মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৩২ পি.এম
কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য প্রার্থীদের কার্যক্রম বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিএনপি, জামায়াত এবং এনসিপির সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীরা দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পাশাপাশি নগরবাসীর দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করছেন।
নামাজ আদায়, জানাজা, কুলখানি, বিয়ে, সামাজিক আন্দোলন এবং গণজমায়েতের মতো বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাদের উপস্থিতি বৃদ্ধি পাওয়ায় নগরীতে নির্বাচনী পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
তথ্য অনুসারে, আসন্ন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন বর্তমান সিটি প্রশাসক এবং মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু। তিনি নগরীর উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি দলের সংগঠন গঠনের কাজেও নিয়োজিত রয়েছেন। মহানগর বিএনপির সদস্য কাউসার জামান বাপ্পিও মনোনয়ন প্রত্যাশী হতে পারেন।
অন্যদিকে, বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি নিজাম উদ্দিন কায়সার এবং সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কুও বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার চেষ্টা করছেন। তারা গত দুটি সিটি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দল থেকে বহিষ্কৃত হন।
নগরীতে প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমির মোসলেহ উদ্দিন এবং শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি মো. মজিবুর রহমান ভূঁইয়ার নাম শোনা যাচ্ছে।
এদিকে, এনসিপি কেন্দ্রীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলামকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে। তিনি সম্প্রতি নগরীর বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়ে বাসিন্দাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করছেন এবং বিভিন্ন ইস্যুতে নিজের মতামত প্রকাশ করছেন।
কুমিল্লা সিটির প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু মন্তব্য করেন, "দল এবং দলের প্রধান যে সিদ্ধান্ত দেবেন, সেটাই আমি অক্ষরে অক্ষরে পালন করব। আমি এখন নগরবাসীর একজন খাদেম হিসেবে সার্বক্ষণিক ব্যস্ত থাকি। নির্বাচনে প্রার্থিতার সিদ্ধান্ত আসবে দলের হাইকমান্ড থেকে।"
নিজাম উদ্দিন কায়সার বলেন, "আমি বহিষ্কৃত হলেও দলের বাইরে নই। এক মুহূর্তের জন্যও দলের কার্যক্রম থেকে দূরে থাকিনি। অতীতে তৃণমূল নেতাকর্মীদের চাপের মুখে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি। আশা করি, দল ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবে।"
সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু জানান, "দলের হাইকমান্ডের কাছে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের আবেদন করেছি। দলের জন্য নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছি। আমি বিএনপির বাইরের কোনো লোক নই। আগামী নির্বাচনে কর্মী-সমর্থকরা যে সিদ্ধান্ত দেবেন, আমি সে অনুযায়ী এগিয়ে যাব।"
মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি কামরুজ্জামান সোহেল বলেন, "আমাদের দলে নিজ থেকে প্রার্থী হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। দল যাকে সিদ্ধান্ত দেবে, তিনিই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। আপাতত আমরা সকলে মিলেমিশেই সিটি নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীকে জয়ী করতে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছি।"
এনসিপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম বলেন, "নগরবাসীর সেবা করার জন্য আমি সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নেমেছি। মাঠে গণসংযোগ করে বাসিন্দাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় এবং সেতুবন্ধন তৈরি করছি। দল থেকে আমাকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। আশা করি, জোটের সমর্থনও পাব।"
আগের নির্বাচনের ফল
২০১১ সালের ১০ জুলাই কুমিল্লা পৌরসভা থেকে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত হয়। ২০১২ সালের ৫ জানুয়ারি প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে মনিরুল হক সাক্কু ৬৫ হাজার ৫৭৭ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আফজাল খান পেয়েছিলেন ৩৬ হাজার ৪৭১ ভোট।
২০১৭ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু ৬৮ হাজার ৯৪৮ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ প্রার্থী আঞ্জুম সুলতানা সীমা পেয়েছিলেন ৫৭ হাজার ৮৬৩ ভোট।
২০২২ সালের সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত ৫০ হাজার ৩১০ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু পেয়েছিলেন ৪৯ হাজার ৯৬৭ ভোট। ওই নির্বাচনে নিজাম উদ্দিন কায়সার পেয়েছিলেন ২৯ হাজার ২৯ ভোট।
আরফানুল হক রিফাতের মৃত্যুর পর ২০২৪ সালের ৯ মার্চ মেয়র পদে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী তাহসীন বাহার সূচনা ৪৮ হাজার ৮৯০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু পেয়েছিলেন ২৬ হাজার ৮৯৭ ভোট। নিজাম উদ্দিন কায়সার পেয়েছিলেন ১৩ হাজার ১৫৫ ভোট।
আগের দুই নির্বাচনের ফলাফলে বিএনপির একাধিক প্রার্থী ও দলীয় বিরোধের বিষয়টি আলোচনায় ছিল। এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ না থাকায় কুমিল্লা সিটি নির্বাচনের রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে যায়, তা সময়ই বলে দেবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়া, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় আজ বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহের ১৩৬তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে একটি প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় লালন তিরোধান দিবসের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সার্বিক প্রস্তুতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা, আগত ভক্ত-অনুরাগীদের সুযোগ-সুবিধা, যানবাহন চলাচল এবং অনুষ্ঠানস্থলের সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সভাটি কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক তৌহিদ বিন হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়, এবং এটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিজানুর রহমান।
সভায় জেলা প্রশাসক উল্লেখ করেন, লালন শাহ কেবল কুষ্টিয়ার নয়, বরং তিনি বাংলা ও বাঙালির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তিরোধান দিবসের অনুষ্ঠানকে ঘিরে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ভক্ত ও দর্শনার্থীরা ছেঁউড়িয়ায় আসেন। তাদের নিরাপত্তা এবং নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠান উপভোগের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, অনুষ্ঠানস্থলে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দর্শনার্থীদের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করতে হবে।
কুষ্টিয়া-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী মন্তব্য করেন, লালন শাহের দর্শন দেশ-বিদেশে মানবতা ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে। লালনের স্মৃতিবিজড়িত ছেঁউড়িয়ার এই আয়োজনকে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকেও সহযোগিতা করতে হবে।
কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ বলেন, লালন শাহের দর্শন ও সংগীত বাঙালির অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক চেতনার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। লালনের তিরোধান দিবসের অনুষ্ঠান যেন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এবং যথাযথ মর্যাদায় অনুষ্ঠিত হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকভাবে কাজ করা প্রয়োজন।
সভায় বক্তারা উল্লেখ করেন, লালন তিরোধান দিবসের অনুষ্ঠান কুষ্টিয়ার অন্যতম বড় সাংস্কৃতিক আয়োজন। দেশ-বিদেশের দর্শনার্থীদের কথা বিবেচনায় রেখে অনুষ্ঠানস্থলে নিরাপত্তা, তথ্যসেবা, যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং সাংবাদিকদের সংবাদ সংগ্রহের পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
লালন তিরোধান দিবসের অনুষ্ঠান সফল করতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও অংশীজনের সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কুষ্টিয়া পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম, কুষ্টিয়া সাংবাদিক ইউনিয়ন-কেইউজের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক বাচ্চু, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি খন্দকার আল মামুন সাগর, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু মনি জুবায়েদ রিপনসহ লালন গবেষক, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গত বছর যিনি অধিকার আদায়ের আন্দোলনে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন, ঠিক এক বছর পর আজ ২৮ বছর বয়সি পরিবেশকর্মী হামজা এল খাররৌবি মরক্কোর সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছেন। নির্বাচনি প্রচারকালে দেশের তিতৌয়ান শহরে তরুণ এই উদ্যোক্তা আশা প্রকাশ করেন যে, এবারের নির্বাচনে আরো অনেক তরুণ মরক্কোর পার্লামেন্টে আসন জয় করতে সক্ষম হবেন।
রাজনীতিতে তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর লক্ষ্যে তিনি ‘এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি পার্টি’ নামে একটি নতুন রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করেছেন।
গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে মরক্কোয় শুরু হওয়া ঐতিহাসিক গণআন্দোলনই মূলত তরুণদের এই রাজনৈতিক অংশগ্রহণকে ত্বরান্বিত করেছে।
আন্দোলনের পটভূমি ও ‘জেন জি ২১২’
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মরক্কোর দক্ষিণাঞ্চলের একটি সরকারি হাসপাতালে সিজারেস ডেলিভারির সময় আটজন প্রসূতি নারীর মর্মান্তিক মৃত্যুর পর দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের দাবিতে এই ক্ষোভ সারা দেশে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে।
‘জেন জি ২১২’ নামে কোনো নির্দিষ্ট কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ছাড়াই গড়ে ওঠা এই আন্দোলনটি মূলত ডিসকর্ড, টিকটক এবং ইনস্টাগ্রামের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর ভর করে সংগঠিত হয়েছিল। দুর্নীতিরোধ, সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার এবং উন্নত জনসেবার দাবিতে চলা ওই আন্দোলনে অক্টোবর মাসে অন্তত তিনজন প্রাণ হারিয়েছিলেন।
ভোটার তালিকায় তরুণদের অংশগ্রহণ ও চ্যালেঞ্জ
আসন্ন সংসদ নির্বাচনে মরক্কোর মোট ৩৯৫টি আসনের জন্য প্রায় ১ কোটি ৫৮ লাখ মানুষ ভোট দেওয়ার যোগ্য হলেও, এর মধ্যে ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সিদের হার মাত্র চার শতাংশ।
অন্যদিকে ৬০ বা তার বেশি বয়সি ভোটারদের হার প্রায় ২৯ শতাংশ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাজপথে সোচ্চার হওয়ার পরেও অনেক তরুণ এখনো প্রাতিষ্ঠানিক বা মূলধারার রাজনীতি থেকে দূরে রয়েছেন।
তরুণদের এই দূরত্বের কারণ ব্যাখ্যা করে কাসাব্লাংকার রাজনীতিক মৌবারাক তৌমি বলেন, ‘অভিভাবকরা সাধারণত তরুণদের ঝামেলা এড়াতে ও নিরাপদে থাকতে পরামর্শ দিয়ে থাকেন।’ পাশাপাশি বেকারত্বের উচ্চ হারও তরুণদের রাজনীতিবিমুখ করে তুলছে।
দেশটির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, মরক্কোয় সামগ্রিক বেকারত্ব ১৩ শতাংশ হলেও ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সি তরুণদের মধ্যে এই হার প্রায় ৩৭.২ শতাংশ।
নির্বাচনে তরুণদের প্রত্যাশা
নির্বাচন নিয়ে তরুণ রাজনীতিক আজ-এল আরব হিলমি জানান, বর্তমান প্রজন্ম আর পুরনো গতানুগতিক রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি বা ফাঁকা বুলি শুনতে রাজি নয়। তারা শিক্ষা, সুচিকিৎসা এবং জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের মতো বাস্তব পরিবর্তন দেখতে চায়।
তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচন মানেই কোনো ফাঁকা চেক দেওয়া নয়। রাজনীতিকরা সব সমস্যার জাদুকরী সমাধান রাতারাতি দিতে না পারলেও তাদের স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল হতে হবে।’ মরক্কোর এই নির্বাচনে তরুণদের অংশগ্রহণ ও ব্যালটের লড়াই দেশের রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
সূত্র: আল জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুদক মেট্রো-১ চট্টগ্রামে নগদ দুই লাখ টাকা ঘুসসহ আবদুস সোবহান নামের সাব-রেজিস্ট্রারকে আটক করেছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টার সময় চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলী সাব-রেজিস্ট্রার অফিস থেকে তাকে আটক করা হয় দুদকের আভিযানিক দলের মাধ্যমে।
অভিযান চলমান রয়েছে বলে সর্বশেষ খবর পাওয়া গেছে।
বিস্তারিত আসছে...
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারত সরকার আসাদ আলম সিয়ামকে দিল্লিতে বাংলাদেশের পরবর্তী হাই কমিশনার করার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেটির জন্য আনুষ্ঠানিক সম্মতি প্রদান করেছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস মঙ্গলবার জানিয়েছে, সিয়ামের নিয়োগের আনুষ্ঠানিক সম্মতিপত্র বা অ্যাগ্রিমোঁর একটি অনুলিপি ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সিয়ামের নিয়োগে ভারতের সম্মতি আটকে থাকার বিষয়ে ‘সাম্প্রতিক জল্পনার অবসান হয়েছে’ বলে মন্তব্য করা হয়েছে।
দ্য প্রিন্ট নামক ভারতীয় সংবাদমাধ্যম গত সপ্তাহে জানিয়েছিল, দিল্লিতে বাংলাদেশের পরবর্তী হাই কমিশনার হিসেবে সিয়ামের নিয়োগের আনুষ্ঠানিক সম্মতি দিতে ভারত দেরি করছে।
১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ ফরেন সার্ভিসে যোগদানকারী পেশাদার কূটনীতিক আসাদ আলম সিয়াম আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে নয়া দিল্লিতে বর্তমান হাই কমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহর স্থলাভিষিক্ত হবেন।
রিয়াজ হামিদুল্লাহকে জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে জেনেভায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
আসাদ আলম সিয়াম ২০২৫ সালের জুনে পররাষ্ট্রসচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে এক বছরেরও কম সময় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে কাজ করেছেন।
তিনি ২০২৩-২০২৪ সময়ে অস্ট্রিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এবং ২০১৭-২০২১ সময়ে ফিলিপিন্সে দূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
সিয়াম ইতালির মিলানে বাংলাদেশের প্রথম কনসাল জেনারেল, যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টারে সহকারী হাই কমিশনার এবং ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ডে জুনিয়র কূটনীতিক হিসেবে কাজ করেছেন।
দেশে দায়িত্ব পালনকালে তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রটোকল প্রধান, ইউরোপ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এবং পররাষ্ট্রসচিবের দপ্তরের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনর্গঠনের প্রচেষ্টার মধ্যে সিয়ামের নিয়োগের অনুমোদনের খবর এসেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ