ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

স্পেন থেকে ফিরেই নিউইয়র্ক রেড বুলসের কাছে হারের মুখ দেখলেন মেসি


স্পেন থেকে ফিরেই নিউইয়র্ক রেড বুলসের কাছে হারের মুখ দেখলেন মেসি

স্পেনের রাজপরিবারের কাছ থেকে একটি সম্মানজনক পুরস্কার গ্রহণের পর লিওনেল মেসি যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে মাঠে নামেন। তবে, আনন্দের আবহে খেলতে নেমেও ইন্টার মায়ামির অধিনায়ক দলকে জেতাতে ব্যর্থ হন। নিউইয়র্ক রেড বুলসের কাছে ২-০ গোলে পরাজিত হয়েছে তার দল।

ক্রীড়াক্ষেত্রে অবদানের জন্য মেসি ‘প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করে ইতিহাস গড়েন। পুরস্কার গ্রহণের জন্য তিনি স্পেনের ওভিয়েদোয় ৪৮ ঘণ্টার সফরে যান। এরপর যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে দ্রুত মাঠে নামতে হয় তাকে।

নিউইয়র্ক রেড বুলসের বিরুদ্ধে ম্যাচের শুরুতে মেসি বেঞ্চে ছিলেন। প্রথমার্ধের সপ্তম মিনিটে ক্যাসেমিরোর আত্মঘাতী গোলে পিছিয়ে পড়ে মায়ামি। বিরতির পর ৫৫ মিনিটে রিকুয়েলমে ফিলিপির বদলি হিসেবে মাঠে প্রবেশ করেন মেসি। কিন্তু ম্যাচের পরিস্থিতি পরিবর্তন করতে পারেননি তিনি। যোগ করা সময়ে এমিল ফোর্সবার্গের গোলে জয় নিশ্চিত করে রেড বুলস।

আরও পড়ুন: ঢাকা টেস্ট বাংলাদেশের জন্য নিজেদের প্রমাণের গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা

এমএলএসের চলতি মৌসুমে মেসি দুর্দান্ত ফর্মে আছেন। ২৫ গোল নিয়ে তিনি প্রতিযোগিতার সর্বোচ্চ গোলদাতা। একইসাথে ১৫টি অ্যাসিস্ট নিয়ে যৌথভাবে শীর্ষেও আছেন মায়ামি অধিনায়ক। তবে, এই ম্যাচে গোল বা অ্যাসিস্ট—কোনোটিই করতে পারেননি তিনি।

রেড বুলসের বিরুদ্ধে আগের চার ম্যাচে মায়ামির তিন জয় ও একটি ড্র ছিল। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়ে এবার হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাদের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হিজরত করেও আবু জাহেলের ষড়যন্ত্রে বন্দি আয়াশ ইবনে আবি রাবিআহ (রা.)

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ এম


হিজরত করেও আবু জাহেলের ষড়যন্ত্রে বন্দি আয়াশ ইবনে আবি রাবিআহ (রা.)

বিশিষ্ট সাহাবি আয়াশ ইবনে আবি রাবিআহ (রা.) ছিলেন বনু মাখজুম গোত্রের একজন সদস্য, যিনি কুরাইশ বংশের অন্তর্ভুক্ত। তার পিতা আবু রাবিআহ আমর ইবনে মুগিরাহ এবং মাতা আসমা বিনতে মুখাররিবাহ। আবু জাহেল তার নিকটাত্মীয় ছিলেন। এই আত্মীয়তার সম্পর্ক পরবর্তীতে আয়াশ (রা.)-এর জীবনে একটি মর্মান্তিক ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ইসলামের প্রাথমিক যুগে যখন মক্কার প্রভাবশালী নেতারা মহানবী (সা.)-এর দাওয়াতের বিরুদ্ধে নানা কৌশল অবলম্বন করছিলেন, তখন আয়াশ (রা.) সত্যের আহ্বানে সাড়া দিয়ে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং ঈমানের পথে অবিচল থাকেন।

মক্কায় মুসলমানদের ওপর নির্যাতন যখন ক্রমেই তীব্র হয়ে উঠছিল, তখন আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর নির্দেশনায় সাহাবিরা নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে মদিনায় হিজরত করতে থাকেন। আয়াশ (রা.) ছিলেন তাদেরই একজন। তিনি ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)-এর সঙ্গে মদিনায় হিজরত করেন। জন্মভূমি, পরিবার ও পরিচিত পরিবেশ ছেড়ে অজানা ভবিষ্যতের পথে যাত্রা করা সহজ ছিল না। তবে ঈমানের দাবি পূরণে তারা ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্য ও পার্থিব সম্পর্কের ঊর্ধ্বে উঠেছিলেন।

কিন্তু মদিনায় পৌঁছানোর পরও আয়াশ (রা.)-এর বিপদ শেষ হয়নি। তাকে মক্কায় ফিরিয়ে আনার জন্য আবু জাহেল একটি কৌশল অবলম্বন করে। সে আয়াশের আরেক আত্মীয় হারিস ইবনে হিশামকে সঙ্গে নিয়ে মদিনায় যায়। সেখানে তারা আয়াশকে জানান, তার মা ছেলের বিচ্ছেদে গভীরভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তিনি শপথ করেছেন, আয়াশ ফিরে না আসা পর্যন্ত চুল আঁচড়াবেন না এবং ছায়ায় আশ্রয় নেবেন না। মায়ের প্রতি ভালোবাসা ও কর্তব্যবোধ আয়াশ (রা.)-এর হৃদয়কে নাড়া দেয়। তিনি মায়ের কাছে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

ওমর (রা.) তাকে সতর্ক করে বলেন, আবু জাহেল ও হারিসের কথায় প্রতারণার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি আয়াশকে মদিনা ছেড়ে না যাওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু মায়ের প্রতি গভীর টানের কারণে আয়াশ (রা.) নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। তখন ওমর (রা.) তাকে একটি শক্তিশালী উট দিয়ে বলেন, বিপদের আশঙ্কা দেখা দিলে যেন সেটিতে চড়ে পালিয়ে আসতে পারেন।

মক্কার পথে যাত্রাকালে আবু জাহেল কৌশলে আয়াশ (রা.)-কে নিজের উটের পেছনে বসতে অনুরোধ করেন। নিজের উট দুর্বল হয়ে পড়েছে, এমন অজুহাত দেখিয়ে তিনি আয়াশের সহযোগিতা চান। সরল বিশ্বাসে আয়াশ উট থেকে নামতেই আবু জাহেল ও হারিস তাকে বেঁধে ফেলেন। এরপর তাকে মক্কায় নিয়ে বন্দি করা হয়। যে আত্মীয়েরা মায়ের অসুস্থতার কথা বলে তার আবেগকে স্পর্শ করেছিলেন, তারাই তাকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলেন।

ইসলামের জন্য জন্মভূমি ছেড়ে মদিনায় হিজরত করেও তাকে ফিরে যেতে হয়েছিল মক্কার বন্দিত্বে। নিজেরই নিকটাত্মীয় আবু জাহেলের ষড়যন্ত্রে বন্দি হওয়ার এই ঘটনা ইসলামের প্রাথমিক যুগের এক বেদনাবিধুর অধ্যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ ৩১তম জন্মদিন উদযাপন করছেন ব্যারিস্টার জাইমা রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৪ এম


আজ ৩১তম জন্মদিন উদযাপন করছেন ব্যারিস্টার জাইমা রহমান

ব্যারিস্টার জাইমা জারনাজ রহমানের (জাইমা রহমান) ৩১তম জন্মদিন আজ রোববার (২৫ অক্টোবর) উদযাপিত হচ্ছে। ১৯৯৫ সালের এই দিনে ঢাকার হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁর জন্ম হয়। তিনি প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং ডা. জুবাইদা রহমানের একমাত্র কন্যা। আইন পেশার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তিনি দায়িত্ব পালন করছেন।

জাইমার দাদা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং মুক্তিযুদ্ধের বীরউত্তম খেতাবপ্রাপ্ত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন। তাঁর দাদি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। এছাড়া, তাঁর নানা রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান ও সরকারের সাবেক মন্ত্রী ছিলেন।

জাইমা রহমান ঢাকার ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে শিক্ষালাভ করেন। পরে যুক্তরাজ্যের কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে আইনে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর ঐতিহ্যবাহী আইনি প্রতিষ্ঠান ইনার টেম্পল থেকে ব্যারিস্টারি পেশার জন্য যোগ্যতা অর্জন করেন। তাঁর আইন পেশায় যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে।

২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্টে বিএনপির প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করেন জাইমা। ওই সফরে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন সাবেক সরকারি কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পরবর্তীতে গণতন্ত্র, নারী অধিকার ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আয়োজিত আলোচনাতেও তিনি অংশগ্রহণ করেন।

২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির কার্যালয়ে আইন কর্মকর্তা হিসেবে তাঁর দায়িত্ব পালনের খবর প্রকাশিত হয়। সেখানে তিনি সভাপতির নির্বাহী কার্যালয়ের আইনি বিষয়াবলিতে কাজ করছেন।

আইন পেশার পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা সুরভীর পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবেও যুক্ত রয়েছেন জাইমা রহমান। এই সংস্থাটি সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাবিপ্রবিতে স্বাস্থ্যবিমার অভাবে শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা ব্যয়ে ভোগান্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৪ এম


পাবিপ্রবিতে স্বাস্থ্যবিমার অভাবে শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা ব্যয়ে ভোগান্তি

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্যবিমা সুবিধা নেই। অসুস্থতা, দুর্ঘটনা কিংবা জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হলে চিকিৎসা ব্যয়ের একটি বড় অংশ শিক্ষার্থীদের নিজেদেরই বহন করতে হচ্ছে। এর ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীরা চরম আর্থিক চাপের সম্মুখীন হচ্ছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গুরুতর অসুস্থতা কিংবা দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে চিকিৎসার জন্য অনেক সময় বড় অঙ্কের অর্থের প্রয়োজন হয়। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্যবিমা ব্যবস্থা না থাকার কারণে শিক্ষার্থীদের পরিবার ও ব্যক্তিগত অর্থের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাকেন্দ্র থাকলেও সেখানে সব ধরনের চিকিৎসা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ নেই। ফলে জটিল শারীরিক সমস্যায় পড়লে তাদের পাবনা সদর হাসপাতাল বা বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে যেতে হয়। এতে চিকিৎসা ব্যয়ের পাশাপাশি যাতায়াত ও অন্যান্য খরচও বৃদ্ধি পায়।

শিক্ষার্থীদের আরও অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তঃবিভাগ ফুটবল ও ক্রিকেট টুর্নামেন্টগুলোতে মারাত্মক ইনজুরির কারণে চিকিৎসার জন্য মোটা অঙ্কের টাকার প্রয়োজন হয়। ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরে যোগাযোগ করে টাকার ব্যবস্থা হলে প্রশাসনিক অনুমোদন প্রক্রিয়াজনিত কারণে টাকা পেতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। এতে আর্থিক সংকটে তাদের চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যাহত হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেছেন, "হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে একসাথে মোটা অঙ্কের টাকার প্রয়োজন হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে যদি স্বাস্থ্যবিমা বা চিকিৎসা সহায়তার ব্যবস্থা থাকত, তাহলে শিক্ষার্থীদের পরিবারের ওপর চাপ কিছুটা কমত।"

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, "অনেক শিক্ষার্থীই নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের। বড় ধরনের দুর্ঘটনা বা অসুস্থতার ক্ষেত্রে চিকিৎসার খরচ বহন করা তাদের পরিবারের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উচিত শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্যবিমা চালু করা।"

খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্যবিমার ব্যবস্থা রয়েছে। তবে, পাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের জন্য স্বল্প খরচে নির্দিষ্ট হাসপাতালের সঙ্গে চুক্তি থাকলেও স্বাস্থ্যবিমার আওতায় চিকিৎসা ব্যয়ের সুবিধা চালু করা যেতে পারে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রাশেদুল হক জানিয়েছেন, "শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিমা কার্যকর ও কল্যাণকর হলে এবং অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে এর ইতিবাচক ফলাফল পরিলক্ষিত হলে, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়েও তা চালুর বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ইরানের কাছে আসতে পারবে না: সশস্ত্র বাহিনী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৪ এম


মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ইরানের কাছে আসতে পারবে না: সশস্ত্র বাহিনী

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ইরানের ওপর নতুন হামলা চালানো বা চাপ অব্যাহত রাখার বিষয়টি এখনও বিবেচনায় রয়েছে। তবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী জানায়, তারা মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোর বিরুদ্ধে গুলি চালানোর জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

ফ্লোরিডায় অনুষ্ঠিত এক জনসভায় শুক্রবার ট্রাম্প তার সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী আবারও ‘এপিক ফিউরি’-এর মতো অভিযান চালাতে পারে। এই অভিযানটি যুদ্ধের শুরুতে ইরানের বিরুদ্ধে ব্যাপক বোমা হামলার ইঙ্গিত দেয়। তিনি পূর্বে প্রশ্ন তুলেছিলেন, ইরানের ওপর বড় ধরনের হামলা সংঘাত দ্রুত শেষ করবে, নাকি নৌ-অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে তেহরানের ওপর চাপ অব্যাহত রাখা উচিত।

ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফের প্রধান আলী আবদোল্লাহি জোর দিয়ে বলেন, তেহরানের কাছে যেকোনো জলযানকে লক্ষ্যবস্তু করার সক্ষমতা রয়েছে। এর ফলে মার্কিন নৌবাহিনীর পক্ষে ইরানের আঞ্চলিক জলসীমায় বা তার আশপাশে পুনরায় প্রবেশ করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সময় শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, ‘মার্কিন প্রেসিডেন্ট কেবল স্বপ্নই দেখতে পারেন যে, তাদের সৈন্য ও সামরিক বাহিনী আবারও পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করবে। এই আকাঙ্ক্ষা নিয়ে তাদের চিরতরে কবরে যেতে হবে।’

আবদোল্লাহি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ নিয়ে বাগাড়ম্বরের মধ্যে একটি মৌলিক স্ববিরোধিতা বিদ্যমান। তারা দাবি করে যে, ইরানের সামরিক সক্ষমতা যুদ্ধের সময় অনেকাংশেই ধ্বংস হয়ে গেছে, কিন্তু তাদের একটি আচরণই এই দাবিকে ভুল প্রমাণ করে। তা হলো, নিজেদের বিমানবাহী রণতরি ও সহযোগী জাহাজগুলোকে ইরানি ভূখণ্ডের কাছাকাছি নিয়ে আসতে যুক্তরাষ্ট্রের অস্বীকৃতি।

তিনি আরও বলেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর চালানো আকস্মিক হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইরানি বাহিনী যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে এক ‘কাদামাঠ’ বা গোলকধাঁয় ‘ডুবিয়ে দিতে’ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এই ঘটনা আট মাসব্যাপী এক যুদ্ধের সূচনা ঘটিয়ে পুরো অঞ্চলকে অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দিয়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%