বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:০৩ পি.এম
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্যে পুলিশের সদস্যদের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন আইজিপি আলী হোসেন ফকির। এ সময় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
যারা আগে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেননি, তাদের মধ্যে ৩৮ হাজার ৮৪৭ জন পুলিশ সদস্য দুই দিনব্যাপী দেশের ১১৪টি ভেন্যুতে এই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছেন। প্রথম ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থীর সংখ্যা ৪ হাজার ৯৬৫ জন।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ১ লাখ ৫২ হাজার ১৭৫ জন পুলিশ সদস্যকে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছিল। তাদের জন্য আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপলক্ষে একদিনের রিফ্রেশার প্রশিক্ষণও দেওয়া হবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপলক্ষে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হওয়ার পর এ রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ শুরু হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরগুনায় জামিনের আবেদন নামঞ্জুর হওয়ায় বিচারকের প্রতি অশোভন আচরণ এবং আদালতে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যকে মারধরের অভিযোগে বশির নামের এক ব্যক্তিকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। পাশাপাশি, তাকে এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং জরিমানা অনাদায়ে আরো ১৫ দিনের কারাদণ্ডের আদেশও দেওয়া হয়েছে।
এই ঘটনা ঘটে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরগুনা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে। আদালত সূত্রে জানা যায়, বরগুনা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি সিআর মামলার শুনানি চলছিল। মামলাটির আসামি বশিরের জামিন আবেদন আদালত নামঞ্জুর করে। জামিন আবেদন খারিজ হওয়ার পর বশির আদালতে হট্টগোল শুরু করেন এবং বিচারক ও বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে অশোভন মন্তব্য করেন।
আদালতের দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলে বশির পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন এবং সিদ্দিক নামের এক পুলিশ সদস্যকে মারধর করেন।
পরবর্তীতে, সরকারি কাজে বাধা প্রদান এবং কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যকে মারধরের অভিযোগে আদালত তাৎক্ষণিক বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বশিরকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং এক হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে আরো ১৫ দিনের কারাদণ্ডের আদেশ দেন বিচারক মো. আসাদুজ্জামান।
বরগুনা আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন জানান, বশিরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর হওয়ার পর তিনি আদালতে হট্টগোল শুরু করেন এবং বিচারক ও বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে অশোভন মন্তব্য করেন। পরে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যরা তাকে থামাতে গেলে তিনি তাদের সঙ্গে মারধরে জড়িয়ে পড়েন। এ ঘটনায় আদালত তাকে এক বছরের কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। পরে তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় তারকা দম্পতি সূরিয়া ও জ্যোতিকা দুই দশক ধরে দাম্পত্য জীবন কাটাচ্ছেন। এবার তারা তাদের ২০ বছরের সম্পর্ককে আরো বিশেষ করে তুলেছেন। বিয়ের দুই দশক পর আবারও একে অপরের প্রতি ভালোবাসা ও পাশে থাকার অঙ্গীকার করতে তারা বিয়ের আসরে বসেছেন।
খ্রিস্টান রীতিতে আয়োজিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানে তাদের দুই সন্তান দিয়া ও দেব, পরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্য এবং বন্ধুদের উপস্থিতি ছিল। অনুষ্ঠানে সূরিয়ার ভাই ও অভিনেতা কার্থিও উপস্থিত ছিলেন।
একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেছেন জ্যোতিকা, যেখানে দেখা যায়, ছেলে দেবের হাত ধরে বিয়ের মঞ্চের দিকে এগিয়ে আসছেন তিনি। অন্যদিকে, সূরিয়ার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন তাদের মেয়ে দিয়া। এরপর একে অপরের দিকে তাকিয়ে নতুন করে শপথ নেন সূরিয়া ও জ্যোতিকা।
আবেগঘন সেই মুহূর্তে দুজনকেই চোখের জল সামলাতে দেখা যায়। তারা সাদা পোশাকে বর-কনের সাজে সজ্জিত ছিলেন। পুরো আয়োজনজুড়ে আবেগ ও ভালোবাসার ছোঁয়া ছিল।
জ্যোতিকা ভিডিও শেয়ার করে জানিয়েছেন, ২০ বছরের সম্পর্কের ভালো-মন্দ, মানিয়ে নেওয়া, বোঝাপড়া এবং নিঃস্বার্থ ভালোবাসাকেই উদযাপন করতে চেয়েছেন তারা।
তিনি লিখেছেন, তাদের এই আয়োজন নিখুঁত দাম্পত্যের উদযাপন নয়। বরং সম্পর্কের অসম্পূর্ণতা, একে অপরের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া, বোঝাপড়া, ত্যাগ এবং নিঃস্বার্থভাবে ভালোবাসার উদযাপন। এত বছরে তারা একে অপরের জন্য যে মানুষ হয়ে উঠেছেন, সেই সম্পর্কের উদযাপনও এই আয়োজনের অংশ।
দাম্পত্য জীবনের নতুন অধ্যায়ের এই বিশেষ আয়োজনে নিজের কিছু অঙ্গীকারের কথাও তুলে ধরেছেন জ্যোতিকা। তিনি জীবনের ইতিবাচক দিকগুলো দেখতে চান এবং আনন্দের সঙ্গে জীবন উদযাপন করতে চান বলে জানিয়েছেন।
অভিযোগ না করার শপথও নিতে চান জ্যোতিকা। তার মতে, পৃথিবীর কোনো কিছুই সম্পূর্ণ নয়। জীবনের ফাঁকফোকরগুলো কীভাবে পূরণ করা হবে, সেটিই আসল বিষয়।
স্বামী ও সন্তানদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী। প্রতিদিন এমন একজন মানুষের পাশে ঘুম থেকে ওঠেন, যিনি তাকে আগলে রাখেন ও সম্মান করেন—এটিকে জীবনের বড় প্রাপ্তি হিসেবে দেখছেন তিনি। সন্তানরা তার জীবনে নতুন অর্থ ও বেঁচে থাকার নতুন কারণ এনে দিয়েছে বলেও জানিয়েছেন জ্যোতিকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তাপমাত্রার পারদ বেশ কিছু দিন ধরে ওঠানামা করছে। ভ্যাপসা গরমের কারণে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। মাঝে মাঝে বৃষ্টি হলেও ভোগান্তির পরিমাণ কমছে না। খুব শিগগিরই পরিস্থিতির উন্নতির সম্ভাবনা নেই। বরং আগামী দু-এক দিনের মধ্যে গরমের তীব্রতা আরো বাড়তে পারে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) আবহাওয়া অধিদপ্তর এ বিষয়ে পূর্বাভাস প্রদান করেছে। ঢাকা আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ ড. মোহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মাউশি শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য একটি বড় সুখবর দিয়েছে। অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৫ দিন বৃষ্টির পরিমাণ কম থাকবে। দেশের বিভিন্ন স্থানে হালকা থেকে মাঝারি মাত্রায় বৃষ্টি হতে পারে। এই সময়ের মধ্যে গরমের তীব্রতা বৃদ্ধি পেতে পারে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আরো জানিয়েছে, আগামী ২০ তারিখে সাগরে একটি লঘুচাপ তৈরি হতে পারে। তার আগে বৃষ্টির পরিমাণ কম থাকবে। পরে বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়তে পারে।
অধিদপ্তর জানায়, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে গরমকালের বিস্তার বর্ষাকাল পর্যন্ত ঘটেছে। জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে তাপমাত্রার তুলনায় ভ্যাপসা গরম বেশি অনুভূত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান ও তার অনুগত একটি সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির খবর আড়াল করতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও অপচেষ্টা’ বলে আখ্যায়িত করেছেন স্থানীয় শিক্ষক সমাজ। দুর্নীতি ও অনিয়মের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ধামাচাপা দিতে না পেরে সত্য প্রকাশকারী শিক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মীদের চরিত্রহনন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন তারা।
গত ১৪ সেপ্টেম্বরের ওই সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে চরফ্যাশন উপজেলার সর্বস্তরের প্রাথমিক শিক্ষক সমাজের ব্যানারে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য ও বিভিন্ন নথিপত্র তুলে ধরে এসব অভিযোগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক নেতারা শিক্ষা কর্মকর্তা ও তার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অর্থনৈতিক কারচুপির নানা তথ্য গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে প্রকাশ করেন। তাদের উত্থাপিত প্রধান অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে:
ভুয়া বরাদ্দ ও মেরামত বিল: ১৬৮ নম্বর দক্ষিণ চর আইচা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘এডুকেশন ইন ইমার্জেন্সি’ ও মেরামত খাতে দুই বছরে তিন দফায় মোট ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ দেখিয়ে আত্মসাৎ এবং ওয়াই-ফাই সংযোগ না থাকা সত্ত্বেও ১৮ লাখ ১৫ হাজার ২০০ টাকার ভুয়া বিল পাস।
ঘুষ বাণিজ্য ও ভাউচার জালিয়াতি: ৪২টি বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্র সংস্কারের টাকা আটকে রেখে ৬% হারে (প্রতিটি থেকে ৯ হাজার টাকা) ঘুষ আদায় এবং প্রতিবন্ধী শিশুদের ৯০ হাজার টাকার বিশেষ ডিভাইস ক্রয় না করে ভুয়া ভাউচারে পুরো টাকা উত্তোলন।
শিক্ষকদের হয়রানি: প্রাক-প্রাথমিক সজ্জিতকরণ বিল (৭,৫০০ টাকা) থেকে প্রতিষ্ঠানপ্রতি ৫০০ টাকা আদায় এবং হাজিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার এরিয়া বিল অহেতুক আটকে রাখা।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আত্মপক্ষ সমর্থনে শিক্ষা কর্মকর্তা এসব সুনির্দিষ্ট দাপ্তরিক কারচুপির কোনো সদুত্তর না দিয়ে ঢালাওভাবে অস্বীকার করছেন। এছাড়া দুর্নীতির প্রতিবাদকারী জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের মুখ বন্ধ করতে এবং সাধারণ মানুষের দৃষ্টি সরাতে আঃ হাই খান, আঃ হাই হাওলাদার ও শফিকুর রহমানসহ সম্মানিত প্রধান শিক্ষকদের ‘ফ্যাসিস্ট’ ট্যাগ দিয়ে চরিত্রহনন করা হচ্ছে। সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে কোনো শিক্ষক রাজনীতির সাথে প্রকাশ্যে যুক্ত না থাকা সত্ত্বেও তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে প্রতিবাদ জানানো হয়।
শিক্ষক নেতারা অভিযোগ করেন, যারা শিক্ষা কর্মকর্তার পক্ষে সাফাই গেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন, তারা মূলত স্কুলের পাঠদান ফাঁকি দিয়ে শিক্ষা অফিসে তদ্বির ও দালালি বাণিজ্যে লিপ্ত। সাধারণ শিক্ষকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে সেই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছিল।
সংবাদ সম্মেলন থেকে প্রাথমিক শিক্ষক সমাজের পক্ষ থেকে ৩ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়:
১. শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান ও তার সিন্ডিকেটের আত্মসাৎকৃত সব খাতের (ভোটকেন্দ্র মেরামত, ইন্টারনেট বিল, বিশেষ ডিভাইস ও জরুরি মেরামত) উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে।
২. সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আনীত মিথ্যা রাজনৈতিক অপবাদ ও হয়রানিমূলক অপপ্রচার অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।
৩. ভুয়া ভাউচারে অর্থ আত্মসাৎকারী ও শিক্ষকদের চরিত্রহননকারী চক্রের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে অবিলম্বে তাদের দাবি মেনে নেওয়া না হলে উপকূলীয় অঞ্চলের কোমলমতি শিশুদের শিক্ষার পরিবেশ রক্ষা ও শিক্ষকদের সম্মান পুনরুদ্ধারে চরফ্যাশনের সর্বস্তরের শিক্ষক সমাজকে নিয়ে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
উক্ত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি চরফ্যাশন উপজেলা শাখার সভাপতি মোহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন মমিন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল হাই হাওলাদার, বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোঃ আব্দুল হাই খান, সাধারণ সম্পাদক মো: শফিকুল ইসলাম বাবুল, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক পরিষদের সভাপতি মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইউসুফ, সংগঠনের নেতা মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ, মোহাম্মদ ফুয়াদ, হাজিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মনির উদ্দিনসহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের বিপুল সংখ্যক শিক্ষক-শিক্ষিকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ