ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিএনপি ন্যায়বিচারের দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করছে: স্পিকার মেজর হাফিজ


বিএনপি ন্যায়বিচারের দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করছে: স্পিকার মেজর হাফিজ

জাতীয় সংসদের স্পিকার ও ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম মন্তব্য করেছেন যে, বিএনপি ন্যায়বিচারের একটি দৃষ্টান্ত প্রতিষ্ঠা করছে। তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপি সরকারের সময় অন্যায় করলে এমপিত্ব চলে যায়। অন্যায়কারীদের প্রতি কোনো ছাড় দেয়া হয় না। অপরদিকে, আওয়ামী লীগ বিনা ভোটে নির্বাচিত হয়েছে। হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে, বড় বড় মাস্তানরা ভারতে পালিয়েছে। "আল্লাহ ছাড় দেন ছেড়ে দেন না।" তাদের দুর্নীতির বিচার দুদুকের মাধ্যমে হবে বলেও তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের ১৬ বছরের শাসনে শেখ হাসিনা ও তার সন্ত্রাসী এমপিরা দেশে এত লুটপাট করেছে যা পৃথিবীর কোথাও দেখা যায়নি। তারা (আওয়ামী লীগ) চুরি ও লুটপাট করে বিদেশে টাকা পাচার করে নিয়ে গেছে। সেই টাকা দিয়ে ভারতসহ বিভিন্ন দেশে প্রাসাদ নির্মাণ করেছে। এই লুটপাটের নজির আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কেউ সৃষ্টি করতে পারেনি। বিশ্বের ইতিহাসে এত বড় চোরের দল মানুষ কখনো দেখেনি। দেশের সম্পদ ও টাকা লুটপাট করে তারা বিদেশে বসে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। তারা এখন চেষ্টা করছে কিভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করা যায়।

স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে ভোলার লালমোহন উপজেলা মাল্টিপারপাস হলরুমে লালমোহন উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং সকল অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত গণসংবর্ধনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: কাঁঠালিয়ায় ৫০ চুল্লিতে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি, জনস্বাস্থ্যে ঝুঁকি

আইপিইউ এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার প্রসঙ্গে তিনি জানান, তানজানিয়ায় ১৬৭টি দেশের সংসদ সদস্যদের নিয়ে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্বকে ছয়টি ভৌগোলিক অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। বাংলাদেশ এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। "আমাকে অঞ্চলের চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়েছে। এর আগে বাংলাদেশ থেকে কেউ এ পদে নির্বাচিত হননি। এই সম্মান আমার একার নয়, এটি সবার সম্মান।" এর মাধ্যমে বাংলাদেশের ভাবমর্যাদা বিশ্বে উজ্জ্বল হয়েছে।

মেজর হাফিজ আরো বলেন, দেশে আওয়ামী লীগের ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হতে দেয়া হবে না। বিএনপি ন্যায়বিচারের দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করছে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেছে মাত্র আট মাস। এর মধ্যে ক্ষমতাসীন দলের একজন নারী সংসদ সদস্যকে দখলবাজির অভিযোগের কারণে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছে। অস্ত্র হাতে দেখা যাওয়ায় একজন প্রতিমন্ত্রীকেও পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। "এটা শুধুমাত্র এদেশে বিএনপি সরকারই করেছে। অন্য কোনো সরকারের এমন নজির দেশে নেই।" অন্যায় করলে মন্ত্রিত্ব এমপিত্ব চলে যায়। বিএনপি কাউকে ছাড় দেয় না।

তিনি বলেন, তারা (আওয়ামী লীগ) চুরি ও লুটপাট করে সম্পদ নিয়ে গেছে। টাকা দিয়ে আইন-আদালত কিনে ফেলেছিল। বিএনপি জিয়াউর রহমান দল সরকারে থাকলে দেশে ন্যায় বিচার কায়েম থাকে। বিএনপি সরকার ন্যায়বিচারের দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করতে চায় বলেও জানান তিনি।

হিন্দু সম্প্রদায়ের দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদযাপনের বিষয়ে তিনি বলেন, ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। অতীতে এত আনন্দ উৎসবের মাঝে কখনো পূজামণ্ডপে পূজা উদযাপিত হয়নি। হিন্দু সম্প্রদায় যাকে নির্ভিগ্নে তাদের ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারে, সে জন্য সরকার প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের লড়াই বদলে দিচ্ছে সুপ্রিম কোর্ট

বিগত সরকারের সময়ে অন্ধকার যুগের কথা চিন্তা করতে বলেন। তাদের মত কাজ করবেন না। "আল্লাহ আছেন তিনি সব দেখেন।" পরকালের চিন্তা করে চলবেন। মাদকের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স। সৎ লোকের শাসন কায়েম করতে চাই। বিএনপি জিয়াউর রহমানের দল। সততার দল।

লালমোহন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো: জাফর ইকবালের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল পাঞ্চায়েতের সঞ্চালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সিফান বিন সাদেক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সত্যজিৎ কুমার ঘোষ, লালমোহন পৌরসভা বিএনপির সভাপতি ছাদেক মিয়া জান্টু, সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাবুল পাটোয়ারী, পৌরসভা বিএনপির নেতা জাকির ইমরান, যুবদলের সভাপতি শাহিনুল ইসলাম কবির হাওলাদার, লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: নজরুল ইসলামসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ লালমোহন উপজেলার ১৫০ জন অসহায় মানুষের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করেন।

আরও পড়ুন: নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে আইন প্রয়োগের দাবি জানালো নিসচার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নগদ লেনদেনে ব্যয় ডিজিটালের চেয়ে ২৮ গুণ বেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:০৬ পি.এম


নগদ লেনদেনে ব্যয় ডিজিটালের চেয়ে ২৮ গুণ বেশি

নগদ অর্থের পরিবর্তে ডিজিটাল লেনদেন বৃদ্ধি পেলে দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য ব্যয় সাশ্রয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি গবেষণায় প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, নগদ লেনদেনের ব্যয় ডিজিটাল লেনদেনের তুলনায় প্রায় ২৮ গুণ বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘দ্য কস্ট অব ক্যাশ স্টাডি ইন বাংলাদেশ : আ কম্পারেটিভ অ্যানালাইসিস অব ক্যাশ অ্যান্ড ডিজিটাল পেমেন্ট’ শীর্ষক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, ২০২৩ সালে দেশে নগদ লেনদেনের বার্ষিক ব্যয় ছিল প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা, যা ওই বছরের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩ দশমিক ২৪ শতাংশ।

অন্যদিকে, ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থার বার্ষিক ব্যয় ছিল ৫ হাজার ৯৬৪ কোটি টাকা, যা জিডিপির মাত্র শূন্য দশমিক ১১ শতাংশ।

গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, মাথাপিছু হিসেবে বছরে নগদ লেনদেনের ব্যয় ৯ হাজার ৯৩৮ টাকা। বিপরীতে, ডিজিটাল লেনদেনে এ ব্যয় মাত্র ৩৪৮ টাকা। এই বিশাল ব্যবধান নগদ অর্থের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ডিজিটাল লেনদেনের সম্ভাবনাকে স্পষ্ট করে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম মন্তব্য করেন, নগদ অর্থ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে উল্লেখযোগ্য ব্যয় জড়িত। ব্যাংক নোট ছাপানোর জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমদানি থেকে শুরু করে নোট ছাপানো, পরিবহন ও বাজারে এর প্রচলন বজায় রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংককে নানা ধরনের ব্যয় বহন করতে হয়।

তিনি আরও বলেন, নিয়মিত ব্যবহারের ফলে ব্যাংক নোট পুরনো, ক্ষতিগ্রস্ত ও ছেঁড়া হয়ে যায়। সেগুলোর পরিবর্তে নতুন নোট ছাপাতে হয়, ফলে অর্থনীতিতে এ-সংক্রান্ত ব্যয় বারবার তৈরি হয়।

সিরাজুল ইসলাম বলেন, ডিজিটাল লেনদেনের ব্যবহার বৃদ্ধি পেলে এসব ব্যয় কমানো সম্ভব হবে। পাশাপাশি লেনদেনের রেকর্ড সংরক্ষিত থাকায় দুর্নীতি, চুরি ও অর্থের অপব্যবহার কমাতেও তা সহায়তা করতে পারে।

গবেষণায় দেখা গেছে, নগদ লেনদেনের কারণে ব্যাংকগুলোকে বছরে প্রায় ৩৬ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ব্যয় করতে হয়, যা জিডিপির শূন্য দশমিক ৭০ শতাংশ। অন্যদিকে, ভোক্তাদের এ-সংক্রান্ত বার্ষিক ব্যয় ২৮ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির শূন্য দশমিক ৫৩ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব নগদ ব্যবস্থাপনা ব্যয় বছরে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা।

নগদ অর্থ ব্যবস্থাপনার এসব ব্যয়ের মধ্যে রয়েছে মুদ্রা ছাপানো ও বিতরণ, অর্থ পরিবহন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ব্যাংকের শাখা ও এটিএম বুথ পরিচালনা এবং টাকা তোলা, বহন ও ব্যবহারে মানুষের ব্যয় করা সময়ের মূল্য।

গবেষণায় ছায়া অর্থনীতির কারণে সরকারের রাজস্ব হারানোর বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ছায়া অর্থনীতির কারণে বছরে সম্ভাব্য রাজস্ব ক্ষতির পরিমাণ ৯৩ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। এটি জিডিপির ১ দশমিক ৭৭ শতাংশ এবং নগদ লেনদেনের মোট প্রাক্কলিত ব্যয়ের ৫৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

রাজস্ব হারানোর এ ব্যয় হিসাবের বাইরে রাখলেও নগদ লেনদেনের ব্যয় ডিজিটাল লেনদেনের তুলনায় প্রায় ১২ গুণ বেশি বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।

নগদ লেনদেনের তুলনায় ডিজিটাল লেনদেনের ব্যয় অনেক কম হলেও এ ব্যবস্থার আর্থিক ও পরিচালনাগত কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে বলে গবেষণায় উঠে এসেছে। গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থায় বছরে আনুমানিক ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা আয় হয়। বিপরীতে, এ ব্যবস্থার পরিচালন ব্যয় প্রায় ৫ হাজার ৯৬৪ কোটি টাকা। ফলে আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ঘাটতি রয়েছে প্রায় ৩ হাজার ৬৬৪ কোটি টাকা।

ডিজিটাল লেনদেনের বিস্তারে প্রধান বাধাগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নেওয়া বেশি মাশুল, লেনদেনের অর্থ নিষ্পত্তিতে বিলম্ব, বিভিন্ন পেমেন্ট ব্যবস্থার মধ্যে আন্তসংযোগের সীমাবদ্ধতা এবং ইন্টারনেট সংযোগের অনির্ভরযোগ্যতা।

এ ছাড়া প্রতারণা, লেনদেন ব্যর্থ হওয়া, ভুল হিসাবে টাকা চলে যাওয়া এবং ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারে সীমিত দক্ষতার কারণে অনেক গ্রাহক ও ব্যবসায়ী ইলেকট্রনিক লেনদেনে আগ্রহী হচ্ছেন না।

নগদ ও ডিজিটাল লেনদেনের ব্যয় এবং সংশ্লিষ্ট চ্যালেঞ্জ মূল্যায়নে ডেস্কভিত্তিক গবেষণা, পেমেন্ট ব্যবস্থার তথ্য ও নীতিমালা পর্যালোচনা, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে ২১টি সাক্ষাৎকার এবং পাঁচটি দলভিত্তিক আলোচনা পরিচালনা করা হয়েছে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, মোবাইল আর্থিক সেবা ও ইলেকট্রনিক অর্থ স্থানান্তরের প্রসার ঘটলেও দেশের লেনদেন ব্যবস্থায় নগদ অর্থের আধিপত্য এখনো রয়েছে। বিভিন্ন ধরনের লেনদেনের মোট সংখ্যার ৮০ শতাংশের বেশি এখনো নগদে সম্পন্ন হয়।

গবেষণায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ডিজিটাল লেনদেন ব্যবহারের ক্ষেত্রে খরচের সংবেদনশীলতার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। তাদের মুনাফার পরিমাণ এমনিতেই কম। এর মধ্যে ডিজিটাল লেনদেনের অতিরিক্ত মাশুল মুনাফা আরো কমিয়ে দিতে পারে। পাশাপাশি লেনদেনের পদ্ধতি, অর্থ নিষ্পত্তিতে কত সময় লাগবে এবং কী পরিমাণ খরচ হবে, সে বিষয়ে ব্যবসায়ীদের কাছে স্পষ্ট তথ্য থাকা জরুরি।

ভোক্তাদের জন্য ডিজিটাল লেনদেন সময় ও শ্রম সাশ্রয়ের পাশাপাশি লেনদেনের তথ্য সংরক্ষণের সুবিধা দেয়। তবে এ ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা বাড়াতে নির্ভরযোগ্য সেবা, সহজে অভিযোগ জানানোর ও নিষ্পত্তির ব্যবস্থা এবং প্রতারণা থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, ডিজিটাল লেনদেন সম্প্রসারণের জন্য শুধু প্রযুক্তিগত অবকাঠামো গড়ে তুললেই হবে না। সাশ্রয়ী সেবা, নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট সংযোগ, সহজে ব্যবহারযোগ্য ব্যবস্থা এবং জনসচেতনতা বাড়ানোও জরুরি। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে নগদ অর্থের ওপর নির্ভরতা কমাতে উৎসাহিত করা সম্ভব।

এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক আন্তসংযোগযোগ্য ডিজিটাল লেনদেন উৎসাহিত করতে জাতীয় মানদণ্ড হিসেবে ‘বাংলা কিউআর’ চালু করেছে। ব্যবসায়ীদের কাছে এ ব্যবস্থাকে আরো আকর্ষণীয় করতে ২০২৬ সালের ১ অক্টোবর থেকে বাংলা কিউআর লেনদেনে ইন্টারচেঞ্জ রিইম্বার্সমেন্ট ফি শূন্য শতাংশ নির্ধারণ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এ উদ্যোগের লক্ষ্য কিউআর কোডভিত্তিক লেনদেনের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানো এবং ডিজিটাল লেনদেনের পথে বাধা কমানো। তবে এ উদ্যোগ কতটা কার্যকর হবে, তা নির্ভর করবে ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের কাছে ব্যবস্থাটি কতটা সাশ্রয়ী, সুবিধাজনক ও নির্ভরযোগ্য হয়ে ওঠে তার ওপর।

গবেষণার ফলাফল বলছে, নগদ অর্থের ওপর নির্ভরতা কমানো গেলে দেশের অর্থনীতির বিভিন্ন পর্যায়ে লেনদেনের ব্যয় কমানো সম্ভব। ডিজিটাল লেনদেনের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক রেকর্ড সংরক্ষিত হয়, যা আর্থিক স্বচ্ছতা বাড়াতে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর কর্তৃপক্ষের নজরদারি আরও কার্যকর করতে সহায়তা করতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, ডিজিটাল লেনদেনের ব্যবহার বাড়লে ব্যাংক নোট ছাপানো, পরিবহন, পরিবর্তন ও ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত পুনরাবৃত্ত ব্যয় কমানো সম্ভব হবে।

তবে নগদনির্ভরতা থেকে ডিজিটাল লেনদেনে রূপান্তরের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক, বাণিজ্যিক ব্যাংক, পেমেন্ট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে গ্রাহক সুরক্ষা জোরদার করা, বিভিন্ন পেমেন্ট ব্যবস্থার মধ্যে আন্তসংযোগ বাড়ানো, অর্থ নিষ্পত্তিতে বিলম্ব দূর করা এবং ডিজিটাল লেনদেন সম্পর্কে মানুষের দক্ষতা ও সচেতনতা বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ।

গবেষণায় ডিজিটাল লেনদেনের অবকাঠামো সম্প্রসারণের পাশাপাশি এ ব্যবস্থার ব্যবহার বাড়ানোর ক্ষেত্রে বিদ্যমান বাস্তব সমস্যাগুলো সমাধানের সুপারিশ করা হয়েছে।

গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, ডিজিটাল লেনদেন সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য ব্যয় সাশ্রয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ সম্ভাবনার পূর্ণ সুফল পেতে হলে আয়ের স্তর ও ব্যবসার ধরন নির্বিশেষে সবার জন্য ডিজিটাল লেনদেনকে সহজলভ্য, সাশ্রয়ী ও নির্ভরযোগ্য করে তুলতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শাবিপ্রবিতে নতুন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ও প্রধান প্রকৌশলী নিয়োগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:০৭ পি.এম


শাবিপ্রবিতে নতুন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ও প্রধান প্রকৌশলী নিয়োগ

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) প্রশাসন চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর রেজিস্ট্রার ও প্রধান প্রকৌশলীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নতুন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪৩তম সিন্ডিকেট সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক মস্তাবুর রহমান।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার হিসেবে অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার কালাম আহমদ চৌধুরী এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে সিভিল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং (সিইই) বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. শাহিদুর রহমানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

রেজিস্ট্রার দপ্তর সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার সৈয়দ ছলিম মোহাম্মদ আবদুল কাদিরকে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এবং প্রকৌশল দপ্তরের কর্মকর্তা জয়নাল ইসলাম চৌধুরীকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়।

পরবর্তীতে ২০২৫ সালের মে মাসে তাঁদের সহায়ী করা হয় নিজ পদে। চাকরির মেয়াদকাল পূর্ণ হওয়ায় যথাক্রমে ২০২৫ সালের ১৮ নভেম্বর সৈয়দ ছলিম মোহাম্মদ আবদুল কাদিরকে এবং ৩১ ডিসেম্বর জয়নাল ইসলাম চৌধুরীকে পরবর্তী দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছিল তৎকালীন প্রশাসন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. খায়রুল ইসলাম মন্তব্য করেন, “সিন্ডিকেটের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ে চুক্তিভিত্তিক বহাল থাকা সকল নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় রেজিস্ট্রার ও প্রধান প্রকৌশলীর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগও বাতিল করা হয়েছে।”

অন্যদিকে, সদ্য বিদায়ী রেজিস্ট্রার সৈয়দ ছলিম মোহাম্মদ আবদুল কাদির অব্যাহতির বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। নতুন ও সদ্য বিদায়ী কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশি নারী ও পুরুষ কাবাডি দলকে ভারতের হাইকমিশনারের শুভকামনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:০৭ পি.এম


বাংলাদেশি নারী ও পুরুষ কাবাডি দলকে ভারতের হাইকমিশনারের শুভকামনা

ভারতের আহমেদাবাদে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ‘কমনওয়েলথ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬’-এ অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশি পুরুষ ও নারী কাবাডি দলের সদস্যদের আতিথেয়তা প্রদান করেছে ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশন।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) ভারতীয় হাইকমিশনের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বার্তায় এই তথ্য জানানো হয়।

বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আসন্ন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ দলের সাফল্য কামনা করে বিশেষ শুভকামনা জানান।

এ সময় তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এ জাতীয় আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আসরে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ দুই প্রতিবেশী দেশ ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার বিদ্যমান ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরো সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কোনো ইংলিশকেই ইংল্যান্ডের কোচ হওয়া উচিত: স্টিফেন ফ্লেমিং

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:০৮ পি.এম


কোনো ইংলিশকেই ইংল্যান্ডের কোচ হওয়া উচিত: স্টিফেন ফ্লেমিং

নিউজিল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার স্টিফেন ফ্লেমিং বিশ্বাস করেন যে, ইংল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দলের কোচ হওয়া উচিত মূলত ইংল্যান্ডের একজন। তিনি এই মন্তব্যটি ইংল্যান্ডের নতুন টেস্ট কোচ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর করেছেন।

ফ্লেমিং ডিসেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের মাধ্যমে ইংল্যান্ডের প্রধান কোচ হিসেবে তার প্রথম সিরিজ শুরু করবেন।

১৯৯৯ সালের পর থেকে ইংল্যান্ডের টেস্ট দলের প্রধান কোচের দায়িত্বে মাত্র দুজন ইংলিশ কোচ ছিলেন, তারা হলেন পিটার মুরস (দুই দফায়) এবং ক্রিস সিলভারউড। এই সময়ে অ্যাশলে জাইলস সাদা বলের ক্রিকেটে দলের কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন।

অন্যদিকে, একই সময়ে জিম্বাবুয়ের ডানকান ফ্লেচার ও অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার এবং অস্ট্রেলিয়ার ট্রেভর বেলিসও ইংল্যান্ডের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ফ্লেমিং দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তার স্বদেশি ব্রেন্ডন ম্যাককালামের কাছ থেকে। ম্যাককালাম বর্তমানে ইংল্যান্ডের সাদা বলের দলের প্রধান কোচ হিসেবে কাজ করছেন। অস্ট্রেলিয়ার ম্যাথু মটও এক সময় ইংল্যান্ডের সাদা বলের দলের কোচ ছিলেন।

গত সপ্তাহে ফ্লেমিংয়ের কোচিং স্টাফে ইংল্যান্ডের স্থানীয় কোচদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।

ইংল্যান্ডের সাবেক ওপেনার মার্কাস ট্রেসকোথিক তার সঙ্গে কাজ করবেন। চলতি বছরের শুরুতে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন টেস্ট কোচের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এছাড়া সাবেক ইংলিশ উইকেটরক্ষক জেমস ফস্টার ও সাবেক স্পিনার রিচার্ড ডওসনও কোচিং স্টাফে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

অ্যাশেজজয়ী জোনাথন ট্রট শিগগিরই ইংল্যান্ড লায়ন্সের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন। ফ্লেমিং নিয়োগ পাওয়ার আগে ট্রট ও ডওসন দুজনই ইংল্যান্ডের টেস্ট দলের কোচ হওয়ার দৌড়ে ছিলেন।

বিবিসি রেডিও ফাইভ লাইভকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিউজিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ফ্লেমিং জানান, ইংলিশ কোচদের বিকাশে সহায়তা করা তার দায়িত্ব পালনের অন্যতম অগ্রাধিকার হবে।

তিনি বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, জাতীয় দলের কোচ মূলত সেই দেশেরই হওয়া উচিত, যার প্রতিনিধিত্ব দলটি করে। এই সুযোগ পেয়ে আমি কৃতজ্ঞ। তবে কোচিংয়ের ক্ষেত্রে কিছু উন্নয়নমূলক কাজ হবে, যা আমাদের কোচিং স্টাফের দিকে তাকালেই বোঝা যায়।”

ইংল্যান্ড জাতীয় দলের টেস্ট ও সাদা বলের ক্রিকেটে ফ্লেমিং ও ম্যাককালাম প্রধান কোচের দায়িত্বে থাকলেও দলটির নির্বাচক মার্কাস নর্থ অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক।

গত সেপ্টেম্বরে ঘোষণা করা হয়, অস্ট্রেলিয়ার আরেক সাবেক ক্রিকেটার লিয়া পল্টন ইংল্যান্ড নারী দলের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব নেবেন। ২০২০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ড নারী দলের প্রধান কোচ ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার লিসা কাইটলি।

নিজের কোচিং স্টাফের সদস্যদের উন্নয়নের পাশাপাশি কাউন্টি দলের কোচ ও ইংল্যান্ডের সাবেক ক্রিকেটারদেরও মাঝে মাঝে কোচিং কার্যক্রমে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে ফ্লেমিংয়ের।

তিনি বলেন, “কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি আবারও এই ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, যা আমাকে আনন্দিত করেছে। তাদের সঙ্গে কাজ করার জন্য আমি মুখিয়ে আছি। একই সঙ্গে কাউন্টি দলের কোচদেরও নির্দিষ্ট সময়ে যুক্ত করা হবে। সাবেক খেলোয়াড়দেরও আবার ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এটি এমন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ ব্যবস্থা, যেখানে আশপাশে থাকা দক্ষ ব্যক্তিদের কাজে লাগানোর পাশাপাশি কাউন্টি ক্রিকেট ও ইংলিশ ক্রিকেটের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

টেস্ট দলের কোচ হিসেবে ম্যাককালামের চার বছরের মেয়াদে কাউন্টি ক্রিকেটের সঙ্গে তার পর্যাপ্ত যোগাযোগ না থাকার জন্য সমালোচনা হয়েছিল।

গত সেপ্টেম্বরে কয়েকটি কাউন্টি ক্লাব পরিদর্শন করেন ফ্লেমিং। ইংল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেটের প্রতি নিজের ভালো লাগার কথাও জানান তিনি। খেলোয়াড়ি জীবনে নটিংহ্যামশায়ার, ইয়র্কশায়ার ও মিডলসেক্সের হয়ে খেলেছেন সাবেক এই ব্যাটার।

আগামী গ্রীষ্মে ঘরের মাঠে অ্যাশেজ সিরিজের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কাউন্টি ক্রিকেটের কিছু ম্যাচ দেখার পরিকল্পনার কথাও নিশ্চিত করেছেন তিনি।

ফ্লেমিং বলেন, “হ্যাঁ, আমি সেখানে থাকব। এ বছর সবার সঙ্গে দেখা করতে পেরে খুব ভালো লেগেছে। যাদের সঙ্গে একসময় খেলেছি, তাদের অনেকেই এখন কাউন্টি ক্লাবের কোচ কিংবা গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন। তাঁদের সঙ্গে দেখা করে কাউন্টি ক্রিকেটের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া ভালো অভিজ্ঞতা ছিল। আমি সত্যিই উপভোগ করেছি। খেলোয়াড়দের উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

জুলাইয়ে ফ্লেমিংকে ইংল্যান্ডের কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলেও আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে তিনি দায়িত্ব পালন করেননি। ফলে ডিসেম্বরে শুরু হতে যাওয়া দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের তিন ম্যাচের সিরিজই হবে প্রধান কোচ হিসেবে তাঁর প্রথম দায়িত্ব।

ওই সিরিজের জন্য ইংল্যান্ডের দল নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ঘোষণা করার কথা রয়েছে।

পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজের কোনোটিতেই বিশেষজ্ঞ স্পিনার খেলায়নি ইংল্যান্ড। তার পরিবর্তে চারজন মূল পেসার নিয়ে মাঠে নেমেছিল।

এদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চলমান টেস্টে সফরকারী দলটি অফস্পিনার ন্যাথান লায়নকে একাদশের বাইরে রেখেছে। অথচ টেস্ট ক্রিকেটের সর্বকালের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারিদের তালিকায় ৫৭৩ উইকেট নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছেন তিনি।

গত সপ্তাহে ইংল্যান্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা খেলোয়াড়দের তালিকায় একমাত্র বিশেষজ্ঞ লাল বলের স্পিনার হিসেবে জায়গা পেয়েছেন শোয়েব বশির। অন্যদিকে ম্যাসন ক্রেন ও লিয়াম প্যাটারসন-হোয়াইট উন্নয়নমূলক চুক্তি পেয়েছেন।

দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের পর আগামী ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে স্পিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

বশিরের চুক্তি পাওয়ার অর্থ তিনিই ইংল্যান্ডের এক নম্বর স্পিনার কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ফ্লেমিং বলেন, ডার্বিশায়ারের এই স্পিনার দলে ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রতিনিধিত্ব করছেন।

ফ্লেমিং বলেন, “আমি স্বীকার করছি, তার ঠিক পরেই আরও বেশ কয়েকজন স্পিনার রয়েছেন, যারা বিভিন্ন সময়ে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিচ্ছেন। এখানে অনেক স্পিনার রয়েছেন, যারা সুযোগের অপেক্ষায় আছেন। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো কন্ডিশনে, দু-তিনজন স্পিনারকে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে। পরিস্থিতি অনুযায়ী দলটি বেশ ভিন্ন রকম হতে পারে। এটাই নির্দিষ্ট কন্ডিশনের জন্য উপযুক্ত খেলোয়াড় বেছে নেওয়ার উদাহরণ। তবে বশিরের অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং সে এখনো অনেক তরুণ। স্পিন বিভাগে সঠিক সমন্বয় খুঁজে বের করার জন্য আমাদের আরও পর্যবেক্ষণ ও উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে।

সূত্র: বাসস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%