ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অবসরে গেলেন আপিল বিভাগের বিচারপতি আশফাকুল ইসলাম


অবসরে গেলেন আপিল বিভাগের বিচারপতি আশফাকুল ইসলাম

অবসরে গেছেন আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম।

সংবিধান অনুযায়ী তার বয়স ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ায় তিনি অবসরে গেছেন।

মঙ্গলবার তার শেষ কর্মদিবস সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে পালন করার পর তিনি অবসরে যান।

আরও পড়ুন: এনসিপির আহ্বায়ক হলেন নাহিদ, সদস্যসচিব আখতার

এদিন প্রথা অনুযায়ী বিচারপতিকে বিদায় সম্বর্ধনা জানানো হয়। অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের পক্ষ থেকে বিচারপতিকে বিদায় সম্বর্ধনা জানান অ্যাটর্নি জেনারেল ব‍্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে তাকে বিদায় জানান সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন।

এ সময় প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীসহ আপিল বিভাগের অন্যান্য বিচারপতি ও আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, আশফাকুল ইসলাম ১৫ জুলাই ১৯৫৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা এ কে এম নুরুল ইসলাম ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট। আর মা জাহানারা আরজু একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি ও সাহিত্যিক ছিলেন।

বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএল.বি. (সম্মান) ও এলএল.এম. ডিগ্রি এবং ভারত থেকে এফ.আই.সি.পি.এস. ডিগ্রি অর্জন করেন।

আরও পড়ুন: জাতীয় নাগরিক পার্টির ১৯৫ সদস্যের পুনর্গঠিত কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা

তিনি ১৯৮৩ সালে জেলা আদালত এবং ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক এবং ২০০৫ সালের ২৭ আগস্ট একই বিভাগের বিচারক হিসেবে নিযুক্ত হন।

বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ২০২২ সালের ৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে উন্নীত হন।

তিনি ২০১১ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত বিচারিক উন্নয়ন বিষয়ক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধনের পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন পরিবেশ জরুরি: প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইতিহাস গড়া নরওয়েকে বীরোচিত সংবর্ধনা, লাখো মানুষের উচ্ছ্বাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৪৮ পি.এম


ইতিহাস গড়া নরওয়েকে বীরোচিত সংবর্ধনা, লাখো মানুষের উচ্ছ্বাস

২৮ বছর পর ফিফা বিশ্বকাপে ফিরে ইতিহাস গড়েছে নরওয়ে। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেওয়া ভাইকিংরা শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের কাছে হেরে বিদায় নিলেও দেশে ফিরে পেয়েছে বীরের সম্মান। রাজধানী ওসলোর রাজপ্রাসাদ চত্বরে লাখো সমর্থকের উপস্থিতিতে ছাদখোলা বাসে জমকালো সংবর্ধনা দেওয়া হয় নরওয়ে জাতীয় দলকে।

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে অতিরিক্ত সময়ে ২-১ গোলে হেরে বিদায় নিলেও নরওয়ের এই সাফল্য উদযাপনে কোনো কমতি ছিল না। এর আগে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে শেষ আটে উঠে নজর কাড়ে স্টালে সলবাকেনের দল।

সোমবার দেশে ফেরার পর বিমানবন্দরে ঐতিহ্যবাহী ওয়াটার ক্যানন স্যালুটের মাধ্যমে দলকে স্বাগত জানানো হয়। এরপর ছাদখোলা বাসে রাজধানীজুড়ে শুরু হয় বিজয় প্যারেড। আল জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, রাজপ্রাসাদ চত্বরে এক লাখের বেশি সমর্থক জড়ো হন। তাদের দীর্ঘ সারি রাজধানীর প্রধান সড়ক কার্ল জোহান্স গেট পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।

প্যারেডের আগে খেলোয়াড়েরা নরওয়ের রাজা পঞ্চম হারাল্ডের সঙ্গে রাজপ্রাসাদে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পরে প্রাসাদের বারান্দায় এসে সমর্থকদের অভিবাদনের জবাব দেন তারা। রয়্যাল গার্ডের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে হাজারো সমর্থক ঐতিহ্যবাহী ভাইকিং উদযাপনে অংশ নেন।

তবে অনুষ্ঠানের শেষ অংশে উপস্থিত ছিলেন না দলের তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হল্যান্ড। প্রধান কোচ স্টালে সলবাকেন জানান, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরার ফ্লাইট চার ঘণ্টা বিলম্বিত হওয়ায় হল্যান্ড ও স্যান্ডার বার্গকে পরবর্তী ফ্লাইট ধরতে আগেই অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করতে হয়।

এদিকে মধ্য ওসলোর বিপুল জনসমাগমে একপর্যায়ে ছাদখোলা বাসের গতি থেমে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশকে বেশ বেগ পেতে হয়, এমনকি বাসটিকে কিছু সময়ের জন্য উল্টো দিকেও ঘোরানো হয়। তবুও খেলোয়াড়দের উদযাপনে ভাটা পড়েনি। গান, নাচ এবং সমর্থকদের শুভেচ্ছার জবাবে হাত নেড়ে তারা পুরো পথজুড়ে উৎসবের আমেজ ধরে রাখেন।

প্রায় ১.৩ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে প্যারেডটি সিটি হল স্কয়ারে পৌঁছালে সেখানেও হাজারো সমর্থক দলকে স্বাগত জানান। নরওয়ের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এনআরকেকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড বলেন, 'আমরা কখনো ভাবিনি এমন অভ্যর্থনা পাব। যুক্তরাষ্ট্রে এবং দেশে ফিরে সমর্থকদের যে ভালোবাসা পেয়েছি, তা আমাদের সব প্রত্যাশা ছাড়িয়ে গেছে।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুই বছরে ১৬৭৯ জনকে বাংলাদেশে পুশ ইন করেছে আসাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫৩ পি.এম


দুই বছরে ১৬৭৯ জনকে বাংলাদেশে পুশ ইন করেছে আসাম

ভারতের আসাম রাজ্য সরকার গত দুই বছরে ১ হাজার ৬৭৯ জনকে বাংলাদেশে ‘পুশ ইন’ বা জোর করে ঠেলে পাঠিয়েছে। এর মধ্যে আসামের ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল (এফটি) কর্তৃক ‘বিদেশি’ ঘোষিত ১৯৩ জন নাগরিকও রয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ের মধ্যে এসব ব্যক্তিকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পার করে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে। আসাম সরকারের পক্ষ থেকে রাজ্য বিধানসভায় দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক তথ্যের ভিত্তিতে এই পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়েছে। অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্টের (এআইইউডিএফ) বিধায়ক বদরুদ্দিন আজমলের এক প্রশ্নের জবাবে আসামের মুখ্যমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বিধানসভায় এই তথ্য জানান।

আসাম সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে পাঠানো ১ হাজার ৬৭৯ জনকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে একদলকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ডিপোর্ট’ করা হয়েছে, একদলকে ‘সেন্ট ব্যাক’ হিসেবে ফেরত পাঠানো হয়েছে এবং অন্য দলটিকে ‘এক্সপেলড’ বা বহিষ্কার করা হয়েছে। এই ব্যক্তিদের মধ্যে ১৯২ জনকে আসামের ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল ‘বিদেশি’ হিসেবে ঘোষণা করেছিল। এ ছাড়া মরিয়ম বেগম নামের এক শিশুকন্যাকেও তার মায়ের সঙ্গে সীমান্তের ওপারে পাঠানো হয়েছে, যার মা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক ঘোষিত বিদেশি ছিলেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালের মে মাস থেকে আসাম সরকার ঘোষিত বিদেশিদের ‘পুশ ব্যাক’ বা জোর করে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পার করে বাংলাদেশে পাঠানোর নীতি গ্রহণ করে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক আলোচনা বা সমন্বয় করা হয়নি। এরপর ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে দীর্ঘদিন অকার্যকর থাকা ইমিগ্র্যান্টস (এক্সপালশন ফ্রম আসাম) অ্যাক্ট–১৯৫০ পুনরুজ্জীবিত করার ঘোষণা দেয় আসাম সরকার। পরে এ বিষয়ে একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) তৈরি করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই বিতর্কিত আইনটি প্রয়োগ করা হয়।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই আইনের আওতায় বহিষ্কার করে বাংলাদেশে পাঠানো ৬৭ জন ঘোষিত বিদেশির মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৯ জন মধ্য আসামের নগাঁও জেলার বাসিন্দা। এ ছাড়া পশ্চিম আসামের কোকরাঝাড় থেকে ১৬ জন, বারপেতা থেকে সাতজন, চিরাং ও কার্বি আংলং থেকে চারজন করে, ডিমা হাসাও ও হোজাই থেকে তিনজন করে, কামরূপ (গ্রামীণ) ও ধুবড়ি থেকে দুজন করে এবং আরও কয়েকটি জেলা থেকে একজন করে ব্যক্তিকে পাঠানো হয়েছে। বাকি ১২৬ জন ঘোষিত বিদেশিকে ‘রিপ্যাট্রিয়েটেড’ বা ‘সেন্ট ব্যাক’ শ্রেণিতে রাখা হয়েছে।

এদিকে বিধায়ক বদরুদ্দিন আজমল জানতে চেয়েছিলেন, বাংলাদেশে পাঠানো ব্যক্তিদের মধ্যে কতজন গুয়াহাটি হাইকোর্ট বা সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেছিলেন। জবাবে আসাম সরকার জানিয়েছে, উচ্চ আদালতে কোনো আপিল বিচারাধীন থাকলে কোনো চিহ্নিত অভিবাসীকে প্রত্যাবাসন করা হয় না। তবে যাদের ইতিমধ্যে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে, তাদের কেউ আগে হাইকোর্ট বা সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেছিলেন কি না, সে বিষয়ে সরকারের কাছে কোনো তথ্য নেই।

এর আগে সোমবার (১৩ জুলাই) ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন। বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চ গুয়াহাটি হাইকোর্টের ২৭টি রায় বাতিল করেন। ওই রায়গুলোতে ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালের এমন সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছিল, যেখানে আবেদনকারীদের অনুপস্থিতিতেই একতরফা বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাঁদের বিদেশি ঘোষণা করা হয়েছিল।

সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছেন, নাগরিকত্ব নির্ধারণের মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক বিষয় অবশ্যই ন্যায্য, আইনসম্মত ও যুক্তিসঙ্গত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে হবে। আদালত এই ২৭টি মামলাই সংশ্লিষ্ট ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালে পুনর্বিচারের জন্য ফেরত পাঠিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে তিন দফা দাবিতে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫৫ পি.এম


চট্টগ্রামে তিন দফা দাবিতে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হয়েছে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, যেখানে তারা সড়ক অবরোধ করে তিন দফা দাবিতে আন্দোলন করেছেন। এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা বাতিল করার, ১২ ও ১৩ জুলাইয়ের প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করা শিক্ষার্থীদের জন্য পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা এবং বৃষ্টিতে নষ্ট বা হারিয়ে যাওয়া প্রবেশপত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দ্রুত সরবরাহের দাবিতে তারা এই কর্মসূচি পালন করেছেন।

মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে নগরের ষোলশহর এলাকায় চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের সামনে বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা মিলিত হন এবং সড়ক অবরোধ করেন। এর পর বিকেল তিনটায় আন্দোলনের সমাপ্তি ঘোষণা করে তারা সড়ক ছেড়ে চলে যান।

পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহেদুল ইসলাম বলেন, শিক্ষাবোর্ডের সামনে কিছু শিক্ষার্থী বিভিন্ন দাবি নিয়ে অবস্থান নিয়েছিল। পরে তাদের সঙ্গে আলোচনা করে সড়ক থেকে সরে যেতে বলা হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী নুরুল আমিন জানিয়েছেন, বর্তমানে চলমান বন্যা, জলাবদ্ধতা ও যোগাযোগ সংকটের কারণে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছানো নিরাপদ হচ্ছে না। এজন্য সকলের জন্য সমান সুযোগ দিতে পরীক্ষা স্থগিত করা প্রয়োজন বলে তারা মনে করেন।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন যে, প্রতিকূল পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য জানা সত্ত্বেও তাদের প্রতি অত্যাচার করা হচ্ছে। তারা একসঙ্গে দাবি জানাচ্ছেন যে, সারাদেশে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা গ্রহণ করার পাশাপাশি কোনো নির্দিষ্ট এলাকার জন্য ভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা উচিত নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাবির আইবিএ ও বেক্সিমকো ফার্মার মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫৬ পি.এম


ঢাবির আইবিএ ও বেক্সিমকো ফার্মার মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ) এবং বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে। শীর্ষক একটি এক্সিকিউটিভ প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামের লক্ষ্যে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) এই স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।

নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএর পরিচালক অধ্যাপক ড. আবু ইউসুফ মো. আব্দুল্লাহ এবং বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের প্রধান অপারেটিং কর্মকর্তা রাব্বুর রেজা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা জানিয়েছেন, শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগ দেশের ওষুধশিল্প খাতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের জন্য এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় আইবিএ ওই প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম পরিচালনা করবে।

ওষুধ শিল্পে কর্মরত কর্মকর্তাদের ব্যবসায় প্রশাসন, নেতৃত্ব, ব্যবস্থাপনা ও ফার্মাসিউটিক্যাল বিজনেস বিষয়ে আধুনিক জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং শিল্পখাতের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ পেশাগত সক্ষমতা উন্নয়নই এই প্রোগ্রামের মূল লক্ষ্য।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিটির প্রতিটি ব্যাচের মেয়াদ হবে প্রায় ছয় মাস, যেখানে ৪০টি সেশনের মাধ্যমে মোট প্রায় ১২০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতে দুই বছর মেয়াদে মোট চারটি ব্যাচ পরিচালিত হবে এবং প্রতিটি ব্যাচে সর্বোচ্চ ৪০ থেকে ৪৫ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করবেন।

প্রশিক্ষণে আইবিএর শিক্ষক ও শিল্পখাতের অভিজ্ঞ জ্যেষ্ঠ নির্বাহীরা রিসোর্স পারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

লেকচার, কেস স্টাডি, গ্রুপ এক্সারসাইজ, কর্মশালা ও উপস্থাপনার মাধ্যমে এই প্রশিক্ষণ পরিচালিত হবে। সফলভাবে কোর্স সম্পন্নকারীদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে সনদপত্র প্রদান করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%