ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এবারের বাজেট সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কথা বিবেচনায় নিয়েই করা হয়েছে: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম


এবারের বাজেট সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কথা বিবেচনায় নিয়েই করা হয়েছে: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

দেশের ইতিহাসে এমন গণমুখী, জনকল্যাণমুখী ও বাস্তবধর্মী বাজেট মানুষ আর কখনও দেখেনি, এমন মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

তিনি উল্লেখ করেন, এই বাজেট কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণি বা গোষ্ঠীর জন্য নয়। এটি দেশের প্রতিটি মানুষের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়েই প্রণয়ন করা হয়েছে এবং এবারের বাজেটে কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, চিকিৎসক, উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী সহ সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেছে।

জাতীয় বাজেট উপলক্ষে শুক্রবার (১২ জুন) বিকালে বগুড়ার শিবগঞ্জ ও সন্ধ্যায় মোকামতলা উপজেলায় পৃথক মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রতিমন্ত্রী এই বক্তব্যটি দেন। শিবগঞ্জ উপজেলা ও মোকামতলা ইউনিয়ন বিএনপি এই আনন্দ মিছিল এবং সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার আয়োজন করে।

আরও পড়ুন: সেনাপ্রধানের সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ, এলএফটি-২০২৬ সফলভাবে সম্পন্ন

এছাড়া, তিনি আরো বলেন, বিএনপি সরকার শিক্ষা খাতে ইতিহাসের সর্বোচ্চ বরাদ্দ দিয়েছে। একটি শিক্ষিত, দক্ষ ও আধুনিক জাতি গঠনের লক্ষ্যেই এই বিনিয়োগ করা হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে অতীতের তুলনায় প্রায় তিনগুণ বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষ সহজে উন্নত চিকিৎসাসেবা পেতে পারে।

মীর শাহে আলম ক্যান্সার রোগীদের জন্য গুরুত্ব দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন, যা এই বাজেটে প্রথমবারের মতো করা হয়েছে। মাতৃস্বাস্থ্য, শিশুসেবা, ওষুধের প্রাপ্যতা এবং হাসপাতালের সেবার মান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, সরকার বিশ্বাস করে, সুস্থ মানুষই উন্নত রাষ্ট্র গঠনের সবচেয়ে বড় শক্তি।

এছাড়া, গ্রামের অবহেলিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী থেকে শুরু করে শহরের মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত সব শ্রেণির মানুষের কথা বিবেচনায় নিয়েই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। অবকাঠামো উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করা, কৃষি, শিল্প ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এই বাজেট শুধুমাত্র একটি অর্থনৈতিক পরিকল্পনা নয়; এটি একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার রূপরেখা। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বিএনপি সরকার দৃঢ়ভাবে কাজ করে যাবে।

আরও পড়ুন: আব্বাসউদ্দীনের ভাওয়াইয়া গান নিয়ে উৎসবের আয়োজন করবে সরকার: সংস্কৃতিমন্ত্রী

শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে বর্ণাঢ্য মিছিলটি পৌরসভা প্রাঙ্গণ থেকে বের হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা চত্বর হয়ে মীর মুগ্ধ স্কয়ারে এসে শেষ হয়।

অন্যদিকে, মোকামতলা ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ইউনিয়ন পরিষদের সামনে থেকে আরেকটি আনন্দ মিছিল বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক ঘুরে সমাপ্ত হয়। মিছিল এবং আলোচনা সভায় উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার : তথ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:১৪ পি.এম


প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার : তথ্যমন্ত্রী

জহির উদ্দিন স্বপন জানিয়েছেন যে, সনদসর্বস্ব মুখস্থ বিদ্যার বদলে সরকারের উদ্যোগ প্রযুক্তিনির্ভর এবং বাস্তবমুখী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা।

শুক্রবার (১২ জুন) সকালে ১১টায় গৌরনদী উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়াম এবং আগৈলঝাড়া উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের এক অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মুখস্থ বিদ্যা বাদ দিতে হবে। মেধার চর্চা করতে হবে। কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা শুধু সনদ প্রদান করবে না, বরং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করবে।

জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করবে এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করবে।’

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘বর্তমান সরকার ঘোষিত বাজেটে শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। সনদসর্বস্ব মুখস্থ বিদ্যার বদলে দক্ষতাভিত্তিক, প্রযুক্তিনির্ভর এবং বাস্তবমুখী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় শিক্ষাকে সরাসরি উৎপাদন, শিল্প খাত ও কর্মসংস্থানের সাথে যুক্ত করতে হবে।

তাহলে সরকার কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার মানোন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভোর থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত যেসব জেলায় ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:১৫ পি.এম


ভোর থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত যেসব জেলায় ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা

ঢাকা সহ দেশের ১১ জেলায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় এবং বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) সকাল ৯টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়া অধিদফতর প্রদত্ত সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট জেলার ওপর দিয়ে পূর্ব অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ সময় বৃষ্টির সাথে বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শন করতে বলা হয়েছে।

এদিকে, সংস্থাটির অপর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এ সময় দেশের সব বিভাগে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া এবং বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।

দেশের সব বিভাগে আগামী এক সপ্তাহ ঝড়বৃষ্টি ও ভারি বর্ষণের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলেও আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে।

আবহাওয়া সংক্রান্ত আরও সংবাদ পড়তে ক্লিক করুন এখানে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অভিবাসন কমাতে নজিরবিহীন গণভোটের উদ্যোগ নিয়েছে সুইজারল্যান্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:১৯ পি.এম


অভিবাসন কমাতে নজিরবিহীন গণভোটের উদ্যোগ নিয়েছে সুইজারল্যান্ড

দেশে অভিবাসনের চাপ কমানোর লক্ষ্যে এবং জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে সুইজারল্যান্ড নজিরবিহীন একটি প্রস্তাব নিয়ে গণভোটের আয়োজন করেছে। প্রস্তাবটি পাস হলে দেশের জনসংখ্যা আগামী কয়েক দশকে ১ কোটির মধ্যে সীমিত রাখতে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে, যা ভবিষ্যতের অভিবাসন নীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনতে পারে।

এই গণভোট আগামী রবিবার অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে সুইস নাগরিকরা সিদ্ধান্ত নেবেন, দেশের জনসংখ্যা ১ কোটির বেশি হতে দেওয়া হবে কি না। সুইজারল্যান্ডের সরাসরি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত প্রশ্নগুলো নিয়ে নিয়মিত গণভোটের আয়োজন করা হয়।

প্রস্তাবটির পক্ষে দেশের বৃহত্তম পার্লামেন্টারি দল ডানপন্থী ও জনতাবাদী সুইস পিপলস পার্টি রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে দলটি অভিবাসনবিরোধী অবস্থান নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছে। সাম্প্রতিক জনমত জরিপে দেখা গেছে, ভোটের ফলাফল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হতে পারে।

প্রস্তাবের সমর্থকরা যুক্তি দিচ্ছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে আসা বিপুল সংখ্যক মানুষের আগমনে আবাসন, অবকাঠামো, সামাজিক সেবা, প্রাকৃতিক সম্পদ ও জীবনযাত্রার ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়েছে।

অন্যদিকে, বিরোধীরা এমন উদ্যোগকে সুইজারল্যান্ডের অর্থনীতি ও শ্রম বাজারের জন্য ক্ষতিকর মনে করছেন। তাদের মতে, স্বাস্থ্যসেবা, প্রযুক্তি, আর্থিক খাত ও ওষুধশিল্পে বিদেশি কর্মী ও বিশেষজ্ঞদের ওপর দেশটির ব্যাপক নির্ভরশীলতা রয়েছে। একই সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কও অর্থনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ।

ফেডারেল সরকার ও পার্লামেন্ট উভয়েই এই প্রস্তাবটির বিরোধিতা করছে। ব্যবসায়ীদের সংগঠন ইকোনোমিসুইস প্রস্তাবটিকে ‘অযৌক্তিক’ আখ্যা দিয়ে বলেছে যে, এটি দেশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।

সুইস পিপলস পার্টির আইনপ্রণেতা বার্নার্ড বাপস্ট দাবি করেছেন, উন্মুক্ত সীমান্ত নীতির কারণে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির নেতিবাচক প্রভাব এখন স্পষ্ট হয়েছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০০২ সালে সুইজারল্যান্ড ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে নাগরিকদের বসবাস ও কাজের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ শিথিল হওয়ার পর দেশটির জনসংখ্যা ২৩ শতাংশ বেড়ে গত বছরের শেষে ৯১ লাখে পৌঁছেছে। একই সময়ে অর্থনৈতিক উৎপাদনও ২৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

উত্তর সুইজারল্যান্ডের সেন্ট গ্যালেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক রেটো ফেলমি মন্তব্য করেছেন, “আমরা মূলত নিজেদের সাফল্যেরই শিকার।”

গণভোটে প্রস্তাবটি অনুমোদিত হলে সরকারকে ২০৫০ সালের মধ্যে জনসংখ্যা ১ কোটির মধ্যে রাখতে ব্যবস্থা নিতে হবে। যদি জনসংখ্যা ৯৫ লাখে পৌঁছে যায়, তাহলে আশ্রয়প্রার্থী গ্রহণ, পরিবার পুনর্মিলন কর্মসূচি এবং আবাসিক অনুমতিপত্রের ওপর নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করা হতে পারে। এমনকি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মানুষের অবাধ চলাচলসংক্রান্ত চুক্তিও বাতিল হলে।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রস্তাবটি দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় তাৎক্ষণিক প্রভাব সীমিত থাকবে। তবে জেনেভা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যাপক রেনে শভোকের মতে, এটি পাস হলে ব্রাসেলসের সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের সম্পর্কের অবনতি ঘটতে পারে এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন দেশটির অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার।

অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থার (ওইসিডি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে সুইজারল্যান্ডের মোট জনসংখ্যার ৩২ শতাংশ বিদেশে জন্মগ্রহণকারী। এই ক্ষেত্রে দেশটির অবস্থান বিশ্বের শীর্ষগুলোর মধ্যে রয়েছে; শুধু লুক্সেমবার্গ এবং অস্ট্রেলিয়া এর ওপরে রয়েছে।

অভিবাসন বিষয়টি ইউরোপের রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে দীর্ঘকাল ধরে রয়েছে। জনসংখ্যার বার্ধক্য ও বিদেশি বিরোধী মনোভাব— এই দুই বাস্তবতার মধ্যে ভারসাম্য খুঁজতে হিমশিম খাচ্ছে বহু দেশ। সুইজারল্যান্ডেও গত কয়েক দশক ধরে এ ইস্যু নিয়ে তীব্র বিতর্ক চলমান রয়েছে।

এর আগে ২০১৪ সালে ‘অতিরিক্ত অভিবাসনের বিরুদ্ধে’ শীর্ষক একটি গণভোট অল্প ব্যবধানে পাস হয়েছিল। জেনেভা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংখ্যাবিদ ফিলিপ ভ্যানারের মতে, গণভোটের মাধ্যমে কোনো দেশের জনসংখ্যার সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণের এমন উদ্যোগ বিশ্বে প্রায় নজিরবিহীন।

অন্যদিকে নিউশাতেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোলবিদ এতিয়েন পিগের মন্তব্য করেছেন, অনেক দেশই অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ করে, তবে সুইজারল্যান্ডে এ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক বহু দশক ধরে অব্যাহত রয়েছে।

সহস্রাব্দের শুরুতে অভিবাসনবিরোধী মনোভাব আরও প্রবল হওয়ার সময় তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আদলফ ওগি বলেছিলেন, বিদেশিরা আমাদের অর্থনীতি চালায়। পর্যটন খাতের জন্য শ্রমিকের প্রয়োজন, আর সুইজারল্যান্ডের জন্য মেধাবী মানুষেরও প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপি জন্ম থেকেই সাংবাদিকবান্ধব দল : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:১৯ পি.এম


বিএনপি জন্ম থেকেই সাংবাদিকবান্ধব দল : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

শেখ শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু, যিনি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, তিনি উল্লেখ করেছেন যে বিএনপি জন্ম থেকেই সাংবাদিকবান্ধব একটি রাজনৈতিক দল। তিনি বলেন, "আমরা সব সময় সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি।"

তবে তিনি সাংবাদিকদের অনুরোধ করেছেন যে, মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন থেকে তাদের বিরত থাকতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১২ জুন) বিকেলে ফরিদপুরের সালথা প্রেসক্লাবের ভবন উদ্বোধনের পর এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে বাকশালকে বিতাড়িত করে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। তিনি উল্লেখ করেন, "বিগত একটা সময়ে প্রত্যেকটা সংবাদপত্র বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। তখন তিনি সকল সংবাদপত্রকে খুলে দিয়েছিলেন এবং সব সাংবাদিককেও স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ ও সংবাদ পরিবেশন করার স্বাধীনতা দিয়েছিলেন।" শহীদ জিয়ার সেই দল ১৭ বছর আন্দোলনের পর একটি সুষ্ঠু ভোটের মাধ্যমে সরকারে এসেছে।

তিনি আরও বলেন, "বিভিন্ন অঞ্চলের সাংবাদিকরা স্বৈরাচারের দ্বারা মতপ্রকাশ ও সঠিক সংবাদ পরিবেশন করতে গিয়ে নির্যাতিত হয়েছে। অনেকেই এলাকা ছেড়ে চলে গেছে এবং অনেকেই দেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। অনেকে আহত ও নিহত হয়েছে এবং তাদের পরিবার বহু কষ্ট ভোগ করেছে ১৭-১৮ বছর। তাদের আমি স্মরণ করছি।"

শামা ওবায়েদ সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, "আপনারা যারা সাংবাদিকরা বিগত সময়ে অত্যন্ত অত্যাচারের মধ্যে থেকেও সত্য সংবাদটি সাহসের সঙ্গে পরিবেশন করেছেন, তাদের এই সাহসিকতার জন্য অবশ্যই সাধুবাদ জানাচ্ছি।"

তিনি উল্লেখ করেন, "বিগত ১৭ বছর সাংবাদিকরা গুলি উপেক্ষা করে নির্ভয়ে সংবাদ পরিবেশন করেছেন। তৎকালীন বিএনপি পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। উনারা যদি সঠিক সংবাদ পরিবেশন না করতেন, তাহলে সারাদেশের মানুষ জানতেই পারতেন না স্বৈরাচারের দ্বারা মানুষ কি ধরনের নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন।"

শামা ওবায়েদ বলেন, "৫ আগস্টে যে অত্যাচার ও নির্যাতন চালানো হয়েছিল, সেই সংবাদটি সাংবাদিকরা সুষ্ঠুভাবে পরিবেশন করেছিলেন। বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামের সংবাদ পরিবেশন করেছেন। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ইউনিয়ন, উপজেলা, গ্রামে আমাদের নেতাকর্মীরা নির্যাতিত হয়েছেন, সেই সংবাদ পরিবেশন করেছেন। এজন্য দলের পক্ষ থেকে আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাতে চাই।"

তিনি সাংবাদিক পেশাকে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং পবিত্র পেশা হিসেবে মর্যাদা দিতে বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, "আপনারা যেমন সংবাদ প্রকাশ করতে সক্ষম হন, তেমনি অনেক সাংবাদিক অনেক সংবাদপত্রে ভুল তথ্য দিয়ে সংবাদ পরিবেশন করছেন। এই কারণে বিএনপি সরকার সোচ্চার রয়েছে। সুতরাং আমাদের মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত থাকতে হবে।"

এর আগে তিনি ফিতা কাটার মাধ্যমে ও দোয়ার মধ্য দিয়ে প্রেসক্লাবের ভবনের উদ্বোধন করেন। পরে প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকেও তাকে ক্রেস্ট ও ফুলের শুভেচ্ছা জানিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

সালথা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. নুরুল ইসলাম নাহিদের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন, সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা-সার্কেল) মুহাম্মদ আল ফাহাদ, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মামুন সরকার, সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবলুর রহমান খান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আসাদ মাতুব্বর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার খায়রুল বাসার আজাদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. আতাউর রহমান, যুবদল নেতা এনায়েত হোসেন এবং হাসান আশরাফ প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%