বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:০৩ পি.এম
ময়মনসিংহের নান্দাইলে একটি ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী, যার নাম নোয়াদ জামান, তাকে বমির ওষুধের পরিবর্তে মুরগির অ্যান্টিবায়োটিক রেনামাইসিন’ খাওয়ানোর অভিযোগ উঠেছে। মুমূর্ষু অবস্থায় শিশুটিকে ময়মনসিংহ জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে, ময়মনসিংহের নান্দাইলে ঝালুয়া বাজারে।
নোয়াদ, যিনি নান্দাইল সদর ইউনিয়নের ভাটিসাভার গ্রামের মো. বাসাদুজ্জামানের ছেলে, পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সকালে এক আত্মীয়ের বাড়িতে থাকার সময় তার প্রচণ্ড মাথাব্যথা ও বমি বমি ভাব শুরু হয়। তার অবস্থা দেখে, ওই বাড়ি থেকে একজনকে দ্রুত স্থানীয় ঝালুয়া বাজারে বমির ওষুধ কিনতে পাঠানো হয়। বাজারের ইসলাম ফার্মেসিতে গিয়ে ফার্মেসিওয়ালা মানুষের বমির ওষুধের পরিবর্তে অসচেতনভাবে পশুর চিকিৎসায় ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক ‘রেনামাইসিন’ ট্যাবলেট দেন। পরে শিশুটি ওই ওষুধ খাওয়ার পরপরই বুকে ও পিঠে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করতে থাকে। ব্যথার তীব্রতায় ছটফট করতে করতে একপর্যায়ে সে অচেতন হয়ে পড়ে। পরে তাকে দ্রুত নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাৎক্ষণিক জরুরি ইনজেকশন দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা সদরে স্থানান্তর করেন।
নোয়াদের বাবা আসাদুজ্জামান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ঝালুয়া বাজারের ওই ফার্মেসিতে মানুষের ওষুধের পাশাপাশি পশুর ওষুধও রাখা হয় এবং তা নির্বিচারে বিক্রি করা হয়। তিনি প্রশ্ন করেন, "আমার শিশুকে কিভাবে মুরগির ওষুধ দেওয়া হলো?" তিনি লাইসেন্সবিহীন ও কাণ্ডজ্ঞানহীন ফার্মেসিওয়ালার কঠোর শাস্তি দাবি করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে, ওই ফার্মেসির মালিকের মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
নান্দাইল হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডা. আকাঈদ বলেন, মুরগির ওষুধ মানুষের শরীরে, বিশেষ করে শিশুর দেহে প্রবেশ করলে তা মারাত্মক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। তিনি সতর্ক করে বলেন, এটি জীবন ধ্বংসকারী ও ব্যাপক ঝুঁকিপূর্ণ। অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিকল হওয়ার মতো অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য ড্রাগ প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা প্রয়োজন।
ময়মনসিংহ জেলা ওষুধ প্রশাসন কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ বাদল শিকদার জানান, এটি একটি ভয়ানক ঘটনা। তিনি উল্লেখ করেন, "কোনোমতেই একসঙ্গে গবাদিপশু ও মানুষের ওষুধ রেখে বিক্রি করার নিয়ম নেই।" এ বিষয়ে দ্রুত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্যে পুলিশের সদস্যদের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন আইজিপি আলী হোসেন ফকির। এ সময় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
যারা আগে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেননি, তাদের মধ্যে ৩৮ হাজার ৮৪৭ জন পুলিশ সদস্য দুই দিনব্যাপী দেশের ১১৪টি ভেন্যুতে এই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছেন। প্রথম ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থীর সংখ্যা ৪ হাজার ৯৬৫ জন।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ১ লাখ ৫২ হাজার ১৭৫ জন পুলিশ সদস্যকে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছিল। তাদের জন্য আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপলক্ষে একদিনের রিফ্রেশার প্রশিক্ষণও দেওয়া হবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপলক্ষে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হওয়ার পর এ রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ শুরু হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরগুনায় জামিনের আবেদন নামঞ্জুর হওয়ায় বিচারকের প্রতি অশোভন আচরণ এবং আদালতে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যকে মারধরের অভিযোগে বশির নামের এক ব্যক্তিকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। পাশাপাশি, তাকে এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং জরিমানা অনাদায়ে আরো ১৫ দিনের কারাদণ্ডের আদেশও দেওয়া হয়েছে।
এই ঘটনা ঘটে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরগুনা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে। আদালত সূত্রে জানা যায়, বরগুনা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি সিআর মামলার শুনানি চলছিল। মামলাটির আসামি বশিরের জামিন আবেদন আদালত নামঞ্জুর করে। জামিন আবেদন খারিজ হওয়ার পর বশির আদালতে হট্টগোল শুরু করেন এবং বিচারক ও বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে অশোভন মন্তব্য করেন।
আদালতের দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলে বশির পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন এবং সিদ্দিক নামের এক পুলিশ সদস্যকে মারধর করেন।
পরবর্তীতে, সরকারি কাজে বাধা প্রদান এবং কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যকে মারধরের অভিযোগে আদালত তাৎক্ষণিক বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বশিরকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং এক হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে আরো ১৫ দিনের কারাদণ্ডের আদেশ দেন বিচারক মো. আসাদুজ্জামান।
বরগুনা আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন জানান, বশিরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর হওয়ার পর তিনি আদালতে হট্টগোল শুরু করেন এবং বিচারক ও বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে অশোভন মন্তব্য করেন। পরে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যরা তাকে থামাতে গেলে তিনি তাদের সঙ্গে মারধরে জড়িয়ে পড়েন। এ ঘটনায় আদালত তাকে এক বছরের কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। পরে তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় তারকা দম্পতি সূরিয়া ও জ্যোতিকা দুই দশক ধরে দাম্পত্য জীবন কাটাচ্ছেন। এবার তারা তাদের ২০ বছরের সম্পর্ককে আরো বিশেষ করে তুলেছেন। বিয়ের দুই দশক পর আবারও একে অপরের প্রতি ভালোবাসা ও পাশে থাকার অঙ্গীকার করতে তারা বিয়ের আসরে বসেছেন।
খ্রিস্টান রীতিতে আয়োজিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানে তাদের দুই সন্তান দিয়া ও দেব, পরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্য এবং বন্ধুদের উপস্থিতি ছিল। অনুষ্ঠানে সূরিয়ার ভাই ও অভিনেতা কার্থিও উপস্থিত ছিলেন।
একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেছেন জ্যোতিকা, যেখানে দেখা যায়, ছেলে দেবের হাত ধরে বিয়ের মঞ্চের দিকে এগিয়ে আসছেন তিনি। অন্যদিকে, সূরিয়ার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন তাদের মেয়ে দিয়া। এরপর একে অপরের দিকে তাকিয়ে নতুন করে শপথ নেন সূরিয়া ও জ্যোতিকা।
আবেগঘন সেই মুহূর্তে দুজনকেই চোখের জল সামলাতে দেখা যায়। তারা সাদা পোশাকে বর-কনের সাজে সজ্জিত ছিলেন। পুরো আয়োজনজুড়ে আবেগ ও ভালোবাসার ছোঁয়া ছিল।
জ্যোতিকা ভিডিও শেয়ার করে জানিয়েছেন, ২০ বছরের সম্পর্কের ভালো-মন্দ, মানিয়ে নেওয়া, বোঝাপড়া এবং নিঃস্বার্থ ভালোবাসাকেই উদযাপন করতে চেয়েছেন তারা।
তিনি লিখেছেন, তাদের এই আয়োজন নিখুঁত দাম্পত্যের উদযাপন নয়। বরং সম্পর্কের অসম্পূর্ণতা, একে অপরের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া, বোঝাপড়া, ত্যাগ এবং নিঃস্বার্থভাবে ভালোবাসার উদযাপন। এত বছরে তারা একে অপরের জন্য যে মানুষ হয়ে উঠেছেন, সেই সম্পর্কের উদযাপনও এই আয়োজনের অংশ।
দাম্পত্য জীবনের নতুন অধ্যায়ের এই বিশেষ আয়োজনে নিজের কিছু অঙ্গীকারের কথাও তুলে ধরেছেন জ্যোতিকা। তিনি জীবনের ইতিবাচক দিকগুলো দেখতে চান এবং আনন্দের সঙ্গে জীবন উদযাপন করতে চান বলে জানিয়েছেন।
অভিযোগ না করার শপথও নিতে চান জ্যোতিকা। তার মতে, পৃথিবীর কোনো কিছুই সম্পূর্ণ নয়। জীবনের ফাঁকফোকরগুলো কীভাবে পূরণ করা হবে, সেটিই আসল বিষয়।
স্বামী ও সন্তানদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী। প্রতিদিন এমন একজন মানুষের পাশে ঘুম থেকে ওঠেন, যিনি তাকে আগলে রাখেন ও সম্মান করেন—এটিকে জীবনের বড় প্রাপ্তি হিসেবে দেখছেন তিনি। সন্তানরা তার জীবনে নতুন অর্থ ও বেঁচে থাকার নতুন কারণ এনে দিয়েছে বলেও জানিয়েছেন জ্যোতিকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তাপমাত্রার পারদ বেশ কিছু দিন ধরে ওঠানামা করছে। ভ্যাপসা গরমের কারণে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। মাঝে মাঝে বৃষ্টি হলেও ভোগান্তির পরিমাণ কমছে না। খুব শিগগিরই পরিস্থিতির উন্নতির সম্ভাবনা নেই। বরং আগামী দু-এক দিনের মধ্যে গরমের তীব্রতা আরো বাড়তে পারে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) আবহাওয়া অধিদপ্তর এ বিষয়ে পূর্বাভাস প্রদান করেছে। ঢাকা আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ ড. মোহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মাউশি শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য একটি বড় সুখবর দিয়েছে। অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৫ দিন বৃষ্টির পরিমাণ কম থাকবে। দেশের বিভিন্ন স্থানে হালকা থেকে মাঝারি মাত্রায় বৃষ্টি হতে পারে। এই সময়ের মধ্যে গরমের তীব্রতা বৃদ্ধি পেতে পারে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আরো জানিয়েছে, আগামী ২০ তারিখে সাগরে একটি লঘুচাপ তৈরি হতে পারে। তার আগে বৃষ্টির পরিমাণ কম থাকবে। পরে বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়তে পারে।
অধিদপ্তর জানায়, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে গরমকালের বিস্তার বর্ষাকাল পর্যন্ত ঘটেছে। জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে তাপমাত্রার তুলনায় ভ্যাপসা গরম বেশি অনুভূত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ