হুমায়ুন কবির, বানারীপাড়া প্রতিনিধি
০৯:৩২ এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আবহাওয়া অধিদপ্তর রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের অঞ্চলে আকাশ মেঘলা থাকার সম্ভাবনা সম্পর্কে আভাস প্রদান করেছে। সংস্থাটি জানায়, বজ্রসহ বৃষ্টির ঘটনার সম্ভাবনা রয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য যে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, তাতে এই তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি আজ সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন।
পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে, আকাশ মেঘলা থেকে মেঘলা থাকতে পারে। এছাড়া, বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সাধারণত সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।
এদিকে, সকাল ৬টায় ঢাকায় তাপমাত্রা ২৮ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯১ শতাংশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন এবং উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের কারণে বায়ুদূষণের মাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে, আজ (মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট) বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা বায়ুদূষণের তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে অবস্থান করছে। ঢাকার বায়ুমান স্কোর ১২২। সকালে বৃষ্টির পর বাতাসের এই অবস্থাকে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এ তথ্য সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে পাওয়া গেছে।
আইকিউএয়ার-এর এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স অনুযায়ী, বিশ্বে বায়ুদূষণের তালিকায় ১৮৮ স্কোর নিয়ে মালয়েশিয়ার শহর কুচিং শীর্ষে রয়েছে। এই শহরটিকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মালয়েশিয়ার আরেকটি শহর কুয়ালালামপুর, যার স্কোর ১৭৬। তৃতীয় স্থানে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা ১৬৩ স্কোর নিয়ে অবস্থান করছে। এরপর পাকিস্তানের লাহোর, উগান্ডার রাজধানী কাম্পালা, বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা এবং চিলির সান্তিয়াগোসহ অন্যান্য শহরগুলো দূষণের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে।
আইকিউএয়ার-এর মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মানকে ‘অনেক ভালো’ হিসেবে ধরা হয়। ৫১ থেকে ১০০ স্কোর হলে বায়ুর মান ‘মাঝারি বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচিত হয়। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত হয়। অন্যদিকে, ১৫১ থেকে ২০০ স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য হয়। ২০১ থেকে ৩০০ স্কোর হলে তা ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এছাড়াও, স্কোর ৩০১-এর বেশি হলে সেটি ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বব্যাপী জলাবায়ু পরিবর্তন এবং উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের কারণে বায়ুদূষণের মাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে, আজ (মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট) বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা বায়ুদূষণের তালিকায় ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে।
ঢাকার বায়ুমান স্কোর ১২২। সকালে বৃষ্টির পর বাতাসের এই অবস্থাকে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এ তথ্য সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে প্রাপ্ত হয়েছে।
আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স অনুযায়ী, বিশ্বে বায়ুদূষণের শীর্ষে রয়েছে মালয়েশিয়ার শহর কুচিং, যার স্কোর ১৮৮। এটি ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মালয়েশিয়ার আরেক শহর কুয়ালালামপুর, যার স্কোর ১৭৬। তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা, যার স্কোর ১৬৩।
এরপর পাকিস্তানের লাহোর, উগান্ডার রাজধানী কাম্পালা, বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা এবং চিলির সান্তিয়াগোর মতো শহরগুলো দূষণের দিক থেকে উপরের দিকে অবস্থান করছে।
আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ হিসেবে ধরা হয়। ৫১ থেকে ১০০ স্কোর হলে বায়ুর মান ‘মাঝারি বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচিত হয়। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরকে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। অন্যদিকে, ১৫১ থেকে ২০০ স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে তা ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে মনে করা হয়।
এছাড়া, স্কোর ৩০১-এর বেশি হলে সেটিকে ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার পাশের অতিরিক্ত মাটি ও ময়লা-আবর্জনা আধুনিক মেশিনের সাহায্যে পরিষ্কার করার কাজ শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিনের জমে থাকা এই বর্জ্য অপসারণের ফলে রাস্তাটি দৃশ্যমানভাবে প্রশস্ত হয়েছে, যা জনসাধারণের চলাচলের জন্য অত্যন্ত উপযোগী এবং নিরাপদ বলে মনে করা হচ্ছে।
দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার দুই পাশে মাটি ও ময়লার স্তূপ থাকায় মূল পিচ ঢালাই করা অংশ সংকুচিত হয়ে পড়েছিল। এর ফলে যানবাহন এবং পথচারীদের চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটত। বিশেষ করে রাতের বেলা বা বৃষ্টির সময় বড় ধরণের দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকত। এই সমস্যা সমাধানে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে মেশিনের সাহায্যে রাস্তার পাশের অতিরিক্ত মাটি ও ময়লা সরিয়ে ফেলা হচ্ছে।
এলাকাবাসী এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, “রাস্তার ধারের এই ময়লার স্তূপের কারণে রাস্তাটি সরু মনে হতো। অনেক সময় পাশ কাটানোর জায়গা পাওয়া যেত না। এখন মেশিন দিয়ে এই জায়গা পরিষ্কার করার পর রাস্তাটি বেশ প্রশস্ত মনে হচ্ছে। আমরা অনেক স্বস্তিতে চলাচল করতে পারব। এতে আশা করি দুর্ঘটনাও অনেক কমে যাবে।”
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই পরিচ্ছন্নতা অভিযানের ফলে রাস্তাটির ব্যবহারযোগ্যতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এটি যানবাহন চলাচলের জন্য আরও নিরাপদ হয়েছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলোতেও এই ধরণের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ