শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৫২ পি.এম
সুইডেনের নোবেল ফাউন্ডেশন ৯ শতাংশ বৃদ্ধি করে নোবেল পুরস্কারের অর্থমূল্য ঘোষণা করেছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) এই সংস্থাটি জানায়, চলতি বছর থেকে ছয়টি ক্যাটাগরির বিজয়ীদের জন্য ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রাউন বা ১২ লাখ ২২ হাজার মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা) প্রদান করা হবে।
নোবেল ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক হানা স্তিয়ার্নের একটি বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, "পুরস্কারের অর্থের পরিমাণ বাড়ানোর মাধ্যমে আমরা নোবেল পুরস্কারের দীর্ঘমেয়াদি তাৎপর্যকে সমুন্নত রাখছি।" তিনি আরও বলেন, "একইসঙ্গে আমরা এটা নিশ্চিত করতে চাই, যাতে সময়ের পরিক্রমায় পুরস্কারের আর্থিক মূল্যমান অক্ষুণ্ণ থাকে।"
এবারের নোবেল বিজয়ীদের নাম আগামী ৫ থেকে ১২ অক্টোবরের মধ্যে চিকিৎসাশাস্ত্র, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, সাহিত্য, শান্তি ও অর্থনীতি—এই ছয় ক্যাটাগরিতে ঘোষণা করা হবে।
এই ঘোষণার মাধ্যমে প্রথম নোবেল পুরস্কার দেওয়ার ১২৫তম বার্ষিকী উদযাপন হতে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, সুইডিশ ব্যবসায়ী আলফ্রেড নোবেলের উইলে প্রতিষ্ঠিত হয় নোবেল পুরস্কার। ১৯ শতকের এই ব্যবসায়ী ডিনামাইটের আবিষ্কারক। নোবেল ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, ১৯০১ সালে প্রথমবার পুরস্কার দেওয়ার সময় প্রতিটি বিভাগের অর্থমূল্য ছিল ১ লাখ ৫০ হাজার ৭৮২ ক্রোনা (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৯ লাখ টাকা)।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি মন্তব্য করেছেন, সরকার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার প্রক্রিয়া চলছে একটি ধ্বংসস্তূপের মধ্যে। তিনি বলেন, "দীর্ঘদিনের ঝট, দীর্ঘদিনের ঝামেলা, দীর্ঘদিনের কচুরিপানা, বর্জ্য একটা লংমার্চ, লংড্রাইভ, রোডমার্চ করলে সব সাথে সাথে শেষ হয়ে যাবে?" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিরোধী দলের উচিত ছিল সরকারকে সহযোগিতা করা। তিনি প্রশ্ন করেন, "পার্লামেন্টে সুন্দর সুন্দর কথা বলে, আর বাইরে এসে লংমার্চ করে। এটা কি সহযোগিতা হলো?" তিনি অভিযোগ করেন যে, সরকারকে এত বেশি চাপে রাখা হচ্ছে যে, সরকার স্বাভাবিক কাজ করার সুযোগও পাচ্ছে না। এ পরিস্থিতিতে ফ্যাসিবাদ নতুনভাবে আসতে চাইছে, এবং জামায়াত ও বিরোধী দলকে এ সুযোগ তৈরি করার জন্য দায়ী করেছেন।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
এ্যানি বলেন, "যারা আজকে লংমার্চ করে, কি প্রয়োজন ছয় মাসের মাথায় লংমার্চ করতে হবে?" তিনি উল্লেখ করেন যে, এতদিন ধরে বলা হয়েছে, "আমরা আর লংমার্চ করবো না, এটা ভূল হয়েছে, এটা ঠিক হয় নি।" বিদ্যুৎ সংকটের জন্য বিএনপিকে দায়ী না করে তিনি বলেন, "এটা আমাদের সৃষ্ট না, আগের থেকে সৃষ্ট।" তিনি আরও বলেন, বিরোধীদলীয় নেতা বলেছেন যে, বিদ্যুৎ সরবরাহ এখন সম্ভব নয়। গ্যাস সরবরাহের জন্যও সময় প্রয়োজন।
শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ভোটের সময় তাদের মায়েদের কাছে গিয়েছিল, কিন্তু যুব প্রজন্মের কাছে পৌঁছাতে পারেনি। তিনি অভিযোগ করেন, "ঘরে গিয়ে পান-সাদা খাওয়ায় বলছে বেহেস্তে দিব, জান্নাত দিব। আবার হাতের ভিতর একটা জিনিস ঢুকাই দিছে।" তিনি দাবি করেন, এটি ভোটের শেষ এক সপ্তাহে বেশি হচ্ছে এবং ভবিষ্যতের জন্য তারা সতর্ক।
তিনি বলেন, "আমরা কাজ শুরু করেছি মাত্র ছয় মাস হয়েছে।" তিনি উল্লেখ করেন যে, ছয় মাসের আগে ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট শাসনের অত্যাচার, নির্যাতন, গুম-খুন, লুটপাট, দুবৃত্তায়ন এবং দুর্নীতি চলেছে। তিনি বলেন, "এখন বলে ডিসেম্বর আসবে। এগুলো হলো মোবাইলে।" তিনি অভিযোগ করেন, মোবাইলে এসব তথ্য আসার সুযোগ বট বাহিনী করে দিয়েছে।
পৌর বিএনপির আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ উজ-জামান খান, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান, বাফুফে সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপী, পৌর বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম লিটন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক নিজাম উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাকছুদুর রহমান আলমগীর, জেলা যুবদলের সভাপতি আবদুল আলীম হুমায়ুন প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ার অঙ্গরাজ্যের একটি লাইব্রেরি থেকে ধার নেওয়া একটি ম্যাগাজিন ১৩২ বছর পর ফেরত দেওয়া হয়েছে।
বিদেশি সংবাদমাধ্যমের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ৮৪ বছর বয়সি জন হ্যানসন সম্প্রতি কনকর্ড পাবলিক লাইব্রেরিতে গিয়ে ১৮৯৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসের দ্য সেঞ্চুরি ইলাস্ট্রেটেড মান্থলি ম্যাগাজিনের সংখ্যাটি ফেরত দিয়েছেন।
লাইব্রেরি কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত সময়ের জন্য নেওয়া বই ও অন্যান্য সামগ্রীর জরিমানা মওকুফের ঘোষণা দেওয়ার পর হ্যানসন ম্যাগাজিনটি ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
ম্যাগাজিনটি ৪৮ হাজার ২২০ দিন পর ফেরত দেওয়া হয়েছে। যদি এত দিনের জরিমানা দিতে হত, তাহলে এর পরিমাণ দাঁড়াত ৩৩ লাখ ৬০ হাজার রুপি বা ১২ হাজার ৫৫ মার্কিন ডলারের বেশি।
হ্যানসন জানিয়েছেন, ম্যাগাজিনটি কয়েক দশক ধরে তার বাড়িতে ছিল। তবে এটি কীভাবে তার বাড়িতে এসেছে, সে বিষয়ে তিনি জানেন না।
জরিমানা নেওয়া বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার পর দীর্ঘ সময় ধরে ফেরত না দেওয়া বই ও অন্যান্য সামগ্রী লাইব্রেরিতে ফিরতে শুরু করবে বলে কর্তৃপক্ষ আশা করেছিল। তবে ১৮৯৪ সালে প্রকাশিত একটি ম্যাগাজিন ফিরে আসায় লাইব্রেরির কর্মীরাও বেশ অবাক হয়েছেন।
সূত্র: সামা টিভি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইন্দোনেশিয়া তাদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিমানবাহী রণতরি বহরে যুক্ত করেছে, যা সামরিক শক্তি বৃদ্ধি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা উন্নয়নের লক্ষ্যে। শুক্রবার ইতালির নৌবাহিনীর ব্যবহৃত রণতরি 'জুসেপ্পে গ্যারিবল্ডি' (Giuseppe Garibaldi) জাকার্তার তানজুং প্রিয়ক নৌঘাঁটিতে এসে পৌঁছায়। সামরিক বিশেষ মর্যাদায় জাহাজটিকে স্বাগত জানানো হয়।
নতুন বিমানবাহী রণতরিটির নামকরণ করা হয়েছে 'কেআরআই শ্রীবিজয়া' (KRI Sriwijaya)। এই নামটি সপ্তম থেকে ত্রয়োদশ শতাব্দী পর্যন্ত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সমুদ্রপথে প্রভাব বিস্তারকারী প্রাচীন সুমাত্রা কেন্দ্রিক 'শ্রীবিজয়া সাম্রাজ্যের' নামে রাখা হয়েছে।
সামরিক সক্ষমতা
ক্ষমতা: ১৮০ মিটার দীর্ঘ এই রণতরিতে একসাথে অন্তত ১৮টি হেলিকপ্টার রাখা সম্ভব এবং এতে ৮৩০ জন সামরিক সদস্য অবস্থান করতে পারবেন।
সংগ্রহের মাধ্যম: ১৯৮৫ সালে ইতালীয় নৌবাহিনীতে যুক্ত হওয়া এই জাহাজটি ২০১৪ সালে অবসর দেওয়া হয়। চলতি বছরের মার্চে ইতালির সাথে চুক্তির অংশ হিসেবে এটি ইন্দোনেশিয়াকে হস্তান্তর করা হয়।
বাজেট: প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ২০২৫ সালে ইন্দোনেশিয়ার অর্থ মন্ত্রণালয় ৪৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়ন অনুমোদন করে। আগামী ১৫ থেকে ২০ বছর রণতরিটিকে কার্যকরভাবে ব্যবহার করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে দেশটির নৌবাহিনী।
ব্যবহার ও কৌশলগত গুরুত্ব
ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো ও নৌপ্রধান অ্যাডমিরাল মুহাম্মদ আলী জানিয়েছেন, দ্বীপরাষ্ট্র হওয়ায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় দ্রুত দূরবর্তী অঞ্চলে ত্রাণ ও সামরিক সহায়তা পাঠাতে বড় ধরনের হেলিকপ্টার বাহক প্ল্যাটফর্মের প্রয়োজন ছিল। তবে প্রয়োজনবোধে যুদ্ধকালীন অভিযানেও এটি ব্যবহার করা সম্ভব হবে।
সাবেক সেনা জেনারেল প্রাবোও সুবিয়ান্তোর প্রশাসনে ইন্দোনেশিয়া তাদের সামরিক ব্যবস্থা আধুনিকায়নে জোর দিচ্ছে। এর আগে ফ্রান্সের তৈরি ৪২টি রাফাল যুদ্ধবিমান ক্রয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্ব চুক্তি এবং ভারতের কাছ থেকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে দেশটি। 'কেআরআই শ্রীবিজয়া'-এর সংযোজন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সমুদ্রসীমায় ইন্দোনেশিয়ার সামরিক ভারসাম্য ও উপস্থিতি আরও সুদৃঢ় করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোর, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন যে, দেশের সব ডিপ ও শ্যালো সেচ পাম্প পর্যায়ক্রমে সোলারে রূপান্তরিত করে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে চালানো হবে।
আজ যশোর সদর উপজেলা প্রশাসন এবং জেলা তথ্য অফিসের যৌথ আয়োজনে যশোর সদরের নদীয়ার মোড়, বর্মনপাড়া, চাঁচড়া এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার কর্মসূচি নিয়ে অনুষ্ঠিত উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য দেশে গ্যাস ও কয়লা আমদানি করতে হয়। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। পূর্বে প্রতি ইউনিট গ্যাস ৮ থেকে ৯ ডলারে কেনা হলেও বর্তমানে তা ২৮ ডলারে পৌঁছে গেছে। এই কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সাময়িক সমস্যা দেখা দিয়েছে।
তিনি বলেন, এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে জোর দিচ্ছে। রোদ, বাতাস এবং পানি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সেচ মৌসুমে ডিজেলের দাম বৃদ্ধি এবং বিদ্যুতের ঘাটতির কারণে কৃষকের সেচব্যবস্থা ব্যাহত হয় এবং উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়। তাই বিদ্যুৎ ও ডিজেলচালিত সব সেচ পাম্পকে পর্যায়ক্রমে সোলার পাম্পে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে বিদ্যুৎ ঘাটতি ও ডিজেলের চড়া দামের মধ্যেও কৃষক সাশ্রয়ী খরচে সেচ দিতে সক্ষম হন।
তিনি জানান, যশোর সদরের লেবুতলা ইউনিয়নে ইতোমধ্যে এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়েছে। সেখানে সৌরশক্তিচালিত একটি পাম্পের মাধ্যমে ৫০ থেকে ৬০ বিঘা জমিতে সেচ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রথম ধাপে বরেন্দ্র প্রকল্পসহ সারা দেশে প্রায় ৩৬ হাজার সেচ পাম্প চিহ্নিত করে সোলারে রূপান্তরের কাজ শুরু হবে। এ জন্য সরকার নিজস্ব বাজেট অথবা বৈদেশিক সহায়তা থেকে অর্থের সংস্থান করবে।
এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খান খোকন।
বৈঠকে সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত অগ্রাধিকার কর্মসূচি ও স্থানীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং এলাকার সাধারণ মানুষ এতে অংশগ্রহণ করেন।
আয়োজকরা জানান, এ ধরনের বৈঠকের মাধ্যমে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সরাসরি জানানো এবং তাদের মতামত ও পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ