০৫:১৮ পি.এম
লাহোরে মূল্যস্ফীতির চাপে নিম্নআয়ের মানুষপাকিস্তানের লাহোরে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে সাধারণ মানুষের ওপর আর্থিক চাপ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। খাদ্যপণ্য, বাড়িভাড়া, ইউটিলিটি বিলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সবকিছুর দাম বেড়ে যাওয়ায় নিম্নআয়ের পরিবারগুলো সংসারের খরচ মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ক্রমাগত বাড়তে থাকায় অনেক পরিবারের জন্য দিনে দুই বেলা খাবারের ব্যবস্থা করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। এশিয়ান নিউজ ইন্টারন্যাশনাল
আরও পড়ুন: ভারত-চীন সম্পর্কের বরফ গলছে, তবে উদ্বেগ রয়ে গেছে
জানাচ্ছে, আটা, ভোজ্য তেল, ডাল, সবজি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। অন্যদিকে, দিনমজুর ও নিম্নআয়ের অনেক মানুষের আয় মূল্যস্ফীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বৃদ্ধি পায়নি।
সবজির দাম বৃদ্ধি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাসিন্দারা।
তারা বলছেন, আলু ও টমেটোর মতো নিয়মিত ব্যবহৃত সবজিও এখন অনেকের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। বাজার ও পণ্যের ধরনভেদে কিছু কিছু সবজি প্রতি কেজি ১৫০ থেকে ৩০০ পাকিস্তানি রুপি পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
আরও পড়ুন: সুইজারল্যান্ডের প্রতি বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের
সরকারের প্রতি নিম্নআয়ের পরিবারগুলোর দুর্দশার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আহ্বান জানান এক বাসিন্দা। তিনি বলেন, খাদ্যপণ্য, বাড়িভাড়া ও ইউটিলিটি বিলের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় সংসার চালানো অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।
সীমিত আয়ের পরিবারগুলোকে খাবার, ভাড়া, ওষুধ ও অন্যান্য জরুরি খরচের মধ্যে কোনো একটি বেছে নিতে হচ্ছে।
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মনসুর আলী বলেন, স্বল্প পেনশনে মানুষের পক্ষে বাস্তবিক অর্থেই সংসারের সব খরচ চালানো সম্ভব হচ্ছে না। বিশেষ করে যাদের সন্তান, চিকিৎসা ব্যয় ও অন্যান্য আর্থিক দায়িত্ব রয়েছে, তাদের পরিস্থিতি আরও কঠিন।
আরও পড়ুন: এস এম জিলানী: গুপ্ত ও ফ্যাসিস্টরা নতুন চক্রান্ত শুরু করেছে
এলপিজির দাম নিয়েও সরকারের সমালোচনা করেছেন এলাকাবাসী। তাদের অভিযোগ, সরকারি নির্ধারিত দামের তুলনায় কিছু কিছু বাজারে অনেক বেশি দামে এলপিজি বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণ এবং সরকারি মূল্যনির্ধারণ কার্যকর করার দায়িত্ব কে পালন করবে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা।
রিকশাচালক উসমান আলী বলেন, জ্বালানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় তার জীবিকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সংসারের মৌলিক প্রয়োজন মেটানোর পর আয় থেকে সঞ্চয়ের জন্য কিছুই অবশিষ্ট থাকছে না।
আরও পড়ুন: গোলাম মোস্তফা: ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদের সূচনা
এ ছাড়া পেট্রলের দাম কমলেও বাজারে খাদ্য ও অন্যান্য পণ্যের দাম কমেনি বলেও অভিযোগ করেছেন বাসিন্দারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন