বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০১:৫৫ এম
টানা অতি বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের প্রভাবে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। প্রবল স্রোতে নদী তীর ধসে একের পর এক বসতঘর, ফসলি জমি ও গ্রামীণ সড়কের অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে নদী তীরবর্তী শতাধিক পরিবার চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাতে বাধ্য হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই তাদের ঘরবাড়ি হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন, আবার কেউ কেউ ভাঙনের আতঙ্কে বসতঘর খুলে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন। এর পাশাপাশি মৌসুমী সবজি, আউস, আমনের বীজতলা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে এবং প্রায় ২ শতার্ধিক পুকুরের মাছ নদীর পানিতে ভেসে গেছে।
উপজেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে উপজেলার সোনাই ও কাষ্টি নদী ভেঙ্গে বহরা, চৌমুহনী, শাহজাহানপুর, ছাতিয়াইন, বুল্লা, বাঘাসুরা এবং পৌরসভা এলাকার একাংশ পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে মৌসুমী সবজি, আউস, আমনের বীজতলার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এবং প্রায় ২ শতার্ধিক পুকুরের মাছ নদীর পানিতে ভেসে গেছে। আজও বৃষ্টি পড়া বন্ধ না হওয়ায় নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে নদীতে তৈরি হওয়া তীব্র স্রোত তীরবর্তী এলাকায় ব্যাপক ভাঙনের সৃষ্টি করছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকাগুলি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত জনপদে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে।
ভুক্তভোগী জসিম মিয়া জানান, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে নদী ভাঙন দেখা দিলেও এবারের পরিস্থিতি অতীতের তুলনায় অনেক বেশি ভয়াবহ দেখা যাচ্ছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি গ্রামের অসংখ্য পরিবার তাদের বসতভিটা হারিয়েছে। নদীগর্ভে চলে গেছে আবাদি জমির একটি বড় অংশ। এর ফলে একদিকে মাথা গোঁজার ঠাঁই হারানোর শঙ্কা, অন্যদিকে জীবিকার প্রধান অবলম্বন কৃষিজমি হারানোয় কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। নদী ভাঙনের কারণে একাধিক গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় স্থানীয় যোগাযোগ ব্যবস্থাও ব্যাহত হচ্ছে। অনেক এলাকায় যান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ভাঙনের বিস্তার অব্যাহত থাকায় জনদুর্ভোগ দিন দিন বাড়ছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সজিব সরকার জানিয়েছেন, টানা অতি বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মৌসুমী সবজি, আউস, আমনের বীজতলার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। মাঠে আমার কর্মীরা কাজ করছেন এবং বিকালে ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবু আসাদ ফরিদুর রহমান বলেছেন, উপজেলায় প্রায় ২ শতার্ধিক পুকুর নিমজ্জিত হয়ে মাছগুলো পানিতে ভেসে গেছে। চৌমুহনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মাহবুবুর রহমান সোহাগ জানিয়েছেন, নদী ভাঙনের কারণে একাধিক গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য এবং পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন আল রনি জানিয়েছেন, হবিগঞ্জ-৪(মাধবপুর-চুনারুঘাট আসনের) সংসদ সদস্য এস.এম. ফয়সল মহোদয়ের নির্দেশে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীরা পরিদর্শন ও সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে এবং ভাঙনরোধে জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা তৈরি করে সরকারি সহায়তা ও পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। তিনি আরও জানান, মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের ত্রাণ তহবিল থেকে জরুরি খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টানা বর্ষণের ফলে চায়ের রাজধানী শ্রীমঙ্গলের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার সকালে ৬টা থেকে বুধবার দুপুর ৩টা পর্যন্ত ৩৩ ঘণ্টায় শ্রীমঙ্গলে ১৬২.৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। স্থানীয় আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের তথ্যমতে, দুপুরের পরও বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে।
একটানা বৃষ্টির কারণে শহর ও উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ছন্দপতন ঘটেছে। প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া লোকজনকে ঘরের বাইরে বের হতে দেখা যায়নি। বাজার এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে মানুষের উপস্থিতিও তুলনামূলক কম ছিল। মুষলধারে বৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েন স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা। অনেক শিক্ষার্থী ভিজে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে বাধ্য হয়েছে। অভিভাবকদেরও সন্তানদের নিয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।
একই সাথে অফিসগামী চাকরিজীবী ও বিভিন্ন পেশার মানুষকে ভিজেই কর্মস্থলে যেতে দেখা গেছে। বিশেষ করে রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল চালকদের চলাচলে ভোগান্তি বেড়ে যায়। দেশের অন্যতম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে শ্রীমঙ্গলে বর্ষা মৌসুমে ভারী বৃষ্টিপাত নতুন কিছু নয়। তবে টানা বর্ষণে চা-বাগানের স্বাভাবিক কার্যক্রমও কিছুটা ব্যাহত হয়েছে। অনেক শ্রমিককে প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেই কাজ করতে হয়েছে, আবার কোথাও কোথাও কাজের গতি কমে এসেছে।
স্থানীয় আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ুর সক্রিয় প্রভাবের কারণে এই অঞ্চলে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, টানা বৃষ্টিতে দৈনন্দিন কাজকর্ম ব্যাহত হওয়া ছাড়াও নিম্ন আয়ের মানুষের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তাদের পক্ষে ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর হামলার হুমকির প্রতিক্রিয়ায় ইরান পাল্টা কড়া বার্তা দিয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে জানায়, ইরানের বিরুদ্ধে যদি কোনো হামলা হয়, তাহলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে সমস্ত ধরনের সামুদ্রিক চলাচল বন্ধ করে দেয়া হবে এবং প্রতিটি হামলার জবাবে দ্বিগুণ প্রতিশোধ নিচ্ছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি-এর ইংরেজি চ্যানেল প্রেস টিভি জানায়, ইরানের কোনো লক্ষ্যবস্তুতে হামলা হলে দেশের পক্ষ থেকে পাল্টা অন্তত দুটি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানবে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি দিয়ে সকল ধরনের নৌ চলাচল বন্ধ করার হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে।
সূত্রটি আরো জানায়, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও এই অঞ্চলের অংশীদারদের মধ্যে ইরান কোনো পার্থক্য করে না।’
অন্যদিকে, ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) থেকে ঘনিষ্ঠ তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসলামাবাদে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির ‘মৃত্যু’ ট্রাম্প ‘আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা’ করেছেন।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে তাদের মিত্রদের মোকাবিলা করতে ইরানের এখন ‘আরও স্পষ্ট ম্যান্ডেট’ রয়েছে।
এর আগে, ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতার একজন জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা সতর্ক করে জানান, পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হলে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ‘আগুন’ ছড়িয়ে পড়তে পারে।
এদিকে, ইরানের সঙ্গে সংঘাতকে ‘একটি অত্যন্ত বড় সামরিক সাফল্য’ হিসেবে উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেছেন, এর ফলে তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত হয়েছে। তিনি বুধবার (৮ জুলাই) তুরস্কের আঙ্কারায় সাংবাদিকদের বলেন, ইরানের আলোচকরা ‘একটু পাগলাটে’ এবং ‘একটু উন্মাদ’। তিনি দাবি করেন, ‘এক দিনের মধ্যে তাদের সব বিমানবিধ্বংসী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শেষ হয়ে গেছে... সবকিছু শেষ। তাদের নেতারাও আর নেই।’
তিনি আরো বলেন, “তাদের আরেক দল নেতা আছে, তারাও হয়তো আর থাকবে না। কে জানে? আমিও নাও থাকতে পারি, কারণ আমি তাদের এক নম্বর লক্ষ্যবস্তু।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাগেরহাটের চিতলমারীতে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে মোবাইল ফোন এবং মোটরসাইকেল নিয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা দপ্তরের আয়োজনে গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সব মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক এবং মাদ্রাসার সুপারদের নিয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায়।
সভায় উল্লেখ করা হয় যে, শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন আসক্তি দূর করা, লেখাপড়ার প্রতি মনোযোগ বৃদ্ধি করা এবং তাদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনের লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. আল-মামুন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনও খাদিজা আক্তার।
এছাড়াও বক্তব্য রেখেছেন একাডেমিক সুপারভাইজার প্রদীপ কুমার ভৌমিক, শৈলাদাহ বাকপুর কারামতিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মিজানুর রহমান, উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি আব্দুস লালাম এবং চিতলমারী আলিম মাদ্রাসার সুপার মাওলানা ইদ্রিসুর রহমান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে যমুনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অপরাধে ৫ জনকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত বুধবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার পিংনা ইউনিয়নের গোপালগঞ্জ পশুর হাটসংলগ্ন যমুনা নদীর পাড় এলাকায় অভিযানের মাধ্যমে এই দণ্ডাদেশ প্রদান করে।
এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা আফসানা। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন তারাকান্দি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পুলিশ পরিদর্শক মো. মোহেব্বুল্লাহ সরকার, মো. জুলহাস উদ্দিন এবং উপজেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ।
অভিযানের সময় সেখান থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনের জন্য ব্যবহৃত একটি বলগেটও জব্দ করেছে পুলিশ।
দণ্ডপ্রাপ্ত ৫ জনের মধ্যে রয়েছেন ভুয়াপুর উপজেলার পুংলিপাড়া গ্রামের মৃত নুর হোসেনের ছেলে নাসির উদ্দিন (৪২), একই এলাকার মৃত বাছেদ মিয়ার ছেলে মিনহাজ উদ্দিন (২৭), হাছেন মিয়ার ছেলে হানিফ মিয়া (২৮), বড় জয়পুর গ্রামের আব্দুল খাঁর ছেলে নাজমুল হোসেন (২৭) এবং চন্ডীপুর গ্রামের শহর তালুকদারের ছেলে আজমান তালুকদার।
ভ্রাম্যমাণ আদালত ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পিংনা ইউনিয়নের যমুনা নদীর তীরবর্তী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র অবৈধভাবে ড্রেজার ও বলগেট ব্যবহার করে বালু উত্তোলন করছিল। এর ফলে যমুনা নদীর তীরবর্তী বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ভাঙন দেখা দেয়। এলাকাবাসীর এমন অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলা প্রশাসন ও তারাকান্দি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ যৌথভাবে ওই এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের সময় নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অপরাধে ৫ জনকে আটক করা হয়।
এ ব্যাপারে ইউএনও ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা আফসানা জানিয়েছেন, যমুনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সংবাদ পেয়ে ওই এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় ঘটনা জড়িত ৫ জনকে আটক করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাদেরকে এক মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার সকালে তাদের কারাগারে পাঠানোর কথা রয়েছে, জানান পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ