ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

অ্যাডিলেডে স্টোকস ও চাপম্যানের সঙ্গী হলেন হারিস রউফ


অ্যাডিলেডে স্টোকস ও চাপম্যানের সঙ্গী হলেন হারিস রউফ

অস্ট্রেলিয়ার ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট বিগ ব্যাশ লিগের (বিবিএল) আগামী আসরে পাকিস্তান পেসার হারিস রউফ অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্সের হয়ে খেলবেন।

অ্যাডিলেড দলে বিদেশি খেলোয়াড় কোটায় রউফের সাথে যুক্ত আছেন ইংল্যান্ডের বেন স্টোকস ও নিউজিল্যান্ডের মার্ক চ্যাপম্যান।

অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্সের প্রধান কোচ টিম পাইন এক বিবৃতিতে রউফকে দলে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন: 'নতুন এসেছে তো, একটু এক্সাইটেড', বলেন তাসকিন উইন্ডিজ ব্যাটার সম্পর্কে

পাইন বলেন, ‘রউফ একজন ম্যাচ-উইনার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট এবং বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পারফর্ম করেছে সে। বিশ্বের অন্যতম দ্রুতগতির বোলার এবং যেকোনো মুহূর্তে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেওয়ার সামর্থ্য রাখে সে। পুরো টুর্নামেন্টের জন্য রউফকে পেয়ে আমরা রোমাঞ্চিত।’

রউফ ২০১৯-২০ মৌসুমে প্রথমবারের মতো বিবিএলে খেলা শুরু করেন। তিনি মেলবোর্ন স্টার্সের হয়ে টানা পাঁচ মৌসুম খেলেছেন। এই পাঁচ মৌসুমে ৩৩ ম্যাচে ১৬.৪৮ গড়ে ৫৬ উইকেট শিকার করেছেন রউফ। সর্বশেষ আসরে তিনি সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী ছিলেন। ১১ ইনিংসে ৩৩৫ রানে ২০ উইকেট শিকার করেছেন তিনি। তার সেরা বোলিং ছিল ২৩ রানে ৩ উইকেট।

মেলবোর্ন ছেড়ে অ্যাডিলেডে যোগ দিতে পেরে উচ্ছ্বসিত রউফ। তিনি বলেন, ‘অ্যাডিলেড ওভাল বিশ্বের অন্যতম সেরা একটি ভেন্যু এবং এই ভেন্যুতে সবসময় আমি খেলতে পছন্দ করি।

এবারের অ্যাডিলেড দলটি বেশ শক্তিশালী। এই দলে স্টোকস, চাপম্যান ও ম্যাথু শর্টের মত ক্রিকেটাররা আছেন। তাদের সাথে খেলার জন্য আমি মুখিয়ে আছি। অ্যাডিলেডে প্রতিভাবান ক্রিকেটার আছে। দলকে ফাইনালে তুলতে এবং শিরোপা জয়ের জন্য আমরা অবদান রাখতে চাই।’

আরও পড়ুন: আফগানিস্তানের কাছে উড়ে গেল বাংলাদেশ, ১১৩ রানে হার

অ্যাডিলেড এখন পর্যন্ত একবার বিবিএলের শিরোপা জিতেছে, যা ২০১৭-১৮ মৌসুমে ছিল।

১২ ডিসেম্বর থেকে বিগ ব্যাশের আগামী আসর শুরু হবে।

সূত্র: বাসস

আরও পড়ুন: বাংলাদেশের বড় হারে আফগানিস্তানের কাছে শুরু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাফের উদ্বোধনী দিনে ৭৫ শতাংশ টিকিটই অবিক্রীত, চিন্তায় আয়োজকরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:১৪ পি.এম


সাফের উদ্বোধনী দিনে ৭৫ শতাংশ টিকিটই অবিক্রীত, চিন্তায় আয়োজকরা

ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হতে বাকি রয়েছে মাত্র দুই দিন। তবে, দর্শকদের মধ্যে প্রত্যাশিত উন্মাদনা অনুপস্থিত। টিকিটের উচ্চমূল্য, প্রচারের অভাব এবং আয়োজকদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাবের কারণে উদ্বোধনী দিনের টিকিট বিক্রি হচ্ছে ধীরগতিতে। মঙ্গলবার দুপুর ২টা পর্যন্ত সাধারণ গ্যালারির ৭৫ শতাংশ টিকিট বিক্রি হয়নি।

জাতীয় স্টেডিয়ামের সাধারণ গ্যালারিতে মোট আসন সংখ্যা ১৮ হাজার ৩০০। টিকিট বিক্রির দায়িত্বে থাকা টিকিফাইয়ের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, এর মধ্যে ১৩ হাজার ৭৩৬টি টিকিট তখনো বিক্রি হয়নি।

উদ্বোধনী দিনে দুটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। বিকেল সাড়ে তিনটায় ভারত ও পাকিস্তান মুখোমুখি হবে। রাত আটটায় স্বাগতিক বাংলাদেশ খেলবে ভুটানের বিরুদ্ধে। সাধারণ গ্যালারির টিকিটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার টাকা। একটি টিকিটে দিনের দুটি ম্যাচ দেখা গেলেও, সাধারণ দর্শকদের কাছে এই মূল্য অনেক বেশি মনে হচ্ছে। বিশেষ করে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খেলা দেখতে গেলে খরচ আরও বেড়ে যাবে।

টিকিটের মূল্য ছাড়াও প্রচারের অভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ২০০৩ ও ২০১৮ সালে ঢাকায় সাফ আয়োজনের সময় যে উৎসবমুখর পরিবেশ ছিল, এবার পর্যন্ত তেমন কিছু দেখা যাচ্ছে না।

আয়োজনের দায়িত্ব মূলত সাফ নিজেই পরিচালনা করছে। এ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বাফুফের কম্পিটিশন কমিটির চেয়ারম্যান গোলাম গাউস। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, বাফুফের মতামতকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না। খেলা শুরুর মাত্র দুই দিন বাকি থাকলেও, প্রস্তুতি নিয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না।

দলগুলোর ঢাকায় আসা শুরু হয়ে গেছে। ভুটান আগেই পৌঁছেছে। আজ ভারত ও শ্রীলংকা এসেছে। পাকিস্তান দলেরও আজ পৌঁছানোর কথা। তবে, দলগুলোর অনুশীলন ও অন্যান্য কার্যক্রমের সময়সূচি নিয়ে আয়োজকদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে গণমাধ্যমকর্মীদের ভোগান্তির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের একমাত্র শিরোপা এসেছিল ২০০৩ সালে, ঢাকার মাটিতে। ২৩ বছর পর ঘরের মাঠে আবারও শিরোপা জয়ের স্বপ্ন দেখছে দলটি। ভারতও এবার শিরোপার অন্যতম দাবিদার। মাঠের লড়াই জমজমাট হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও, গ্যালারিতে দর্শক টানার প্রস্তুতি নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।

টুর্নামেন্টের জৌলুশ কেবল মাঠের খেলায় নয়, দর্শকের উপস্থিতি ও সার্বিক আয়োজনের ওপরও নির্ভর করে। তাই, শেষ মুহূর্তে প্রচার বাড়ানো এবং টিকিট বিক্রিতে বিশেষ উদ্যোগ না নেওয়া হলে উদ্বোধনী দিনেই গ্যালারির বড় অংশ ফাঁকা থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সমুদ্রের বুকে ভারতীয় নৌবাহিনীর নতুন মাইলফলক: রাফাল-এম যুদ্ধবিমান সফল অবতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:১৫ পি.এম


সমুদ্রের বুকে ভারতীয় নৌবাহিনীর নতুন মাইলফলক: রাফাল-এম যুদ্ধবিমান সফল অবতরণ

ভারতের নিজস্ব বিমানবাহী রণতরি আইএনএস বিক্রান্তে প্রথমবারের মতো সফলভাবে অবতরণ করেছে ফ্রান্সের তৈরি রাফাল-এম যুদ্ধবিমান। গত ২৯ অক্টোবর চালানো প্রথম চেষ্টাতেই সফল অবতরণ ভারতীয় নৌবাহিনীতে যুদ্ধবিমানটির অন্তর্ভুক্তির পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ২০২৫ সালের এপ্রিলে নৌবাহিনীর জন্য ৭৫০ কোটি ডলারে ২৬টি রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তি করে। এর মধ্যে ২২টি রাফাল-এম যুদ্ধবিমান এবং চারটি দুই আসনের প্রশিক্ষণ বিমান রয়েছে। ২০২৯ সাল থেকে এসব বিমান সরবরাহ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে গত অক্টোবরের মাঝামাঝি গোয়ার আইএনএস হানসার কাছে একটি রাফাল উড়তে দেখা যায়। সেখানে বিমানবাহী রণতরির যুদ্ধবিমান পরীক্ষার জন্য ভারতের উপকূলভিত্তিক পরীক্ষাকেন্দ্র রয়েছে। ওই কেন্দ্রে পরীক্ষা শেষে বিক্রান্তে অবতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

নেভাল নিউজ বলছে, ভারতের নিজস্ব টুইন ইঞ্জিন ডেক বেসড ফাইটার (টিইডিবিএফ) প্রকল্পে অগ্রগতি না থাকায় ভবিষ্যতে আরও রাফাল-এম কেনার সম্ভাবনাও রয়েছে। বিক্রান্ত ও বিক্রমাদিত্যের জন্য একসময় ৫৭টি যুদ্ধবিমানের চাহিদা থাকলেও পরে তা কমিয়ে ২৬টিতে আনা হয়।

রাফাল-এম ও বোয়িংয়ের এফ/এ-১৮ সুপার হর্নেটের মধ্যে প্রতিযোগিতার পর ২০২২ সালে পরীক্ষার ভিত্তিতে রাফালকে বেছে নেওয়া হয়। বর্তমানে দুই রণতরিতে মিগ-২৯কে/কেইউবি যুদ্ধবিমান ব্যবহৃত হচ্ছে। রাফাল বেছে নেওয়ার ফলে ভারতীয় বিমানবাহিনীর বহরে থাকা ৩৬টি রাফালের সঙ্গে রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনায় সমন্বয় সহজ হবে। বিমানবাহিনী আরও ১১৪টি রাফাল কেনার পরিকল্পনা করছে, যার মধ্যে ৯০টি ভারতে তৈরি হওয়ার কথা রয়েছে।

চুক্তির আওতায় ভারতীয় অস্ত্র সংযোজনের প্রযুক্তি হস্তান্তরের বিষয়টিও রয়েছে। পাশাপাশি রাফালের কাঠামো তৈরির জন্য টাটা অ্যাডভান্সড সিস্টেমসের সঙ্গে উৎপাদনকেন্দ্র গড়ে তুলছে ফরাসি নির্মাতা দাসো অ্যাভিয়েশন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৌলভীবাজারের চা শ্রমিকদের চক্ষুসেবায় স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ও ইস্পাহানির উদ্যোগ ‘গিফট অব সাইট’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:১৬ পি.এম


মৌলভীবাজারের চা শ্রমিকদের চক্ষুসেবায় স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ও ইস্পাহানির উদ্যোগ ‘গিফট অব সাইট’

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার চা শ্রমিকদের জন্য ‘গিফট অব সাইট’ নামক একটি বিশেষ চক্ষু চিকিৎসাসেবার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ। এই উদ্যোগটি ইস্পাহানি ইসলামিয়া আই ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হাসপাতালের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত হবে।

এই প্রকল্পের আওতায় ৭ হাজারেরও বেশি চা শ্রমিককে চোখের চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হবে। ছানি, চোখের পানি নিষ্কাশন নালির সমস্যা, ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি এবং গ্লুকোমার মতো রোগের শনাক্তকরণ ও চিকিৎসায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। এর মধ্যে ১৫০০ রোগীর ছানি অস্ত্রোপচার সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করা হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য চক্ষুরোগের অস্ত্রোপচারও সম্পন্ন করা হবে। ছানি চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন স্থানে বিশেষ চক্ষুসেবা ক্যাম্প স্থাপন করা হবে। এসব ক্যাম্পে চোখ পরীক্ষা, রোগী শনাক্তকরণ এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান করা হবে। এর ফলে স্থানীয় পর্যায়ে রোগী বাছাই ও প্রাথমিক চক্ষু চিকিৎসার সুযোগ বৃদ্ধি পাবে।

এছাড়া, ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি ও গ্লুকোমার মতো জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার ইস্পাহানি ইসলামিয়া আই ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা থাকবে।

এই উদ্যোগ সম্পর্কে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, এনামুল হক বলেন, “চোখের কোনো সমস্যার সময়মতো চিকিৎসা না হলে একজন মানুষের কাজ করার, পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর এবং স্বাভাবিক জীবনযাপনের সক্ষমতা ব্যাহত হতে পারে। ‘গিফট অব সাইট’-এর মাধ্যমে আমরা চা শ্রমিকদের কাছে সময়মতো মানসম্মত চক্ষু চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে চাই, যাতে তাদের জীবনযাত্রায় দীর্ঘমেয়াদি ও ইতিবাচক পরিবর্তন আসে। আমরা বিশ্বাস করি, উন্নত স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার মাধ্যমে আরও সুস্থ ও শক্তিশালী সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। এই উদ্যোগে ইস্পাহানি ইসলামিয়া আই ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হাসপাতালের সঙ্গে অংশীদার হতে পেরে আমরা আনন্দিত।”

ইস্পাহানি ইসলামিয়া আই ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হাসপাতাল-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম আকতারুজ্জামান বলেন, “গিফট অব সাইট-এর মতো জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের মাধ্যমে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ, প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর কাছে প্রয়োজনীয় চক্ষু চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ তৈরি করছে। এ ধরনের উদ্যোগ চা শ্রমিকদের সুস্থ থাকতে এবং তাঁদের জীবনযাত্রার মান এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা আরও উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

চা-বাগান এলাকায় বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার সুযোগ সীমিত। এ কারণে অনেক শ্রমিক নিয়মিত চোখের পরীক্ষা ও চিকিৎসার সুযোগ পান না। আর্থিক সীমাবদ্ধতা ও স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে সচেতনতার অভাবও এ ক্ষেত্রে বড় বাধা। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে ‘গিফট অব সাইট’-এর মতো উদ্যোগের মাধ্যমে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ অবহেলিত সম্প্রদায়ের জন্য প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বৃদ্ধি করছে এবং আরও সুস্থ, অন্তর্ভুক্তিমূলক জীবিকা গড়ে তুলতে সহায়তা করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জমিয়ত: সিলিন্ডার গ্যাসের দাম প্রত্যাহার ও গার্মেন্টসে স্থিতিশীলতার দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:১৬ পি.এম


জমিয়ত: সিলিন্ডার গ্যাসের দাম প্রত্যাহার ও গার্মেন্টসে স্থিতিশীলতার দাবি

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তর সিলিন্ডার গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি প্রত্যাহার এবং দেশের গার্মেন্টস শিল্পে চলমান অস্থিরতা দ্রুত সমাধানের জন্য দাবি করেছে। সংগঠনটির নেতারা উল্লেখ করেছেন, নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষ ইতোমধ্যে চাপের মধ্যে রয়েছে। এ অবস্থায় গ্যাসের দাম বৃদ্ধি জনজীবনে নতুন অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করেছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সংগঠনটির সভাপতি মুফতি মকবুল হোসাইন কাসেমী এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মুফতি জাবের কাসেমী এ দাবি তুলে ধরেন।

বিবৃতিতে নেতারা বলেন, সিলিন্ডার গ্যাসের বর্ধিত মূল্য অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। একই সাথে, জনগণের ক্রয়ক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গ্যাসের দাম নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

গার্মেন্টস শিল্পের অস্থিরতা নিয়ে তারা বলেন, দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি এই শিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টি হলে শ্রমিক, মালিকসহ সংশ্লিষ্ট সকলেই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এর ফলে সামগ্রিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তাই শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি এবং মালিকপক্ষের যৌক্তিক বিষয়গুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করে দ্রুত শিল্পাঞ্চলে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে।

জমিয়ত নেতারা আরও জানান, শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিল্পকারখানার নিরাপত্তা, উৎপাদন ও কর্মপরিবেশ বজায় রাখার দায়িত্ব সরকারের। কোনো পক্ষের উসকানি, সহিংসতা বা নৈরাজ্য যাতে গার্মেন্টস শিল্পের ক্ষতি করতে না পারে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

বিবৃতিতে তারা বলেন, জনগণের ওপর অতিরিক্ত অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি না করে জ্বালানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। পাশাপাশি গার্মেন্টস শিল্পের অস্থিরতার স্থায়ী সমাধানে সরকার, মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের নিয়ে কার্যকর সংলাপের উদ্যোগ নিতে হবে।

নেতারা অবিলম্বে সিলিন্ডার গ্যাসের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার, গার্মেন্টস শিল্পে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত এবং শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%