ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের ভোটকেন্দ্রের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ


ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের ভোটকেন্দ্রের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের জন্য ভোটকেন্দ্রের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। নির্বাচন কমিশন মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) এই তালিকাটি প্রকাশ করে।

বিস্তারিত আসছে...

আরও পড়ুন: শারদীয় দুর্গাপূজার মহাষ্টমী উপলক্ষে আজ সারা দেশে বন্ধ স্বর্ণ বেচাকেনা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাইপ্রাসে বাংলাদেশি যুবককে হত্যার দায়ে ২২ বছরের যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:১৬ পি.এম


সাইপ্রাসে বাংলাদেশি যুবককে হত্যার দায়ে ২২ বছরের যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

সাইপ্রাসের একটি আদালত মঙ্গলবার ২২ বছর বয়সী বাংলাদেশি নাগরিক শাহরিয়ার আহমেদ ইমনকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছে। পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।

আদালতের তথ্য অনুযায়ী, দণ্ডপ্রাপ্ত ওই ঘাতকও ২২ বছর বয়সী। গত ৭ জুন একটি বাসে ইমনের সাথে তার পরিচয় ঘটে এবং তারা একে অপরের যোগাযোগ নম্বর বিনিময় করে। তবে বাসে চলাকালীন সময়ে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়েছিল বলে জানা যায়।

৯ জুন ঘাতক একটি ছুরি ক্রয় করে এবং ১১ জুন ইমনের সাথে যোগাযোগ করে জানায় যে, সে দৈনিক ৫০ ইউরো বেতনের একটি কাজ খুঁজে পেয়েছে। ইমনের রুমমেটের তথ্য অনুযায়ী, ইমন তাকে জানিয়েছিল যে সে লার্নাকা জেলার কোফিনু গ্রামের একটি মুরগির খামারে নতুন কাজে যোগ দিতে যাচ্ছে, তবে সে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, ওই দিনই ইমনের বাবার কাছে একটি এসএমএস আসে, যেখানে লেখা ছিল—"আমাকে বাঁচান, তা না হলে ওরা আমাকে মেরে ফেলবে।"

মুক্তিপণ দাবি ও নির্মম হত্যাকাণ্ড

কিছু মিনিট পর ইমনের বাবার কাছে আরও কিছু বার্তা আসে, যেখানে আগামী ১৪ জুনের মধ্যে ৩৫,০০০ ইউরো মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা না দিলে তাঁর ছেলের কিডনি কেটে বিক্রি করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। বার্তা পেয়ে ইমনের বাবা দ্রুত তাঁর ছেলের রুমমেটদের সাথে যোগাযোগ করেন এবং বার্তা প্রেরককে ফেরত পাঠিয়ে লেখেন যে, তিনি "পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করছেন এবং তাঁদের দাবি পূরণের চেষ্টা করবেন।" একই সাথে তিনি তাঁর ছেলেকে কোনো ক্ষতি না করার জন্য আকুতি জানান।

এরপর রাত ১১:৩৭ মিনিটে অপহরণকারী আবার বার্তা পাঠায় এবং জানায় যে, ১৪ জুনের মধ্যে অন্তত ১০,০০০ ইউরো না দিলে ইমনের কিডনি কেটে নেওয়া হবে। ইমনের বাবার কাছে সেটিই ছিল শেষ বার্তা। সরকারি স্বেচ্ছায় প্রত্যাবর্তন কর্মসূচির আওতায় ১৬ জুন ইমনের নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত দিনে লার্নাকা বিমানবন্দরে সে অনুপস্থিত থাকায় সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়।

পরবর্তীতে ওই ২২ বছর বয়সী আসামিকে গ্রেপ্তার করার পর জানা যায়, সে ইমনকে কোফিনু কসাইখানার কাছের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায় এবং প্রথমে ছুরি দিয়ে আঘাত করে ও পরে শ্বাসরোধ করে। এরপর সে ইমনের দেহ টেনে অন্য একটি স্থানে নিয়ে যায় এবং সেখানে তাকে আবারও শ্বাসরোধ করে হত্যা নিশ্চিত করে। হত্যার পর লাশ খড় দিয়ে ঢেকে রেখে সে ঘরে ফিরে যায় এবং হাত ও জুতো ধুয়ে ফেলে। পরবর্তীতে ঘাতকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পুলিশ উল্লেখিত স্থান থেকে ইমনের নিথর দেহ উদ্ধার করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজান দিতে গিয়ে মুয়াজ্জিনের প্রাণহানি, মসজিদেই শেষ নিশ্বাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:১৭ পি.এম


আজান দিতে গিয়ে মুয়াজ্জিনের প্রাণহানি, মসজিদেই শেষ নিশ্বাস

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ফজরের আজান দিতে গিয়ে মুয়াজ্জিনের মৃত্যু ঘটেছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের বাগৈগ্রাম পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদে এই ঘটনা ঘটে।

মৃত মুয়াজ্জিনের নাম মো. শাহজাহান মিস্ত্রী। তিনি ওই গ্রামের মৃত সুজত আলীর পুত্র।

স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, আজ ভোরে ফজরের আজান দেওয়ার উদ্দেশ্যে শাহজাহান মিস্ত্রী মসজিদে যান। প্রথমে তিনি হুজুরখানায় গিয়ে মসজিদের ইমামকে ঘুম থেকে ডেকে তোলেন। এরপর তিনি আজানের জন্য মসজিদে প্রবেশ করে নির্ধারিত সময়ের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। কিছুক্ষণ পর মসজিদ থেকে হঠাৎ শব্দ শুনে ইমাম ভেতরে গিয়ে তাকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে স্বজন ও স্থানীয় মুসল্লিরা এসে পরীক্ষা করে শাহজাহান মিস্ত্রীকে মৃত অবস্থায় পান। এরপর স্থানীয় এক মুসল্লি ফজরের আজান সম্পন্ন করেন। নামাজ শেষে স্বজন ও মুসল্লিরা মরদেহ বাড়িতে নিয়ে যান। জানাজা শেষে তাকে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়।

মসজিদের ইমাম মাওলানা নুরুল ইসলাম জানান, আজান দেওয়ার জন্যই মসজিদে এসেছিলেন তিনি। "আমাকে ডেকে ঘুম থেকে তুলেছিলেন। কিছুক্ষণ পর পড়ে যাওয়ার শব্দ শুনে গিয়ে দেখি মুয়াজ্জিন আর বেঁচে নেই।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আশুলিয়া থেকে অপহৃত ৮ বছরের শিশু ময়মনসিংহে উদ্ধার, দম্পতি গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:১৭ পি.এম


আশুলিয়া থেকে অপহৃত ৮ বছরের শিশু ময়মনসিংহে উদ্ধার, দম্পতি গ্রেপ্তার

রাজধানীর আশুলিয়া থেকে অপহরণের তিন দিন পর সাইম (৮) নামের এক শিশুকে ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। অপহরণের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মো. নাদিম ওরফে হৃদয় (৩৩) এবং তাঁর স্ত্রী আসমা আক্তারকে (৩১) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম। একই দিন সকালে ভালুকা থানার মনোহরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয় এবং শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া নাদিম ময়মনসিংহের গফরগাঁও থানার নেওকা গ্রামের মৃত গফুর মৃধার ছেলে। তাঁর স্ত্রী আসমা আক্তারও এ মামলার আসামি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৩ অক্টোবর সকাল ১১টার পর আশুলিয়ার পলাশবাড়ী পশ্চিম পাড়া গোচারটেক এলাকার ‘আলহাজ আব্দুর রশিদ মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ থেকে ক্লাস শেষে বাড়ি ফেরার পথে প্লে-শ্রেণির ছাত্র সাইম নিখোঁজ হয়ে যায়। পরে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা শিশুটিকে জিম্মি করে তাঁর পরিবারের কাছে ফোন করে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।

এ ঘটনায় শিশুটির বাবা মো. নাছির উদ্দিন আশুলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে এসআই আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তদন্ত শুরু করে। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার সকালে ভালুকার মনোহরপুর এলাকা থেকে নাদিম ও আসমাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁদের হেফাজত থেকে সাইমকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

আশুলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, "আইনি প্রক্রিয়া শেষে শিশুটিকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে আইনি পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামের জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে জাতীয় স্বীকৃতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:১৮ পি.এম


চট্টগ্রামের জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে জাতীয় স্বীকৃতি

জাতীয় পর্যায়ে স্বীকৃতি অর্জন করেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে বিশেষ অবদানের জন্য। জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসান।

এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ‘নির্ভুল নিবন্ধন, নিশ্চিত হবে সুশাসন’, যা রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় আয়োজিত।

জেলা প্রশাসন জানায়, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার তত্ত্বাবধানে জেলার ১৯১টি ইউনিয়ন পরিষদ, ১৫টি পৌরসভা, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ৪১টি ওয়ার্ড এবং চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত আট মাসে চট্টগ্রামের ১৫ উপজেলায় ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৪২টি জন্ম এবং ১৯ হাজার ৭৭১টি মৃত্যু নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে।

নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পাশাপাশি, নির্ভুল সনদ প্রদান এবং সেবাপ্রার্থীদের দ্রুত ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়মিত নির্দেশনা ও কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। সরকারের বিভিন্ন দপ্তর ও উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%