সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:১৭ পি.এম
গোবিন্দাকে নিয়ে বহুবার আলোচনা হয়েছে, সুনীতা আহুজাকে বিয়ের পরও সেই খবর দীর্ঘদিন গোপন রেখেছিলেন তিনি—এমন দাবি করা হয়েছে। অন্যদিকে, বলিউডের অন্দরমহলে অভিনেতার একাধিক নায়িকার সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন শোনা গেছে।
তাদের মধ্যে নীলম কোঠারির নামটি সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয়ে উঠেছে। পর্দায় তাঁদের জুটি যেমন জনপ্রিয় ছিল, তেমনি তাঁদের প্রেমের গুঞ্জনও জোরালোভাবে ছড়িয়েছে। তবে এবার সেই পুরোনো অধ্যায় নিয়ে মুখ খুলেছেন নীলম।
অভিনেত্রী জানান, গোবিন্দা যে বিবাহিত, সেটি নাকি তিনি জানতেন না। সম্প্রতি ‘টাইমস নাউ’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি সরাসরি সেই গুঞ্জন নিয়ে কথা বলেন। নীলম বলেন, গোবিন্দার বিপরীতে অভিনয় করার সময় তাঁর বয়স ছিল অনেক কম। পরিবারও ছিল অত্যন্ত কড়া। ফলে কোনো সম্পর্কের মধ্যে জড়িয়ে পড়ার সুযোগই ছিল না তাঁর।
নীলম বলেন, ‘তখন আমার বয়স ভীষণ কম। আমি পরে জানতে পারি গোবিন্দা বিবাহিত ছিলেন। আর সেই সময় আমার বয়স অনেকটাই কম ছিল, সব থেকে বড় কথা আমার বাবা মা এই বিষয় নিয়ে অত্যাধিক কড়া ছিলেন। তাই কোনও সম্পর্কে জড়ানোর সুযোগ ছিল না। আমি যেহেতু তখন খুব ছোট ছিলাম তাই শুটিং ফ্লোরে আমার সঙ্গে কেউ না কেউ আসছেন আমার পরিবার থেকে।’
পুরোনো সেই গুঞ্জন নিয়ে বর্তমানে নীলম কিংবা তাঁর স্বামী অভিনেতা সমীর সোনির কোনো অস্বস্তি নেই বলেও জানান অভিনেত্রী। সমীরের বক্তব্য, দুই দশক আগে আদৌ কিছু ঘটে থাকলেও সে বিষয়ে তাঁর কিছু জানা নেই। আর যে বিষয় সম্পর্কে তিনি জানেনই না, সেটিকে আঁকড়ে থাকার কোনো অর্থ নেই।
তবে গোবিন্দার পুরোনো বক্তব্যে উঠে এসেছিল নীলমকে ঘিরে তাঁর তীব্র আকর্ষণের কথা। ১৯৯০ সালের একটি সাক্ষাৎকারে অভিনেতা জানিয়েছিলেন, নীলমকে বিয়ে করার জন্য তিনি সুনীতার সঙ্গে বাগদান পর্যন্ত ভেঙে দিয়েছিলেন। নীলমের প্রতি তাঁর আকর্ষণ এতটাই বেশি ছিল যে নিজেকে সামলাতে পারতেন না বলেও স্বীকার করেছিলেন তিনি।
এমনকি সেই সময় সুনীতাকে বারবার নীলমের মতো হতে বলতেন গোবিন্দা। দু’জনের মধ্যে তুলনাও করতেন বলে জানিয়েছিলেন অভিনেতা। তাঁর দাবি ছিল, সুনীতা বিয়ের জন্য চাপ না দিলে হয়তো তিনি নীলমকেই বিয়ে করতেন।
তবে গোবিন্দার সেই অনুভূতির বিপরীতে নীলমের বক্তব্য বরাবরই আলাদা। অভিনেত্রী একাধিকবার জানিয়েছেন, গোবিন্দার প্রতি তাঁর কখনোই কোনো আকর্ষণ ছিল না। ফলে পর্দার জনপ্রিয় জুটিকে ঘিরে বছরের পর বছর ধরে চলা প্রেমের গুঞ্জনের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চীনা বিজ্ঞানীরা প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ ও রুপার মজুতের সন্ধান করেছেন। গবেষকদের মতে, সমুদ্রের তলদেশে একসঙ্গে এত বেশি পরিমাণে স্বর্ণ ও রুপা পাওয়া অত্যন্ত বিরল ঘটনা। এই অনুসন্ধানটি চীনের সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়, চিংদাও ইনস্টিটিউট অব মেরিন জিওলজি এবং সাংহাই জিয়াও টং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের যৌথ প্রচেষ্টায় সম্পন্ন হয়েছে। তারা সমুদ্রতলের একটি হাইড্রোথার্মাল এলাকায় স্বর্ণ ও রুপার মজুতের সন্ধান পান।
হাইড্রোথার্মাল এলাকায় ভূগর্ভ থেকে অত্যন্ত গরম ও খনিজসমৃদ্ধ তরল সমুদ্রতলের ফাটল দিয়ে বের হয়ে আসে। দীর্ঘ সময় ধরে এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সেখানে বিভিন্ন খনিজ জমা হয়। গবেষকরা সমুদ্রের তলদেশে শঙ্কুর মতো আকৃতির তিনটি বড় খনিজ স্তর খুঁজে পেয়েছেন, যেগুলোকে হাইড্রোথার্মাল সালফাইড স্তর বলা হয়। সাধারণত এসব স্তরে তামা, দস্তা ও সিসার পাশাপাশি সামান্য পরিমাণ স্বর্ণ ও রুপা থাকে।
তবে এবারের পাওয়া নমুনায় স্বর্ণ ও রুপার পরিমাণ তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। গবেষকদের কয়েকটি নমুনায় স্থলভাগের স্বর্ণ ও রুপার আকরিকের চেয়েও বেশি ঘনত্ব পাওয়া গেছে। গবেষকদের ধারণা, ওই এলাকায় থাকা খনিজ সম্পদের অর্থনৈতিক মূল্য অনেক বেশি হতে পারে। ভবিষ্যতে এসব সম্পদ উত্তোলনের সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে সমুদ্রের গভীর তলদেশ থেকে খনিজ উত্তোলন নিয়ে পরিবেশগত নানা উদ্বেগ ও বিতর্ক রয়েছে।
প্রাথমিক গবেষণায় সমুদ্রতলের একটি বিশাল খনিজ এলাকায় স্বর্ণ ও রুপার উল্লেখযোগ্য মজুতের সন্ধান পাওয়া গেছে। গবেষকদের মতে, ওই এলাকায় থাকা খনিজের অর্থনৈতিক মূল্য অত্যন্ত বেশি। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি মার্কিন শর্ট টন আকরিতে সর্বোচ্চ ০.৪৫ ট্রয় আউন্স স্বর্ণ এবং ৩৬.৩ ট্রয় আউন্স রুপা রয়েছে। কিছু নমুনায় প্রতি টন আকরিতে স্বর্ণের পরিমাণ ১৫.৪ গ্রাম এবং রুপা ১ হাজার ২৭১ গ্রাম পর্যন্ত পাওয়া গেছে।
গবেষণা দলের অন্যতম প্রধান বিজ্ঞানী সং শিজি বলেন, বিশাল এই সমুদ্রতলীয় খনিজ এলাকায় ‘অত্যন্ত উচ্চ অর্থনৈতিক মূল্য’ রয়েছে। গবেষকদের ধারণা, ওই অঞ্চলে থাকা বহু ধাতব সালফাইডের সম্ভাব্য মজুত বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রতলীয় খনিজ মজুতগুলোর সমপর্যায়ের হতে পারে।
গত ১০ আগস্ট চীনের শেনজেন থেকে গবেষণা জাহাজ ‘শিয়াং ইয়াং হং ১০’-এ করে ১৮ দিনের অভিযান শুরু করেন গবেষকরা। অভিযানের সময় সাবমার্সিবল ব্যবহার করে তারা সাতবার সমুদ্রতলে ডুব দেন। পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের একটি ব্যাক-আর্ক বেসিনে পরিচালিত এই অভিযানে গবেষকরা বিশাল হাইড্রোথার্মাল খনিজ এলাকার সন্ধান পান।
সামুদ্রিক চলাচলের তথ্য অনুযায়ী, অভিযানের সময় গবেষণা জাহাজটি তাইওয়ানের উত্তর ও পূর্বাঞ্চল এবং ফিলিপাইনের উত্তরের জলসীমা দিয়ে চলাচল করে। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, খনিজের সন্ধান পাওয়া বেসিনটি চীনের একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলের মধ্যে অবস্থিত। তবে ওই এলাকার সুনির্দিষ্ট স্থানাঙ্ক এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পুলিশ টঙ্গীর শীর্ষ মাদক সম্রাজ্ঞী ও ২১ মামলার আসামি রুনা আক্তার (৪৫) কে গ্রেপ্তার করেছে। রবিবার দিবাগত রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ এই তথ্য প্রকাশ করে।
রুনা আক্তার টঙ্গীর কেরানীরটেক বস্তির সুমন মিয়ার স্ত্রী হিসেবে পরিচিত।
পুলিশ জানায়, টঙ্গীর কেরানীরটেক এলাকায় কুখ্যাত মাদক সম্রাজ্ঞী রুনা আক্তারের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য পেয়ে, একদল পুলিশ রবিবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার কাছ থেকে তিন শ গ্রাম গাঁজাও উদ্ধার করা হয়। রুনার বিরুদ্ধে মাদক সংক্রান্ত ২১টি মামলা রয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থেকে মাদকের ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন। গাজীপুর ও কক্সবাজারের মাদক রুটের কার্যক্রমও তিনি পরিচালনা করতেন।
টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মোহাম্মদ মাকছুদুল আলম কালের কণ্ঠকে জানান, রুনার বিরুদ্ধে ২১টি মামলা রয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
REACT 2026-এর পোস্টার উপস্থাপন বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের (CUB) দুই শিক্ষার্থী ইমাম উদ দৌলা ও সামিহা ফাতিমা জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন।
সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় পর্যায়ের এই প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে তারা এই সাফল্য অর্জন করেন। তাদের এই সাফল্য গবেষণা, উদ্ভাবন এবং শিক্ষার্থীদের মেধা ও দক্ষতায় CUB-এর অবস্থানকে তুলে ধরেছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এম. মোফাজ্জল হোসেনের স্বাগত বক্তব্যের পর, ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলামের সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
REACT 2026-এর Line Following Robot (LFR) Competition ও Project Showcase বিভাগেও CUB-এর শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। এসব প্রতিযোগিতায় জাতীয় পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব করেন অভিলাষ রেজওয়ান আজিজ, তারারনূর রহমান, মো. আরিফ হোসেন আরাফাত, মিতুল সিনহা শুরভ, ইমরান ইবনে হোসাইন, অনন্য আজিজ নিবির, মোহাম্মদ রায়হান হাবিব, ইফরাত রহমান হামিম, সামিরা সুলতানা অর্মি, এস. এম. মঈনুল ইসলাম শুভ, তানজুম মুনিরা তানিশা, আইনানি তাজরিয়ান, রুবাইয়া হক রিয়া, শিহাব উদ্দিন তোগলক ও রাফিকুল ইসলাম সেফাত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : ডেঙ্গু প্রতিরোধ এবং চলমান পরিস্থিতি মোকাবেলার লক্ষ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বিত একটি অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে স্থানীয় সরকার এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে একত্রে কাজ করতে হবে। মাঠ পর্যায়ে কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। রোগের চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধ কার্যকর—এ বিষয়টি মাথায় রেখে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমকে জোরদার করতে হবে।
আজ রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে কৌশলগত কর্মপরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, আগস্ট, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাস ডেঙ্গুর পিক পিরিয়ড হওয়ায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আগেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। বর্তমানে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় কিছুটা কম হলেও এতে আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই।
মন্ত্রী জানান, দুই দিন আগে প্রধানমন্ত্রী তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি উদ্বোধন করেছেন। তিনি নির্দেশনা দিয়েছেন যে, ডেঙ্গু যাতে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়তে না পারে। ৬৪ জেলায় একযোগে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নতুন প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করছেন এবং সমাজ পরিবর্তনে অংশীদার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, আমরা চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধকে শ্রেয় বিবেচনায় নিয়ে কাজ করব। যদি আমরা এটিকে প্রতিরোধ করতে পারি, তাহলে এটি হয়ে যাওয়ার পরে নিরাময়ের চেয়ে অনেক বেশি সহজ হবে।
মন্ত্রী জানান, সরকার ইতোমধ্যে দেশব্যাপী সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। জনগণকে সম্পৃক্ত করে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
ডেঙ্গুর দীর্ঘ ইতিহাস তুলে ধরে ড. আবদুল মঈন খান বলেন, ডেঙ্গু নতুন কোনো রোগ নয়। প্রায় দুই হাজার বছর ধরে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ এ রোগের সঙ্গে লড়াই করে আসছে।
তিনি বলেন, ইতিহাসগুলো বলছি এই কারণেই যে, যখন আমরা অ্যাকশন প্ল্যান করার কথা চিন্তা করছি, তখন এই ইতিহাসগুলো সঠিকভাবে পর্যালোচনা করলে অতীত অভিজ্ঞতা আমাদের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাকে কার্যকর করবে। তাই রোগটির ইতিহাস, পরিবেশ ও মশার বিস্তারসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো মাথায় রেখে আধুনিক প্রযুক্তির পাশাপাশি স্থানীয় বাস্তবতা ও অভিজ্ঞতাকেও কাজে লাগাতে হবে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বব্যাংকের ঢাকাস্থ অফিসের সিনিয়র অপারেশনস অফিসার ও প্রকল্পের টাস্ক টিম লিডার ইফ্ফাত মাহমুদ।
কর্মশালায় স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তা ছাড়াও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ, আইসিডিডিআরবি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, আইইডিসিআর, নিপসম, আবহাওয়া অধিদপ্তর, বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভার প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ