বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৮:০৭ পি.এম
রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে দিনব্যাপী ওরিয়েন্টেশন কর্মশালার আয়োজন করা হয়, যা তৈরি পোশাক খাতের সাময়িক কর্মহীন শ্রমিকদের জন্য সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি আরো কার্যকর করার এবং ডিজিটাল তথ্যভিত্তিক ব্যবস্থাপনা জোরদারের লক্ষ্যে পরিচালিত হয়।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অর্থায়নে পরিচালিত টিএ-এসপিবিএস প্রকল্পের যৌথ উদ্যোগে ‘বেকার শ্রমিক সুরক্ষা কর্মসূচি’ এবং ‘শ্রম তথ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা’ বিষয়ক কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় বক্তারা উল্লেখ করেন, পোশাকশিল্পের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য শ্রমিকদের সামাজিক সুরক্ষা ও কল্যাণমূলক কর্মসূচিকে আরো শক্তিশালী করার প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষ করে, কারখানা বন্ধ, দুর্ঘটনা বা মাতৃত্বকালীন ছুটির কারণে সাময়িকভাবে কর্মহীন হয়ে পড়া শ্রমিকদের দ্রুত সহায়তা প্রদান করতে একটি কার্যকর ডিজিটাল কাঠামো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
বিজিএমইএর পরিচালক নাফিস-উদ-দৌলা বলেন, "পোশাকশিল্প দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। এ খাতের শ্রমিকদের কল্যাণ ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা না গেলে শিল্পের দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা বজায় রাখা কঠিন হবে।"
তিনি আরো বলেন, সেন্ট্রাল ফান্ডের আওতায় পরিচালিত উদ্যোগগুলো সংকটে পড়া শ্রমিকদের সহায়তায় ইতিমধ্যে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। তিনি উল্লেখ করেন, সরকার, বিজিএমইএ এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সমন্বিত প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।
বিজিএমইএর স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম-সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান জাবেদ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, "কারখানাগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান ও প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় বাড়ানো প্রয়োজন।" তিনি বেকারত্ব বা অন্য কোনো সংকটের সময়ে শ্রমিকদের দ্রুত সহায়তা নিশ্চিত করতে সঠিক তথ্য সংরক্ষণ এবং সময়মতো নিবন্ধনের ওপর গুরুত্ব দেন।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রোগ্রাম ম্যানেজার ভ্যালেন্টিনা বলেন, "শ্রমিকদের জন্য একটি শক্তিশালী সামাজিক সুরক্ষাবেষ্টনী গড়ে তুলতে সরকার, শিল্প মালিক ও উন্নয়ন সহযোগীদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।" তিনি সাময়িক অর্থনৈতিক সংকটে পড়া শ্রমিকদের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে একটি টেকসই প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জানান, পোশাক খাতের শ্রমিকদের দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক সুরক্ষায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব এবং সেন্ট্রাল ফান্ডের পরিচালক তাহমিনা বেগম কর্মসূচিটির বিভিন্ন সুবিধা এবং বাস্তবায়নের অগ্রগতি তুলে ধরেন। তিনি জানান, কর্মসূচির আওতায় সাময়িকভাবে কর্মহীন হয়ে পড়া শ্রমিকদের সরাসরি ব্যাংক বা মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে নগদ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।
কর্মশালায় জানানো হয়, ২০২০ সালে কোভিড-১৯ মহামারির সময় চালু হওয়া সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির পরিমার্জিত রূপ হলো বেকার শ্রমিক সুরক্ষা কর্মসূচি। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সেন্ট্রাল ফান্ডের অধীনে পরিচালিত এ কর্মসূচির আওতায় কারখানা বন্ধ, দুর্ঘটনা বা মাতৃত্বকালীন ছুটির কারণে সাময়িকভাবে কর্মহীন শ্রমিকদের সরকার থেকে সরাসরি ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রতি মাসে ৫ হাজার টাকা করে সর্বোচ্চ তিন মাস নগদ সহায়তা প্রদান করা হয়।
কর্মশালায় কর্মসূচির জন্য আবেদন, সুবিধাভোগীর যোগ্যতা, নিবন্ধন পদ্ধতি এবং ডিজিটাল তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত উপস্থাপনা করা হয়। কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক আল আমিন শ্রমিকদের তথ্যভাণ্ডার হালনাগাদ ও নির্ভুল রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "কারখানার বেতন-তালিকা এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সঠিক না থাকলে প্রকৃত সুবিধাভোগীরা সহায়তা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।"
জার্মান উন্নয়ন সংস্থা জিআইজেডের উপদেষ্টা মাহবুবুল সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে কর্মশালার কার্যক্রম শেষ করেন। পুরো অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বিজিএমইএর স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের সেকশন ইনচার্জ ও ডেপুটি সেক্রেটারি শায়লা আক্তার নোভা। সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, সরকার, বিজিএমইএ এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অংশীদারদের এ ধরনের যৌথ উদ্যোগ পোশাকশিল্পে শ্রমিকবান্ধব, নিরাপদ এবং টেকসই কর্মপরিবেশ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের কর্মীদের জন্য নতুন এক সতর্কবার্তা জারি করেছে সৌদি আরব। ওয়ার্ক পারমিটের ব্যত্যয় ঘটিয়ে নিজস্ব উদ্যোগে বা স্বাধীনভাবে কাজ করা প্রবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে বার্তায়।
সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে গালফ নিউজ।
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওয়ার্ক পারমিটের নিয়মের বাইরে গিয়ে প্রবাসীদের স্বাধীনভাবে কাজ করা স্পষ্ট আইন লঙ্ঘন। একই সঙ্গে দেশের আবাসন, শ্রম এবং সীমান্ত নিরাপত্তা আইন মেনে চলার জন্য সব বিদেশী কর্মীকে আহ্বান জানানো হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ প্রকাশিত নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, অপরাধের পুনরাবৃত্তির ওপর ভিত্তি করে শাস্তির পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। প্রথমবার অপরাধের ক্ষেত্রে ১০ হাজার রিয়াল (প্রায় ৩ লাখ ২৮ হাজার টাকা) জরিমানা, দ্বিতীয়বার ২৫ হাজার রিয়াল (প্রায় ৮ লাখ ২০ হাজার টাকা) জরিমানা ও এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হবে। আর তৃতীয় বা তার বেশিবার অপরাধের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার রিয়াল জরিমানা, ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর মতো শাস্তির বিধান করা হয়েছে।
সৌদি শ্রমবাজার নিয়ন্ত্রণ এবং অবৈধ কর্মসংস্থান বন্ধের অংশ হিসেবে এই বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় আইনগতভাবে নিবন্ধিত নিয়োগকর্তার বাইরে বা স্বাধীনভাবে প্রবাসীদের কাজ করা পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হলো।
যেসব ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান প্রবাসীদের নিজ উদ্যোগে কাজ করতে বা অনুমোদনহীন নিয়োগে সহায়তা করবে, তাদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। অবৈধ কর্মীদের নিয়োগ দেয়া, পরিবহন করা, আশ্রয় দেয়া বা গোপন রাখার অপরাধে পৃথক শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। এসব অপরাধে জরিমানার পরিমাণ সর্বোচ্চ ১ লাখ রিয়াল (প্রায় ৩২ লাখ ৮৩ হাজার) এবং কারাদণ্ড হতে পারে ছয় মাস পর্যন্ত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ম্যানচেস্টার সিটির ইংলিশ উইঙ্গার জ্যাক গ্রিলিশ এই দলবদলের মৌসুমে এভারটনে ফিরে আসার জন্য প্রবল আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। গত মৌসুমে তিনি গুডিসন পার্কের ক্লাবে ধারে খেলেছিলেন।
ক্লাবটির পরিবেশ এবং কোচ ডেভিড ময়েসের অধীনে খেলার অভিজ্ঞতা গ্রিলিশকে বিশেষভাবে আকৃষ্ট করেছে। এর ফলে, ম্যানসিটি ছাড়ার ক্ষেত্রে তার প্রথম পছন্দ এখন এভারটন।
গত মৌসুমে এভারটনের হয়ে ২২ ম্যাচে ২ গোল এবং ৬টি অ্যাসিস্ট করার পর, জানুয়ারিতে পায়ের পাতার ইনজুরির কারণে তার মৌসুমটি অল্পতেই শেষ হয়ে যায়।
৩০ বছর বয়সী গ্রিলিশের চুক্তির মেয়াদ এখন মাত্র এক বছর বাকি রয়েছে। সিটির বর্তমান কোচ এনজো মারেস্কার অধীনে নতুন মৌসুমে তিনি বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাত্র দুটি ম্যাচে অংশগ্রহণ করেছেন। নতুন কোচের অধীনে নিয়মিত খেলার সুযোগ তার জন্য খুবই সীমিত। তাই, এই উইঙ্গার নিজেকে প্রমাণ করার এবং নিয়মিত একাদশে জায়গা পেতে আবার এভারটনে ফিরে আসার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
এভারটনের প্রধান নির্বাহী অ্যাঙ্গাস কিনিয়ার নিশ্চিত করেছেন যে, ক্লাবটি গ্রিলিশের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে। মার্সিসাইডের ক্লাবটি তাকে স্থায়ীভাবে অথবা আবারও ধারে দলে ভেড়ানোর চেষ্টা করছে।
গ্রিলিশকে দলে পেতে তার সাবেক ক্লাব অ্যাস্টন ভিলা, সান্ডারল্যান্ড এবং আতলেতিকো মাদ্রিদও আগ্রহী। তবে গ্রিলিশ নিজেই এভারটনে ফেরার ব্যাপারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালীতে কঁচা নদীতে অভিযান পরিচালনা করে নিষিদ্ধ ৩ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করেছে নৌ পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকালে উপজেলার কঁচা নদীতে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে এবং মৎস্য সম্পদ রক্ষার জন্য এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। জব্দকৃত কারেন্ট জালের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২৫ হাজার টাকা।
অভিযানের নেতৃত্ব দেন কাউখালী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মোঃ আরমান হোসেন। অভিযান শেষে উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরকে বিষয়টি অবহিত করে জব্দকৃত অবৈধ জালগুলো জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মোঃ আরমান হোসেন মন্তব্য করেন, "কঁচা নদীসহ আশেপাশের নদীগুলোতে কোনো ধরনের অবৈধ জাল ব্যবহার করে দেশের মৎস্য সম্পদ ধ্বংস করতে দেওয়া হবে না। মা মাছ ও ছোট মাছ রক্ষায় আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আমরা কোনো অবৈধ মৎস্য শিকারিকে ছাড় দেব না। দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষায় সাধারণ জনগণকেও সচেতন হয়ে পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানাচ্ছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী, ২৭ আগস্ট,২০২৬ : ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধ বিষয়ক রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন কমিটির ১ম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে নগর ভবনের সরিৎ দত্ত গুপ্ত সভাকক্ষে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন গঠিত কমিটির সভাপতি ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন।
তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন জনসচেতনতা সৃষ্টি, মশা নিয়ন্ত্রণে ফগার স্প্রে, মশার উৎপত্তিস্থলে লার্ভা ধ্বংস এবং বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তবে শুধু সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়। ডেঙ্গু প্রতিরোধে নগরবাসীকেও সচেতন হতে হবে। নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং কোথাও যেন পানি জমে মশার প্রজননস্থল তৈরি না হয়, সেদিকে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অনুশাসন বাস্তবায়নে মহানগরীকে নতুনভাবে ঢেলে সাজাতে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আরও পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও ডেঙ্গুমুক্ত রাজশাহী মহানগরী গড়তে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। এ কাজে মহানগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করছি।
সভায় রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ডেঙ্গু পরিস্থিতি ও করণীয় সংক্রান্ত বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন গঠিত কমিটির সদস্য সচিব ও রাসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এফএএম আঞ্জুমান আরা বেগম।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, রাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম, সচিব সোহেল রানা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খায়রুল বাকের, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ মো. মামুন, গঠিত কমিটির সদস্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মো. মাসুদুল হাসান খান মুক্ত, বিভাগীয় পরিচালক স্বাস্থ্য কার্যালয়ের উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. রোজী আরা খাতুন, রাজশাহী সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম হেলাল, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি রাজশাহী সিটি ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. শামীম হোসেন চৌধুরী, এনজিও প্রতিনিধি খাজা তারেক, বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রতিনিধি ডা. মো. শাকিল আহমেদ, রাসিকের উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা সেলিম রেজা রঞ্জু।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ