১০:৩৭ পি.এম
চলতি বছরের ১ মার্চ থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত সৌদি আরব, কাতার ও আরব আমিরাতসহ উপসাগরীয় কয়েকটি দেশ থেকে মোট ২১ হাজার ৯৫১ জন পাকিস্তানিকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
পাকিস্তানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডন জানিয়েছে, যেসব কারণে তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া, অবস্থান, ভিক্ষাবৃত্তি, অবৈধভাবে প্রবেশ, মাদক, আশ্রয় আবেদন প্রত্যাখ্যান, জাল কাগজপত্র এবং নিরাপত্তাজনিত কারণ।
সর্বাধিক সংখ্যক পাকিস্তানিকে সৌদি আরব থেকেই বহিষ্কার করা হয়েছে- প্রায় ১৫ হাজার ৫০০ জন। এরপর সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ৩৮০৩ জন, ওমান থেকে ১৬০৬ জন, বাহরাইন থেকে ৫২১ জন, কাতার থেকে ৪২৯ জন এবং কুয়েত থেকে ৯৭ জন পাকিস্তানিকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না
বহিষ্কৃতদের মধ্যে ৪৬২৮ জন পলাতক, ১২৯৪ জন কারাবন্দি, ৯৬৮ জন কালো তালিকাভুক্ত, পাসপোর্ট হারানোর জন্য ১১৫৫ জন এবং ভিসা লঙ্ঘনের কারণে ৬৮৯ জন রয়েছেন। এ ছাড়াও দেশগুলোতে ৩৪২ জনের প্রবেশ আটকে দেওয়া হয়েছে।
‘অন্যান্য’ কারণ দেখিয়ে প্রায় ৬৬৬২ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এই বহিষ্কৃতদের মধ্যে ৪৭২ জন ভিক্ষুক রয়েছেন।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, ইন্টারপোলের মাধ্যমে আরব আমিরাত থেকে ৯ জন পাকিস্তানিকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া, কয়েকজনকে পরবর্তী গন্তব্যে ভ্রমণের অনুমতি না দেওয়া, ভুয়া পরিচয় ব্যবহার, মেয়াদোত্তীর্ণ ইকামা ও পাসপোর্ট, চুরি, যুদ্ধকবলিত এলাকায় যাতায়াত এবং অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের মতো বিভিন্ন কারণে উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
এছাড়া অতিরিক্ত সময় অবস্থান, অবৈধ প্রবেশ বা অবস্থানের অভিযোগে সৌদি আরব ১ হাজার ৯২৪ জন পাকিস্তানিকে বিতাড়িত করেছে। একই কারণে ইউএই ৩৪৭ জন এবং ওমান ২৯৫ জন পাকিস্তানিকে বহিষ্কার করেছে।
আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন