বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৩:৫৫ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার ৩৫ বছর বয়সী হোয়াইট হাউসের নির্বাহী সহকারী ন্যাটালি হার্পের ‘অতিমাত্রায় ঘনিষ্ঠতা’ এবং ‘ব্যক্তিগত সম্পর্ক’ নিয়ে রাজনৈতিক ও সংবাদমাধ্যমে নতুন করে তীব্র জল্পনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত কিছু ব্যক্তিগত চিঠিপত্র ও ন্যাটালির কাজের ধরন এই জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে। যেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রতি তার গভীর ভক্তি, কঠোর পরিশ্রম এবং ব্যক্তিগত আবেগের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে, যা মার্কিন রাজনীতি ও গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
মার্কিন প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ‘দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২২ জুলাই ডেলাওয়ারের ইরান যুদ্ধের মার্কিন সামরিক হতাহতের একটি সমাহিতকরণ অনুষ্ঠানে যোগদানের আগে, স্কটল্যান্ডে ডোনাল্ড ট্রাম্পের গলফ কার্টের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে ব্যর্থ হওয়ার পর, এই চিঠিটি লেখেন ন্যাটালি হার্প। সংবাদমাধ্যমটির সাংবাদিকদের দেখা ভিডিওতে দেখা গেছে, ট্রাম্পকে তার নিজের পক্ষে ইতিবাচক খবরাখবর সম্পর্কে আপডেট রাখার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে, ন্যাটালিকে গলফ কোর্সে দীর্ঘ দূরত্ব ধরে ‘দৌড়াতে’ হয়েছে। স্কটল্যান্ডের সেই ঘটনার পর, ট্রাম্পকে উদ্দেশ করে ন্যাটালি লেখেন, ‘স্কটল্যান্ডে গলফ কোর্সে হাঁটার সময় আমি কোনো বিব্রতকর পরিস্থিতির তৈরি করে থাকলে, তার জন্যও ক্ষমা চাই। আমি চাই আমাদের মধ্যকার সবকিছু সর্বদা ঠিক থাকুক।’
চিঠিতে ন্যাটালি আরও উল্লেখ করেছেন যে তিনি মানসিকভাবে বিক্ষিপ্ত থাকায় এবং অতিরিক্ত কাজের চাপে সারাদিন ‘খাওয়া পর্যন্ত ভুলে যাচ্ছিলেন’, এমনকি ‘ঘুমাতেও ভুলে যাচ্ছিলেন’ এবং দিনে কেবল কয়েক ঘণ্টা বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছিলেন। চিঠির শেষাংশে তিনি লেখেন, ‘আমার সমস্ত হৃদয় দিয়ে, ন্যাটালি।’
৮০ বছর বয়সী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এই তরুণী সহকারীর সম্পর্ক নিয়ে ডেমোক্রেটিক সিনেটর জন ওসোফের সাম্প্রতিক মন্তব্য এবং এর আগে প্রকাশিত বেশ কিছু তথ্যের পর বিষয়টি আবারও পাদপ্রদীপে এসেছে। এর আগে ২০২৪ সালে ট্রাম্পের পুনরায় জয়ের পর নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছিল যে, ন্যাটালি রাষ্ট্রপতির কাছে পৌঁছানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে উঠবেন। সে সময় প্রকাশিত আরেকটি চিঠিতে, ন্যাটালি ট্রাম্পকে লিখেছিলেন, ‘আপনিই আমার কাছে সব।’
২০১৮ সাল থেকেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ বৃত্তে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করে আসছেন ন্যাটালি হার্প। তিনি প্রকাশ্যে বিভিন্ন সময়ে দাবি করে এসেছেন যে, তার যখন বোন ক্যানসার ধরা পড়েছিল, তখন ট্রাম্পের নীতি ও সহায়তা তার জীবন বাঁচাতে সাহায্য করেছিল। তবে অত্যন্ত অসুস্থ রোগীদের পরীক্ষামূলক চিকিৎসার সুযোগ দেওয়ার সেই দাবিটি নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। এদিকে, ন্যাটালির এমন অতি-আনুগত্য ও সম্পর্কের তীব্রতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তার নিজ পরিবারের সদস্যরাও। গত জুনে ‘ডেইলি মেইল’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তার ভাই প্রেস্টন হার্প এই সম্পর্কটিকে ‘অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর’ বলে অভিহিত করেছিলেন।
এর ধারাবাহিকতায়, গত মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সিএনএন-কে দেওয়া আরেকটি সাক্ষাৎকারে প্রেস্টন হার্প স্পষ্ট করে জানান যে, তার বোন শারীরিক আকর্ষণ থেকে নয়, বরং ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি চরম ‘মোহগ্রস্ত’ বা অন্ধভক্তিতে আচ্ছন্ন হয়ে আছেন। তিনি বলেন, ট্রাম্পের সবচেয়ে ভালো বন্ধুরা হলেন সেই সমস্ত মানুষ যারা তার ফ্যান ক্লাবের সদস্য। প্রেস্টনের মতে, প্রেসিডেন্টের প্রতি তার বোনের অন্তহীন আনুগত্য এবং কৃতজ্ঞতাবোধই সম্ভবত তাদের দুজনকে এত বেশি কাছাকাছি নিয়ে আসার মূল কারণ।
অন্যদিকে, এই ঘনিষ্ঠতার জল্পনা নিয়ে মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের অখুশি থাকার গুঞ্জনও বিভিন্ন গণমাধ্যমে আলোচিত হচ্ছে।
সূত্র: উইয়ন নিউজ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোরে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত অবসর ভাতা এবং কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ পুনরায় চালু হওয়ায় আনন্দ সমাবেশ ও বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। যশোর জেলার ২ হাজার ৭৯১ জন শিক্ষক-কর্মচারী ইতোমধ্যে মোট ৮৭ কোটি টাকা পেয়েছেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় যশোর জেলা শাখার শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের উদ্যোগে প্রেসক্লাব যশোরের শহীদ গোলাম মাজেদ মিলনায়তনে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন যশোর জেলা পরিষদের প্রশাসক এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন।
বক্তৃতায় প্রধান অতিথি উল্লেখ করেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ভাতা ও কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ পুনরায় চালু হওয়া শুধুমাত্র একটি আর্থিক প্রাপ্তি নয়; এটি হাজার হাজার শিক্ষকের সম্মান এবং ন্যায্য অধিকার ফিরে পাওয়ার বিষয়।’
তিনি আরও জানান, গত ১৭ বছরে শিক্ষকরা নানা ধরনের বঞ্চনার শিকার হয়েছেন এবং এ তহবিলের অর্থ নিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ছিল। তবে বর্তমানে সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটেছে।
এ উদ্যোগের জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি তিনি ধন্যবাদ জানান।
সমাবেশে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের জেলা সভাপতি মো. মকবুল হোসেনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আমিনুর রহমান মধু।
সমাবেশ শেষ হওয়ার পর প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে দড়াটানা মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। র্যালিতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক শিক্ষক-কর্মচারী অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রিপেইড মিটার বাতিল এবং পূর্বের ডিজিটাল পোস্টপেইড মিটার পুনঃস্থাপনের দাবিতে রংপুরে ‘স্তব্ধ রংপুর’ কর্মসূচি পালন করেছেন বিদ্যুৎ গ্রাহক ফোরামের নেতা-কর্মী ও গ্রাহকেরা।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত শাপলা চত্বর থেকে জাহাজ কোম্পানি মোড় পর্যন্ত যান চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রেখে এ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। এ সময় শাপলা চত্বর ও জাহাজ কোম্পানি মোড়ে দুটি পৃথক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শাপলা চত্বরের সমাবেশে সভাপতিত্ব করেছেন বিদ্যুৎ গ্রাহক ফোরাম রংপুর জেলার আহ্বায়ক অধ্যাপক মো. দেলোয়ার হোসেন। সদস্যসচিব আহসানুল আরেফিন তিতুর সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখতে দেখা যায় কমিটির উপদেষ্টা মির্জা বাবর বাবুল, আবু ছালেক, যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান সোহেল, সদস্য শাহিদুল ইসলাম সুমনসহ প্রিপেইড মিটারের কয়েকজন ভুক্তভোগীকে।
জাহাজ কোম্পানি মোড়ের সমাবেশে সভাপতিত্ব করেছেন বিদ্যুৎ গ্রাহক ফোরাম রংপুরের উপদেষ্টা আনোয়ার হোসেন বাবলু। কর্মসূচির সঙ্গে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য প্রদান করেন বাসদ রংপুর জেলার সদস্যসচিব মমিনুল ইসলাম, সিপিবি রংপুর মহানগর কমিটির সভাপতি সাজেদুল ইসলাম সাজুসহ আরও অনেকে।
সমাবেশে বক্তারা উল্লেখ করেছেন, প্রিপেইড মিটার গ্রাহকদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে। তাঁরা অবিলম্বে প্রিপেইড মিটার বাতিল করে আগের ডিজিটাল পোস্টপেইড মিটার পুনঃস্থাপনের দাবি জানাচ্ছেন।
বিদ্যুৎ গ্রাহক ফোরাম রংপুর জেলার আহ্বায়ক অধ্যাপক মো. দেলোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, ‘জনগণ যে প্রিপেইড মিটার চায় না, আজকের স্তব্ধ রংপুর কর্মসূচি সফল হওয়ার মধ্য দিয়ে তা প্রমাণিত হয়েছে।’ তিনি নেসকোকে অবিলম্বে প্রিপেইড মিটার খুলে নিয়ে ডিজিটাল পোস্টপেইড মিটার পুনঃস্থাপনের আহ্বান জানিয়েছেন।
কর্মসূচি থেকে নেতারা ঘোষণা দিয়েছেন, প্রিপেইড মিটার প্রকল্প বাতিল না হলে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর নেসকোর রংপুর কার্যালয় ঘেরাও করা হবে। এ সময় ডিজিটাল পোস্টপেইড মিটার পুনঃস্থাপনের দাবিতে হাজার হাজার আবেদনপত্র নিয়ে কার্যালয় ঘেরাও করার ঘোষণা দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার খাসমহল বালুচর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে মোহাম্মদ জাহিদুর রহমানকে অনুমোদন দিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ শাখা থেকে জারি করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বোর্ডের চিঠি অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির গভর্নিং বডিতে মোহাম্মদ জাহিদুর রহমানকে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অনুমোদনের তারিখ থেকে এ কমিটির মেয়াদ হবে ছয় মাস।
প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা নতুন সভাপতিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তাঁরা আশা করছেন, তাঁর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন আরও এগিয়ে যাবে।
নবনিযুক্ত সভাপতি জাহিদুর রহমান বলেন, খাসমহল বালুচর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের দায়িত্ব পাওয়া আমার জন্য অত্যন্ত গর্বের ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমি বালুচরের সন্তান হিসেবে এই প্রতিষ্ঠান ও এলাকার সঙ্গে আত্মিকভাবে সম্পৃক্ত। তাই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সুন্দর ও মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করতে চাই। এ ক্ষেত্রে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সাবেক শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর সম্মিলিত সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সবার মতামত ও সহযোগিতাকে সঙ্গে নিয়ে একটি আধুনিক, সুশৃঙ্খল ও মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে খাসমহল বালুচর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজকে আরও এগিয়ে নেওয়াই আমার লক্ষ্য।
এলাকাবাসী বলছেন, নতুন গভর্নিং বডির নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘদিনের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ আরও গতিশীল হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সুন্দর ও মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ তৈরিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে এমন প্রত্যাশা তাঁদের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রোমের প্রাচীন স্থাপনা দেখার জন্য দীর্ঘ সারিতে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করা কিংবা চড়া দামে আইসক্রিম জেলাটো কেনার পরিবর্তে প্রচণ্ড গরম থেকে স্বস্তি পাওয়ার জন্য টাইবার নদীতে ভ্রমণে স্বস্তির খোঁজ করছেন ঘর্মাক্ত পর্যটকেরা।
এই ভ্রমণটি পর্যটকদের পরিচিত পথের বাইরে নতুন একটি আয়োজন। এটি প্রাচীন এই শহরের প্রাণপ্রবাহ টাইবার নদী ঘুরে দেখার একটি তুলনামূলক নতুন ও ব্যতিক্রমী সুযোগ।
বার্তা সংস্থা এএফপি রোম থেকে এ খবর জানিয়েছে।
ঐতিহাসিক পিয়াজা দেল পোপোলোর কাছে নদীর তীর থেকে র্যাফটিং শুরু হয়। ফোলানো র্যাফটগুলো শহরের সবচেয়ে বেশি ছবি তোলা কয়েকটি স্থাপনার পাশ দিয়ে ভেসে যায়। এর মধ্যে রয়েছে সম্রাট হ্যাড্রিয়ানের সমাধিস্থল কাস্তেল সান্ত’আঞ্জেলো। পানির ওপর থেকে দেখা যায় সেন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকার গম্বুজও।
প্রায় দুই ঘণ্টা পর ট্রাস্থেভেরে এলাকায় প্রাচীন রোমান বন্দরে এসে ভ্রমণটি শেষ হয়। ট্রাস্তেভেরে নামের আক্ষরিক অর্থ হলো ‘টাইবারের ওপারে।’
সম্প্রতি ‘রোমান র্যাফটিং’ ভ্রমণে অংশগ্রহণকারী ১৯ বছর বয়সী পর্যটক ম্যানুয়েল ফ্রাঙ্ক বলেন, ‘রোমকে অন্যভাবে দেখা, সত্যিই ভালো লাগছে। হেঁটে যা দেখা যায়, তার তুলনায় এটি বিশেষ কিছু।’
তার গাইড জিউসেপ্পে বাত্তালিয়া জানালেন, ৪০ ইউরো (৪৬ দশমিক ৭ ডলার) মূল্যের এই যাত্রায় পর্যটকেরা শহরকে একটি ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার সুযোগটি পান। তার ভাষায়, এ পথটি ‘রোমানরা তাদের বিজয় অভিযানে বের হওয়ার আগে যে পথে যাতায়াত করত, অনেকটা সেই পথই অনুসরণ করে।’
প্রাচীন রোমে এবং তার পরবর্তী কয়েক শতাব্দী ধরে ইতালির তৃতীয় দীর্ঘতম নদী শহরের বাসিন্দাদের পানি ও খাদ্যের জোগান দিয়েছে। এটি ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথও।
৩৭ বছর বয়সী গাইড বাত্তালিয়া বলেন, ‘আমরা সবসময় সড়ক, গাড়ি ও মোটরসাইকেলের কথা ভাবতে অভ্যস্ত। কিন্তু রোম আমাদের নদীপথেও ঘুরে দেখার সুযোগ দেয়।’
দৃশ্যপটের মতো সুন্দর টাইবার দ্বীপের কাছে পৌঁছালে নদীর স্রোত বাড়তে থাকে। তখন হালকা ঢেউ তৈরি হয়। র্যাফটগুলো রোমের প্রাচীনতম পাথরের সেতুগুলোর কয়েকটির নিচ দিয়ে যাওয়ার সময় পর্যটকদের গায়ে পানির ছিটা লাগে।
বেলজিয়ামের ৫০ বছর বয়সী পর্যটক সাবিনে মাইসানো পরিবারের সঙ্গে রোমে এসে ভিন্ন কিছু করার একটি সুযোগ খুঁজছিলেন। তিনি বলেন, ‘সারাদিন কয়েক কিলোমিটার হেঁটে বেড়ানোর পর নৌকায় বসে আমরা বিশ্রাম নিতে, ঠাণ্ডা থাকতে এবং আরও স্বচ্ছন্দ গতিতে শহরটি দেখতে পারি, যদিও একটু বৈঠা চালাতে হয়।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ