয়া হয়েছে, কিন্তু তার মতে দুটিই খাওয়া উচিত ছিল। একটি বাদ দেওয়ার জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের ধিক্কার জানান। তিনি আসিফ নজরুলকে ‘খুব ভালো মানুষ নন’ বলেও মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, আসিফ নজরুল অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গরু, ছাগল ও মুরগি পালন শুরু করেছিলেন এবং এসব প্রাণী যেখানে রাখা হতো সেখানে পুলিশের সিকিউরিটিও দাঁড় করিয়েছিলেন।
এনসিপির এই নেতা মন্তব্য করেন, ছাগল খাওয়ার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা সুযোগ পেলে আরেকটি ছাগলও খেতে পারেন।
এর আগে ‘ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন’ টকশোতে আসিফ নজরুল নিজের মেয়ের পোষা ছাগল চুরির ঘটনা নিয়ে কথা বলেন। তিনি ঘটনাটিকে তার জীবনের অন্যতম ‘হৃদয়বিদারক ঘটনা’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
টকশোতে আসিফ নজরুল জানান, হেয়ার রোডের সরকারি বাসায় একা থাকার কারণে সাড়ে ৯ বছরের ছোট মেয়ের সঙ্গী হিসেবে ছাগলটি কিনে দেওয়া হয়েছিল। ছাগলটির সঙ্গে মেয়ের গভীর সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। প্রতিদিন মেয়েটির স্কুলে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকত ছাগলটি এবং স্কুল থেকে ফেরার পর তার সঙ্গে খেলাধুলা করত। এমনকি মেয়েটি ফোনের ওয়ালপেপারে মায়ের ছবির বদলে ছাগলটির গলা জড়িয়ে ধরে থাকা ছবি ব্যবহার করত।
ছাগলটি চুরি হওয়ার পর মেয়েটি প্রচণ্ড ট্রমাটাইজড হয়ে পড়ে বলেও জানান আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, কাঁদতে কাঁদতে বমি করে দেয় এবং টানা দেড় দিন কিছু না খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে।
আসিফ নজরুল বলেন, ঘটনাটিকে রাজনৈতিক প্রতিশোধ হিসেবে প্রচার করা হলেও মূলত মজা করার জন্যই ছাগলটি নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তবে একটি শিশুর পোষা প্রাণী চুরি করে খেয়ে ফেলার ঘটনাকে তিনি অত্যন্ত নির্মম ও অমানুষিক হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি আরও জানান, ছাত্রনেতাদের রাজনৈতিক শত্রুতা বা প্রতিবাদস্বরূপ ছাগলটি চুরি করে খাওয়ার বিষয়টি সঠিক নয়।
২০২৪ সালের শেষ দিকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা থাকাকালে হেয়ার রোডের সরকারি বাংলো থেকে আসিফ নজরুলের ছোট মেয়ের পোষা ছাগল উধাও হওয়ার ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের জন্ম দিয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস এবং মাটিবাহী ড্রাম ট্রাকের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে বাসচালকের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকাল পৌনে ৩টার সময় উপজেলার আটগ্রাম রাস্তার মাথায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও বাসযাত্রীদের বক্তব্য অনুযায়ী, ফেনী থেকে ছেড়ে আসা সেন্টমার্টিন পরিবহণের বাসটি যখন আটগ্রাম রাস্তার মাথায় পৌঁছায়, তখন একই সময়ে ফিডার সড়ক থেকে একটি মাটিবাহী ড্রাম ট্রাক মহাসড়কে উঠলে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এই সংঘর্ষের ফলে বাসটির সামনের অংশ ব্যাপকভাবে দুমড়েমুচড়ে যায়। বিকট শব্দে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করেন।
বাসযাত্রী জেবা আক্তার বলেন, "হঠাৎ ফিডার সড়ক থেকে একটি ড্রাম ট্রাক দ্রুতগতিতে মহাসড়কে ওঠে। এসে বাসটির সঙ্গে সংঘর্ষ করে। এতে আমার কপাল কেটে যায়।"
অন্য এক যাত্রী আবদুর রশীদ জানান, তিনি ফেনী থেকে বাসে উঠেছিলেন। আটগ্রাম রাস্তার মাথায় পৌঁছানোর পর বিকট শব্দ শুনতে পান। পরে তিনি দেখেন, তার পা সিটের সঙ্গে আটকে গেছে। অন্য যাত্রীদের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করা হয় এবং এতে তার পায়ে গুরুতর আঘাত লাগে।
স্থানীয় আহলাদ হোসেন জানান, ড্রাম ট্রাকটির চালকের বেপরোয়া গতির কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে স্থানীয়দের ধারণা। সংঘর্ষের ফলে বাসচালকের দুই পা ভেঙে যায় এবং মাথা ফেটে রক্তাক্ত হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।
খবর পেয়ে চৌদ্দগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে।
চৌদ্দগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা মেহেদী হাসান জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে এর আগেই স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। আহতদের মধ্যে বাসচালকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার ওসি মোহাম্মদ রুহুল আমিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। দুর্ঘটনার কারণ এবং ঘাতক ড্রাম ট্রাকের বিষয়ে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির মন্তব্য করেছেন যে, "সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার, রাতের খাবার— সবসময় ভারতের কথা ভাবলে চলবে না, নিজের দেশের চিন্তাও করতে হবে।"
তিনি সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভারত প্রসঙ্গে একের পর এক প্রশ্ন না করে নিজেদের দেশের বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ডেইলি ঘুম থেকে উঠে ব্রেকফাস্ট খাইতেই ইন্ডিয়া, লাঞ্চ খাইতেই ইন্ডিয়া, ডিনার খাইতেই ইন্ডিয়া— তাহলে ভাই আপনার নিজের দেশের খাবার কোন সময় খাবেন? খালি যদি ইন্ডিয়া ইন্ডিয়া করেন! নিজের দেশের চিন্তা করেন।’
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড লাইনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্বনেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, "যার সঙ্গে যখন আমাদের দ্বিপক্ষীয় (বৈঠক) করতে হবে, বহুপক্ষীয় ফোরামে গিয়ে কথা বলতে হবে, আমরা তা করবো। যেখানে যে সুযোগ থাকবে, আমরা সম্পৃক্ত হবো। নেতারা সবার সঙ্গে দেখা করতে পারেন না। অনেক আমন্ত্রণ থাকে। সাইডলাইনে অনেক অনুষ্ঠানে আমরা অংশ নেবো।"
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাইডলাইনে বৈঠকের সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, "প্রধানমন্ত্রীর সফরের মূল লক্ষ্য জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেওয়া। সাইডলাইনে কার সঙ্গে বৈঠক হবে, তা শেষ মুহূর্তেও নির্ধারিত হতে পারে।"
তিনি আরও বলেন, "বহুপক্ষীয় ফোরাম এভাবেই কাজ করে। একজন নেতা শেষ মুহূর্তেও বলতে পারেন, আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চাই। বড় বড় সম্মেলনে এমনটাই হয়। সাইডলাইনে বিশ্বনেতাদের দৈনন্দিন কর্মসূচিতে অনেক পরিবর্তন আসে। এসব যখন আসবে, যার সঙ্গেই বৈঠক হোক, আপনাদের জানানো হবে। আপনারাই প্রথম জানতে পারবেন।"
বর্তমান সরকার ভারতের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনর্গঠন করতে চায় জানিয়ে তিনি বলেন, ‘গত ১৫ বছর ধরে একটি স্বৈরাচারী, দুর্নীতিগ্রস্ত ও লুটেরা সরকারের সাথে যে অস্বস্তিকর সম্পর্ক ছিল, সেখান থেকে বের হয়ে আমরা একটি নতুন সম্পর্কের দিকে এগোতে চাই, যা দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে হওয়া উচিত, বহুপাক্ষিক ফোরামে নয়।’
সেক্ষেত্রে নিউ ইয়র্কে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক হচ্ছে বলেই কি ধরে নেব- এক সাংবাদিক জানতে চাইলে হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আপনার প্রশ্নটি সঠিক জায়গায় নেই। ভারতের বিষয়টি মাথা থেকে বের করুন।’
সবসময় ভারতের কথা না ভাবার পরামর্শ দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘যার সঙ্গে যখন দ্বিপাক্ষিক বা বহুপাক্ষিক কথা বলা দরকার, আমরা অবশ্যই তা বলব। কিন্তু সাইডলাইনে সবার সঙ্গে তো আর দেখা করা সম্ভব নয়। তবে আমাদের অনেক নিমন্ত্রণ থাকবে এবং অনেক দেশের সাথে আলোচনা হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০১২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ককটেল’ সিনেমায় নারী চরিত্রগুলোর উপস্থাপনাকে বর্তমানে কিছুটা পশ্চাৎপদ মনে করছেন অভিনেতা সাইফ আলি খান। বিশেষ করে, একজন নারীকে প্রচলিত অর্থে ‘ভালো’ এবং অন্যজনকে ‘খারাপ’ হিসেবে উপস্থাপন করার প্রবণতাকে তিনি নিজের ভুল হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
সম্প্রতি ‘গালফ নিউজ’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাইফ ‘ককটেল’ সিনেমা নিয়ে তার উপলব্ধির কথা তুলে ধরেন। এ বিষয়ে ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদন তথ্য দেয়। সিনেমাটির গল্পে নারী চরিত্রগুলোর মধ্যে যে বৈপরীত্য তৈরি করা হয়েছিল, তা বর্তমান সময়ের দৃষ্টিতে প্রশ্নের মুখে পড়ে।
হোমি আদাজানিয়া পরিচালিত ‘ককটেল’ সিনেমায় সাইফ আলি খানের সঙ্গে দীপিকা পাড়ুকোন ও ডায়ানা পেন্টি অভিনয় করেন। দীপিকা চরিত্রে ভেরোনিকা হিসেবে অভিনয় করেন, যিনি স্বাধীনচেতা, প্রাণবন্ত ও পার্টিপ্রিয়। অন্যদিকে, ডায়ানা পেন্টির মীরা চরিত্রটি ছিল শান্ত, সংযত এবং তুলনামূলকভাবে ঘরোয়া।
সিনেমাটির কাহিনীতে ভেরোনিকাকে বেপরোয়া ও সমস্যাসংকুল নারী হিসেবে এবং মীরাকে আদর্শ ও গ্রহণযোগ্য নারী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। সাইফের মতে, এই ধরনের চরিত্রায়ন নারীদের নিয়ে প্রচলিত সামাজিক ধারণাকেই শক্তিশালী করে।
অভিনেতার বক্তব্য অনুযায়ী, সিনেমাটি নির্মাণের সময় বিষয়টি এভাবে ভাবা হয়নি। তবে সময়ের সঙ্গে তার দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে তার মনে হচ্ছে, ভেরোনিকার মতো চরিত্রকে শুধুমাত্র নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা এবং মীরাকে ‘ভালো মেয়ে’র প্রতীক হিসেবে দেখানো যথেষ্ট প্রগতিশীল ছিল না।
২০১২ সালে মুক্তির পর ‘ককটেল’ দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। সিনেমাটিতে সাইফের পাশাপাশি দীপিকা পাড়ুকোন ও ডায়ানা পেন্টির অভিনয়ও প্রশংসিত হয়। বিশেষ করে, দীপিকার ভেরোনিকা চরিত্রটি তার ক্যারিয়ারের অন্যতম আলোচিত চরিত্র হয়ে ওঠে।
এদিকে, ‘ককটেল’-এর দ্বিতীয় কিস্তি নির্মাণের খবরও ইতিমধ্যে আলোচনায় এসেছে। তবে নতুন সিনেমায় আগের চরিত্রগুলো কীভাবে উপস্থাপন করা হবে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ