বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৪৯ পি.এম
সিআইডি জানিয়েছে, চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যার মামলায় খলনায়ক আশরাফুল হক ডনের আচরণ ও চালচলন বিশ্লেষণ করে তার হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে অনেক তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। তবে, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের সময় মামলার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তিনি গোপন করেছেন বলে অভিযোগ করেছে সংস্থাটি।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে আদালত ডনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের ভিত্তিতে এই আদেশ দেন। আদালতের প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই শাহ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রিমান্ড শেষে ডনকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক মো. মুজিবুর রহমান।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মামলার পলাতক আসামিদের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদে ডন তাদের চেনেন বলে প্রকাশ করলেও মামলার অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করেছেন। সালমান শাহর ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে তার সঙ্গে চলাফেরা করার কারণে ডন সালমানের বিভিন্ন বিষয়ে অবগত ছিলেন।
আবেদনে আরো বলা হয়, সালমান শাহর মৃত্যু ও মামলার ঘটনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে ডন অত্যন্ত কৌশলে কথা বলেছেন। তবে মামলার ঘটনার আগে, পরে ও ঘটনার সময় তার আচরণ ও চালচলন বিশ্লেষণ করে ঘটনার সঙ্গে তার জড়িত থাকার বিষয়ে অনেক তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে।
এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
সিআইডি জানিয়েছে, ডন অত্যন্ত চতুর প্রকৃতির হওয়ায় মামলার ঘটনা সম্পর্কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করেছেন। তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজন হলে আদালতের অনুমতি নিয়ে তাকে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। এ কারণে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখা প্রয়োজন।
এর আগে গত ৯ আগস্ট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ডনকে গ্রেপ্তার করে ইমিগ্রেশন পুলিশ।
পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
গত ২০ আগস্ট তদন্ত কর্মকর্তা ডনের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। পরে ২৭ আগস্ট আদালত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ক্রাইম বিভাগে নতুন উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) হিসেবে একজন কর্মকর্তার পদায়ন সম্পন্ন হয়েছে।
মঙ্গলবার, ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদের সই করা একটি আদেশের মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
এই আদেশের আওতায়, ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার মুহম্মদ আবদুল ওয়াহাবকে ক্রাইম বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে।
এই আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশ রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে চাঞ্চল্যকর ইমরান হত্যা মামলার মূল হোতা সহ পাঁচজন আসামিকে গ্রেফতার করেছে।
গ্রেফতারের সময় আসামিদের হেফাজত থেকে একটি পিস্তল, দুইটি ম্যাগাজিন, পাঁচ রাউন্ড তাজা গুলি, তিনটি চাইনিজ কুড়াল, ছয়টি ককটেল, দুইটি চাপাতি, দুইটি সুইচ গিয়ার চাকু, একটি ইয়ামাহা মোটরসাইকেল এবং ৭০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করেন।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ ওরফে কালিয়া রিয়াজ (৩১), মো. কামরুল হাসান (২৫), মো. সাইফুল হোসেন (২০), মো. জামিল মিয়া দোলন (৩৫) এবং মিঠু ওরফে ডোবার মিঠু (৩৫)।
পুলিশ জানায়, গত ৬ সেপ্টেম্বর রাতে যাত্রাবাড়ীর ধলপুর বাদল সর্দার গলির শরিফের গ্যারেজে বসে থাকা ইমরান ও সাদ্দামকে লক্ষ্য করে তিনটি মোটরসাইকেলে আসা হেলমেট ও মাস্ক পরিহিত একদল দুর্বৃত্ত এলোপাতাড়ি গুলি করে।
এ সময় ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলার ফলে ঘটনাস্থলেই ইমরান নিহত হন এবং সাদ্দাম গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ইমরানের স্ত্রী বাদী হয়ে যাত্রাবাড়ী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ পরে ঢাকা মহানগর ও ঢাকা জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গতকাল দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার পাড় গেন্ডারিয়া খেজুরবাগ এলাকা থেকে মামলার মূলহোতা রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ ওরফে কালিয়া রিয়াজকে গ্রেফতার করে।
রিয়াজের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিনে ডেমরা থানার পাড়াডগাইর এলাকা থেকে মো. কামরুল হাসান ও মো. সাইফুল হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।
মিঠু ওরফে ডোবার মিঠুকে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ ৭০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করে।
এছাড়া আজ অভিযান পরিচালনা করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত মো. জামিল মিয়া দোলনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। পুলিশ জানায়, ইমরান হত্যা মামলায় জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী বিভাগের কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মো. ইউসুফ আলী উল্লেখ করেছেন, ডিলারদের জন্য এটি অত্যন্ত জরুরি যে তারা যেন কোনো কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি না করতে পারে। এজন্য প্রতিটি ইউনিয়ন এবং ডিলারের দোকানে সার আসার সময় এবং বিক্রির সুনির্দিষ্ট রেকর্ড রাখতে হবে। এছাড়া, ক্যাশ মেমো ও মোবাইল নম্বর সংরক্ষণ করাও আবশ্যক। এর ফলে কৃষকরা সারের জন্য ঘুরতে বাধ্য হবেন না।
তিনি আরও বলেন, সারের পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও কিছু এলাকায় গুজবের কারণে কৃষকরা আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত সার কেনার চেষ্টা করছেন।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বগুড়া জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
বিভাগীয় কমিশনার জানান, বগুড়ায় সারের কোনো ঘাটতি নেই। অহেতুক বিভ্রান্তি এবং কৃত্রিম সংকট রোধে মাঠপর্যায়ে কঠোর মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যেকোনো ধরনের বিতর্ক বা দুর্নীতির ঊর্ধ্বে থেকে সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ কেবল স্বাস্থ্য বিভাগের কাজ নয়। বাসাবাড়ি, ছাদ, ফুলের টব এবং নির্মাণাধীন ভবনে জমা পানি পরিষ্কার রাখা নিশ্চিত করতে হবে। সিটি করপোরেশন এবং পৌরসভা এলাকায় নিয়মিত মশক নিধন ওষুধ সঠিক মাত্রায় স্প্রে করার পাশাপাশি অন্যান্য কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে হবে।
জেলা প্রশাসন আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান। এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মজিদুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান প্রমুখ।
সভায় স্মার্ট কৃষক কার্ড এবং ফ্যামিলি কার্ডের জরিপকাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ডের তৃতীয় ধাপের উদ্বোধন করবেন। এ উপলক্ষে বগুড়ার কাহালু, সদর, দুপচাঁচিয়া এবং মোকামতলা অঞ্চলের প্রস্তুতি নিয়ে সভায় আলোচনা করা হয়েছে।
এছাড়া, পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ লক্ষ্যমাত্রায় দেশীয় প্রজাতির ফলজ এবং শোভাবর্ধনকারী গাছ রোপণ এবং শহরের যানজট নিরসন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার তিন সহযোগীকে ৪৫ হাজার ডলার করে নগদ উপহার প্রদান করেছেন। সম্প্রতি প্রকাশিত সরকারি আর্থিক নথির উদ্ধৃতি দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এই তথ্য জানিয়েছে।
উপহার পাওয়া তিনজন হলেন প্রেসিডেন্টের নির্বাহী সহকারী ন্যাটালি হার্প, যোগাযোগবিষয়ক উপদেষ্টা মার্গো মার্টিন এবং চেম্বারলেইন হ্যারিস। এই তিনজনই হোয়াইট হাউসে কর্মরত।
ন্যাটালি হার্প ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে প্রায় সব সময় তার পাশে ছিলেন। তিনি কখনো কখনো প্রেসিডেন্টের হয়ে সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট করেছেন এবং তথ্য প্রিন্ট করে দিয়েছেন।
এই ভূমিকার জন্য তাকে ‘মানব প্রিন্টার’ উপাধি দেওয়া হয়েছে।
এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আর্থিক নথিতে এই অর্থকে ‘ছুটির দিনের নগদ উপহার’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রত্যেক তিনজন ৪৫ হাজার ডলার করে পেয়েছেন। এছাড়া, ট্রাম্পের আরেক সহযোগী ওয়াল্ট নাউটাও ২০ হাজার ডলার নগদ উপহার পেয়েছেন বলে সরকারি নথিতে উল্লেখ রয়েছে।
হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের অভ্যাস অনুযায়ী তিনি তার সহযোগীদের ছুটির সময় উপহার দিয়ে থাকেন। ওই কর্মকর্তা দাবি করেছেন, এসব অর্থ সংশ্লিষ্ট কর্মীদের সরকারি দায়িত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। কংগ্রেসে জমা দেওয়া একটি বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্টের বিশেষ সহকারী এবং নির্বাহী সহকারী হিসেবে তিনি বছরে দেড় লাখ ডলার আয় করেন।
হোয়াইট হাউসের একজন মুখপাত্র উপহারগুলোর পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেছেন, ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে তার ঘনিষ্ঠজনদের, এমনকি মাঝে মাঝে কর্মচারী ও সহযোগীদেরও বড়দিনের উপহার দিয়ে আসছেন। তারা আরও জানান, এসব উপহার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সরকারি দায়িত্বের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
এ কারণে প্রচলিত আইন ও নৈতিক বিধিমালা অনুযায়ী উপহারগুলো সম্পূর্ণ বৈধ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ