ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাংলাদেশি এজেন্সির কারণে ভারতীয় ভিসা পেতে জটিলতা: ডেপুটি হাইকমিশনার


বাংলাদেশি এজেন্সির কারণে ভারতীয় ভিসা পেতে জটিলতা: ডেপুটি হাইকমিশনার

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন বাদেহ মন্তব্য করেছেন যে, বাংলাদেশি এজেন্সিগুলো ভারতীয় ভিসার কোটা ব্লক করে রাখছে। এর ফলে সাধারণ ভিসাপ্রত্যাশীরা ভিসার জন্য আবেদন করার সুযোগ পাচ্ছেন না এবং ভিসা পেতে জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে বলে তিনি জানান। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এ জটিলতা দূর করার লক্ষ্যে ভারতীয় হাইকমিশন কাজ করছে।

রোববার সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এশিয়াখ্যাত দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার বাড়ির পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে তিনি কুমুদিনী হাসপাতালের লাইব্রেরি পরিদর্শন করেন। পরে তিনি দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার বাড়িতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।

আরও পড়ুন: ইশরাকের পিস্তল উঁচানো দৃশ্য ত্রাসের রাজত্বের প্রতীক: জামায়াত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর সফর শুনে ভাঙল ঘুম, বালু দিয়ে ময়লার ভাগাড় গায়েবের চেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৪ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর সফর শুনে ভাঙল ঘুম, বালু দিয়ে ময়লার ভাগাড় গায়েবের চেষ্টা

প্রধানমন্ত্রীর সফরের প্রেক্ষিতে নীলফামারীর সৈয়দপুর-পার্বতীপুর সড়কের পাশে বছরের পর বছর ধরে জমে থাকা ময়লার ভাগাড় বালু দ্বারা ঢেকে দেওয়ার কাজ চলছে। পৌর কর্তৃপক্ষ শহরের বিভিন্ন সড়কে স্তূপ হয়ে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের উদ্যোগও নিয়েছে। কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে দুর্গন্ধে ভোগা সত্ত্বেও পৌরসভা ভাগাড়টি অপসারণের জন্য কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।

রোববার (১৮ অক্টোবর) সকালে সৈয়দপুর শহরের টার্মিনাল এলাকা থেকে পার্বতীপুর সড়কের ড্রিম প্লাস হোটেলের সামনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের পাশে ময়লার স্তূপের ওপর বালু ফেলে ঢেকে দেওয়া হচ্ছে। যদিও ভাগাড়টির উপরের অংশ পরিচ্ছন্ন দেখাচ্ছে, স্থানীয়রা দীর্ঘদিনের বর্জ্য সমস্যা সমাধানে প্রশ্ন তুলছেন।

স্থানীয়দের মতে, কয়েক বছর ধরে শহরের বাসাবাড়ি, হাসপাতাল, ক্লিনিক ও হোটেল থেকে সংগৃহীত বর্জ্য ওই স্থানে স্তূপ করে রাখা হচ্ছিল। উন্মুক্ত স্থানে ময়লা পড়ে থাকার কারণে আশপাশে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছিল, যা পথচারী, সড়ক ব্যবহারকারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য চরম দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এ কারণে তারা সড়কের পাশ থেকে ময়লার ভাগাড়টি সরানোর দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

তবে দীর্ঘদিনেও এ বিষয়ে কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ না নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে রোববার সকাল থেকে ওই ভাগাড়ের কিছু ময়লা সরিয়ে বালু দিয়ে ঢেকে দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের উদ্যোগ নিয়েছে পৌরসভা।

স্থানীয় বাসিন্দা লতিফুর রহমান জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে সেখানে ময়লা-আবর্জনা না ফেলার দাবি জানিয়ে আসছেন। দুর্গন্ধের কারণে এই সড়ক দিয়ে চলাচল করা সম্ভব হচ্ছে না। পৌরসভা কর্তৃপক্ষকে বারবার বলার পরও কোনো সমাধান আসেনি। এখন প্রধানমন্ত্রী আসছেন, তাই দ্রুত পরিষ্কার করে ময়লার ওপর বালু দেওয়া হচ্ছে।

একই এলাকার হাসানুর রহমান জানান, এই সড়ক দিয়ে চলাচলের সময় দুর্গন্ধের কারণে নাক চেপে রাখতে হতো। শহরের বিভিন্ন জায়গার ময়লা এনে এখানে স্তূপ করে রাখা হতো। রোববার পৌরসভা কর্তৃপক্ষ পরিষ্কার করছে। যদি নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা হয়, তাহলে তাঁদের চলাচলে সুবিধা হবে।

এ বিষয়ে সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা জানান, প্রধানমন্ত্রী সৈয়দপুর পৌরসভার ওপর দিয়ে রংপুরে যাবেন। এ উপলক্ষে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ শহরের বিভিন্ন জায়গায় ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করছে। পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে রং করা ও ডিভাইডার মেরামতের কাজ চলছে। এ ছাড়া যেসব জায়গায় ময়লার স্তূপ রয়েছে, সেগুলো বালু দিয়ে ঢেকে দেওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল ৯টায় তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে বিমানে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। সেখান থেকে তিনি রংপুর নগরীর রাধাগোবিন্দ মন্দির পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। বেলা ১১টার দিকে মন্দির পরিদর্শন শেষে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ফিরে রাজশাহীর উদ্দেশে যাত্রা করার কথা রয়েছে তার। পরে রাজশাহী থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিসরের সৌদির পাশে থাকার ঘোষণা, নিরাপত্তা রক্ষায় সহায়তা করবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৫ পি.এম


মিসরের সৌদির পাশে থাকার ঘোষণা, নিরাপত্তা রক্ষায় সহায়তা করবে

মিসর সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ধারাবাহিক হামলার প্রেক্ষাপটে নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় প্রতিরক্ষা পরিষদের বৈঠকে গৃহীত হয়।

বৈঠকে উল্লেখ করা হয়, সৌদি আরবের ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা, সম্পদ এবং ইসলামী পবিত্র স্থানগুলো রক্ষায় কায়রো সম্পূর্ণরূপে সৌদির পাশে রয়েছে। রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে যে, এই সংঘাতের সমাধানে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা আরও জোরদার করা হবে।

ইয়েমেনে যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর, সৌদি সমর্থিত আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের বিরুদ্ধে ইরান-সমর্থিত হুথিদের লড়াই আবার শুরু হয়েছে। এর অংশ হিসেবে, বিদ্রোহীরা সম্প্রতি রিয়াদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ‘সৌদি আরামকো’ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, সৌদি রাজা সালমান এবং যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে আলোচনা করে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন মিসরের প্রেসিডেন্ট এল-সিসি। তাছাড়া, সৌদি আরবের যেকোনো প্রতিরক্ষা সহায়তার অনুরোধ অনুমোদনের জন্য প্রেসিডেন্টকে বিশেষ ক্ষমতা দিতে একটি জরুরি সংসদীয় অধিবেশন ডাকা হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, লোহিত সাগরের নৌপথ ও নিজেদের নিরাপত্তা সুরক্ষায় রিয়াদ মিত্রের সন্ধান করছে। মিসরের সুয়েজ খালের রাজস্ব আয় সরাসরি এই সামুদ্রিক ট্রাফিকের ওপর নির্ভরশীল। লোহিত সাগরে ইরান বা তাদের মিত্রদের যেকোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা ঠেকাতে মিসর সবসময় তৎপর রয়েছে।

গত মাসের বৈঠকে কায়রো সৌদি ও উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তাকে মিসরের জাতীয় নিরাপত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে অভিহিত করেছিল। এদিকে, সৌদি আরব হুথিদের হামলায় উসকানি দেওয়ার জন্য ইরানকে দায়ী করলেও, তেহরান সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘কুমিরেরা তাকে খেয়ে ফেলবে’: নার্সিং অফিসারের হত্যার পেছনে কেনাকাটার প্রতিশ্রুতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৫ পি.এম


‘কুমিরেরা তাকে খেয়ে ফেলবে’: নার্সিং অফিসারের হত্যার পেছনে কেনাকাটার প্রতিশ্রুতি

একটি সেতুর ওপর অবস্থিত নদী, যেখানে কুমিরের উপস্থিতি রয়েছে—এই স্থানটি সম্ভবত এক নার্সিং অফিসারের নিখোঁজ হওয়ার রহস্য উদ্ঘাটনের মূল চাবিকাঠি হতে পারে। নিখোঁজ হওয়ার কয়েক দিন অতিবাহিত হলেও, তাঁর মৃতদেহ এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

পুলিশের সন্দেহ, বিহারের বাসিন্দা স্নেহলতাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে এবং উত্তর প্রদেশের ইটাওয়া জেলার পাঁচনাদা এলাকায়, যেখানে প্রচুর কুমির রয়েছে, সেই নদীর জলে ফেলে দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি তদন্তকারীদের জানিয়েছেন যে, তাঁর ধারণা ছিল কুমিরেরা মৃতদেহটি খেয়ে ফেলবে, ফলে দেহটি আর খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।

স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে নদীর দিকে পুলিশ: বৃহস্পতিবার পুলিশ অভিযুক্ত সত্যপ্রকাশকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে পাঁচনাদায়—যেখানে পাঁচটি নদীর মিলনস্থল রয়েছে—নিয়ে যায়, যাতে নিখোঁজ ওই নারীর মৃতদেহ খুঁজে বের করা যায়। ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স (এনডিআরএফ)-এর সহায়তায় এই তল্লাশি অভিযান পরিচালিত হয়। সূত্র অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদের সময় সত্যপ্রকাশ স্বীকার করেছে যে, সে স্নেহলতাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে এবং একটি সেতু থেকে তাঁর লাশ নদীতে ফেলে দিয়েছে, এই ভেবে যে কুমিরেরা তা খেয়ে ফেলবে। পুলিশ মনে করছে, হয়তো কুমিরেরা তাঁর দেহাবশেষ খেয়ে ফেলেছে, তবে এখনো পর্যন্ত কোনো মৃতদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

সম্পর্ক, সন্তান এবং ক্রমবর্ধমান বিবাদ: বিহারের বাসিন্দা স্নেহলতার পরিচয় ঘটে মধ্যপ্রদেশের ভিন্ডের জোশি নগরের বাসিন্দা সত্যপ্রকাশের সঙ্গে একটি বেসরকারি কলেজে, যেখানে স্নেহলতা পড়াশোনা করতেন এবং সত্যপ্রকাশ সেখানে কাজ করতেন। পরবর্তীতে তারা ‘লিভ-ইন’ সম্পর্কে জড়ান। সত্যপ্রকাশ পূর্বে বিবাহিত ছিলেন। প্রায় ১০ মাস আগে স্নেহলতা তাদের এক পুত্রসন্তানের জন্ম দেন। পুলিশ জানিয়েছে, সন্তানকে কেন্দ্র করে এবং স্নেহলতার পক্ষ থেকে সত্যপ্রকাশকে স্বামী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিবাদ বৃদ্ধি পেতে থাকে।

নিখোঁজ হওয়ার আগে কেনাকাটার প্রতিশ্রুতি: ৮ অক্টোবর, সত্যপ্রকাশ কানপুর যাওয়ার কথা বলে এবং কেনাকাটা করানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে স্নেহলতাকে সঙ্গে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তাঁকে আর কোথাও দেখা যায়নি। পরবর্তীতে সত্যপ্রকাশ নিজেই ভিন্ড সিটি কোতোয়ালি থানায় একটি ‘মিসিং পার্সন’ বা নিখোঁজ সংক্রান্ত অভিযোগ দায়ের করে এবং তাঁকে খুঁজে বের করার জন্য প্রচারপত্রও ছাপায়। তবে স্নেহলতার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় সত্যপ্রকাশের ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ হওয়ায় পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। এরপরই সে স্নেহলতাকে হত্যার কথা স্বীকার করে বলে অভিযোগ রয়েছে। পরিবারের কঠোর পদক্ষেপের দাবি

ঘটনাটি জানার পর বিহারের নালন্দা থেকে স্নেহলতার পরিবার ভিন্ডে পৌঁছায়। তারা সন্দেহভাজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে। স্নেহলতার লাশের সন্ধান এখনো চলছে। তদন্তকারীরা জানার চেষ্টা করছেন, তাকে নদীতে ফেলে দেওয়ার অভিযোগের পর ঠিক কী ঘটেছিল। সূত্র: দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোটরসাইকেল চালকদের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৬ পি.এম


মোটরসাইকেল চালকদের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) মোটরসাইকেল চালকদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে। সড়কে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারী মোটরসাইকেল সহজে শনাক্ত করার জন্য বাইকের সামনের অংশে রেজিস্ট্রেশন নম্বরসংবলিত প্লেট লাগানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মালিকদের আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় নির্ধারিত মাপ, রং ও উপকরণ অনুসরণ করে নম্বর প্লেট লাগাতে হবে।

বিআরটিএর গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশনা বাস্তবায়ন না করলে সংশ্লিষ্ট মোটরসাইকেল মালিকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিআরটিএর তথ্য অনুযায়ী, এতদিন মোটরসাইকেলের পেছনে অনুমোদিত রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন (আরএফআইডি) প্রযুক্তিসহ উন্নতমানের রেট্রো-রিফ্লেক্টিভ ধাতব নম্বর প্লেট ব্যবহারের বিধান ছিল। हालाँकि, সম্প্রতি ঢাকার বিভিন্ন সড়কে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ক্যামেরার মাধ্যমে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। চলন্ত মোটরসাইকেলের সামনের দিক থেকেও যেন নম্বর স্পষ্টভাবে শনাক্ত করা যায়, সে লক্ষ্যেই সামনে নম্বর প্লেট লাগানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

গত জুলাইয়ে পরিবেশদূষণ নিয়ন্ত্রণবিষয়ক এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে তা বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ও বিআরটিএকে।

নম্বর প্লেটের মাপ ও রং নির্ধারণ

নির্দেশনায় নম্বর প্লেটের নির্দিষ্ট মাপ, রং ও উপকরণ ব্যবহারের নিয়ম জানানো হয়েছে। স্কুটারের জন্য নম্বর প্লেটের দৈর্ঘ্য হবে ২০০ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ১০০ মিলিমিটার। অন্যদিকে, স্কুটার ছাড়া অন্যান্য মোটরসাইকেলের নম্বর প্লেটের দৈর্ঘ্য হবে ২৮৫ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ৫০ মিলিমিটার। নম্বর প্লেটে বাংলা অক্ষর ও সংখ্যার উচ্চতা কমপক্ষে ২০ মিলিমিটার হতে হবে। প্লেট তৈরিতে স্টেইনলেস স্টিল অথবা অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহার করতে হবে। এর পটভূমি হবে সাদা এবং অক্ষর ও সংখ্যা থাকবে কালো রঙের। নম্বর প্লেটে কোনো শোভাবর্ধক নকশা বা অতিরিক্ত উপাদান ব্যবহার করা যাবে না। স্কুটার ছাড়া অন্যান্য মোটরসাইকেলের নম্বর এক লাইনে লেখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

কারিগরি জটিলতা নিয়ে উদ্বেগ

নতুন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন নিয়ে মোটরসাইকেল মালিক ও সংশ্লিষ্ট খাতের ব্যক্তিদের মধ্যে কিছু প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বর্তমান মডেলের অনেক মোটরসাইকেলের সামনে নম্বর প্লেট লাগানোর নির্দিষ্ট জায়গা নেই। ফলে কিছু ক্ষেত্রে বাইকের মূল নকশায় পরিবর্তন আনতে হতে পারে।

এ ছাড়া দ্রুতগতিতে চলার সময় বাতাস চলাচলে বাধা, বাইকের ভারসাম্য এবং ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হওয়ার আশঙ্কা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। এসব কারিগরি বিষয় যাচাই করতে বিআরটিএ, ডিএমপি, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং মোটরসাইকেল প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে সাত সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে বিআরটিএ।বাংলাদেশ সংবাদ

সব মোটরসাইকেলে কার্যকর হবে কি না?

দেশে বর্তমানে নিবন্ধিত মোটরসাইকেলের সংখ্যা প্রায় ৫০ লাখ। প্রতি বছর এর সঙ্গে আরও প্রায় পাঁচ লাখ মোটরসাইকেল যুক্ত হচ্ছে। নতুন নির্দেশনা বিদ্যমান সব মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে, নাকি শুধু নতুন নিবন্ধিত বাইকের জন্য প্রযোজ্য হবে—তা নিয়ে আলোচনা রয়েছে।

এ ছাড়া নিবন্ধনহীন মোটরসাইকেল কিংবা নম্বর প্লেট ঢেকে রাখা যানবাহন শনাক্ত করতে এআই ক্যামেরা কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন বিশেষজ্ঞরা।

তবে এসব বিষয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও প্রযুক্তিনির্ভর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা কার্যকর করতে কাজ করছে পুলিশ ও বিআরটিএ। নতুন নির্দেশনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সড়কে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন শনাক্ত করা এবং নজরদারি আরও কার্যকর করাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%