ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হজের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার উপায় ও গুরুত্ব


হজের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার উপায় ও গুরুত্ব

হজ একটি প্রেমময় ইবাদত। হজের মাধ্যমে বান্দার সঙ্গে রবের সেতুবন্ধন গড়ে ওঠে। আরবি ভাষায় হজ শব্দটির অর্থ হলো- ইচ্ছা করা, সফর করা, ভ্রমণ করা। ইসলামি পরিভাষায় হজ হলো নির্দিষ্ট সময়ে নির্ধারিত স্থানে বিশেষ কিছু কাজ সম্পাদন করা। সংক্ষেপে, ঋণমুক্ত ও শারীরিকভাবে আর্থিকভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের জন্য হজ ফরজ। পরিবারের আবশ্যকীয় খরচ বাদে, মক্কা শরীফ থেকে হজ করে ফিরে আসা পর্যন্ত যাতায়াতের মোটামুটি খরচ যার কাছে থাকে, তার ওপর হজ ফরজ। এই ফরজ কাজ সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি আগে থেকেই সম্পন্ন করা আবশ্যক। প্রত্যেক সক্ষম মুসলমান নর-নারীর জন্য একবার হলেও হজ সম্পাদন করা অপরিহার্য। হজযাত্রীদের উচিত আগেভাগে প্রস্তুতি গ্রহণ করা।

নিয়তের শুদ্ধতা

প্রতিটি কাজের জন্য নিয়ত আবশ্যক। যে কোনো ধরনের আমল কবুল হওয়ার প্রথম শর্ত হলো নিয়তের শুদ্ধতা। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "নিশ্চয় নিয়তের ওপর আমল নির্ভরশীল।" (সহিহ বুখারি, হাদিস : ০১)

আরও পড়ুন: শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমী আজ, চলছে পূজা ও প্রসাদ বিতরণ

পার্থিব যশখ্যাতির মোহে না পড়ে, একমাত্র মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হজের নিয়ত করা উচিত। হজকে পার্থিব যেকোনও ধরনের খ্যাতির বাইরে রাখতে হবে। অন্যথায় তা রিয়া বা লোক দেখানো আমল হিসেবে গণ্য হবে। হাদিসে রিয়াকে ছোট শিরক বলা হয়েছে। ছোট শিরক বুকে ধারণ করে হজ করলে হজ কবুল না হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেও এমন হজ থেকে আল্লাহর কাছে পানাহ চেয়েছেন। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে বলেছেন, "হে আল্লাহ! এমন হজের তওফিক দাও, যা হবে রিয়া ও সুনাম কুড়ানোর মানসিকতা হতে মুক্ত।" (ইবনে মাজাহ : হাদিস ৮৯০)

হজ যাত্রার প্রস্তুতি নেয়া

আপনার হজের গন্তব্যানুসারে যাত্রার প্রস্তুতি গ্রহণ করুন। পাসপোর্ট হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তাই আপনার পাসপোর্টের ফটোকপি নোটারি করে নিন এবং বিমানের টিকেট ও মেডিকেল সার্টিফিকেটের ফটোকপি তৈরি করুন। বাসায়ও এর কপি রেখে দিন। অতিরিক্ত ১০ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি ও ১০ কপি স্ট্যাম্প সাইজের রঙ্গিন ছবি সঙ্গে নিন। মজবুত চাকাওয়ালা মাঝারি বা বড় আকারের ১টি ব্যাগ/লাগেজ সঙ্গে রাখুন। মূল্যবান জিনিসপত্র (টাকা, টিকেট, পাসপোর্ট ইত্যাদি) রাখার জন্য ১টি কোমর/কাঁধ/সৈনিক ব্যাগ নিন। দুই জোড়া করে চশমা ও কোমল স্লিপার সেন্ডেল এবং এগুলো রাখার জন্য ছোট পাতলা কাপড়ের একটি ব্যাগ রাখুন। রোদ থেকে বাঁচার জন্য ছোট সাদা বা বিশেষ রঙের ছাতা অথবা ক্যাপ রাখতে পারেন। সব ধরনের খরচ ও হজ প্যাকেজ সম্পর্কে ধারণা রাখা প্রয়োজন।

হজযাত্রায় প্রয়োজনে একাধিক সামগ্রী রাখতে পারেন। যেন হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হলে সহজে পাওয়া যায়। হজসামগ্রীর মধ্যে রয়েছে, পুরুষের ইহরামের কাপড়; কমপক্ষে দুই সেট (গায়ের জন্য আড়াই হাত বহরের তিন গজ ও শরীরের নিচে পরার জন্য একই বহরের আড়াই গজ)। ইহরামের কাপড় সাদা ও সুতি হলে আরামদায়ক হবে।

আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইসলামী আলেম প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ, ফ্যাসিবাদী শাসনের স্মৃতি স্মরণ

নারীদের ইহরামের কাপড় তাদের স্বাভাবিক পোশাক-পরিধেয়ই। ইহরাম বাঁধার টাওয়াল সেট, এহরাম বাঁধার বেল্ট, মানিব্যাগ, পাসপোর্ট ব্যাগ, জুতা রাখার ব্যাগ, পাথর রাখার ব্যাগ, প্লাস্টিক জায়নামাজ, নখকাটার কাটার বক্স, কাঁধের ব্যাগ, নারীদের হিজাব, নারীদের চুল বাঁধার টুপি, হাত মোজা ও পা মোজা, হাওয়ার বালিশ, বোডিং হোল্ডার, সানক্যাপ, চামড়ার মোজা, তায়াম্মুমের মাটি, মিসওয়াক, ছাতা, গামছা, লুঙ্গি, গেঞ্জি, পায়জামা, পাঞ্জাবি, টাওয়াল, জুতা, টুপি, তসবি, আতর, বোরকা, সাবান, ব্রাশ-টুথপেস্ট, সুঁই-সুতা, থালা, বাটি, গ্লাস, হজ গাইড ও কোরআন শরিফ অন্তর্ভুক্ত।

ব্যাগ ও জিনিসপত্র গোছানো

নিজের প্রতিটি ব্যাগে ইংরেজিতে নাম, ঠিকানা, পাসপোর্ট নম্বর ও বাংলাদেশের কাছের কারও মোবাইল নম্বর লিখে রাখুন। বড় ব্যাগ তালাবদ্ধ রাখা খুবই জরুরি। তবে ব্যাগ যত ছোট ও হালকা করা যায়, যাত্রা ততই আরামদায়ক হবে। যেসব জিনিসপত্র সঙ্গে নেওয়া হয়েছে, সেগুলোর একটি তালিকা করে রাখলে ভালো হবে।

জরুরি কাগজপত্র ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী

আরও পড়ুন: আল্লাহর নামের মাধ্যমে দোয়া করলে কবুলের আশা

দীর্ঘ হজযাত্রায় কাগজপত্র গুছিয়ে রাখা জরুরি। স্বাস্থ্য পরীক্ষার সনদপত্র, টিকাকার্ড, ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার রসিদ, নারী হজযাত্রীর ক্ষেত্রে শরিয়তসম্মত মাহরামের সঙ্গে সম্পর্কের সনদ ইত্যাদি সঙ্গে রাখা চাই।

সব হজযাত্রীর জন্য বাংলাদেশ থেকে একটি পরিচয়পত্র দেওয়া হয়। এতে পিলগ্রিম নম্বর, নাম, ট্রাভেল এজেন্সির নাম ইত্যাদির তথ্য থাকে। এটা গলায় বা হাতের কাছে রাখুন। একটি কাগজে নিজের নাম, পাসপোর্ট নম্বর, এজেন্সির নাম ও সৌদি আরবে সংশ্লিষ্ট হজ এজেন্সির প্রতিনিধির মোবাইল নম্বর ইংরেজিতে লিখে রাখুন। এ ছাড়া সৌদি আরবে থাকাকালে মোয়াল্লেমের পক্ষ থেকে হজযাত্রীকে পরিচয়পত্রের একটি কার্ড দেয়া হয়। সেই কার্ড ও যে হোটেলে থাকবেন, সেই হোটেলের কার্ড অবশ্যই সঙ্গে রাখুন।

ইহরাম বাঁধা ও মিকাত পেরোনো

ঢাকা থেকে আপনার গন্তব্য মক্কা না মদিনায় তা জেনে নিন। তবে অধিকাংশ হজযাত্রীর গন্তব্য মক্কা হয়ে থাকে। মক্কা হলে বিমানে ওঠার আগে ইহরাম বাঁধা ভালো। কারণ গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই ‘মিকাত’ বা ইহরাম বাঁধার নির্দিষ্ট স্থান। চাইলে বিমানেও বাঁধা যায়। কিন্তু বিমানে পোশাক পরিবর্তন করাটা ঝামেলার। বিনা ইহরামে মিকাত পার হলে এজন্য দম বা কাফফারা দিতে হয় এবং এটি গুনাহের। ইহরামবদ্ধ হওয়ার পর যাবতীয় নিয়ম-কানুন মেনে চলুন। (ইহরামের নিয়ম জানতে হজ গাইড পড়ুন)। যদি কারও গন্তব্য ঢাকা থেকে মদিনা হয়, তাহলে মদিনা থেকে মক্কায় যাওয়ার সময় ইহরাম বাঁধলে চলবে।

আরও পড়ুন: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি প্রকাশ

মোবাইল সিম ও মানচিত্র সংগ্রহ

মক্কা গিয়ে মোবাইলের একটি সিমকার্ড কিনুন। পাসপোর্টের কাগজপত্র দেখিয়ে সিমকার্ড কিনতে পারবেন। এয়ারপোর্টে সৌদির বিভিন্ন কোম্পানি সাময়িক মোবাইল সিমকার্ড দেয়। শুধু আঙুলের ছাপ দিয়ে সিমকার্ডগুলো সংগ্রহ করা যায়।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবপোর্টালে আরাফার ময়দান, মিনা বা মক্কা-মদিনা হজের স্থানগুলোর মানচিত্র দেওয়া আছে। সেখান থেকে মানচিত্র সংগ্রহ করে প্রিন্ট করে নেওয়া যায়। মানচিত্র থাকলে চলতে-ফিরতে সহজ হবে।

হজের যাবতীয় বিধিবিধান জেনে নেয়া

আরও পড়ুন: ইসলামে বিবাহের জন্য হারাম নারীদের তালিকা প্রকাশ

হজে যাওয়ার আগে অবশ্যই হজের যাবতীয় নিয়ম-কানুন জেনে নেওয়া কর্তব্য। হজ করতে ইচ্ছুক এবং প্রথমবারের মতো হজ করতে যাচ্ছেন এমন ব্যক্তির জন্য  অবশ্যই হজের নিয়ম-কানুন সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা রাখা জরুরি।

হজ সফরে কোথায় কখন কী আমল করতে হবে, কোন আমল করা ফরজ, কোন আমল ওয়াজিব, কোন আমল সুন্নত ইত্যাদি সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। একই সঙ্গে হজের তালবিয়াসহ গুরুত্বপূর্ণ দোয়াগুলো মুখস্থ করে নিতে হবে। বিজ্ঞ আলেমদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জরুরি বিষয়গুলো জেনে নেওয়া উচিত। কোথাও হজের প্রশিক্ষণ হলে, সেখানে যোগাযোগ করে হজের বিধিবিধান ভালোভাবে জেনে নেওয়া উচিত। সম্ভব হলে হজ-সংক্রান্ত বই পড়েও জেনে নেওয়া যেতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর মুক্তিযোদ্ধার গেজেটে অন্তর্ভুক্তির জন্য আবেদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ একদিল হোসেন স্টাফ রিপোর্টার

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১০ পি.এম


গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর মুক্তিযোদ্ধার গেজেটে অন্তর্ভুক্তির জন্য আবেদন


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মহোদয়,
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার,
পুরাতন সংসদ ভবন, তেজগাঁও, ঢাকা-১০০০।

বিষয়: মুক্তিযোদ্ধার গেজেটে অন্তর্ভুক্তির জন্য আবেদন।

জনাব,
যথাবিহীত সম্মানপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি নিম্ন স্বাক্ষরকারী মোঃ নাছির মাহমুদ, পিতাঃ- মরহুম ফারুক আহমদ, মাতা ঃ- মরহুমা ফাতেমা বেগম, গ্রামঃ- পদুয়া (আলী সিকদার পাড়া), ওয়ার্ড নং ৪- ০৬, ডাকঘর:-পদুয়া (৪৩৯৭), থানা/উপজেলা:- লোহাগাড়া, জেলাঃ- চট্টগ্রাম, এই মর্মে আমরা বিনীতভাবে আবেদন করিতেছি যে, চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্গত লোহাগাড়া থানার অধীনস্থ পদুয়া আলী সিকদার পাড়া গ্রামের ১৯৭১ ইং সালের মহান ০১ নং সেক্টর স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী আমরা মুক্তিযুদ্ধার সু-সন্তান হই। আমাদের পিতা তৎকালীন মুক্তিযুদ্ধের সময়ে স্থানীয়ভাবে মুক্তিযুদ্ধাদের সাথে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে পদুয়া হানিফার চর, বরতলী হয়ে মুক্তিযুদ্ধের বান্দরবান, সাতকানিয়া, দোহাজারী ও পটিয়া এলাকায় সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তাই আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে আপনার নিকট বিনীতভাবে অনুরোধ করিতেছি যে, আমাদের পিতাকে মুক্তিযোদ্ধার গেজেটে অন্তর্ভুক্তির জন্য

(বিএমপি) আমরা বিগত ১৫/০৯/২০২১ইং তারিখে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলে আবেদন করিয়াছি (যার সিরিয়াল নং- ৩৫৯৭)। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে আমরা এখনো পর্যন্ত সরকারি কোন ধরনের সুযোগ-সুবিধা ও মুক্তিযোদ্ধা ভাতা পাচ্ছি না। গত ১৭/০১/২০২৬ইং আপনার স্বনামধন্য পত্রিকা "দৈনিক দিনকাল এ আপনার নির্দেশে আমাদের পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম ফারুক আহমদ এর নিউজ প্রকাশিত হয়। এছাড়া আরও ১০/১২টি স্বনামধন্য পত্রিকায়ও

কারাগার থেকে মুক্তি লাভের পর আমাদের পিতা বাড়িতে আসিলে আমি একদিন টয়লেটে বেশিক্ষণ সময়ধরে থাকিলে, আমাদের পিতা আমার জন্য উঠানে অপেক্ষা করতে থাকে। আমি টয়লেট থেকে বাহির হওয়ার পর আমাকে আমাদের পিতা বলল, ঐদিন তোমার দাদি কি খাইছিল এইজন্য তোমার পেঠের অসুখ যাচ্ছে না। এরপর ২০/০৪/২০০২ সালে মন্ত্রী নোমান সাহেব আমাদের পিতাকে আনসার কমান্ডার'এর চাকুরী পাওয়ার জন্য সুপারিশ করেন। অত্র চাকুরীতে যোগদান করতে গেলে আনসার জেলা এ্যাডজুট্যাষ্ঠ মহোদয় সার্টিফিকেট দেখাতে বলেন। তখন আমাদের পিতা সার্টিফিকেট বাড়িতে থাকার কারণে বাড়িতে চলে আসে। বাড়িতে এসে আমাদের পিতা দেখে সার্টিফিকেট সবগুলো আছে আতাউল গনি ওসমানী মহোদয়ের দেওয়া সার্টিফিকেটটি নাই। পরে অনেক খুজাখুজির পর ২০২০ সালে ঐ সার্টিফিকেটটি আমাদের ভাঙ্গা বাড়ির ২য় তলায় মাটির নিচে পাওয়া যায়। সেই কারণে সনদটি একটু নষ্ট হয়ে যায়। এরপর ২০০৬ সালে আমাদের পিতা আদালতে মামলার হাজিরা না দেওয়ায় আবারও গ্রেফতার হন। এইসব কথা আমাকে আমাদের এলাকার আমাদের পিতার বন্ধু ও সহকর্মী মরহুম মোঃ শাহজাহান বলেন। সেই থেকে আমি আমাদের পিতার ও পরিবারের ইতিহাস সম্পর্কে অবগত হয়েছি। ০৬/০৫/২০০৮ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমাদের পিতা পরলোকগমন করিয়াছেন। আমাদের পিতার মৃত্যুর সময় আমরা অত্যন্ত ছোট ছিলাম বিদায় পিতার বিস্তারিত বিষয়ে অবগত ছিলাম না। সেই বিষয়ে কাহারো নিকট হইতে জানা-শোনার জ্ঞান তেমন ছিল না উক্ত বিষয় নিয়ে আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে কোন ধরনের স্বীকৃতি পাই নাই বিধায় আপনার বরাবর এই আবেদন পেশ করিতে বাধ্য হলাম।

অতএব, মহোদয় উপরোক্ত বিষয়টি সদয় বিবেচনা করতঃ সরেজমিনে তদন্ত পূর্বক আমাদের পিতাকে মুক্তিযোদ্ধার গেজেট তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করার ব্যবস্থা করিতে মহোদয়ের বিহীত আদেশ হউক।

তারিখ: ১২/০৪/২৬ নিবেদক-
মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের পক্ষে
(মোঃ নাছির মাহমুদ) মোঃ ০১৮১৬-০৩০০০৪, ০১৮৪৩-৩৫৬৯৯৪

সংযুক্তি :-
ক) মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আতাউল গণি ওসমানীর দেওয়া স্বাক্ষরিত সনদ।
(যাহার ক্রমিক নং- ১৩৩৫২৫)
খ) লোহাগাড়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডারের দেওয়া প্রত্যয়ন পত্রের ফটোকপি।
গ) তিনজন সন্তযোদ্ধার প্রত্যয়ন পত্র।
ঘ) স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের দেওয়া প্রত্যয়ন পত্রের ফটোকপি।
ঙ) আনসার ট্রেইনিং সার্টিফিকেটের ফটোকপি। চ) সেনাবাহিনী প্রশিক্ষণ সনদের ফটোকপি।ছ) ইউনিফর্ম বিশিষ্ট ছবি। জ) ১০/১২টি স্বনামধন্য পত্রিকার ফটোকপি। ঝ) ১৯৭৯ সালে উপ-প্রধানমন্ত্রী মহোদয়ের দেওয়া নয়াখাল খনন ও প্রশিক্ষণ সার্টিফিকেটের ফটোকপি।ঞ) ১৯৭৬ সালে আনসার ব্যাটালিয়ান অস্ত্র চালানো প্রতিযোগীতায় ১ম হওয়ার সার্টিফিকেট।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বান্দরবানে কুকুরের কামড়ে ১৭ জন হাসপাতালে ভর্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১০ পি.এম


বান্দরবানে কুকুরের কামড়ে ১৭ জন হাসপাতালে ভর্তি

বান্দরবানে কুকুরের কামড়ে একদিনে শিশুসহ ১৭ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে শহরের বালাঘাটা লেমুঝিরি ও উজানীপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা এবং আহত ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত শহরের বালাঘাটা উজানীপাড়া ও সদর উপজেলার লেমুঝিরি এলাকায় একটি পাগলা কুকুর রাস্তা দিয়ে চলাচলরত পথচারীদের কামড় দেয়। এ সময় কুকুরটিকে ধাওয়া করার চেষ্টা করলে, কুকুরটি একের পর এক পথচারীদের কামড়াতে থাকে। এইভাবে বিভিন্ন পাড়ায় ১৭ জনকে কামড় দিয়ে আহত করে কুকুরটি।

পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বান্দরবান সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাদের এন্টি র‍্যাভিস ভ্যাকসিন ও প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়।

বান্দরবান সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার তৌহিদুল আনোয়ার এ বিষয়ে বলেন, ‘কুকুরের কামড়ে এ পর্যন্ত ১৭ জনকে ভ্যাকসিন দেয়া হয়েছে। ১৬ জন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরে গেছে। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন রয়েছে। কেউ আহত হলে তারা হাসপাতালে ভ্যাকসিন নিতে পারবেন।’

এছাড়া, উল্লেখযোগ্য যে, গত তিন মাসে সদর হাসপাতালে কুকুরের কামড়ে আহত ২৯৫ জনকে এন্টি র‍্যাবিস ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার করতে চায় বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১১ পি.এম


জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার করতে চায় বাংলাদেশ

ঢাকা, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ : জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা এবং টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রে অগ্রগতির উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। আসন্ন কপ-৩১ জলবায়ু সম্মেলনে দুই দেশের অংশগ্রহণের প্রস্তুতির প্রেক্ষাপটে এই গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গতকাল ঢাকায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন। সাক্ষাৎকালে প্রতিমন্ত্রী তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

বৈঠকে রাষ্ট্রদূত আগামী ৯ থেকে ২০ নভেম্বর তুরস্কের আনতালিয়ায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনের (ইউএনএফসিসিসি) ৩১তম সম্মেলন (কপ-৩১) আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

তিনি আগামী ১১ ও ১২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্বনেতাদের সম্মেলনের বিষয়েও উল্লেখ করেন এবং এতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী অংশগ্রহণ করবেন বলে আলোচনা করেন।

শামা ওবায়েদ ইসলাম কপ-৩১ আয়োজনের জন্য তুরস্ককে অভিনন্দন জানান। তিনি রাষ্ট্রদূতকে জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই সম্মেলনে অংশ নেবেন।

সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশ ও তুরস্কের নেতাদের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং টেকসই উন্নয়নে অগ্রগতির জন্য দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে ৫ বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান ববি হাজ্জাজের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১১ পি.এম


প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে ৫ বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান ববি হাজ্জাজের

ঢাকা, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ : প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন এবং কাঙ্ক্ষিত সংস্কার বাস্তবায়নের জন্য কারিকুলাম, শিক্ষক, মনিটরিং, অবকাঠামো ও প্রযুক্তি—এই পাঁচটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

আজ সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবং ইউনিসেফের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘ফ্রম দ্য ফিল্ড টু রিফর্ম: অ্যাডভান্সিং প্রাইমারি এডুকেশন ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক জাতীয় সংলাপ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার প্রতিটি ক্ষেত্র পরস্পরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। একটি ক্ষেত্রকে উপেক্ষা করে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন করা সম্ভব নয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনার আলোকে সরকার প্রতিটি শিশুর শিক্ষার সুযোগ, শিক্ষার মানোন্নয়ন, নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের উপযোগী দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

মাঠপর্যায়ের ৩ হাজারের বেশি অংশীজনের মতামত পর্যালোচনা করার কথা উল্লেখ করে ববি হাজ্জাজ জানান, ২০২৮ সালে নতুন কারিকুলাম চালুর লক্ষ্যে শিখনফলভিত্তিক ও শিশুবান্ধব শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে। এতে বাংলা, গণিত ও ইংরেজিতে দক্ষতা বৃদ্ধি, খেলনাভিত্তিক শিক্ষা, ডিজিটাল কনটেন্ট ও ব্যবহারিক শিখন কার্যক্রমে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

এছাড়া মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে সমন্বিত ‘শিক্ষক নীতিমালা’ প্রণয়নের কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।

মনিটরিং ব্যবস্থার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তদারকি আরও কার্যকর করার জন্য ১১ ধাপের বিদ্যালয় পরিদর্শন পদ্ধতি এবং ডিজিটাল তথ্যব্যবস্থা উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নদীভাঙনপ্রবণ ও পাহাড়ি অঞ্চলসহ ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় শিশুবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণের ওপর জোর দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও ঝরে পড়া রোধে অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষকদের মর্যাদা, বেতন-ভাতা ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে অগ্রাধিকার দেওয়া জরুরি।

শিক্ষাখাতে পর্যায়ক্রমে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দের লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে এবং প্রথম অর্থবছরেই এ খাতে ২ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী। এতে আরও বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য মো. মোক্তার আলী, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য রেজা কিবরিয়া ও বীথিকা বিনতে হোসাইন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী গিয়াস উদ্দিন রিমন এবং গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে. চৌধুরী।

জাতীয় সংলাপে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, দেশি-বিদেশি উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধি এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%