ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ইরানের কাছে আসতে পারবে না: সশস্ত্র বাহিনী


মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ইরানের কাছে আসতে পারবে না: সশস্ত্র বাহিনী

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ইরানের ওপর নতুন হামলা চালানো বা চাপ অব্যাহত রাখার বিষয়টি এখনও বিবেচনায় রয়েছে। তবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী জানায়, তারা মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোর বিরুদ্ধে গুলি চালানোর জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

ফ্লোরিডায় অনুষ্ঠিত এক জনসভায় শুক্রবার ট্রাম্প তার সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী আবারও ‘এপিক ফিউরি’-এর মতো অভিযান চালাতে পারে। এই অভিযানটি যুদ্ধের শুরুতে ইরানের বিরুদ্ধে ব্যাপক বোমা হামলার ইঙ্গিত দেয়। তিনি পূর্বে প্রশ্ন তুলেছিলেন, ইরানের ওপর বড় ধরনের হামলা সংঘাত দ্রুত শেষ করবে, নাকি নৌ-অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে তেহরানের ওপর চাপ অব্যাহত রাখা উচিত।

ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফের প্রধান আলী আবদোল্লাহি জোর দিয়ে বলেন, তেহরানের কাছে যেকোনো জলযানকে লক্ষ্যবস্তু করার সক্ষমতা রয়েছে। এর ফলে মার্কিন নৌবাহিনীর পক্ষে ইরানের আঞ্চলিক জলসীমায় বা তার আশপাশে পুনরায় প্রবেশ করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

আরও পড়ুন: বুলগেরিয়ায় আজ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী ইয়োতোভা ও গিউরভ

স্থানীয় সময় শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, ‘মার্কিন প্রেসিডেন্ট কেবল স্বপ্নই দেখতে পারেন যে, তাদের সৈন্য ও সামরিক বাহিনী আবারও পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করবে। এই আকাঙ্ক্ষা নিয়ে তাদের চিরতরে কবরে যেতে হবে।’

আবদোল্লাহি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ নিয়ে বাগাড়ম্বরের মধ্যে একটি মৌলিক স্ববিরোধিতা বিদ্যমান। তারা দাবি করে যে, ইরানের সামরিক সক্ষমতা যুদ্ধের সময় অনেকাংশেই ধ্বংস হয়ে গেছে, কিন্তু তাদের একটি আচরণই এই দাবিকে ভুল প্রমাণ করে। তা হলো, নিজেদের বিমানবাহী রণতরি ও সহযোগী জাহাজগুলোকে ইরানি ভূখণ্ডের কাছাকাছি নিয়ে আসতে যুক্তরাষ্ট্রের অস্বীকৃতি।

তিনি আরও বলেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর চালানো আকস্মিক হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইরানি বাহিনী যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে এক ‘কাদামাঠ’ বা গোলকধাঁয় ‘ডুবিয়ে দিতে’ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এই ঘটনা আট মাসব্যাপী এক যুদ্ধের সূচনা ঘটিয়ে পুরো অঞ্চলকে অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দিয়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রে গির্জার যাজকদের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের মামলায় ৮০ কোটি ডলারের ক্ষতিপূরণ চুক্তি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইউরোপজুড়ে বিক্ষোভে কেন ক্ষুব্ধ তরুণেরা নেতৃত্ব দিচ্ছে জেন-জি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৫ এম


ইউরোপজুড়ে বিক্ষোভে কেন ক্ষুব্ধ তরুণেরা নেতৃত্ব দিচ্ছে জেন-জি

ইউরোপজুড়ে শিক্ষা খাতে অর্থের সংকট এবং আবাসনের উচ্চ খরচের কারণে তরুণেরা বিভিন্ন ইস্যুতে বিক্ষোভে অংশ নিচ্ছেন। এসব আন্দোলন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে। একই সময়ে জেনারেশন জেড বা জেন-জি প্রজন্মের মধ্যে বিভিন্ন প্রজন্মের সুযোগ-সুবিধার বৈষম্য নিয়ে জমে থাকা ক্ষোভও প্রকাশ পাচ্ছে।

বিক্ষোভের কারণ ও ধরন দেশভেদে ভিন্ন। স্পেনে ৮৭ বছর বয়সী মারিকারমেন আবাসকালকে তার বাড়ি থেকে উচ্ছেদের ঘটনা সাম্প্রতিক বিক্ষোভের সূচনা করেছে। ফ্রান্সে ধর্মঘট পালনকারী শিক্ষকদের সমর্থনে শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমেছে। আলবেনিয়ায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ কয়েক মাস ধরে চলমান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের সমর্থনপুষ্ট একটি বিলাসবহুল স্থাপনা নির্মাণের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে সেখানে প্রথম আন্দোলন শুরু হয়।

যদিও আন্দোলনের সূচনা ভিন্ন, তবে এসব আন্দোলন যেন এক বিশাল কৃষ্ণগহ্বরের মতো কাজ করছে। তরুণদের বিভিন্ন অসন্তোষ এতে জমা হচ্ছে, যা পরে সামগ্রিক ক্ষোভের বিস্ফোরণে রূপ নিচ্ছে। এই প্রজন্মের অনেকের আশঙ্কা, তারা তাদের মা-বাবার মতো সমান সুযোগ-সুবিধা পাবেন না।

এক দেশের আন্দোলন অন্য দেশের তরুণদের অনুপ্রাণিত করছে। ইতালি ও গ্রিসের বিক্ষোভকারীরা ফরাসি আন্দোলনকারীদের স্লোগান উল্লেখ করেছেন। স্পেনে আবাসনসংকট নিয়ে শুরু হওয়া বিক্ষোভের প্রভাব পর্তুগালেও পড়েছে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থী ইউনিয়নগুলো নিজেদের অভিজ্ঞতা ও আন্দোলনের কৌশল পরস্পরের সঙ্গে বিনিময় করছে বলে সিএনএনকে জানিয়েছেন ফ্রান্সের প্রধান শিক্ষার্থী ইউনিয়ন ইউএনইএফের ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যালিস দে ব্রিতো।

দে ব্রিতো বলেন, “আমার মনে হয়, পার্থক্যের চেয়ে মিলই অনেক বেশি। আমরা সবাই শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয় ও সামগ্রিকভাবে তরুণদের জন্য বিনিয়োগের প্রয়োজনীয়তার কথা বলছি। একই সঙ্গে জীবনযাত্রার ব্যয় ও আবাসন নিয়েও কথা বলছি।”

ইতালির শিক্ষার্থী ইউনিয়নের নেতা সাবরিনা ব্রিজোলার দাবির সঙ্গেও এর মিল রয়েছে। গত সপ্তাহান্তে এক সমাবেশে তিনি বলেন, “আসুন, আমরা এমন বিদ্যালয়ের দাবিতে সোচ্চার হই, যেগুলো আমাদের মাথার ওপর ধসে পড়বে না। নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান, সরকারি স্বাস্থ্যসেবা এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের দাবিতেও আওয়াজ তুলি।”

দৈনিক নিউজলেটারের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান সম্পাদক জুলিয়াস ফিন্টেলম্যানের মতে, এসব বিক্ষোভের মধ্য দিয়ে একধরনের হতাশা প্রকাশ পাচ্ছে। তার ভাষায়, ইউরোপের রাজনীতি পরবর্তী প্রজন্মের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে—তরুণদের মধ্যে এমন অনুভূতিই ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

শিক্ষা ও আবাসন ছাড়াও তরুণদের ক্ষোভের পেছনে রয়েছে ক্রমবর্ধমান অনিশ্চিত চাকরির বাজার। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের প্রভাবে প্রাথমিক পর্যায়ের চাকরিগুলো বেশি ঝুঁকিতে পড়ছে। জলবায়ু সংকটও তরুণদের ক্ষোভ বাড়িয়ে তুলছে বলে মনে করেন ফিন্টেলম্যান।

তিনি বলেন, “মৌলিকভাবে আমরা যা দেখছি, তা হলো উদার গণতন্ত্রের দেওয়া একটি প্রতিশ্রুতি—পরবর্তী প্রজন্ম বর্তমান প্রজন্মের চেয়ে ভালো জীবন পাবে। সেই প্রতিশ্রুতি এখন আর বাস্তব বলে মনে হচ্ছে না।”

বিক্ষোভে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে গ্রিস, ইতালি, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, স্পেন ও পর্তুগাল। এসব দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি হতাশাজনক এবং জাতীয় ঋণের পরিমাণও বেশি। ফলে সরকারি ব্যয় বাড়ানো কঠিন হয়ে পড়েছে। বুধবার ফ্রান্সের সরকারি বন্ডের সুদের হার ২০০২ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়, যা দেশটির বাজেটের ওপর আরো চাপ সৃষ্টি করেছে।

“উত্তরের অপেক্ষায় থাকতে থাকতে মানুষ ক্লান্ত”

ফ্রান্সে গত নয় বছর ধরে প্রতি বছর সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে শিক্ষাবর্ষ শুরুর সময় এ ধরনের শিক্ষার্থী বিক্ষোভ হয়ে আসছে। ছুটির পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরে তরুণেরা দেখতে পান, পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই, নেই প্রয়োজনীয় শিক্ষা সরঞ্জামও। এ কথা উল্লেখ করেন দে ব্রিতো।

তবে এ বছর আন্দোলন দ্রুত বড় আকার ধারণ করেছে। শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমানো, শিক্ষকদের পেছনে ব্যয় বাড়ানো, জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় উপযোগী অবকাঠামো নির্মাণ এবং তরুণদের ওপর পুলিশের সহিংসতা বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।

দে ব্রিতো বলেন, “মানুষ এখন উত্তরের অপেক্ষায় থাকতে থাকতে ক্লান্ত।”

শিক্ষার প্রশ্নটি ইউরোপের জাতীয় সীমানা ছাড়িয়ে ছড়িয়ে পড়েছে। গ্রিসে হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। এথেন্সে পার্লামেন্টের সামনে জড়ো হওয়া একদল বিক্ষোভকারী স্লোগান দেন, “গ্রিস থেকে ফ্রান্স—আমরা চাই সরকারি ও বিনামূল্যের শিক্ষা।”

৭ অক্টোবর রোমের একটি উচ্চবিদ্যালয় প্রথম দখলে নেওয়ার পর শিক্ষার্থীরা তাদের কর্মসূচির পক্ষে দেওয়া বিবৃতির প্রথম লাইনেই লেখেন, “ফ্রান্সের মতো।”

তবে ফ্রান্সের আন্দোলনের সঙ্গে ইতালির পরিস্থিতির মিল রয়েছে—এমন ধারণা নাকচ করার চেষ্টা করেছে ইতালি সরকার। চলতি মাসের শুরুতে দেশটির শিক্ষামন্ত্রী জুসেপ্পে ভালদিতারা বলেন, “ইতালির পরিস্থিতি ফ্রান্সের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা।”

ফরাসি বিক্ষোভের পেছনে দ্বিতীয় প্রজন্মের অভিবাসীদের শিক্ষাব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্তির জটিলতা কাজ করছে—ইতালিতে এ সমস্যা নেই বলে দাবি করে দেশটির উগ্র ডানপন্থীরা। শিক্ষামন্ত্রীও সেই দাবির পুনরাবৃত্তি করেন।

আবাসন সংকটেও একাট্টা ইউরোপের তরুণেরা

আবাসন সংকটও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে একটি অভিন্ন সমস্যা হয়ে উঠেছে। ইতালির বিক্ষোভকারীরা জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বরে জোরালোভাবে শুরু হওয়া স্পেনের আবাসন আন্দোলন তারা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন। শেষ পর্যন্ত ওই আন্দোলনের চাপে স্পেন সরকার আগাম নির্বাচনের ডাক দিতে বাধ্য হয়।

রোমে বিক্ষোভ শিবিরে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বলেছেন, সাশ্রয়ী আবাসনের ব্যবস্থা ছাড়া ভালো শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

এলিসা পাস্তোরে নামের এক শিক্ষার্থী জানান, ইতালির রাজধানীতে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় ভাইয়ের সঙ্গে একটি কক্ষ ভাগাভাগি করে থাকেন তিনি। সেই কক্ষের ভাড়াও জোগাড় করতে তাদের হিমশিম খেতে হয়। ভাই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার আগে নিজের পড়াশোনার প্রথমার্ধে খরচ বাঁচাতে তাকে রোমের বাইরে থেকে ১২০ কিলোমিটার (৭৫ মাইল) পথ পাড়ি দিয়ে যাতায়াত করতে হতো।

শুধু শিক্ষার্থী বা তরুণেরাই নন, অন্য গোষ্ঠীর মানুষও বিক্ষোভে যোগ দিচ্ছেন। ইরান যুদ্ধের পর জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ ইতালির ট্রাকচালকেরা অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছেন। এতে মহিষের দুধের মোজারেলা পনির ও কিছু ধরনের পাস্তা উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে।

আবাসনসংকটের মতো সমস্যা আবার প্রজন্মের ব্যবধানও অতিক্রম করছে। এতে প্রবীণরাও আন্দোলনে যুক্ত হচ্ছেন।

পর্তুগালের রাজধানী লিসবনের অন্যতম ব্যস্ত স্থান রসিও চত্বরে চলতি সপ্তাহের প্রতিদিন সন্ধ্যায় হাজারো মানুষ জড়ো হয়েছেন। তাদের কেউ কেউ সেখানে তাঁবুও খাটিয়েছেন। মঙ্গলবার ভোরে ৫৫ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনার পর নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়।

‘কাসাস পারা মোরার’—অর্থাৎ ‘বসবাসের জন্য বাড়ি চাই’—এমন স্লোগান লেখা পতাকা হাতে বিক্ষোভকারীরা ভাড়াবৃদ্ধির ওপর সীমা আরোপ এবং উচ্ছেদ সহজ করার নতুন আইন বাতিলের দাবি জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, আলবেনিয়া ও সার্বিয়ায় দীর্ঘদিন ধরে চলা বিক্ষোভের মূল বিষয় দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলন। এসব আন্দোলন ধীরে ধীরে সরকার পতনের দাবিতে রূপ নিয়েছে।

গত সপ্তাহে আলবেনিয়ায় বিক্ষোভ সহিংস হয়ে উঠলেও প্রধানমন্ত্রী এদি রামা পদত্যাগের দাবি প্রত্যাখ্যান করেন। বরং তিনি অভিযোগ করেন, বিক্ষোভকারীরা তার দেশের ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনাকে হুমকির মুখে ফেলছেন। একই সঙ্গে অস্থিরতার জন্য রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দায়ী করেন তিনি।

আলবেনিয়ার এক বিক্ষোভকারী বলেন, “আমরা পরিবর্তন চাই, সে কারণেই এখানে এসেছি। আমরা বিপ্লব চাই, নতুন সরকার চাই। আমরা কোনো আলোচনা বা সমঝোতা চাই না। যত দ্রুত সম্ভব আমাদের নতুন সরকার প্রয়োজন।”

এদিকে সার্বিয়ায় গত দুই বছর ধরে দেশটির রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করা শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বাধীন আন্দোলন এখন দীর্ঘদিনের নেতা আলেক্সান্দার ভুচিচের জন্য সবচেয়ে বড় বিরোধী শক্তিতে পরিণত হয়েছে। রোববারের সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই আন্দোলন বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

শনিবার ফ্রান্সজুড়ে আবারও বিক্ষোভের ঢেউ ছড়িয়ে পড়ে। প্যারিস, মার্সেই, লিওঁ, লিল, অর্লেয়াঁ ও বোর্দোসহ বিভিন্ন শহরে কয়েক হাজার মানুষ মিছিল করেন।

দেশটির প্রধান শিক্ষার্থী ইউনিয়ন ইউএনইএফের আয়োজনে প্যারিসের মিছিলে যোগ দেয় দেশটির অন্যতম বৃহৎ শ্রমিক সংগঠন সিজিটি, কৃষক, জলবায়ুকর্মী এবং ‘ইয়েলো ভেস্টস’ আন্দোলনের সদস্যরা। ২০১৮ সালে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এই আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল। গত সপ্তাহান্তে ফ্রান্সে যে ধরনের সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা দেখা গিয়েছিল, তা ঠেকাতে কর্তৃপক্ষ পুরো সপ্তাহজুড়ে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে।

ফ্রান্স ও স্পেনের প্রধান শ্রমিক ইউনিয়নগুলো যথাক্রমে ৫ ও ১১ নভেম্বর সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। জার্মানিতে ‘জেন-জি রেগেল্ট’ বা ‘জেন-জিরাই সামলাবে’ নামে একটি গোষ্ঠী ৩১ অক্টোবর দেশজুড়ে বিক্ষোভের আহ্বান জানিয়েছে।

অন্যদিকে, শিক্ষার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে ২০ নভেম্বর কর্মসূচি পালনের পরিকল্পনা করছে যুক্তরাজ্য ও ইতালির শিক্ষার্থী ইউনিয়নগুলো।

সূত্র: সিএনএন ও রয়টার্স

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীনা গুপ্তচর সন্দেহভাজন ঝাংয়ের লস অ্যাঞ্জেলেস আদালতে অভিযোগ অস্বীকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৫ এম


চীনা গুপ্তচর সন্দেহভাজন ঝাংয়ের লস অ্যাঞ্জেলেস আদালতে অভিযোগ অস্বীকার

চীনা গুপ্তচর সন্দেহভাজন ওয়ানইং ঝাং যুক্তরাষ্ট্রে চীনের অনিবন্ধিত প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার অভিযোগ এবং তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের ছেলের ওপর নজরদারি চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

৩৪ বছর বয়সী ঝাং শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি কেন্দ্রীয় আদালতে হাজির হয়ে নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের দায় স্বীকার করেননি। আদালতে সাদা পোশাক পরে এবং হাতকড়া পরা অবস্থায় উপস্থিত হন তিনি। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের সিয়াটল শহরতলিতে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের ছেলের ওপর নজরদারি চালিয়েছেন। এছাড়া, চীনা গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগসাজশ করে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযানের অভিযোগও রয়েছে।

চলতি মাসের শুরুতে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চীনের উদ্দেশে বিমানে ওঠার চেষ্টা করার সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রে চীনা সরকারের অনিবন্ধিত প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঝাং এবং তার স্বামী এড্রিক ডিং ক্যালিফোর্নিয়ার আরভিন শহরে একই প্রতিষ্ঠানে আবাসন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তবে শুক্রবারের (২৩ অক্টোবর) সংক্ষিপ্ত শুনানিতে ডিং উপস্থিত ছিলেন না।

এর আগে আদালতে দেওয়া এক নথিতে সরকারি আইনজীবীরা দাবি করেন, গত বছর ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যে কথিত নজরদারির অভিযানে ঝাংয়ের সঙ্গে থাকা এক ব্যক্তির সঙ্গে তার বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। ওই ব্যক্তির নাম ফাতাই মিয়াও, যিনি নির্মাণ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত এবং সম্প্রতি একমুখী টিকিটে দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়া ছেড়ে চীনে গেছেন বলে জানা গেছে।

তবে মিয়াওয়ের ছেলের দাবি, তার বাবা চীনা সরকারের হয়ে কাজ করছিলেন বলে তিনি বিশ্বাস করেন না। মিয়াওয়ের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো অপরাধের অভিযোগ আনা হয়নি। আদালত আগামী ১২ নভেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছে। আগামী ৩০ নভেম্বর ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা আনায় একটি কেন্দ্রীয় আদালতে মামলার বিচার শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। বিচারপ্রক্রিয়া প্রায় চার দিন চলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি সরকারি আইনজীবী ও ঝাংয়ের আইনজীবী ক্রেইগ হারবাগ।

সূত্র: সিবিএস নিউজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাইজেরিয়ায় গ্রামে বন্দুকধারীদের হামলায় ১০ জন নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৬ এম


নাইজেরিয়ায় গ্রামে বন্দুকধারীদের হামলায় ১০ জন নিহত

নাইজেরিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় তারাবা রাজ্যের একটি গ্রামে বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন, এমন তথ্য জানিয়েছে দেশটির পুলিশ। তবে হামলার শিকার ব্যক্তিদের দাবি, নিহতের সংখ্যা অন্তত ২০। মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলছে, এ হামলায় নিহতের সংখ্যা ৪০। শুক্রবার জুমার নামাজের পর মোটরসাইকেলে করে আসা বন্দুকধারীরা গ্রামটিতে হামলা চালায় এবং এ সময় তারা দোকান থেকে খাবারসহ অন্যান্য জিনিসপত্র লুট করে।

শনিবার নাইজেরিয়ার পুলিশ জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তারাবা রাজ্যের বিনারি গ্রাম থেকে ১০ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে আরো লাশ উদ্ধারের খবর পাওয়া গেছে। বার্তা সংস্থা এএফপিকে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, হামলার পর তারা ২০টির বেশি লাশ দেখতে পান, যদিও তখনো কিছু মানুষ নিখোঁজ ছিলেন।

বিনারি গ্রামের বাসিন্দা সাইদু নুহু এএফপিকে বলেন, “হামলাকারীরা চলে যাওয়ার পর আমরা ২০টির বেশি লাশ গুনেছি। তখনো কিছু মানুষ নিখোঁজ ছিলেন।” গ্রামের আরেক বাসিন্দা ইসিয়াকু মুসা নিহতের সংখ্যা অন্তত ২০ বলে জানিয়েছেন। স্থানীয় সম্প্রদায়ের নেতা মালাম আবুবকর সাইফুল্লাহ এএফপিকে বলেন, প্রায় ৫০টি মোটরসাইকেলে করে হামলাকারীরা গ্রামে আসে, প্রতিটি মোটরসাইকেলে দুজন করে ছিল। এরপর তারা গ্রামে লুটপাট চালায়।

সাইফুল্লাহ বলেন, হামলাকারীরা দোকান থেকে নগদ টাকা, খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে যায়। হামলার সময় প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে যাওয়া লোকজনের ফেলে যাওয়া মোটরসাইকেলও তারা নিয়ে যায়। শনিবার এক বিবৃতিতে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানায়, পুলিশ প্রথমে ১০ জন নিহত হওয়ার কথা নিশ্চিত করেছিল, তবে শনিবার পরে আরো লাশ উদ্ধারের খবর পাওয়া যায়। সংগঠনটির হিসাবে, হামলায় নিহতের সংখ্যা ৪০।

নাইজেরিয়ার কর্তৃপক্ষের সমালোচনা করে অ্যামনেস্টি বলেছে, দেশটির উত্তরের কয়েকটি অঞ্চলে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে বারবার বন্দুকধারীদের হামলার মুখে ফেলে রাখা হচ্ছে। হামলাকারীরা দায়মুক্তি নিয়ে একের পর এক নৃশংসতা চালিয়ে যাচ্ছে।

নাইজেরিয়ায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা

নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলে সশস্ত্র ডাকাত গোষ্ঠীর তৎপরতা দিন দিন বাড়ছে। দুর্গম গ্রামীণ এলাকায় এসব গোষ্ঠীর সঙ্গে জনবল ও সরঞ্জামের সংকটে থাকা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সংঘাত চলছে। দেশটির মধ্য-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য তারাবাতেও এ ধরনের সশস্ত্র গোষ্ঠীর হুমকি রয়েছে। এসব গোষ্ঠীর তৎপরতা কোনো নির্দিষ্ট মতাদর্শভিত্তিক নয়।

নাইজেরিয়ার যেসব গ্রামীণ এলাকায় সরকারের উপস্থিতি কম, সেখানে এসব সশস্ত্র গোষ্ঠী গ্রামে হামলা চালায়, মুক্তিপণের জন্য মানুষকে অপহরণ করে এবং কৃষক ও খনিশ্রমিকদের কাছ থেকে ‘কর’ আদায় করে। এদিকে, ২০০৯ সালে বোকো হারামের বিদ্রোহ শুরুর পর থেকে নাইজেরিয়ায় সশস্ত্র বিদ্রোহ দমনের লড়াই চলছে।

এর মধ্যেই শনিবার দেশটির সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বর্নো রাজ্যে বিমান হামলা চালিয়ে ১৫ জন ‘সন্ত্রাসীকে’ হত্যা করা হয়েছে। তবে ওই অভিযানের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।

এএম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদেশের কারাগারে ১৫ হাজার ২১৩ বাংলাদেশি, সহায়তা নিয়ে অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৭ এম


বিদেশের কারাগারে ১৫ হাজার ২১৩ বাংলাদেশি, সহায়তা নিয়ে অভিযোগ

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কারাগারে বর্তমানে ১৫ হাজার ২১৩ বাংলাদেশি বন্দি অবস্থান করছেন। সৌদি আরব, মালয়েশিয়া এবং ভারতে বন্দিদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। ৩০ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, জেদ্দাতে আটক বাংলাদেশির সংখ্যা ৫ হাজার ৪৮০। মালয়েশিয়ায় ২ হাজার ২১৭, ভারতে ১ হাজার ৪৪৪ এবং থাইল্যান্ডে ১২৭ বাংলাদেশি বন্দি রয়েছেন। তবে, ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা সহায়তা নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ তুলেছেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের উদ্ধৃতি দিয়ে ডেইলি স্টার এক প্রতিবেদনে জানায়, সৌদি আরবের বিভিন্ন কারাগারে বন্দি বাংলাদেশির সংখ্যা প্রায় ৭ হাজার ৫০০।

সৌদি আরবে ৯ মাস কারাগারে কাটানো সিলেটের তিন ভাই আব্দুর রহমান, রিয়াজ উল্লাহ ও মোহাম্মদ আলী অভিযোগ করেছেন যে, গ্রেপ্তারের পর বাংলাদেশ মিশনের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করেও তারা কার্যকর সহায়তা পাননি। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দেশে ফেরার আগে তাদের মুক্তির দাবিতে বাংলাদেশে মানববন্ধন ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

এদিকে, গত ১৪ অক্টোবর সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার ঘটনা কনস্যুলার সহায়তার কার্যকারিতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটের একটি গোপনীয় স্মারক অনুযায়ী, ৩০ সেপ্টেম্বর পাওয়া বন্দিদের তালিকায় তাদের নাম থাকলেও মৃত্যুদণ্ডের তথ্য উল্লেখ ছিল না। সাজাপ্রাপ্তদের আইনি অবস্থার পর্যালোচনা ও ফলোআপের বিষয়ে মিশনের ভূমিকা এখনও স্পষ্ট নয়। এই বিষয়টি পর্যালোচনার দাবি জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস ফোরাম বাংলাদেশ।

বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের মিশনগুলো জানিয়েছে, তারা কারাগার পরিদর্শন, আইনি সহায়তা এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে বন্দিদের সহযোগিতা করে। মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ মিশনের কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান জানান, প্রতি সপ্তাহে আটককেন্দ্র পরিদর্শন করা হয়। দেশটিতে বন্দি বাংলাদেশিদের প্রায় ৭০ শতাংশ ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়াসংক্রান্ত মামলায় আটক রয়েছে।

থাইল্যান্ডে বাংলাদেশ মিশনের কর্মকর্তা জহির ইমাম বলেন, দেশটির আইন অনুযায়ী সাজা শেষ হওয়ার আগে বন্দিদের ফেরত পাঠানো সম্ভব নয়। তবে, পরিবার অনুরোধ জানালে বা বন্দিরা আপিল করলে আইনজীবী নিয়োগের চেষ্টা করা হয়।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জানান, পররাষ্ট্র, প্রবাসী কল্যাণ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে কূটনৈতিক চ্যানেলে বন্দিদের মুক্তি, ক্ষমা ও সাজা কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। মিশন থেকে সহায়তা না পাওয়ার অভিযোগ স্বীকার করে তিনি বলেন, ভুক্তভোগীরা সরাসরি তাঁর দপ্তর বা মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করতে পারেন।

বিদেশে বন্দি বাংলাদেশিদের তথ্য সংরক্ষণ ও প্রত্যাবাসন সহজ করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি অনলাইন ডেটাবেজ তৈরির পরিকল্পনা করছে। এই ডেটাবেজে বন্দিদের পরিচয়, পাসপোর্ট-ভিসার তথ্য, অপরাধের ধরন ও সাজার মেয়াদ অন্তর্ভুক্ত থাকবে। সাজা শেষ হওয়ার ছয় মাস আগে সতর্কবার্তা পাওয়ার ব্যবস্থাও রাখা হবে।

ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান বলেন, অভিবাসন আইন লঙ্ঘন ও ফৌজদারি অপরাধের মামলাগুলো আলাদাভাবে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। বন্দিদের যথাযথ আইনি সহায়তা, প্রত্যাবাসন এবং দেশে ফেরার পর পুনর্বাসন নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%