ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

খাবারের জন্য নাচতেন, ফুটপাতে ঘুমাতেন মিঠুন চক্রবর্তী


খাবারের জন্য নাচতেন, ফুটপাতে ঘুমাতেন মিঠুন চক্রবর্তী

বলিউডের পরিচিত মুখ মিঠুন চক্রবর্তীর ক্যারিয়ার বর্তমানে সাফল্যে ভরা। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে অভিনয়জীবনে তিনি তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ একাধিক সম্মাননা অর্জন করেছেন। তবে, এই অবস্থানে পৌঁছানোর পথ মোটেও সহজ ছিল না। অভিনয়জীবনের শুরুর দিকে খাবারের জন্য তাকে পার্টিতে নাচতে হয়েছে, এমনকি কখনো ফুটপাতেও রাত কাটাতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন এই অভিনেতা।

হিন্দুস্তান টাইমসের একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

সম্প্রতি ফারাহ খানের ইউটিউব ভ্লগে অতিথি হয়ে মিঠুন তার জীবনের শুরুর দিনের নানা ঘটনা শেয়ার করেন। সেখানে উঠে আসে তার কঠিন সময়ের গল্প।

আরও পড়ুন: বলিউডে প্রতিভার সঠিক মূল্যায়ন হয় না: মনোজ বাজপেয়ী

ফারাহ খান জানান, তার চাচা কে কে শুক্লা চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য লিখতেন এবং সেই সূত্রে মিঠুনের পরিবারের সঙ্গে তাদের পরিচয় ছিল। ফারাহর ভাষ্য অনুযায়ী, মিঠুনের বাবা বিভিন্ন পার্টিতে নাচতেন, বিনিময়ে পারিশ্রমিক না নিয়ে খাবার নিয়ে বাড়ি ফিরতেন।

ফারাহ বলেন, তখন মিঠুনকে পার্টিতে ডেকে নেওয়া হতো কারণ তিনি ভালো নাচতে পারতেন। নাচের বিনিময়ে কোনো টাকা নিতেন না, শুধু রাতে খাওয়ার সুযোগ পেতেন। ফারাহর মতে, অনেকে সহজেই নিজের জীবনের কঠিন সময়কে ‘সংগ্রাম’ বলেন, কিন্তু মিঠুনের সেই সময়ের অভিজ্ঞতা ছিল তার চেয়েও কঠিন।

নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে মিঠুন জানান, তার সংগ্রাম ছিল ‘সংগ্রামেরও বাইরে’। তিনি বলেন, জীবনের কঠিন সময়ে তাকে রাস্তায় ও ফুটপাতে ঘুমাতে হয়েছে।

মিঠুন বলেন, কখনো কখনো হাঁটতে হাঁটতে এতটাই ক্লান্ত হয়ে পড়তেন যে ফুটপাতেই ঘুমিয়ে যেতেন। ঘুম ভাঙার পর নিজেকে ফুটপাতেই দেখতে পেতেন। এমনকি কয়েকবার বাগানেও রাত কাটানোর কথা জানান তিনি।

আরও পড়ুন: মাহিরা খান-ওয়াহাজ আলীর নতুন নাটকে দর্শক মজেছেন

ফারাহ আরো বলেন, জুনিয়র আর্টিস্ট হিসেবে যাত্রা শুরু করে মিঠুনের মতো বড় তারকায় পরিণত হওয়ার নজির খুব বেশি নেই।

মিঠুন চক্রবর্তীর আসল নাম গৌরাঙ্গ চক্রবর্তী। ১৯৭৬ সালে মৃণাল সেনের ‘মৃগয়া’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়ে অভিষেক ঘটে তার। সিনেমাটিতে অভিনয়ের জন্য তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সেরা অভিনেতার সম্মান লাভ করেন।

এরপর ‘সুরক্ষা’ সিনেমার মাধ্যমে তার জনপ্রিয়তার নতুন অধ্যায় শুরু হয়। আশির দশকে ‘ডিস্কো ড্যান্সার’, ‘ড্যান্স ড্যান্স’, ‘পেয়ার ঝুকতা নেহি’, ‘কসম পয়দা করনে ওয়ালে কি’ ও ‘কমান্ডো’ সিনেমায় অভিনয় করে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

চার দশকেরও বেশি সময়ের ক্যারিয়ারে হিন্দি, বাংলা ও বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষার ৩৫০টির বেশি সিনেমায় অভিনয় করেছেন মিঠুন। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি প্রযোজনা ও ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন।

আরও পড়ুন: পরিণীতি চোপড়ার জন্মদিনে রাঘব চাড্ডা নিজেকে ‘বিশ্বের সবচেয়ে ভাগ্যবান স্বামী’ বললেন

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের পাশাপাশি চারটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কারও পেয়েছেন এই অভিনেতা। ২০২৪ সালে ভারত সরকার তাকে পদ্মভূষণে সম্মানিত করে। একই বছর ভারতীয় চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য তিনি দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারও পান।

তবে, তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারের ঝলমলে সাফল্যের পেছনে যে কঠিন সময় ও অনিশ্চয়তা ছিল, ফারাহ খানের ভ্লগে উঠে আসা সেই গল্প নতুন করে আলোচনায় এনেছে মিঠুনের জীবনের শুরুর অধ্যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৌলভীবাজারে ডেঙ্গুতে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:০৭ পি.এম


মৌলভীবাজারে ডেঙ্গুতে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে রাকিবুল ইসলাম (৩৫) নামের এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু ঘটেছে। তিনি রবিবার দিবাগত রাত ৩টা ২০ মিনিটে সিলেটের মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

রাকিবুল ইসলাম হবিগঞ্জ শহরের শায়েস্তানগর পৌর এলাকার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ছিলেন এবং জামাল হোসেন ভূঁইয়ার পুত্র। তিনি কমলগঞ্জ উপজেলার ভানুগাছ বাজারে ‘নাবা ডিজিটাল সাইন’-এর মালিক ছিলেন।

রাকিবুলের চাচাতো ভাই সোহেল মিয়া জানিয়েছেন, তিনি কয়েকদিন ধরে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত ছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে সিলেটের মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার আরও অবনতি ঘটলে তাকে আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার দিবাগত রাত ৩টা ২০ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।

ভানুগাছ বাজারের ব্যবসায়ী রাজন আবেদীন রাজু মন্তব্য করেন, রাকিবুল ইসলাম ছিলেন মিশুক, সদালাপী এবং পরিশ্রমী। ব্যবসার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। তার আকস্মিক মৃত্যুতে ভানুগাছ বাজার ও শায়েস্তানগর এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. শাকুর আহমেদ বলেন, সিলেটে মৃত্যু হওয়ার কারণে হয়তো আমাকে জানানো হয়নি। তবে যদি তিনি এখানে চিকিৎসা নিতেন, তাহলে হয়তো আমি সেটা জানতে পারতাম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রবাসী বন্ধুর সঙ্গে স্ত্রীর বিয়ে-২ সপ্তাহ পর আব্দুল্লাহর করুণ পরিণতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:০৮ পি.এম


প্রবাসী বন্ধুর সঙ্গে স্ত্রীর বিয়ে-২ সপ্তাহ পর আব্দুল্লাহর করুণ পরিণতি

প্রবাসী বন্ধুর সঙ্গে স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি জানার পর যুবক নিজেই স্ত্রীকে সেই বন্ধুর সঙ্গে মোবাইল ফোনে বিয়ে দেন। সেই বিয়ের কাবিননামায় সাক্ষী হিসেবে তিনি সইও করেন। ঘটনার দুই সপ্তাহ পর ওই যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১১টার দিকে যশোরের মনিরামপুরের কাশিমনগর ইউনিয়নের মান্দারতলায় নিজ বাড়ি থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

যুবকের নাম আব্দুল্লাহ মিথুন (২৮)। তিনি ওই এলাকার মশিয়ার রহমানের ছেলে।

মৃত আব্দুল্লাহর স্বজনদের দাবি, আব্দুল্লাহর স্ত্রী সাথী (২৬) দুই সন্তানের জননী। তিনি মালয়েশিয়াপ্রবাসী সুমনের সঙ্গে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। সম্প্রতি মোবাইল ফোনে ওই যুবককে বিয়েও করেছেন। এরপর সাথী নানাভাবে নির্যাতন করে মিথুনকে হত্যা করেছেন।

আব্দুল্লাহর চাচা এনায়েত হোসেন বলেন, ‘আব্দুল্লাহর স্ত্রী সাথী ১৫ থেকে ২০ দিন আগে সুমন নামের এক ছেলেকে বিয়ে করেছে। এরপর সুমনের পরামর্শে সাথী আব্দুল্লাহকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে। আমরা সুমন ও সাথীর বিচার চাই।’

সরেজমিনে জানা যায়, নির্মাণশ্রমিক আব্দুল্লাহ ১০ বছর আগে একই উপজেলার মধুপুর গ্রামের সাথীকে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন। তাদের সংসারে ৬ ও ৪ বছর বয়সী দুটি ছেলে সন্তান রয়েছে। তাদের সংসার ভালোই চলছিল। আব্দুল্লাহ ও তার প্রতিবেশী সুমন একসঙ্গে বড় হয়েছেন। সেই সূত্রে সাথীর সঙ্গে সুমনের পরিচয় হয়। চার বছর আগে সুমন মালয়েশিয়ায় চলে যান। পরে দেশে এসে কয়েক দিন বাড়িতে থাকার পর তিন মাস আগে আবার মালয়েশিয়ায় চলে যান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একপর্যায়ে সুমনের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়ান সাথী। বিষয়টি আব্দুল্লাহ টের পেয়েছিলেন। স্ত্রীকে অনেক বুঝিয়েও ফেরাতে ব্যর্থ হয়ে অবশেষে তিনি নিজে উপস্থিত থেকে কাজি অফিসে নিয়ে সাথীকে সুমনের সঙ্গে বিয়ে দেন।

আব্দুল্লাহর মা রওশনারা বলেন, ‘এসব কিছু আমরা জানতে পারিনি। আমার ছেলেকে মানসিকভাবে চাপ দিত তার বউ। রবিবার রাতে ওদের মধ্যে ঝগড়া হয়। কিছুক্ষণ পরে বউ দৌড়ে এসে বলে, আমার ছেলে আত্মহত্যা করেছে। আমার ধারণা, বউ গলায় গামছা জড়িয়ে আমার ছেলেকে মেরে ফেলেছে। পরে লাশ বারান্দায় আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখেছে।’

আব্দুল্লাহর মৃত্যুর খবর পেয়ে প্রতিবেশীরা ছুটে এলে স্বামীর মরদেহ রেখে সাথী ঘরে ঢুকে দরজা আটকে বসে থাকেন বলে জানান এক প্রতিবেশী। পরে দরজা ভেঙে তাকে বের করা হয়।

আব্দুল্লাহর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও পল্লিচিকিৎসক মোবাশের আল মুবিন বলেন, ‘আব্দুল্লাহ আমার ছোটবেলার বন্ধু। তিন দিন আগে ওর সঙ্গে আমার দেখা হয়। তখন ওর মন খারাপ ছিল। দেখলাম, ও একটা নম্বরে ফোন করে কান্নাকাটি করছে, মাফ চাচ্ছে। আমি জানতে চাইলে ও (আব্দুল্লাহ) বলে, ‘বন্ধু, আমি একটা ভুল করে ফেলেছি। আমি আমার স্ত্রীকে (সাথী) নিজে উপস্থিত থেকে অন্য স্থানে বিয়ে দিয়েছি। ছেলেটির নাম সুমন। সম্পর্কে আমার চাচাতো ভাই।’

মুবিন আরো বলেন, ‘আমি কারণ জানতে চাইলে বলে, ‘আমাকে বাসা থেকে বিভিন্নভাবে চাপ দিচ্ছিল। সাথী আমাকে নানাভাবে ব্ল্যাকমেল করেছে। আমার দুই ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে এ কাজ করেছি।’

অভিযোগের বিষয়ে সাথী বলেন, ‘কয়েক দিন আগে আমার স্বামী সুমনকে মোবাইল ফোনে কল করে বলে, ‘তুই আমার একটা কথা রাখ। আমার স্ত্রী-সন্তানের দায়িত্ব নে। সুমন প্রথমে রাজি ছিল না। পরে আমার স্বামী চাপ দিয়ে ওকে রাজি করিয়েছে।’

সাথী আরো বলেন, ‘আব্দুল্লাহ আমাকে গা ছুঁয়ে শপথ করায় সুমনকে বিয়ে করতে রাজি হতে বাধ্য করে। ১৪ সেপ্টেম্বর এসব কথা হয়। আমি রাজি ছিলাম না। পরে ১৬ সেপ্টেম্বর যশোরের নওয়াপাড়ার ধোপাদি এলাকার একটি কাজি অফিসে নিয়ে সুমনের সঙ্গে বিয়ে দেয়। আমার স্বামী ওই কাগজে সাক্ষী হিসেবে সই করে।’

এসব নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয় জানিয়ে সাথী বলেন, ‘আমি আমার আব্বাকে সব খুলে বলতে চাই। একপর্যায়ে ও গলায় গামছা জড়িয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলে আত্মহত্যা করে।’

বিদেশে থাকায় অভিযোগের বিষয়ে সুমনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সুমনের ভগ্নিপতি রাকিব হোসেন দাবি করেন, ‘আব্দুল্লাহর মৃত্যুর পর আমরা বিষয়টি জেনেছি। পরে আমরা সুমনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। সুমন বিয়ের বিষয়টি অস্বীকার করেছে। আব্দুল্লাহ ও সুমনের সম্পর্ক ছিল বন্ধুত্বের।’

মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাঈদ বলেন, আত্মহত্যার খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মরদেহের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেপালে প্রবল বৃষ্টিতে বন্যা-ভূমিধসে প্রাণহানি বেড়ে ২৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:০৮ পি.এম


নেপালে প্রবল বৃষ্টিতে বন্যা-ভূমিধসে প্রাণহানি বেড়ে ২৪

টানা ভারি বৃষ্টি ও ঝড়ের ফলে নেপালের বিভিন্ন অঞ্চলে মারাত্মক বন্যা এবং ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। এই বিপর্যয়ের ফলে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ২৪ জনে পৌঁছেছে। এছাড়া, ১৪ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মাসখানেক আগে হড়পা বানে বিধ্বস্ত হয়েছিল নেপাল। হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল এবং একের পর এক গ্রাম কার্যত নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। সেই ধাক্কা থেকে সেরে ওঠার আগেই আবারও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে বিধ্বস্ত হয়েছে হিমালয়ের কোলে অবস্থিত এই ছোট্ট দেশটি।

সোমবার কালী গণ্ডোকী নদীসংলগ্ন এলাকায় বিপর্যয় নেমে আসে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, পাহাড়ে ব্যাপক ধস নেমেছে। স্থানীয়রা চোখের সামনে পাহাড় ভেঙে পড়ার দৃশ্য দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

এই ভয়ংকর ভিডিও দেখে নেটিজেনরা মন্তব্য করেছেন যে, এমন ঘটনা সাধারণত সিনেমাতেই দেখা যায়। আস্ত পাহাড়ের বিশাল অংশ ভেঙে পড়া বাস্তবে কল্পনা করাও অত্যন্ত কঠিন।

এর আগে গত রবিবার তিব্বত সীমান্তে তুষারধসে লণ্ডভণ্ড হয়েছিল। হিমলাং হিমল শৃঙ্গের বেস ক্যাম্পের কাছে এই তুষার ধসের ঘটনা ঘটে। সেখানে অন্তত ১০ জন নিখোঁজ রয়েছে। পরদিনই আবার এই প্রাকৃতিক বিপর্যয় নেপালে দেখা দিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতের কাছে ১০-০ ব্যবধানে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ হকি দল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:০৯ পি.এম


ভারতের কাছে ১০-০ ব্যবধানে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ হকি দল

বাংলাদেশের কাছে টানা দুই জয়ের আত্মবিশ্বাস ছিল। তবে আজ সেই আত্মবিশ্বাস কোনো কাজে আসেনি। বরং ভারতের কাছে বিধ্বস্ত হয়েছে বাংলাদেশ হকি দল। প্রতিপক্ষের কাছে ১০-০ ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ।

জাপানের কাওয়াসাকি জুকো স্টেডিয়ামে ম্যাচের তৃতীয় মিনিটেই পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। অভিষেক ভারতকে লিড এনে দেন। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে বাংলাদেশ জোড়া গোল খায়। ২২ মিনিটে পেনাল্টি স্ট্রোক থেকে ব্যবধান বাড়ান জুগরাজ সিং। অন্যদিকে ২৭ মিনিটে অধিনায়ক হারমানপ্রীত সিং পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করেন।

তৃতীয় কোয়ার্টারের শুরুতেই ৩২ মিনিটে সুখজিৎ সিং ব্যবধান ৪-০ করেন। সেই গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই ৪০ মিনিটে হার্মানপ্রিত আরেকটি পেনাল্টি কর্নার থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন।

শিলানন্দ লাকরা ২ মিনিটের ব্যবধানে জোড়া গোল পান। ৪৪ ও ৪৫ মিনিটে তিনি গোল দুটি করেন। বিপরীতে ৪৫ মিনিটে আরেকটি গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন হারমানপ্রীত সিং। শেষ দুই মিনিটে স্কোরকার্ডে নাম তোলেন সঞ্জয় ও মানদীপ সিং। সঞ্জয়ের ৫৯তম মিনিটের বিপরীতে শেষ মিনিটে ১-০ ব্যবধান করেন মানদীপ।

এর আগে বাংলাদেশ টানা দুই হারে এশিয়ান গেমস শুরু করেছিল। প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৫-০ গোলে হেরে শুরু হয়েছিল। ফিরতি হার ছিল স্বাগতিক জাপানের বিপক্ষে, ৬-১ গোলের। এরপর বাংলাদেশ জয়ে ফিরে। নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে ৫-১ গোলে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে টুর্নামেন্টে প্রথম জয় পায় বাংলাদেশ। ফিরতি ম্যাচে ইন্দোনেশিয়াকে ৩-১ গোলে হারায়।

বাংলাদেশ এখন স্থান নির্ধারনী ম্যাচ খেলবে। প্রতিপক্ষ চীন। পঞ্চম থেকে অষ্টম স্থানের ম্যাচটি আগামী ১ অক্টোবর কাওয়াসাকি জুকো স্টেডিয়ামেই অনুষ্ঠিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%