০৯:৩৯ এম
মাদারীপুরের হাটবাজারে গত দুই সপ্তাহ ধরে দেশি মাছের সরবরাহ কমে যাওয়ার ফলে ক্রেতাদের চরম বিপাকে পড়তে হচ্ছে। নদ-নদী ও সাগরের মাছ বাজারে থাকলেও, সেগুলোর দামও বেড়ে গেছে। বাড়তি দামে মাছ কিনতে গিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে ক্ষোভ প্রকাশিত হচ্ছে। তবে বিক্রেতাদের দাবি, পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়া এবং দেশি মাছের সরবরাহ কমে যাওয়ার ফলে দাম কিছুটা বেড়েছে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকালে সরেজমিনে মাদারীপুর শহরের পুরান বাজারের পাইকারি মাছের আড়তে ঘুরে দেখা গেছে, ভোর বেলা থেকেই শুরু হয়েছে মাছ কেনাবেচা। দূর-দূরান্ত থেকে আসা পাইকার ও ব্যবসায়ীরা মাছ কিনতে ভিড় করেন আড়তে।
কয়েকদিন ধরে পুকুর, জলাশয় ও বিলের দেশি মাছের সরবরাহ কমে যাওয়ায় এই সুযোগে প্রায় সব ধরনের মাছই বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ না থাকায় পাইকারি বাজারের প্রভাব খুচরা বাজারেও পড়ছে। এতে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য বিপাকে পরেছে।
আরও পড়ুন: রুয়েটে জঙ্গল থেকে সাইকেল উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করলেন আনসার সদস্য
বিক্রেতাদের মতে, নদ-নদীতে কারেন্ট জালের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ার কারণে দেশি মাছের প্রজনন ব্যাহত হচ্ছে। অন্যদিকে সরবরাহ কম থাকলেও দেশি মাছের চাহিদা বেড়েছে, এ কারণেই দাম কিছুটা বেশি হয়ে গেছে।
সুমন হোটেল এলাকার বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী মো. মাহাবুব হোসেন বলেন, মাছের দাম কখনোই কমে না, বরং প্রতিনিয়তই বাড়ছে। প্রশাসনের নজরদারির ঘাটতির কারণেই মাছের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, ফলে মাছের দাম অনেক ক্রেতার ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে।
মাদারীপুরের পুরান বাজার পাইকারি মৎস্য আড়ত সমিতির সভাপতি মোসলেম মাতুব্বর জানান, দেশি মাছের সরবরাহ কম থাকার কারণে দাম বেড়েছে। সরবরাহ যদি বৃদ্ধি পায়, তবে দামও কমে আসবে। বাজারে আসা অধিকাংশ ক্রেতা দেশি মাছ কিনতে চান, কিন্তু দিনের পর দিন এর সরবরাহ কমে যাচ্ছে। এর অন্যতম প্রধান কারণ নদ-নদীতে কারেন্ট জালের ব্যবহার।
আরও পড়ুন: বেতাগীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন