বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৩৯ পি.এম
বরিশাল, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সদর উপজেলার আমানতগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় দুই কর্মচারীকে বদলিপূর্বক তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) করা হয়েছে।
আজ বুধবার সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে বরিশালের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. ওবায়দুল্লাহ ওই ভূমি অফিসে আকস্মিক পরিদর্শনে যান। এ সময় উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা শিমুল পাইন শান্তা এবং অফিস সহায়ক মো. মজিবুর রহমানকে কর্মস্থলে পাওয়া যায়নি।
নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বিকেলে জারি করা অফিস আদেশে তাদের বদলি করে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত করা হয়।
অফিস আদেশ অনুযায়ী, উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা শিমুল পাইন শান্তাকে মুলাদী উপজেলার গাছুয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে এবং অফিস সহায়ক মো. মজিবুর রহমানকে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা ভূমি অফিসে বদলি করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, জেলার বিভিন্ন ভূমি অফিসের কার্যক্রম, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মস্থলে উপস্থিতি, দায়িত্ব পালন এবং সেবার মান নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকারের নির্দেশনায় আকস্মিক পরিদর্শন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
কোনো ধরনের আগাম নোটিশ ছাড়াই জেলার বিভিন্ন ভূমি অফিসে আকস্মিক পরিদর্শন করা হচ্ছে। দায়িত্ব পালনে অবহেলা, কর্মস্থলে অনুপস্থিতি কিংবা সরকারি সেবা প্রদানে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তা যাচাই করে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার বাসসকে বলেন, নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা সরকারি দায়িত্ব পালনে অবহেলার শামিল।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুজন কর্মচারীকে বুধবার বিকেলেই বদলিপূর্বক স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের নিয়মিত মনিটরিং কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ ধরনের আকস্মিক পরিদর্শন অব্যাহত থাকবে।
জেলা প্রশাসনের এ পদক্ষেপের ফলে ভূমি অফিসগুলোতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সময়ানুবর্তিতা, দায়িত্বশীলতা ও জনগণকে যথাযথ সেবা নিশ্চিত করার বিষয়ে কঠোর বার্তা গেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হাইকোর্ট ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির নির্বাচন ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশনা প্রদান করেছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানির পর বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এই আদেশ জারি করেন।
রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে, কেন প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান অ্যাডহক কমিটি অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। শিক্ষাসচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, কলেজ পরিদর্শক, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি এবং অধ্যক্ষকে রুলের জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গত ১৩ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইউনুছ আলী আকন্দ আদালতে এই রিট দায়ের করেন। তিনি নিজেই রিটের পক্ষে শুনানি করেন।
রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মাহফুজ বিন ইউসুফ।
আদেশের পর আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ সাংবাদিকদের বলেন, ২৬ জুলাই ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অ্যাডহক কমিটির সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয় ইসমাইল জবিউল্লাহকে। তিনি বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে মন্ত্রী পদমর্যাদায় দায়িত্ব পালন করছেন।
আইনজীবীর দাবী, প্রচলিত বিধান অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি পরপর দুইবারের বেশি অ্যাডহক কমিটির সভাপতি বা সদস্য থাকতে পারেন না।
এছাড়া, ২০২৪ সালের গভর্নিং বডি সংক্রান্ত বিধিমালায় নির্বাচন সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হলে ওই সভাপতি ও সদস্যদের পরবর্তী কমিটিতে রাখার সুযোগ নেই। তবে এসব বিধান উপেক্ষা করে ইসমাইল জবিউল্লাহকে টানা তৃতীয়বারের মতো অ্যাডহক কমিটির সভাপতি করা হয়েছে। এই কারণে রিট আবেদনটি দায়ের করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জ জেলার নদীবন্দরসমূহে পরিবহনকৃত ও বিতরণকৃত সারের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, সংরক্ষণ ও সরবরাহ ব্যবস্থা আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে সার ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ রায়হান কবির। এসময় সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, সার পরিবহন ও বিতরণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং অন্যান্য অংশীজন উপস্থিত ছিলেন।
সভায় নদীবন্দরসমূহে সার পরিবহন ও বিতরণের ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা নিশ্চিতকরণ, সারের যথাযথ সংরক্ষণ ও সুষ্ঠু সরবরাহ ব্যবস্থা বজায় রাখা এবং কৃষকদের জন্য নির্ধারিত সার যথাসময়ে ও সঠিকভাবে পৌঁছানো নিশ্চিত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রো রেল রুটের ৪৬টি পিলারে বিভিন্ন মাত্রায় ফাটল এবং ২৭টি বিয়ারিং প্যাড গুরুতর (ক্রিটিক্যাল) ত্রুটিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। সরকার এসব ত্রুটি নিরূপণ ও মেরামতের কৌশল নির্ধারণে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়কে (বুয়েট) পরামর্শক হিসেবে নিয়োগসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এসব তথ্য জানান। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, অডিট কমিটির প্রতিবেদনে ৭৩০টি বিয়ারিং প্যাড ত্রুটিপূর্ণ পাওয়া গেলেও সবগুলো গুরুতর নয়। এর মধ্যে ৪৯৭টি ত্রুটি ‘মাইনর’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, শুধুমাত্র ২৭টি ত্রুটিপূর্ণ বিয়ারিং প্যাডকে ক্রিটিক্যাল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। একইসঙ্গে ৪৬টি পিয়ারে বিভিন্ন মাত্রায় ক্র্যাক বা ফাটল চিহ্নিত করা হয়েছে।
যাত্রীদের নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে ডিএমটিসিএল গত ১৬ জুলাই ২০২৬ ‘সুপারিশ বাস্তবায়ন কমিটি’ গঠন করেছে। এরই মধ্যে ১০টি স্থানে স্টিল ব্র্যাকেট ও ২৭টি স্থানে বিয়ারিং প্যাডের সেটেলমেন্ট পরিমাপের জন্য ‘সেটেলমেন্ট মার্কার’ বসানো হয়েছে।
চিহ্নিত ২৭টি ক্রিটিক্যাল বিয়ারিং প্যাড আগামী ৩০ নভেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে প্রতিস্থাপনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ৪৬টি পিলারের ফাটলের ঝুঁকি নিরূপণ ও মেরামতের কৌশল নির্ধারণে বুয়েটকে স্ট্রাকচারাল কনসালট্যান্ট হিসেবে নিয়োগ করা হচ্ছে।
ফাটল পরিমাপ ও পর্যবেক্ষণের জন্য ১০২টি স্থানে ‘স্ট্রাকচারাল ক্র্যাক গেজ’ বসানো হচ্ছে। আগামী ৩১ অক্টোবর ২০২৬-এর মধ্যে এ কাজ শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়তে থাকায় এর সর্বোচ্চ প্রকোপের আগেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হচ্ছে।
আজ জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালি বিধির ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এই তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’ ঘোষণা করেছেন।’
প্রতিমন্ত্রী জানান, ডেঙ্গু পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় সমন্বিত ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রী গত মঙ্গলবার স্থানীয় সরকার এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত সময়টা ডেঙ্গু সংক্রমণের জন্য বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি সতর্ক করে বলেন, এখনই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নিলে আগামী তিন মাসে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দ্বিগুণ হতে পারে।
আগামী ১২ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত আনুষ্ঠানিকভাবে এই অভিযানের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
সিটি করপোরেশনগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে রেড ক্রিসেন্ট, স্কাউটস, রোভার স্কাউটস, বিএনসিসি, গার্লস গাইড, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের স্বেচ্ছাসেবক দল এবং বিডি ক্লিনসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এই অভিযানে অংশ নেবে।
একই সময়ে দেশের অন্য ১১টি সিটি করপোরেশন, ৩৩০টি পৌরসভা, ৬৪টি জেলা প্রশাসন এবং ৫০৩টি উপজেলা প্রশাসনেও অনুরূপ কর্মসূচি পালন করা হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
মীর শাহে আলম জানান, দেশব্যাপী প্রতি শনিবার এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাগুলো প্রতিদিন তাদের নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।
প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৪৫ হাজার ৪৭৫ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে প্রায় ৩ হাজার ২০০ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তিনি বলেন, সিলেট, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগ ছাড়া দেশের সব বিভাগেই ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক।
তিনি বলেন, ‘খুলনা, বরিশাল, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ বিভাগে ডেঙ্গুর সংক্রমণ বেশি। এসব এলাকায় এডিস মশার প্রজননস্থলও রয়েছে অনেক।’
পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে এবং নিজেদের বাড়ি, আঙিনা ও ছাদ পরিষ্কার রাখতে জনগণকে উৎসাহিত করতে সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।
একই সঙ্গে বাড়ির আশপাশে জমে থাকা পানি, আবর্জনা ও এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, যেসব জেলা ও উপজেলায় পরিস্থিতি বেশি উদ্বেগজনক, সেখানে অতিরিক্ত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আলাদা পাঁচটি করে শয্যা সংরক্ষিত রাখা হবে।
সরকারের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট ও স্যালাইন মজুত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
ডেঙ্গু আক্রান্তদের মশার কামড় থেকে সুরক্ষিত রাখতে এবং তাদের মাধ্যমে অন্যদের মাঝে যেন ভাইরাস ছড়িয়ে না পড়ে, সেজন্য হাসপাতালেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে দেশজুড়ে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে এবং ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কমিয়ে আনতে সরকারের এই অভিযানে সংসদ সদস্যসহ সব শ্রেণির মানুষকে সহযোগিতার আহ্বান জানান মীর শাহে আলম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ