মো: তুহিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
১২:০৮ পি.এম
নওগাঁ ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বাঙ্গাবাড়ি সীমান্তে ভারত থেকে ২৮ জন বাংলাদেশিকে পুশ-ইনের (জোরপূর্বক ঠেলে দেওয়ার) চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সতর্ক অবস্থানের কারণে তারা সফল হতে পারেনি। বর্তমানে ওই ব্যক্তিরা দুই দেশের শূন্য রেখায় (নো-ম্যানস ল্যান্ড) অবস্থান করছেন।
সীমান্ত সূত্র জানায়, আজ ০৪ জুন ২০২৬ তারিখ আনুমানিক ভোর ০৩:০০ ঘটিকায় বাঙ্গাবাড়ি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ২০৩/৬-আর দিয়ে ভারতের ১২ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের আশরাফপুর ক্যাম্পের জোয়ানরা ২৮ জন ব্যক্তিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পুশ-ইন করার চেষ্টা করে। ভুক্তভোগীদের মধ্যে ১২ জন পুরুষ, ১০ জন নারী এবং ০৬ জন শিশু রয়েছে।
পুশ-ইনের সংবাদ পাওয়ার পরপরই বাঙ্গাবাড়ি বিওপির একটি চৌকস টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। বিজিবি সদস্যরা ওই ব্যক্তিদের ভারতীয় সীমান্তের শূন্য লাইনের অভ্যন্তরে অবস্থানরত অবস্থায় শনাক্ত করে এবং তাদের বাংলাদেশে প্রবেশে বাধা দেয়।
সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, পরিস্থিতি থমথমে রয়েছে। ভারতীয় বিএসএফ সীমান্ত এলাকায় তাদের জনবল বৃদ্ধি করেছে এবং বিভিন্ন পোস্টে অবস্থান নিয়েছে। বিএসএফের পক্ষ থেকে যেকোনো সময় ওই ২৮ জন ব্যক্তিকে পুনরায় পুশব্যাক (জোরপূর্বক বাংলাদেশে পুশ) করার চেষ্টা করা হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবির পক্ষ থেকে সীমান্ত এলাকায় টহল ও নজরদারি ব্যাপক হারে জোরদার করা হয়েছে। বিজিবি অত্যন্ত সতর্ক অবস্থানে থেকে সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আবদুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি ঘোষণা করেছে। সভাপতি হচ্ছেন আবদুল মোনায়েম মুন্না। সিনিয়র সহ-সভাপতির ভূমিকা গ্রহণ করেছেন রেজাউল কবীর পল। সহ-সভাপতি হিসেবে রয়েছেন জিয়াউর রহমান জিয়া, কামাল আনোয়ার আহাম্মদ, মাহফুজুর রহমান মাহফুজ, জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, শাহ আলম চৌধুরী, সাইদুর রহমান, সাব্বির আহমেদ দিপু, আবদুল জব্বার খান, খন্দকার এনামুল হক এনাম, শরীফ উদ্দীন জুয়েল, ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ, রফিক আহমেদ ডলার, সাইদ ইকবাল মাহমুদ টিটু, মোহাম্মদ ফিরোজ আবদুল্লাহ, মাহমুদুস সালেহীন, আতিকুর রহমান আতিক, জাকির হোসেন উজ্জল, এইচ এম তসলিম উদ্দিন, নাজমুল আলম নাজু, মোঃ আনোয়ারুল হক, আবু সাঈদ আহমেদ (যুক্তরাষ্ট্র), রহিম উদ্দিন (যুক্তরাজ্য), ফেরদৌস আহমেদ মুন্না, তরিকুল ইসলাম টিটু, ডা. লোহানী মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, মঞ্জুরুল আজিম সুমন, আজিজুর রহমান আকন্দ, নুরুল ইসলাম সোহেল (দপ্তরের দায়িত্বে)। সাধারণ সম্পাদক হলেন মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন। ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিল্লাল হোসেন তারেক। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্বে থাকবেন মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, মনিরুল ইসলাম সোহাগ, আবু আতিক আল হাসান মিন্টু, শাহ নাসির উদ্দিন রুমন, কফিল উদ্দিন ভূইয়া, মঈনুদ্দীন রুবেল, আজহারুল ইসলাম মিলন, এজমল হোসেন পাইলট, ইখতিয়ার রহমান কবির, রবিউল ইসলাম নয়ন, সাজ্জাদুল মিরাজ, মিঞা মোহাম্মদ রাসেল, আবদুল করিম সরকার, শফিকুল ইসলাম শফিক, গোলাম মোস্তফা, আবুল মনসুর খান দীপক, খন্দকার আল আশরাফ মামুন, আইয়ুব খান, শামসুজ্জোহা সুমন, তারেক উজ জামান তারেক, শোয়াইব খন্দকার, আশরাফুর রহমান বাবু, আসাদুজ্জামান আসাদ, মোঃ আবদুল ওয়াহাব, হারুন অর রশীদ হিরো (সৌদি আরব), এম তমাল আহমেদ, সাজেদুল ইসলাম, মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া (দপ্তরের দায়িত্বে) এবং আরও অনেকে। সংগঠনটির অধীনে সহ সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক, প্রচার সম্পাদক, আইন বিষয়ক সম্পাদক এবং অন্যান্য বিভাগের সম্পাদকত্বে দায়িত্বে রয়েছেন অনেকেই। ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটি যুবদলের বিভিন্ন কার্যক্রম এবং পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়ক হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের শ্রীপুরে নিখোঁজ থাকার ৩০ ঘণ্টা পর কাঁচামাল ব্যবসায়ী নাঈমের (২৭) হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে পুলিশ কর্তৃক। শুক্রবার (৪ জুন) সকালে উপজেলার বরমী ইউনিয়নের বরকুল গ্রামের মহিলা মাদ্রাসার পেছনে (শেখেরঘাট) থেকে উদ্ধার করা হয় নাঈমের মরদেহ।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নাঈম বরমী ইউনিয়নের বড়নল গ্রামের জামাল উদ্দিনের ছেলে। সে প্রতি বুধবার বরমী বাজারে কাঁচা মালের ব্যবসা করতো। এ ছাড়া, বাড়ির পাশে একটি পুকুর ভাড়া নিয়েছিল এবং সেখানে মাছ চাষের প্রকল্পে মাছ পালন করতো।
নাঈমের বাবা জামাল উদ্দিন বলেন, মঙ্গলবার (২ জুন) রাত পৌনে ১২টার দিকে নাঈম বাড়ির পাশে পুকুরে তার মাছের প্রজেক্ট দেখার জন্য টর্চ লাইট নিয়ে বের হয়ে যায়। কিন্তু সে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাড়িতে ফিরে না আসায় তিনি তার মুঠোফোনে কল করেন, কিন্তু ফোনটি কেটে দেয়। পরবর্তী সময়ে আবার ফোন দিলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। সকাল হলেও বাড়িতে না আসায় সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও নাঈমের সন্ধান পাওয়া যায়নি।
বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয়রা বরকুল গ্রামের মহিলা মাদ্রাসার পেছনে (শেখেরঘাট) স্থানে হাত-পা বাঁধা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নাঈমের মরদেহ উদ্ধার করে।
শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হুমায়ুন কবির বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল করা হচ্ছে। পরে এই মরদেহ গাজীপুর শহীদ তাজ উদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে।
ওসি আরও জানান, এরই মধ্যে পুলিশ রহস্য উদঘাটনের কাজে মনোযোগ দিয়েছে। এই ঘটনার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ায় নদীতে গোসল করতে গিয়ে এক কিশোরের মৃত্যু ঘটেছে।
বুধবার (৩ জুন) দুপুরে গাবতলী উপজেলার দুর্গাহাটা ইউনিয়নের বটিয়াভাঙ্গা গ্রামে সুখদহ নদীতে এই দুঃখজনক ঘটনা ঘটে।
নিহত কিশোরটি মেহেদী হাসান (১৪) বলে পরিচিত, যিনি গাবতলী সদর ইউনিয়নের তরফ সরতাজ দক্ষিণপাড়া গ্রামের জুয়েল প্রামাণিকের সন্তান।
স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার দুপুরে মেহেদী সুখদহ নদীতে গোসল করতে নেমেছিল। এক সময়, সে পানিতে তলিয়ে যায়। পরবর্তীকালে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও, ততক্ষণে তার মৃত্যু ঘটে।
গাবতলী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিব হোসেন জানিয়েছেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘটনার তদন্ত করেছে। তারা এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে চারটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত সাড়ে ১২টার সময় কালাচাঁন মিষ্টির দোকান থেকে আগুন লাগার ঘটনা শুরু হয়। পরে আগুন দ্রুত পাশের মোবাইল রিচার্জের দোকান, মুদি দোকান এবং কনফেকশনারি দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। এ অগ্নিকাণ্ডের ফলে দোকানগুলোর মালামাল, আসবাবপত্র এবং বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী পুড়ে যায়।
ঘটনার খবর পেয়ে সিংগাইর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে কার্যক্রম শুরু করে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রায় ৪০ মিনিটের চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. সাদেক এই ঘটনার বিষয়ে বলেন, ‘গভীর রাতে দোকানগুলো বন্ধ থাকায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। কিন্তু আগুনে অনেক মূল্যবান মালামাল পুড়ে গেছে, ফলে ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।’
সিংগাইর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. মহিবুর রহমান ঘটনার বর্ণনা দিয়ে জানান, খবর পেয়ে আমাদের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। স্থানীয় নাগরিকদের সহযোগিতায় প্রায় ৪০ মিনিটের প্রচেষ্টার পর আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়ে ওঠে।
প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে অগ্নিকাণ্ডের ফলে চারটি দোকানের প্রায় ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ