ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ডিফিএফআইয়ের পরিচয়ে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ৩


ডিফিএফআইয়ের পরিচয়ে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ৩

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ডিজিএফআই পরিচয়ে অবস্থানের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ডিজিএফআইয়ের ভুয়া পরিচয়পত্র ও ওয়াকিটকি উদ্ধার করা হয়েছে।

 

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাত ৩টার দিকে ফতুল্লার ভূইঘর সাহেবপাড়া পঞ্চায়েতের মোড় এলাকার বিসমিল্লাহ টাওয়ারের সামনে এ অভিযান চালানো হয়।

আরও পড়ুন: ইউপি নির্বাচনে বিএনপির দুই পক্ষে সংঘর্ষ, দুজন গুলিবিদ্ধসহ আহত ৩

গ্রেপ্তার হওয়া তিনজনের মধ্যে রয়েছেন জয়পুরহাটের আক্কেলপুর থানার বজর গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে রায়হান মাহাবুব আলম (৩৬), সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় রহিম মার্কেট এলাকার মৃত দুলাল গাজীর ছেলে মোহাম্মদ সাদ্দাম গাজী (৩০) এবং ফতুল্লার ভূইঘর পূর্বপাড়া এলাকার আ. ছালাম হোসেনের ছেলে নাসির হোসেন (৩৫)।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি ভুয়া ডিজিএফআই পরিচয়ে ওই এলাকায় অবস্থান করছে—এমন খবর পেয়ে ফতুল্লা থানা পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালানোর চেষ্টা করলে তিনজনকে আটক করা হয়।

 

আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে তাদের কথাবার্তায় অসংগতি পাওয়া যায়। পরিচয়পত্র দেখতে চাইলে তারা বৈধ কোনো পরিচয়পত্র দেখাতে পারেননি। পরে তাদের দেহ তল্লাশি করে ডিজিএফআইয়ের ভুয়া পরিচয়পত্র ও ব্যবহৃত ওয়াকিটকি উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন: কুয়াকাটায় হোটেলভাড়া চার গুণ, কক্ষ নেই কোথাও!

ফতুল্লা থানার ওসি মোহাম্মদ মাহবুব আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘ডিজিএফআইয়ের ভুয়া পরিচয় দেওয়ার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।’

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রীকে ঢাকায় আনা হচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪০ পি.এম


সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রীকে ঢাকায় আনা হচ্ছে

জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আবুল বারীকে বহনকারী গাড়িটি সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। তিনি ঢাকা থেকে তার নির্বাচনী জেলা জয়পুরহাটে যাওয়ার সময় এই দুর্ঘটনার কবলে পড়েন। দুর্ঘটনার ফলে প্রতিমন্ত্রী এবং তার সহধর্মিণী নাজমা আরা বেগম আহত হয়েছেন। পাশাপাশি, দুর্ঘটনায় আহত এক পথচারী নারী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলা-জয়পুরহাট সড়কের কিচক ইউনিয়নের গোপীনাথপুর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।পুলিশ এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিমন্ত্রীকে বহনকারী গাড়িটি ফিরোজা বেগম (৬০) নামে এক নারীকে বাঁচাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং সড়কের পাশে ধানখেতে পড়ে যায়। স্থানীয়রা আহত ফিরোজা বেগমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়, কিন্তু সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে। নিহত ফিরোজা বেগম শিবগঞ্জ উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের মৃত নিজামুদ্দিন সরদারের স্ত্রী ছিলেন।অন্যদিকে, দুর্ঘটনায় আহত প্রতিমন্ত্রীকে কালাইয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর জয়পুরহাট ৪০০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে তার স্ত্রী সুস্থ আছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রাশেদ মোবারক জুয়েল জানান, দুর্ঘটনায় প্রতিমন্ত্রীর ডান পা, বাম পায়ের সোল্ডার এবং বুকে আঘাত লেগেছে। বর্তমানে তিনি আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জেনে শুনে লোকসান কে করবে’, পাট চাষে অনাগ্রহী কৃষক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৪ পি.এম


জেনে শুনে লোকসান কে করবে’, পাট চাষে অনাগ্রহী কৃষক

পাট চাষ কইরা কি করুম? ১ মন পাট বেইচ্চা ১ মন চাইল কিনতে পারি না। জাইন্না-শুইন্না কে লস দিবে?’—এভাবে প্রশ্নের জবাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার হোগলাকান্দি গ্রামের কৃষক ছালে মুছা মিয়া জানান কেন তিনি পাট চাষে আগ্রহী নন।ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা পাট চাষে এক সময় বেশ অগ্রসর ছিল। কিন্তু গত কয়েক বছরে উৎপাদন খরচের বৃদ্ধি এবং দামের অস্থিতিশীলতার কারণে ১৩টি ইউনিয়নে পাট চাষের পরিমাণ আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পেয়েছে। বর্ষা মৌসুমে যেখানে আগে পাট ক্ষেত ছিল, সেখানে এখন ধান চাষ হচ্ছে।এছাড়া, পাট পচানোর স্থান সীমিত হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে পাট চাষের প্রতি আগ্রহ কমে গেছেবৈরী আবহাওয়ার কারণে অনেক চাষি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর এই উপজেলায় পাটের আবাদ হয়েছিল ১৩২০ হেক্টর জমিতে, কিন্তু চলতিমৌসুমে তা কমে ১২৭০ হেক্টরে দাঁড়িয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবারের আবাদ কমেছে।বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে, দেশের অন্যান্য এলাকার মতো বাঞ্ছারামপুরের চাষিরাও পাট চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন। গত দুই-তিন বছরে পাট চাষ করে উৎপাদন খরচ উঠানো সম্ভব হচ্ছে না। পাট কাটার পর বহন করে নদী, বিল, খাল ও পুকুরে জাগ দিতে অনেক টাকা ব্যয় হয়। এই কারণে চলতি মৌসুমে কৃষকরা পাটের পরিবর্তে অন্য ফসলের দিকে ঝুঁকছেন।তেজখালি ইউনিয়নের বিষ্ণারামপুর গ্রামের চাষি সফর আলী জানান, এক বিঘা জমিতে পাট চাষে ১৬-১৭ হাজার টাকা ব্যয় হয়।বিঘাতে পাট হয় ১০-১২ মণ, এবং প্রতিমণ পাট বিক্রি হয় ৩ হাজার ৫ শ টাকা পর্যন্ত। এই দামে পাট বিক্রি করে উৎপাদন খরচ ওঠানো সম্ভব নয়। গত বছর তিনি ৪ কানি জমিতে পাট চাষ করেছিলেন, কিন্তু এবারে তা কমিয়ে ২ কানিতে চাষ করেছেন। বৃষ্টির কারণে ৫ বিঘা জমির পাট নষ্ট হয়ে গেছে।এ বিষয়ে বাঞ্ছারামপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মো আবদুল্লাহ মামুন কালের কণ্ঠকে জানান, চাষিরা ধান চাষে ঝুঁকে পড়ায় পাট চাষের পরিমাণ কমেছে। তবে কৃষকদের পাট চাষে আগ্রহ বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এটি সত্য যে পাটের তুলনায় আউশ ধানের আবাদ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৮ হাজার মুসলিম হত্যার দায়ে অভিযুক্ত ‘বসনিয়ার কসাইকে’ সামরিক মর্যাদা দিল সার্বিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৫ পি.এম


৮ হাজার মুসলিম হত্যার দায়ে অভিযুক্ত ‘বসনিয়ার কসাইকে’ সামরিক মর্যাদা দিল সার্বিয়া

সার্বিয়া কর্তৃপক্ষ বসনিয়ার মুসলিমদের বিরুদ্ধে গণহত্যার জন্য দায়ী যুদ্ধাপরাধী জেনারেল রাতকো ম্লাদিককে সামরিক মর্যাদা প্রদান করেছে। তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের একটি কারা হাসপাতালে ৮৪ বছর বয়সে মারা যান।

বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) নেদারল্যান্ডসের হেগ থেকে রাতকো ম্লাদিকের মৃতদেহ সার্বিয়াতে পৌঁছায়। বসনিয়ার কসাই নামে পরিচিত এই যুদ্ধাপরাধীর কফিনটি সার্বিয়ার পতাকায় মোড়ানো ছিল। তার মরদেহ বহন করতে ছয়জন সেনা উপস্থিত ছিলেন এবং সঙ্গে ছিলেন তার ছেলে ও বিচারমন্ত্রী নেনান্দ ভুজিক।

পুলিশের স্কর্টে তার মরদেহ বেলগ্রেডের একটি সামরিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। যুদ্ধাপরাধীর মৃত্যুর কারণ জানার জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। পরে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার ভুকিক গত সপ্তাহে ঘোষণা করেছিলেন যে, এই দণ্ডপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধীকে রাষ্ট্রীয় সম্মানে বিদায় জানানো হবে। রাতকো ম্লাদিক ১৯৯২-৯৫ সালের বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার যুদ্ধে আট হাজার মুসলিমকে হত্যার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত তাকে গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন সার্বিয়া সরকারের এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছে। তারা বলেছে, "তার মতো একজন অপরাধীর স্থান ইউরোপে নেই এবং এসব অপরাধেরও কোনো স্থান নেই।"

১৯৯৫ সালে জাতিসংঘের নির্ধারণ করা ‘সেফ এরিয়া’-তে আট হাজার মুসলিমকে হত্যার নির্দেশ দেন রাতকো ম্লাদিক। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের মাটিতে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে বড় নৃশংস হত্যার ঘটনা। মুসলিম পুরুষ ও বালকদের নির্বিচারে গুলি করে হত্যার নির্দেশ দেন তিনি।

এই ভয়াবহ গণহত্যার পর রাতকো ম্লাদিকের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী প্রতিবাদ শুরু হয়। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর ২০১১ সালের মে মাসে সার্বিয়ার একটি গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে নেদারল্যান্ডসের হেগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

২০১৭ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়। ২০২১ সালে তিনি এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন, কিন্তু আদালত তা খারিজ করে দেয়। ২০১৭ সালে দেওয়া রায়ে আদালত এই জেনারেলের হত্যাকাণ্ডকে ‘মানবজাতির জঘন্যতম অপরাধগুলোর মধ্যে অন্যতম অপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করে।

 

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অবৈধ খননে বিপর্যস্ত দক্ষিণ আফ্রিকার অর্থনৈতিক কেন্দ্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৭ পি.এম


অবৈধ খননে বিপর্যস্ত দক্ষিণ আফ্রিকার অর্থনৈতিক কেন্দ্র

ঢাকা, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দক্ষিণ আফ্রিকার অর্থনৈতিক প্রাণকেন্দ্র জোহানেসবার্গে ব্যাপক অবৈধ খনন কার্যক্রমের কারণে একটি ব্যস্ত সড়কের বড় অংশ ধসে পড়েছে।

শহরের বিভিন্ন এলাকায়ও একই চিত্র। ওয়েমার প্যান রোডে দেখা দিয়েছে অসংখ্য ফাটল ও গর্ত। শহরের মাটির নিচে স্বর্ণ ও অন্যান্য খনিজের সন্ধানে অবৈধ খননকারীরা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে মাটি খুঁড়তে থাকায় এসব গর্ত ও ফাটল তৈরি হয়েছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

স্থানীয় বাসিন্দা ও কর্মকর্তারা বলছেন, দিন-রাত চলা এই অবৈধ খনন কার্যক্রম জোহানেসবার্গের অবকাঠামোর ওপর ভয়াবহ চাপ তৈরি করছে। এতে পরিবহন ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে শুরু করে বাড়িঘর ও বিভিন্ন ভবনও ঝুঁকির মুখে পড়ছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন সশস্ত্র গ্যাংয়ের মধ্যে আধিপত্যের লড়াইকে কেন্দ্র করে অপরাধও বাড়ছে।

জোহানেসবার্গের কেন্দ্রের উত্তর-পশ্চিমে রুডেপোর্ট এলাকায় বসবাসকারী ৪৫ বছর বয়সী ভোনিন ট্রম্পেটার এএফপিকে বলেন, ‘শুরুতে মাটির নিচে বিস্ফোরণ ও কম্পনের কারণে আমাদের ফ্ল্যাট কাঁপত। আমরা সেটা অনুভব করতাম।’

তিনি বলেন, ‘এখন এলাকায় গোলাগুলির ঘটনাও ঘটছে। এটা খুবই ভয়ংকর।’

দক্ষিণ আফ্রিকায় অবৈধ খনন কার্যক্রমে আশপাশের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা হাজার হাজার দরিদ্র মানুষ যুক্ত হচ্ছেন। তারা একটানা কয়েক দিন পর্যন্ত মাটির গভীরে অবস্থান করে খননকাজ চালান।

স্থানীয়ভাবে তাদের ‘জামা জামা’ বলা হয়। জুলু ভাষায় এর অর্থ ‘যারা চেষ্টা করে’। এসব শ্রমিকের বেশিরভাগই ভারী অস্ত্র বহন করেন। তারা খনি কোম্পানিগুলোর পরিত্যক্ত গভীর খনিতে নেমে যান অথবা নিজেরাই নতুন সুড়ঙ্গ তৈরি করেন।

গৌতেং প্রদেশের আইনসভার সদস্য মাইকেল সান বলেন, এসব অবৈধ খননকারীরা বিদ্যুতের তার চুরি করে, পানির পাইপ ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং রাস্তা খুঁড়ে ফেলে।

তিনি বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত ভুগতে হয় কাদের? ভুগতে হয় সাধারণ বাসিন্দাদের।’

জোহানেসবার্গের কেন্দ্রের কাছে ডেনভার এলাকায় এক ব্যবসায়ী এএফপিকে তার কারখানার প্রবেশপথ থেকে প্রায় ১০০ মিটার দূরে একটি বিশাল গর্ত দেখান। তার দাবি, প্রতি সপ্তাহে বিপুলসংখ্যক অবৈধ খননকারী ওই গর্ত দিয়ে মাটির নিচ থেকে বের হয়ে আসেন।

৬৩ বছর বয়সী ওই ব্যবসায়ী পরিচয় প্রকাশ না করার অনুরোধ করে বলেন, ‘আমাদের ভবনগুলোর নিচে কী ঘটছে, তা নিয়ে আমরা খুবই উদ্বিগ্ন।’

প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন স্থানে থাকা ফাটল দেখিয়ে তিনি জানান, মাটির নিচে বিস্ফোরণের কারণেই এসব ফাটল তৈরি হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

জোহানেসবার্গের বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থা শহরের বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক জানিয়েছে, অবৈধ খননের কারণে তাদের অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক-এর মুখপাত্র আইজ্যাক মাঙ্গেনা বলেন, ‘মাটির নিচে খননকাজের কারণে ভূমির স্থিতিশীলতা নষ্ট হচ্ছে। এতে বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র, ট্রান্সফরমার, বৈদ্যুতিক খুঁটি এবং বিদ্যুৎ সঞ্চালন টাওয়ারগুলো ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘কিছু এলাকায় মাটির নিচে অবৈধ খনন কার্যক্রম বাড়তে থাকায় ইতোমধ্যে বিভিন্ন অবকাঠামো দেবে যেতে শুরু করেছে।’

অপরাধ ও অবৈধ খননের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান জোরদার করতে গত মার্চে প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা গৌতেং প্রদেশজুড়ে সেনা মোতায়েন করেন।

আফ্রিকার সবচেয়ে ধনী শহর হিসেবে পরিচিত জোহানেসবার্গের জন্ম হয়েছিল ১৮৮০-এর দশকের স্বর্ণের খনি আবিষ্কারকে কেন্দ্র করে। শহরের কিছু এলাকায় বৈধ খনন কার্যক্রম এখনো চলছে। তবে প্রধান সোনার খনি অঞ্চলের পাশে শত শত পরিত্যক্ত খনির সুড়ঙ্গও রয়েছে।

খনি বিশেষজ্ঞ ডেভিড ভ্যান ওয়াইক বলেন, এসব পরিত্যক্ত খনির কিছু অংশে ‘জামা জামা’রা আবার খনন চালাচ্ছে। অন্য অনেক খনি আবার অ্যাসিডযুক্ত পানিতে ভরে আছে, যা ভূমিতে বড় বড় গর্ত বা সিঙ্কহোল তৈরিতে ভূমিকা রাখছে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতির দিক থেকে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে যাচ্ছে।’

ভ্যান ওয়াইকের হিসাব অনুযায়ী, দক্ষিণ আফ্রিকায় ৩৪ হাজারের বেশি অবৈধ খননকারী রয়েছে।

তিনি বলেন, খনির বর্জ্য ফেলে তৈরি স্তূপের ওপর গড়ে ওঠা অনানুষ্ঠানিক বসতিগুলোর বাসিন্দারা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। তার আশঙ্কা, ‘আরও অনেক বাড়িতে ফাটল ধরবে এবং সেগুলো সিঙ্কহোলে ধসে পড়তে পারে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%