শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৫৯ এম
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরানের সঙ্গে চলমান সামরিক সংঘাতকে ‘যুদ্ধ’ বলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তিনি একই সঙ্গে এ সংকটের সমাপ্তি কবে হবে এবং জ্বালানি তেলের দাম কবে যুদ্ধপূর্ব অবস্থায় ফিরবে, সে বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ করতে পারেননি। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ভ্যান্স বলেন, বড় ধরনের সামরিক অভিযান কয়েক মাস আগে শেষ হয়েছে এবং সংঘাতের পরবর্তী পরিস্থিতি অনেকটাই ইরানের পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করছে।
প্রায় এক ঘণ্টার ব্রিফিংয়ে ভ্যান্স জানান, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কোনো সক্রিয় গোলাগুলি হচ্ছে না। তবে তিনি স্বীকার করেন যে, বিভিন্ন এলাকায় সংঘাতের বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, বড় ধরনের সামরিক অভিযান প্রায় ছয় সপ্তাহ স্থায়ী ছিল। এরপর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা, প্রতিরক্ষা শিল্প ও সামরিক সক্ষমতার ওপর হামলা চালিয়েছে।
তবে ভ্যান্সের বক্তব্যের মধ্যেই চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে। হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। ইরানের হামলার জবাবে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
সংঘাত কবে শেষ হবে—এ প্রশ্নের জবাবে ভ্যান্স নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা দিতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি বলেন, ইরান যদি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা বন্ধ করে, তবে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। তাঁর দাবি, যুক্তরাষ্ট্র কৃত্রিম কোনো সময়সীমা নির্ধারণ করবে না; বরং ইরানের পদক্ষেপের ভিত্তিতে পরবর্তী কৌশল ঠিক করা হবে।
হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে বিশ্ববাজারে তেলের দামও বেড়েছে। বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৫ ডলারের ওপরে ছিল, যা কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের কাছাকাছি।
সম্প্রতি ইরানের সিরিক এলাকায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন হামলার অভিযোগের বিষয়েও তদন্ত চলছে বলে জানান ভ্যান্স। ইরানের কর্মকর্তাদের দাবি, ওই হামলায় পাঁচজন নিহত ও প্রায় ৭০ জন আহত হয়েছেন। ভ্যান্স বলেন, মার্কিন বাহিনী বেসামরিক নাগরিকদের ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্যবস্তু বানায় না এবং ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।
ভ্যান্স আরও জানান, বর্তমানে তেহরানের সঙ্গে কোনো কূটনৈতিক আলোচনা চলছে না। বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত ওয়াশিংটন আলোচনায় বসবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে ইরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক থাকে—এ দুটিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য হিসেবে তুলে ধরেন তিনি। তথ্যসূত্র: রয়টার্স, সিএনএন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চীনে গ্যাস সরবরাহের জন্য ‘পাওয়ার অব বাইকাল’ (সাবেক ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া–২’) গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্পের বিষয়টি রাশিয়া ও চীনের মধ্যে আলোচনা চলছে। শুক্রবার রাশিয়া-চীন আন্তঃসরকারি জ্বালানি সহযোগিতা কমিশনের বৈঠকে এই তথ্য তুলে ধরেন রুশ উপপ্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক।
নোভাক উল্লেখ করেন, ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া’ পাইপলাইনের মাধ্যমে চীনে রাশিয়ার গ্যাস রপ্তানি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর পাশাপাশি ‘ফার ইস্টার্ন’ রুট চালুর প্রস্তুতি চলছে। চীনে রুশ গ্যাস সরবরাহের জন্য অন্যান্য সম্ভাব্য রুট নিয়েও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে, যার মধ্যে ‘পাওয়ার অব বাইকাল’ প্রকল্পটি অন্তর্ভুক্ত।
‘পাওয়ার অব বাইকাল’ প্রকল্পটি পূর্বে ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া–২’ নামে পরিচিত ছিল। রুশ জ্বালানিমন্ত্রী সের্গেই সিভিলিওভ ২ সেপ্টেম্বর জানিয়েছেন, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন প্রকল্পটির নতুন নাম ‘পাওয়ার অব বাইকাল’ দিয়েছেন। তিনি আরও জানান, প্রকল্পটির নির্মাণ পর্যায়ে নেওয়ার প্রস্তুতি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
প্রস্তাবিত পাইপলাইনটি রাশিয়ার ইয়ামাল অঞ্চলের গ্যাসক্ষেত্র থেকে মঙ্গোলিয়া হয়ে চীনে গ্যাস সরবরাহ করবে। এর মাধ্যমে বছরে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস পরিবহনের পরিকল্পনা রয়েছে। পাইপলাইনটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২ হাজার ৬০০ কিলোমিটার হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নোভাক পূর্বে জানিয়েছিলেন, প্রকল্পটির গ্যাস সরবরাহের রুট ও বাণিজ্যিক বিষয় নিয়ে রাশিয়ার গ্যাজপ্রম এবং চীনের রাষ্ট্রীয় জ্বালানি প্রতিষ্ঠান সিএনপিসির মধ্যে আলোচনা চলছে। প্রকল্পটির গ্যাসের মূল্য নির্ধারণসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক বিষয় নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের শুরুতে রাশিয়া ও চীন ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া–২’ এবং মঙ্গোলিয়ার মধ্য দিয়ে ‘সয়ুজ ভস্তক’ গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণের জন্য একটি আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক সমঝোতা স্মারক সই করেছিল। নতুন নামকরণের পরেও প্রকল্পটির মূল রুট ও পরিকল্পিত সক্ষমতায় কোনো পরিবর্তনের কথা জানানো হয়নি।
এদিকে, চীনে রাশিয়ার গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধি করতে বিদ্যমান ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া’ পাইপলাইনের পাশাপাশি ‘ফার ইস্টার্ন’ রুট চালুর প্রস্তুতি এগিয়ে চলছে। রাশিয়ার জ্বালানি খাতে চীনের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি গ্যাস সহযোগিতা জোরদারের অংশ হিসেবেই এসব প্রকল্পকে দেখা হচ্ছে। তথ্যসূত্র: তাস, রয়টার্স
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে অশালীন মন্তব্যের অভিযোগে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া এক যুবকের বিষয়টি নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) ও গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে, তিনি নিজের যাচাইকৃত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টে এই বক্তব্য দেন। রাশেদ খান উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী ও তার মা-বাবাকে নিয়ে অশ্লীল ও কদর্য ভাষায় গালিগালাজ করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি সতর্ক করেন যে, এ ধরনের ঘটনার প্রতিকার না হলে তা সমাজে একটি ব্যাধির মতো ছড়িয়ে পড়তে পারে।
পোস্টে, রাশেদ খান কয়েক মাস আগে জাতীয় সংসদে জামায়াতে ইসলামীর আমিরের দেওয়া বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, প্রধানমন্ত্রী এবং তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে গালিগালাজ হলে আইন অনুযায়ী উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তিনি উল্লেখ করেন, ওই বক্তব্যের সঙ্গে বর্তমান ঘটনার সম্পর্কও রয়েছে।
বিদ্যুৎ বিল নিয়ে কোনো গ্রাহকের সমস্যা হলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ কার্যালয়ে যোগাযোগের সুযোগ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন রাশেদ খান। তিনি বলেন, যান্ত্রিক ত্রুটি বা বিলের অসামঞ্জস্যতার জন্য সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর মা-বাবাকে গালিগালাজ করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের অভিযোগের প্রতিকারে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানান তিনি।
রাশেদ খান আরও প্রশ্ন তুলেছেন যে, ওই যুবককে পুলিশ হেফাজতে না নিলে জনমনে ক্ষোভ বা বিশৃঙ্খলা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা ছিল কি না। তার মতে, বাংলাদেশের সামাজিক বাস্তবতা এখনও যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপের মতো নয়। তাই সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সাইবার অপরাধ ও অনলাইনভিত্তিক অশালীনতা ঠেকাতে সকলের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখা প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জার্মানির গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভক্সওয়াগন, চীনা গাড়ি নির্মাতাদের তীব্র প্রতিযোগিতা, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক এবং ইউরোপে অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতার চাপ মোকাবেলার জন্য আরও ৫০ হাজার কর্মী কমানোর পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে। পাশাপাশি, প্রতিষ্ঠানটি ২০৩৫ সালের মধ্যে গাড়ির মডেলের সংখ্যা প্রায় অর্ধেকে নামিয়ে আনার পরিকল্পনাও গ্রহণ করেছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভক্সওয়াগনের তত্ত্বাবধায়ক বোর্ড কোম্পানিটির ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পুনর্গঠন পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে। এই পরিকল্পনাটির নাম ‘ফিউচার প্ল্যান ২০৩০’, যার মূল লক্ষ্য হলো খরচ কমানো, উৎপাদন সক্ষমতা আরও কার্যকর করা এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় ভক্সওয়াগনের অবস্থানকে শক্তিশালী করা।
ভক্সওয়াগনের পূর্বে প্রায় ৫০ হাজার কর্মী কমানোর পরিকল্পনা ছিল। এর মধ্যে প্রায় ৩৭ হাজার কর্মীর সঙ্গে সমঝোতা সম্পন্ন হয়েছে। নতুন করে ৫০ হাজার পদ কমানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে, দশকের শেষ নাগাদ মোট কর্মী কমানোর সংখ্যা প্রায় ১ লাখে পৌঁছাতে পারে। তবে, নতুন করে কোন দেশ বা বিভাগে কতজন কর্মী কমানো হবে, তা এখনও নির্দিষ্ট করা হয়নি।
চীনা গাড়ি নির্মাতাদের দ্রুত উত্থান ভক্সওয়াগনের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। চীনের বাজারে কোম্পানিটির বিক্রি কমার পাশাপাশি ইউরোপের বাজারেও চীনা বৈদ্যুতিক ও হাইব্রিড গাড়ি নির্মাতারা দ্রুত বাজার দখল করছে। যুক্তরাষ্ট্রের আমদানি শুল্ক এবং বৈদ্যুতিক গাড়িতে রূপান্তরের উচ্চ ব্যয় কোম্পানিটির ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে।
ভক্সওয়াগন জানিয়েছে, ইউরোপে তাদের প্রয়োজনের তুলনায় বছরে ৫ লাখের বেশি গাড়ি উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে। অতিরিক্ত সক্ষমতা কমানোর অংশ হিসেবে জার্মানির এমডেন, হ্যানোভার, জভিকাউ ও নেকারজুলম কারখানার ভবিষ্যৎ নিয়েও পর্যালোচনা চলছে। তবে, এসব কারখানা বন্ধের কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও নেওয়া হয়নি।
গাড়ির মডেলের সংখ্যা কমানোর পাশাপাশি উৎপাদন-সংক্রান্ত জটিলতাও ৭৫ শতাংশ কমানোর লক্ষ্য নিয়েছে ভক্সওয়াগন। কমসংখ্যক মডেল ও ভ্যারিয়েন্টে বেশি গুরুত্ব দিয়ে উৎপাদনের পরিমাণ বাড়ানো, খরচ কমানো এবং লাভজনকতা বাড়ানোই এর উদ্দেশ্য।
ভক্সওয়াগনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অলিভার ব্লুম বলেছেন, "পুনর্গঠন পরিকল্পনাটি কোম্পানির ভবিষ্যতের জন্য একটি শক্তিশালী বার্তা।" দীর্ঘ আলোচনার পর শ্রমিক প্রতিনিধিরাও পরিকল্পনাটিকে সমর্থন করেছেন। তবে, কর্মীদের ওপর যেন পুনর্গঠনের পুরো চাপ না পড়ে, সে বিষয়ে তারা জোর দিয়েছেন।
ভক্সওয়াগন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ গাড়ি নির্মাতা গোষ্ঠী। ভক্সওয়াগন ব্র্যান্ডের পাশাপাশি অডি, পোর্শে ও ল্যাম্বরগিনিসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ড এই গোষ্ঠীর অধীনে রয়েছে। তথ্যসূত্র: রয়টার্স
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জনপ্রশাসন ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারীকে বহনকারী গাড়িটি সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে।
বগুড়ার শিবগঞ্জে এক পথচারীকে রক্ষা করতে গিয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে। গাড়িতে উপস্থিত প্রতিমন্ত্রী এবং তার স্ত্রী নাজমা আরা বারী আহত হন।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে মোকামতলা-জয়পুরহাট সড়কের কিচক ইউনিয়নের গোপীনাথপুর এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা থেকে জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে যাওয়ার পথে প্রতিমন্ত্রীর গাড়িবহর মোকামতলা-জয়পুরহাট আঞ্চলিক মহাসড়কের কিচক ব্রিজের কাছে পৌঁছালে হঠাৎ করে এক পথচারী নারী গাড়ির সামনে চলে আসেন। চালক তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন।
এতে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের কৃষিজমিতে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার পর আহত প্রতিমন্ত্রী, তার স্ত্রী এবং বডিগার্ডকে উদ্ধার করে প্রথমে কালাইয়ে প্রতিমন্ত্রীর বাসায় নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য জয়পুরহাট ৪০০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
অন্যদিকে, দুর্ঘটনায় আহত পথচারী ফিরোজা বেগম (৫৫), যিনি শিবগঞ্জের গোপীনাথপুর গ্রামের মৃত নিজাম উদ্দিনের স্ত্রী, গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার হয়ে শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুজ্জামান জানান, দুর্ঘটনায় প্রতিমন্ত্রী এবং তার স্ত্রী সামান্য আহত হয়েছেন এবং তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, বৃদ্ধা ফিরোজাকেও চিকিৎসার জন্য টিএমএসএস হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ